Blog

  • আশুলিয়ায় বাসাবাড়িতে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৪টি কক্ষ

    আশুলিয়ায় বাসাবাড়িতে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৪টি কক্ষ

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকার আশুলিয়ায় একটি বাসাবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
    বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আশুলিয়ার পশ্চিম বাইপাইল এলাকার নিলুফা আক্তারের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে ওই বাড়ির আধাঁপাকা ভবনের চারটি কক্ষ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়।
    ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রাত ৮টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুন নেভানোর আগেই চারটি কক্ষ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
    এ বিষয়ে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার প্রণব চৌধুরী জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ তদন্ত শেষে নিশ্চিত করা যাবে।
    অগ্নিকাণ্ডে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

  • আশুলিয়ায় ডিবির পৃথক অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    আশুলিয়ায় ডিবির পৃথক অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি:
    ঢাকার আশুলিয়ায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ১০০ পিস ইয়াবাসহ তিন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
    বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম।
    ডিবি সূত্র জানায়, বুধবার (০৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়ার উত্তর গাজিরচট এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাসেল মিয়া (২৮) ও আলিম (৪৮) নামে দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ইয়ারপুর এলাকায় আরও একটি অভিযান চালিয়ে মিন্টু মোল্লা (৩০) নামে আরেক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে মোট ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—
    ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা থানার সরলপাড়া এলাকার মৃত চান মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া (২৮),
    গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি থানার ভাদুলিয়া এলাকার মৃত লুৎফর সরদারের ছেলে আলিম (৪৮)
    এবং ফরিদপুর জেলার মধুখালি থানার চর বালিয়াডাঙ্গা এলাকার ওদুদ মোল্লার ছেলে মিন্টু মোল্লা (৩০)।
    তারা সবাই আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
    ডিবি পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার মাদক কারবারি। দীর্ঘদিন ধরে তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে আশুলিয়া ও আশপাশের এলাকায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল।
    এ বিষয়ে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • পারমাণবিক শক্তি গবেষণা কেন্দ্রের আবাসিক এলাকায় মাদক কার্যক্রমের অভিযোগ, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    পারমাণবিক শক্তি গবেষণা কেন্দ্রের আবাসিক এলাকায় মাদক কার্যক্রমের অভিযোগ, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও কেপিআইভুক্ত স্থাপনা পারমাণবিক শক্তি গবেষণা কেন্দ্রের আবাসিক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও বেচাকেনা চলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই নিয়মিতভাবে মাদকের আড্ডা বসছে, যা কেন্দ্রটির সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
    সাম্প্রতিক এক ঘটনায় মাদকসহ কয়েকজনকে পুলিশ আটক করলেও পরবর্তীতে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। এতে করে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
    সূত্র জানায়, কয়েকদিন আগে একদল ব্যক্তি মাদক সেবনের পর পারমাণবিক শক্তি গবেষণা কেন্দ্রের পুলিশ ফাঁড়ির সামনে এসে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তাদের আটক করে তল্লাশি চালায়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় মদ ও ট্যাবলেট সদৃশ্য মাদক উদ্ধার করা হয়।
    আটককৃতরা হলেন—পারমাণবিক শক্তি গবেষণা কেন্দ্রের হিসাব সহকারী রিয়াজ মাহমুদ, বৈজ্ঞানিক সহকারী নাসরিন সুলতানার ছেলে আপন, ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট মিতুর ভাই নাঈম এবং নজরুল ইসলাম জহুরের ছেলে ফারদিন ইসলাম জিম। তারা সবাই কেন্দ্রের আবাসিক কোয়ার্টারে বসবাসকারী বলে জানা গেছে।
    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পারমাণবিক শক্তি গবেষণা কেন্দ্র পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. কামাল হোসেন জানান, ৩১ নভেম্বর কয়েকজন ব্যক্তি মাদক সেবন করে ফাঁড়ির সামনে এসে পুলিশকে গালিগালাজ করতে থাকে। পরে তাদের আটক করে তল্লাশি চালানো হলে দেশীয় মদ ও বড়ি পাওয়া যায়। তিনি আরও বলেন, পরে কেন্দ্রের মহাপরিচালকের দুই প্রতিনিধি আজিবর রহমান ও শাজাহানসহ আটককৃতদের স্বজনরা এসে তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে যান। বিষয়টি মহাপরিচালকের এখতিয়ারভুক্ত বলে তিনি জানান।
    তবে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কেন্দ্রের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা আজিবর রহমান মোল্লা। তিনি বলেন,
    এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। এটি কর্তৃপক্ষের বিষয়। আমার ওপরও প্রশাসন রয়েছে। আমি শুধু মুখে মুখে শুনেছি, এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।
    এ বিষয়ে পারমাণবিক শক্তি গবেষণা কেন্দ্রের মহাপরিচালক ড. মো. সাইফুল্লাহর বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পাঠানো ক্ষুদে বার্তারও কোনো জবাব মেলেনি।
    উল্লেখ্য, সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে পারমাণবিক শক্তি গবেষণা কেন্দ্রের মহাপরিচালক ড. মো. সাইফুল্লাহকে ঘিরে অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ১০ কোটি টাকার বিনিময়ে ডিজি পদ লাভের অভিযোগ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই ঘটনার পর থেকেই তিনি সংবাদমাধ্যমের ফোন রিসিভ করছেন না বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
    কেপিআইভুক্ত একটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ভেতরে প্রকাশ্যে মাদক সেবন, পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পরও প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে ছাড়া পাওয়ার অভিযোগ কেন্দ্রটির নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। যেখানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও কঠোর নজরদারির কথা, সেখানে কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের অপরাধ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চলতে পারে—তা নিয়েই এখন প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল।

  • আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ২০ বোতল বিদেশি মদসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ২০ বোতল বিদেশি মদসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকার আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ বোতল বিদেশি মদসহ তিনজন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। দীর্ঘদিন ধরে মাদকের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী এ অভিযানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
    বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম।
    ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়া থানার বাইপাইল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তাদের হেফাজত থেকে ২০ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—
    নোয়াখালী জেলার সদর থানার সূর্য নারায়ণপুর এলাকার ফারুকে ছেলে রুবেল ইসলাম রাশেদ (২০),
    শেরপুর জেলার সদর থানার আন্দারিয়া কামারপাড়া এলাকার মৃত মান্নান মিয়ার ছেলে সোহাগ আহম্মেদ রাব্বি (২০)
    এবং নোয়াখালী জেলার সদর থানার দামোধরপুর এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে নুর আলম (২৫)।
    ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার মাদক কারবারি বলে স্বীকার করেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে আশুলিয়াসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় বিদেশি মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল।
    এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া
    এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা ডিবি পুলিশের অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বাইপাইল এলাকার এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
    এই এলাকায় কিছুদিন ধরেই মাদকের দৌরাত্ম্য বেড়ে গিয়েছিল। সন্ধ্যার পর অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা বাড়ছিল। ডিবির এই অভিযান আমাদের জন্য স্বস্তির।
    স্থানীয় এক অভিভাবক জানান,
    মাদক কারবারিদের কারণে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আতঙ্কে থাকতে হতো। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে এলাকা অনেকটাই নিরাপদ হবে।
    আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,
    আমরা চাই, শুধু গ্রেপ্তার নয়—মাদকের মূল উৎস ও সিন্ডিকেটকেও আইনের আওতায় আনা হোক।
    পুলিশের বক্তব্য
    এ বিষয়ে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন,
    মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানো হয়েছে।
    তিনি আরও বলেন,
    আশুলিয়াসহ শিল্পাঞ্চলগুলোকে মাদকমুক্ত রাখতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

  • আশুলিয়ার শ্রমিক কলোনিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

    আশুলিয়ার শ্রমিক কলোনিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

    গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজে পুড়ে ছাই ৪টি ঘর
    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকার আশুলিয়ায় একটি শ্রমিক কলোনিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে কলোনির চারটি কক্ষ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
    শনিবার ৩ তারিখ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন ইয়ারপুর ইউনিয়নের আব্দুর রহমানের মালিকানাধীন শ্রমিক কলোনিতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
    ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রাত ৮টার দিকে আগুনের খবর পেয়ে জিরাবো মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। তবে এর আগেই কলোনির চারটি কক্ষ সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়।
    প্রাথমিক তদন্তে ফায়ার সার্ভিস জানায়, গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে।
    ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

  • ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপি প্রার্থী ডাঃ সালাউদ্দিন বাবুর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

    ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপি প্রার্থী ডাঃ সালাউদ্দিন বাবুর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকা-১৯ (সাভার–আশুলিয়া) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডাঃ দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবুর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তাঁর দাখিলকৃত কাগজপত্র সকল আইনগত শর্ত পূরণ করায় প্রার্থিতা বৈধ হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পেলেন।
    মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার খবরে ঢাকা-১৯ আসনের বিএনপি নেতাকর্মী ও স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, জনসম্পৃক্ততা, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক ন্যায়বিচারের পক্ষে দৃঢ় অবস্থানের কারণে ডাঃ দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবু ধানের শীষ প্রতীকে এই আসনে উল্লেখযোগ্য সমর্থন অর্জন করবেন।
    প্রতিক্রিয়ায় ডাঃ দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন বাবু বলেন, “নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের জন্য আমি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং দুর্নীতিমুক্ত সাভার–আশুলিয়া গড়ার লক্ষ্যে আমি নির্বাচনী মাঠে সর্বাত্মকভাবে কাজ করে যাবো।
    উল্লেখ্য, শিল্পাঞ্চল ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় ঢাকা-১৯ (সাভার–আশুলিয়া) আসনটি জাতীয় রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসন হিসেবে বিবেচিত।

  • বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হত্যা মামলার আসামি তূর্য গ্রেপ্তার

    বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হত্যা মামলার আসামি তূর্য গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি 
    ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি সাভার পৌরসভার নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগ নেতা আহমেদ ফয়সাল নাঈম তূর্যকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
    ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানাধীন আগারগাঁও এলাকার পানির ট্যাংকের মোড় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত তূর্য সাভারের আওয়ামী লীগ নেতা আবু আহমেদ পাভেল নাসিমের পুত্র এবং তিনি সাভার পৌরসভার নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত।
    আরও জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত ছাত্র-জনতা হত্যা সংক্রান্ত ছয়টি মামলাসহ তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আরও একটি মামলা রয়েছে।
    এ বিষয়ে ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ জন গ্রেপ্তার, প্রত্যেকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

    আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১৪ জন গ্রেপ্তার, প্রত্যেকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকার আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১৪ জন মাদকসেবী ও মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে প্রশাসন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁদের প্রত্যেককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
    শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত আশুলিয়ার জামগড়া ও আশপাশের এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তারের পর রাতেই আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আকতারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জামগড়া এলাকায় মাদক সেবন ও অবৈধ কারবার চলার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এরই প্রেক্ষিতে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ১৪ জন মাদকসেবী ও কারবারিকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
    ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযুক্ত প্রত্যেককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা প্রদান করেন। সাজা ঘোষণার পর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে প্রিজন ভ্যানে করে দণ্ডপ্রাপ্তদের ঢাকার সংশ্লিষ্ট কারাগারে পাঠানো হয়।
    এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আকতার বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

  • প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

    গত ১ জানুয়ারি একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে ‘আশুলিয়ায় জমি দখলের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মেজর (অবঃ) জহিদুজ্জামান।
    শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাতে ‘দৈনিক বাংলাদেশ ক্রাইম’-এ প্রেরিত এক প্রতিবাদ বার্তায় তিনি জানান, উক্ত সংবাদটি সম্পূর্ণ ভুয়া, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল মৌজায় ক্রয়কৃত ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ জমির খাজনা ও খারিজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। ফলে জমি দখলের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
    তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত ৩১ ডিসেম্বর বৈধ মালিকানার ভিত্তিতে জমিতে একটি সাইনবোর্ড স্থাপন করা হলে আহসানুল্লাহ সরকার নামে এক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন, যার ভিত্তিতে সংবাদটি প্রকাশিত হয়। এতে তিনি সামাজিক, মানসিক ও দাফতরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
    তিনি এ ধরনের যাচাই-বাছাইহীন সংবাদের নিন্দা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ও অনুসন্ধানমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

  • সাভারে ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে হত্যা, এলাকায় আতঙ্ক

    সাভারে ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে হত্যা, এলাকায় আতঙ্ক

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি:
    ঢাকার সাভারে এক ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
    পুলিশ জানায়, সাভার উপজেলার আমিনবাজার ইউনিয়নের বড়দেশী উত্তরপাড়া এলাকায় নিজ বসতঘর থেকে ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুর্বৃত্তরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে পালিয়ে যায়। বিকেলের দিকে ঘরের ভেতরে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা সাভার মডেল থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
    নিহত দেলোয়ার হোসেন পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি বিভিন্ন স্থান থেকে জুতা সংগ্রহ করে দোকানে দোকানে বিক্রি করতেন বলে জানা গেছে।
    হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
    এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলী বলেন, কারা ও কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
    পুলিশ জানিয়েছে, দ্রুত সময়ের মধ্যেই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হবে।