Blog

  • ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গলের পক্ষে বহ্নি বেপারীর ব্যাপক গণসংযোগ

    ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গলের পক্ষে বহ্নি বেপারীর ব্যাপক গণসংযোগ

     

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থী, বিশিষ্ট শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও শিশু সাহিত্যিক বহ্নি বেপারী লাঙ্গল মার্কার সমর্থনে ব্যাপক গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। গতকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডি ও এর আশপাশের এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তিনি ভোট প্রার্থনা করেন।

    উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের আহ্বানে ভোটারদের দ্বারে বহ্নি বেপারী:
    গণসংযোগকালে বহ্নি বেপারী ধানমন্ডির নিজাম শংকর প্লাজা (১৫/এ), ইবনে সিনা হাসপাতাল গলি এবং ছায়ানট প্রাঙ্গণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

    প্রার্থীকে নিয়ে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা লিফলেট বিতরণ করেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। গণসংযোগকালে কলাবাগান থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. অপু সিকদার, ধানমন্ডি থানা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম দেওয়ান, মহিলা নেত্রী নাজমা আক্তারসহ দলের বিভিন্ন স্তরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    ‘উন্নত ঢাকার ভিত্তি গড়েছিলেন এরশাদ’:
    গণসংযোগ শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বহ্নি বেপারী বলেন, “পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবদান এ দেশের মানুষ কোনোদিন ভুলবে না। আজকের আধুনিক ও উন্নত ঢাকার রূপকার ছিলেন তিনি। বিশেষ করে ১৯৮৮ সালের প্রলয়ঙ্করী বন্যার পর ঢাকাবাসীকে রক্ষায় তিনি যে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছিলেন, তা রাজধানীর উন্নয়নের মাইলফলক হয়ে আছে।”

    তিনি আরও বলেন, “হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এই ঢাকাকে তিলোত্তমা ঢাকা হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। সেই তিলোত্তমা ঢাকা আর নেই। আমি নির্বাচিত হলে সেই তিলোত্তমা ঢাকাকে আবারও ফিরিয়ে আনবো। আর ঢাকা-১০ আসন থেকেই শুরু হবে তিলোত্তমা ঢাকা গড়ার কাজ।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “জাতীয় পার্টি উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। সাধারণ মানুষ আজও এরশাদ সরকারের আমলের সুশাসনের কথা স্মরণ করে।”

    সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী:
    নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে বহ্নি বেপারী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “যদি আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, তবে ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গল মার্কা শতভাগ বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ।” ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়ায় তিনি জয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী বলে জানান। প্রচারণা শেষে লাঙ্গলের সমর্থনে নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ধানমন্ডি এলাকা।

  • ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গলের পক্ষে বহ্নি বেপারীর ব্যাপক গণসংযোগ

    ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গলের পক্ষে বহ্নি বেপারীর ব্যাপক গণসংযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থী, বিশিষ্ট শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও শিশু সাহিত্যিক বহ্নি বেপারী লাঙ্গল মার্কার সমর্থনে ব্যাপক গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। গতকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডি ও এর আশপাশের এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তিনি ভোট প্রার্থনা করেন।

    উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের আহ্বানে ভোটারদের দ্বারে বহ্নি বেপারী:
    গণসংযোগকালে বহ্নি বেপারী ধানমন্ডির নিজাম শংকর প্লাজা (১৫/এ), ইবনে সিনা হাসপাতাল গলি এবং ছায়ানট প্রাঙ্গণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

    প্রার্থীকে নিয়ে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা লিফলেট বিতরণ করেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। গণসংযোগকালে কলাবাগান থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. অপু সিকদার, ধানমন্ডি থানা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম দেওয়ান, মহিলা নেত্রী নাজমা আক্তারসহ দলের বিভিন্ন স্তরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    ‘উন্নত ঢাকার ভিত্তি গড়েছিলেন এরশাদ’:
    গণসংযোগ শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বহ্নি বেপারী বলেন, “পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবদান এ দেশের মানুষ কোনোদিন ভুলবে না। আজকের আধুনিক ও উন্নত ঢাকার রূপকার ছিলেন তিনি। বিশেষ করে ১৯৮৮ সালের প্রলয়ঙ্করী বন্যার পর ঢাকাবাসীকে রক্ষায় তিনি যে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছিলেন, তা রাজধানীর উন্নয়নের মাইলফলক হয়ে আছে।”

    তিনি আরও বলেন, “হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এই ঢাকাকে তিলোত্তমা ঢাকা হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। সেই তিলোত্তমা ঢাকা আর নেই। আমি নির্বাচিত হলে সেই তিলোত্তমা ঢাকাকে আবারও ফিরিয়ে আনবো। আর ঢাকা-১০ আসন থেকেই শুরু হবে তিলোত্তমা ঢাকা গড়ার কাজ।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “জাতীয় পার্টি উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। সাধারণ মানুষ আজও এরশাদ সরকারের আমলের সুশাসনের কথা স্মরণ করে।”

    সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী:
    নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে বহ্নি বেপারী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “যদি আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, তবে ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গল মার্কা শতভাগ বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ।” ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়ায় তিনি জয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী বলে জানান। প্রচারণা শেষে লাঙ্গলের সমর্থনে নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ধানমন্ডি এলাকা।

  • যমুনার চরে উষ্ণতার ছোঁয়া: তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর মুখে হাসি ফোটাল শীতবস্ত্র

    যমুনার চরে উষ্ণতার ছোঁয়া: তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর মুখে হাসি ফোটাল শীতবস্ত্র

    আলমাস হোসাইন :
    কনকনে শীতে কাঁপছে যমুনার চরাঞ্চল। চারদিকে ধু-ধু বালুচর, কুয়াশায় ঢেকে থাকা সকাল আর ঠান্ডা বাতাসে স্কুলমুখী ছোট ছোট শিশুরা। অনেকের গায়েই নেই পর্যাপ্ত শীতের পোশাক। শীত উপেক্ষা করেই তারা ছুটে আসে পাঠশালায়—স্বপ্ন দেখার টানে।
    ঠিক এমন সময় তাদের পাশে দাঁড়াল একটি সামাজিক সংগঠন।
    মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার দুর্গম যমুনা চরাঞ্চলের আলোকদিয়া বাতেনের পাড়া নূরানী মাদরাসা মাঠে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) ভিন্ন এক দৃশ্যের দেখা মেলে। ‘বৃন্ত’ নামের সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেওয়া হয় শীতের উষ্ণ সোয়েটার। ঢাকা উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবালের নেতৃত্বে আয়োজিত এ কার্যক্রমে দুইটি মাদরাসা ও দুইটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
    সোয়েটার পেয়ে শিশুদের চোখেমুখে ছিল আনন্দের ঝিলিক। কেউ সঙ্গে সঙ্গেই গায়ে জড়িয়ে নেয়, কেউ আবার বন্ধুদের দেখিয়ে হাসে। যেন ছোট্ট একটি উপহারেই শীতের কষ্ট কিছুটা ভুলে গেছে তারা।
    স্থানীয়রা জানান, চরাঞ্চলের অধিকাংশ পরিবারই দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতেই যেখানে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে শীতের বাড়তি পোশাক অনেকের জন্য বিলাসিতা। ফলে অনেক শিক্ষার্থী পুরোনো বা পাতলা কাপড় পরেই স্কুলে আসে।
    কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, বাসায় শীতের কাপড় থাকলেও স্কুলে পরার মতো ভালো পোশাক ছিল না। নতুন সোয়েটার পেয়ে তারা খুব খুশি।
    উদ্যোক্তারা জানান, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য থেকেই এ আয়োজন। মাহফুজ ইকবাল বলেন, সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের দায়িত্ব। দুর্গম এ চরাঞ্চলে শিক্ষার্থীদের জন্য সামান্য কিছু করতে পেরে আমরা আনন্দিত। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম চালু থাকবে।
    এ সময় সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
    শীতের সকালে চরাঞ্চলের শিশুদের মুখে যে হাসি ফুটেছিল, সেটিই যেন প্রমাণ করে—সামান্য সহযোগিতাও অনেক বড় উষ্ণতা হয়ে উঠতে পারে।

  • আশুলিয়ায় অটোরিকশা চুরি চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

    আশুলিয়ায় অটোরিকশা চুরি চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকার আশুলিয়ায় সক্রিয় অটোরিকশা চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চোরাইকৃত ৩টি মিশুক অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।
    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রুবেল হাওলাদার।
    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে আশুলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান ফটকের সামনে অভিযান চালিয়ে একটি চোরাইকৃত মিশুক অটোরিকশাসহ মোঃ সজিব (২২) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে চক্রের আরেক সদস্য সেকেন্দারের নাম প্রকাশ করে।
    পরে রাতে আশুলিয়ার ঘোষবাগ সুতলির মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ সেকেন্দার (৩০)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্থানীয় মোঃ হাফিজের একটি গ্যারেজে তল্লাশি চালিয়ে আরও দুটি চোরাইকৃত অটোরিকশা উদ্ধার করে পুলিশ।
    আটক সজিব ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানার চেচুয়া এলাকার মৃত আনিছের ছেলে এবং সেকেন্দার গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার ফকিরপাড়া কাজীদাহ এলাকার মৃত আনিছুর রহমানের ছেলে। তারা বর্তমানে আশুলিয়ার জিরাবো ও ঘোষবাগ এলাকায় বসবাস করছিল বলে জানা গেছে।
    ওসি রুবেল হাওলাদার জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং শনিবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি রুবেল হাওলাদার

    ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি রুবেল হাওলাদার

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি:
    ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুবেল হাওলাদার, পিপিএম।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা জেলার ঐতিহ্যবাহী মিল ব্যারাক পুলিশ লাইন্সের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ, প্রশাসনিক ও অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর আশুলিয়া থানার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ওসি রুবেল হাওলাদারের পেশাদার ও সময়োপযোগী নেতৃত্বে থানার সার্বিক কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আসে। আইন-শৃঙ্ঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন, অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, মামলা গ্রহণে স্বচ্ছতা এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারে তার ভূমিকা বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। সার্বিক মূল্যায়নের ভিত্তিতেই তাকে ঢাকা জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

    এই অর্জনে আশুলিয়াবাসীর মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকরা বলেন, ওসি রুবেল হাওলাদারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি ও সেবার মান বেড়েছে, সাধারণ মানুষ এখন আগের চেয়ে বেশি নিরাপদ বোধ করছেন।

    এ বিষয়ে ওসি মো. রুবেল হাওলাদার বলেন,ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার জনাব মো. মিজানুর রহমান স্যারের নেতৃত্বে আশুলিয়া থানার সকল অফিসার ও ফোর্স একসঙ্গে কাজ করছে। এই স্বীকৃতি পুরো টিমের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। আশুলিয়াকে একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

  • ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন কাঁচপুর এলাকায় ‘রিভারভিউ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন কাঁচপুর এলাকায় ‘রিভারভিউ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ

    1. রিপোর্ট: নিজস্ব প্রতিবেদক

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন কাঁচপুর ব্রিজে ওঠার আগে বাম পাশে অবস্থিত ‘রিভারভিউ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’-এ দীর্ঘদিন ধরে দেহ ব্যবসা, মাদক সেবন ও কারবারসহ বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, নামমাত্র একটি হোটেল-রেস্টুরেন্টের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি কার্যত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

    অভিযোগ অনুযায়ী, হোটেলটির মালিক জাহিদ ও ম্যানেজার বাবুর প্রত্যক্ষ মদদে এসব কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে। এলাকাবাসীর ভাষ্য, দিনের বেলায় হোটেল-রেস্টুরেন্টের আড়ালে ব্যবসা চললেও সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে অপরিচিত নারী-পুরুষের যাতায়াত বেড়ে যায় এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।

    স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, মহাসড়কের পাশে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে চলতে থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের জন্য এ ধরনের কর্মকাণ্ড মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

    এ বিষয়ে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সাংবাদিকরা হোটেলটির ম্যানেজার বাবুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন ও হুমকিমূলক বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাবু দাবি করেন, “আমরা থানা ম্যানেজ করেই চালাচ্ছি, আপনারা পারলে কিছু করে দেখান।” —এ ধরনের বক্তব্য প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয়ভাবে একাধিকবার আপত্তি ও অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে তারা প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন।

    এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাংবাদিকদের বলেন,
    “আমার জানামতে এরকম কাজ হয় না। যেহেতু আপনি বলেছেন, আমি এক্ষুনি গাড়ি পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

    পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে এলাকাবাসী এখন কেবল বেসামরিক প্রশাসনের ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন। তাদের জোরালো দাবি, অবিলম্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ওই হোটেলটিতে চলমান সব ধরনের অসামাজিক ও অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে এবং এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

    এ বিষয়ে হোটেল মালিক মালিক জাহিদ এর বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এই এলাকার সামাজিক পরিবেশ আরও ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

  • টঙ্গীতে রাজমহল ও মঞ্জুরি দুই হোটেলে মাদক ও দেহব্যবসার অভিযোগ, স্থানীয়দের উদ্বেগ

     

    গাজীপুর প্রতিনিধি:-

    টঙ্গী বাজার রাজমহল ও মঞ্জুরী দুটি আবাসিক হোটেলে মাদক সেবন ও দেহব্যবসাসহ অবৈধ কার্যক্রম চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ‘রাজমহল’ ও ‘মঞ্জুরি’ নামের এই দুটি হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে এসব অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে।
    এলাকাবাসীদের অভিযোগ, হোটেল দুটিতে রাতের বেলা সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আনাগোনা দেখা যায়। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের অবাধ যাতায়াত এবং মাদক সেবনের ঘটনা নিয়মিত ঘটছে বলে তারা জানান।
    একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এই দুটি হোটেল এলাকার জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ চলে। বিষয়টি নিয়ে আমরা একাধিকবার প্রশাসনকে অবহিত করলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”
    এলাকার অভিভাবকরা জানান, হোটেল দুটির কারণে তাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। তারা বলেন, এখানে মাদক সহজলভ্য থাকায় যুবকদের মধ্যে মাদকাসক্তি বাড়ছে।
    স্থানীয় সামাজিক সংগঠনগুলো হোটেল দুটির বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। তারা বলছেন, প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে এই অবৈধ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
    টঙ্গী থানার একজন কর্মকর্তা জানান, এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করা হয়। তবে সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণসহ অভিযোগ দায়ের করা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।
    এলাকাবাসী বলছেন, হোটেল দুটিতে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা না হলে এলাকায় সামাজিক অবক্ষয় আরও বৃদ্ধি পাবে। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত এবং কার্যকর পদক্ষে আশা করেছেন।

  • আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ী থেকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ী থেকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা জেলা প্রতিনিধি 
    ঢাকার আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
    বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
    তিনি জানান, এর আগে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়া থানার টঙ্গাবাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের সময় দুই কারবারিকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানার কোনাগাতী এলাকার মৃত আবু বক্কর সরকারের ছেলে সাকমান হোসেন (৪৬) এবং ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার টঙ্গাবাড়ী এলাকার মো. আ. জলিলের ছেলে মানিক (৩০)।
    ডিবি পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সাভার-আশুলিয়াসহ আশপাশের এলাকায় মাদক সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করেছে। তারা একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্রের সক্রিয় সদস্য।
    এ বিষয়ে ডিবি পুলিশের ওসি মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • আশুলিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু, ঘাতক ট্রাক ও চালক আটক

    আশুলিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু, ঘাতক ট্রাক ও চালক আটক

    আলমাস হোসাইন (ঢাকা) প্রতিনিধি:
    ঢাকার আশুলিয়ায় কর্মস্থলে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় তাঞ্জিলা বেগম (৩৫) নামে এক নারী পোশাক শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ট্রাক ও এর চালককে আটক করেছে পুলিশ।
    শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকায় নবীনগর–চন্দ্রা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুশফিকুল ইসলাম।
    পুলিশ জানায়, সকালে তাঞ্জিলা বেগম ব্যাটারিচালিত একটি ইজিবাইকে করে ডিইপিজেডের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট-১২৫০৩৩) ইজিবাইকটিকে ধাক্কা দিলে তিনি ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।
    ঘটনার পর স্থানীয়রা ট্রাকটি ধাওয়া করে আটক করেন এবং চালক আব্বির হোসেনকে সাভার হাইওয়ে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। পুলিশ ট্রাকটিও জব্দ করেছে।
    নিহত তাঞ্জিলা বেগমের পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ জানায়, তিনি ‘গোল্ডেন স্টিচ ডিজাইন লিমিটেড’ নামের একটি পোশাক কারখানায় জুনিয়র অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
    এসআই মুশফিকুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে এবং তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। পরিবার উপস্থিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
    পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

  • আশুলিয়ায় আসামি গ্রেপ্তারকালে পুলিশের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, এসআই আহত

    আশুলিয়ায় আসামি গ্রেপ্তারকালে পুলিশের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, এসআই আহত

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকার আশুলিয়ায় মামলার আসামি গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ হামলায় আশুলিয়া থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই) গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
    শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে আশুলিয়ার গোমাইল বাংলাবাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে রাত ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদার।
    আহত পুলিশ সদস্যের নাম এসআই মনিরুল ইসলাম। তিনি আশুলিয়া থানায় কর্মরত।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এসআই মনিরুল ইসলাম একটি মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোমাইল বাংলাবাজার এলাকায় অভিযানে যান। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন সন্ত্রাসী তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন।
    স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভর্তি করে চিকিৎসা প্রদান করছেন। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদার বলেন,
    আমি ঘটনাস্থলে এসে বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত গুরুতর। কারা জড়িত রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।
    পুলিশের ওপর এমন ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
    এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।