Author: DBC

  • হালদার স্রোতে ভেসে গেল তিন উপজেলার সংযোগ সাঁকো, দুর্ভোগে অর্ধলক্ষাধিক মানুষের।

    হাটহাজারী(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
    টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে হালদা নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন সংলগ্ন নদীর ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে গেছে। এতে হাটহাজারী, রাউজান ও ফটিকছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামের অন্তত অর্ধলক্ষাধিক মানুষের যাতায়াত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, কৃষক ও দিনমজুরসহ সাধারণ মানুষ।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে হালদা নদীর ওপর নির্মিত এই বাঁশের সাঁকোটি তিন উপজেলার মানুষের অন্যতম প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। প্রতিদিন শত শত মানুষ এ পথ দিয়ে হাটহাজারী সদর, চট্টগ্রাম শহর এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতেন। নাঙ্গলমোড়া, নোয়াজিষপুর ও দক্ষিণ নিশ্চিন্তাপুর এলাকার শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত এই সাঁকো ব্যবহার করে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যেতেন।
    কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে সাঁকোটি সম্পূর্ণ ভেঙে যাওয়ায় এখন স্থানীয়দের দীর্ঘ পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে। এতে সময়ের অপচয়ের পাশাপাশি বাড়তি যাতায়াত ব্যয়ও বহন করতে হচ্ছে।

    হাটহাজারী উপজেলা বিএনপি সিনিয়র সদস্য নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক নাঙ্গলমোড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সদস্য আলহাজ্ব লায়ন সালাউদ্দীন আলী বলেন, “
    হালদা নদীর ওপর নির্মিত এই সাঁকোটি শুধু একটি বাঁশের সাঁকো নয়, এটি হাটহাজারী, রাউজান ও ফটিকছড়ি—এই তিন উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার হাজারো মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার অন্যতম প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। অনেককে কয়েক কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে, এতে সময় ও অর্থ—উভয় দিক থেকেই মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
    আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি, জনগণের দুর্ভোগের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত একটি নিরাপদ বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের এই জনদাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে স্থায়ীভাবে একটি পাকা সেতু নির্মাণের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। আশা করি, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে অতিদ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেবে, যাতে তিন উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির স্থায়ী অবসান ঘটে।”

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই বাঁশের সাঁকোটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। বছরের পর বছর অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হলেও এখনো স্থায়ী সেতু নির্মাণ না হওয়ায় দুর্ভোগ লেগেই আছে। তাই দ্রুত একটি পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
    জানা গেছে, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি বিবেচনায় নিয়ে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একটি ডিও লেটার প্রদান করেছেন।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রস্তাবিত স্থায়ী সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বর্তমানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রক্রিয়ায় রয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন হলে দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
    এদিকে, দ্রুত সাঁকোটি পুনঃস্থাপন অথবা নিরাপদ বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থা না করা হলে চলমান বর্ষা মৌসুমে কয়েক হাজার পরিবারের দুর্ভোগ আরও তীব্র হবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

  • দুর্নীতিবিরোধী সংগঠন গ্রীন ফোর্স বাংলাদেশের সদরপুর উপজেলা শাখার কমিটি অনুমোদন সভাপতি মুফতী মুহাম্মাদ জাকির হুসাইন ফরিদী, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. নুরুল ইসলাম

    ফরিদপুর প্রতিনিধি:
    দুর্নীতিবিরোধী, সামাজিক ও পরিবেশবাদী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গ্রীন ফোর্স বাংলাদেশ-এর ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা শাখার ১৫ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন লাভ করেছে।

    সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গত ১৮ জুন ২০২৬ তারিখে কমিটি গঠন করা হয়। পরে কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মতিক্রমে ২৭ জুন ২০২৬ তারিখে গ্রীন ফোর্স বাংলাদেশ ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট পলি ও সাধারণ সম্পাদক এস এম শাহান-এর স্বাক্ষরে কমিটিটি অনুমোদিত হয়। পরবর্তীতে ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে অনুমোদনপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে সদরপুর উপজেলা শাখার নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    অনুমোদিত কমিটিতে ইসলামিক স্কলার মুফতী মুহাম্মাদ জাকির হুসাইন ফরিদী সভাপতি এবং সাংবাদিক মো. নুরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।

    কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— সহ-সভাপতি কাজী আব্দুস সামাদ ও মো. আব্দুস সোবহান মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক হাফেজ আব্দুল আউয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক

  • দীঘিনালাতে ইয়াবা সেবনের দায়ে মাদক সম্রাট রিপনের তিন মাসের কারাদণ্ড

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী পুরাতন বাজার এলাকায় ইয়াবা সেবনের দায়ে এক যুবককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দীঘিনালা থানা পুলিশের সহযোগিতায় পরিচালিত অভিযানে বোয়ালখালী পুরাতন বাজার এলাকার সড়ক থেকে মো. রিপন (২৫) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। তিনি বোয়ালখালী পুরাতন বাজার এলাকার মৃত ফয়েজ আহাম্মদের ছেলে।

    দীঘিনালা থানা পুলিশ জানায়, সাজা কার্যকরের জন্য দণ্ডপ্রাপ্তকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। মাদক সেবন, বহন কিংবা বিক্রির সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • দীঘিনালা সেনাবাহিনী উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

    খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বন্যাকবলিত কোবাখালী এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন।

    সাম্প্রতিক বন্যায় দুর্ভোগে পড়া স্থানীয় মানুষের মাঝে দীঘিনালা জোনের পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
    একই সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

    বুধবার (৮ জুলাই) দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল আমিন, এসইউপি, পিএসসি বন্যাকবলিত কোবাখালী এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের দুর্ভোগ ও প্রয়োজনের কথা শোনেন এবং সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে কোবাখালী এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অনেক পরিবার চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে দীঘিনালা জোনের এ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম দুর্গত মানুষের মাঝে স্বস্তি এনে দিয়েছে।
    দুর্যোগকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম স্থানীয় জনগণের মধ্যে আস্থা ও নিরাপত্তাবোধ জোরদার করেছে। বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাসও প্রদান করা হয়েছে।

  • নোয়াখালীতে অধ্যক্ষের কক্ষ খুলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বদলের অভিযোগ, চৌধুরীহাট ডিগ্রি কলেজ সভাপতির বিরুদ্ধে


    নোয়াখালী প্রতিনিধি:

    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চৌধুরীহাট ডিগ্রি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে গভীর বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

    কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি অ্যাডভোকেট আজম খানের বিরুদ্ধে একক সিদ্ধান্তে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পরিবর্তনের চেষ্টা, অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়াই তার কক্ষ খোলা, গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্রে হস্তক্ষেপ এবং কলেজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে নতুন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নাম ঘোষণা করার অভিযোগ উঠেছে।

    এসব অভিযোগ করেছেন কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য সাইফুল্লাহ সোহাগ। একই অভিযোগের বিষয়ে গভর্নিং বডির আরও দুই সদস্য এবং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ শাদীও অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

    তবে অভিযোগ অস্বীকার বা ব্যাখ্যা জানাতে অভিযুক্ত সভাপতির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
    পরিচালনা কমিটিকে উপেক্ষা করার অভিযোগ
    গভর্নিং বডির সদস্য সাইফুল্লাহ সোহাগ বলেন, কলেজের পরিচালনা কমিটিতে মোট ১৪ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে দুইজন প্রবাসে অবস্থান করছেন। তার অভিযোগ, সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অ্যাডভোকেট আজম খান গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলোতে অন্য সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করে এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করে আসছেন।

    তিনি বলেন, “প্রতিটি গভর্নিং বডির সভায় সভাপতি নিজের প্রস্তাবই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে চাপিয়ে দিতে চান। সদস্যদের মতামত নেওয়ার পরিবর্তে তিনি সরাসরি রেজুলেশন করতে বলেন।”

    সাইফুল্লাহ সোহাগের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২০জুন ২০২৬ অনুষ্ঠিত গভর্নিং বডির সভায় সভাপতি কোনো পূর্ব আলোচনা ছাড়াই বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ শাদীকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে শাহ আলামকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করার প্রস্তাব দেন।

    তিনি দাবি করেন, উপস্থিত সদস্যরা ওই প্রস্তাবে সম্মতি না দিয়ে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও আলোচনার অনুরোধ জানান। কিন্তু সভাপতি একই প্রস্তাবে অনড় থাকেন।

    পরে সদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি সভা ত্যাগ করেন।
    এমপির হস্তক্ষেপের চেষ্টা
    অভিযোগকারী জানান, পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে গভর্নিং বডির কয়েকজন সদস্য বিষয়টি নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলামের নজরে আনেন। তিনি বিষয়টি শুনে পরিচালনা কমিটির সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে আইনানুগ সমাধানের আশ্বাস দেন।

    অভিযোগে বলা হয়, ৭ জুলাই সভাপতি অ্যাডভোকেট আজম খান সারাদিন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ শাদীকে বিভিন্নভাবে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। তাকে স্বেচ্ছায় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে শাহ আলামকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

    তবে শেখ শাদী পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়া এমন কোনো পদক্ষেপ নিতে রাজি হননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সাইফুল্লাহ সোহাগের অভিযোগ, ওইদিন রাত প্রায় ৮টার দিকে কলেজের অফিস সহকারী ও নৈশপ্রহরীর সহযোগিতায় অধ্যক্ষের কক্ষ খোলা হয়।

    তিনি দাবি করেন, অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়াই কক্ষে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্র, ফাইল ও অন্যান্য কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়। এছাড়া অধ্যক্ষের সরকারি সিল ও প্যাড ব্যবহার করে শেখ শাদীকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি এবং শাহ আলামকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

    পরবর্তীতে কলেজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে শাহ আলামকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি পোস্ট প্রকাশ করা হয়, যা অভিযোগকারীদের মতে সম্পূর্ণ অবৈধ এবং পরিচালনা কমিটির অনুমোদনবিহীন।

    গভর্নিং বডির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম বলেন,
    “দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়া রাতের বেলায় তার কক্ষ খোলা এবং দাপ্তরিক নথিপত্রে হস্তক্ষেপ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। এটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”
    গভর্নিং বডির আরেক সদস্য কবির আহমদ বলেন,
    “যখন বিষয়টি নিয়ে সংসদ সদস্য সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন, তখন তার আগেই এককভাবে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া পরিচালনা কমিটির নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। একজন সদস্য হিসেবে আমি এতে বিব্রত।”

    বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ শাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়গুলো স্বীকার করে বলেন, পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়া দায়িত্ব ছাড়তে তিনি রাজি হননি। এরপর তার অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

    শিক্ষা প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ বা অপসারণের ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রযোজ্য বিধিমালা এবং গভর্নিং বডির অনুমোদিত সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া দায়িত্ব পরিবর্তন করা হলে তা প্রশাসনিক ও আইনি প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

    এছাড়া অনুমতি ছাড়া কোনো কর্মকর্তার দাপ্তরিক কক্ষে প্রবেশ, সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক নথিপত্রে অননুমোদিত হস্তক্ষেপ কিংবা সিল-প্যাড ব্যবহার করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ।

    এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে গভর্নিং বডির সভাপতি অ্যাডভোকেট আজম খানকে ফোন করা হলে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তিনি কল কেটে দেন। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

    উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অভিযোগকারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

  • শিবগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে এসকাফ সিরাপসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের আব্দুলপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯২ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় Eskuf সিরাপসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৫, সিপিসি-১। র‍্যাব জানায়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নিয়মিত টহল ও মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিবগঞ্জ থানাধীন শাহাবাজপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুলপাড়া (সোনামসজিদ স্থলবন্দর) এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে কবির এন্টারপ্রাইজ অফিসের পূর্ব পাশে ফাঁকা জায়গা থেকে মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থানরত মো. আল আমিন ইসলাম ওরফে আলামিন (১৯)-কে আটক করা হয়। তিনি শাহাবাজপুর ইউনিয়নের বালিয়াদিঘী মধ্যপাড়া গ্রামের ফজলু মমিনের ছেলে। পরে তার হেফাজতে থাকা একটি প্লাস্টিকের বস্তা তল্লাশি করে ৯২ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় Eskuf সিরাপ উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত আলামতসহ তাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
    র‍্যাব-৫ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেসার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    “গতিসীমা মেনে চলি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের পেশাগত দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেসার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ বুধবার ০৮ জুলাই সকাল ১০:০০ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ (BRTA) যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ-এর পরিচালক (অডিট ও আইন) (যুগ্মসচিব) জনাব রুবাইয়াৎ-ই-আশিক।

    প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী।

    আরো উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আনিসুর রহমান চাঁপাইনবাগঞ্জ,
    সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) বিআরটিএ শাহজামান হক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ,
    মেডিকেল অফিসার ডা: রাকিবুল ইসলাম,
    টি আই ২ আজিজ ফেরদৌস,মোটরযান পরিদর্শক বি আরটি এর রাসন চাকমা, সাজেদুল ইসলাম মেকানিক্যাল এসিস্ট্যান্ট বিআরটিএ চাঁপাইনবাবগঞ্জ,

    সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) বিআরটিএ চাঁপাইনবাবগঞ্জ,এর শাহজামান হক, কর্মশালায় বক্তব্য বলেন সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে চালকদের গতিসীমা মেনে চলা, ট্রাফিক আইন ও সংকেত যথাযথভাবে অনুসরণ করা এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে আরও বেশি যত্নবান ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। উক্ত রিফ্রেসার প্রশিক্ষণে জেলার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পেশাজীবী গাড়ি চালক অংশ নেন ৬১ জন।

  • বিশ্বনাথে পণ্ডিত ছিপত আলী মেমোরিয়াল স্কুলে বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ।

    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

    বিশ্বনাথ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পণ্ডিত ছিপত আলী মেমোরিয়াল স্কুলের বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানটি বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে স্কুল প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
    বৃক্ষপ্রেমিক আব্দুল গফ্ফার উমরা মিয়ার সভাপতিত্বে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান অমির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. লুৎফুর রহমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের সকলকে পড়ালেখার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজেদের পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ক্রিড়া চর্চা শিক্ষার্থীদের মন ও শরীর গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।’
    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোপাল চন্দ্র সূত্রধর, বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজীদয়াল উদ্দিন তালুকদার, বিএডিসির কর্মকর্তা নাজমুল হক।
    এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষানুরাগী আব্দুল মান্নান রিপন, জাহাঙ্গ

  • তালতলীতে ইলিশ শিকার করতে গিয়ে দুই ট্রলার ডুবি। ১৬ জেলে উদ্ধার, দুই জেলে নিখোজ


    আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

    বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে তালতলী উপজেলার মধ্য আমখোলা গ্রামের দুইটি ট্রলার সাগরে ইলিশ শিকার করতে গিয়ে তলিয়ে গেছে। বুধবার সকালে দুই ট্রলারের ১৬ জন জেলে উদ্ধার করলেও কালাম পাইক ও শহীদুল খান নামের দুইজন জেলে নিখোজ রয়েছেন। নিখোঁজ দুইজনকে ১৮ ঘন্টায় উদ্ধার করতে পারেনি। ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার বিকেলে বঙ্গোপসাগরে কুয়াকাটা এলাকায়। জানাগেছে, তালতলী উপজেলার আমখোলা এলাকার তপন জোমাদ্দার ও ফুল মিয়ার দুইটি ট্রলার ইলিশ শিকার করতে মঙ্গলবার সকালে ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ ঘাট থেকে সাগরে যায়। ওইদিন বিকেলে বৈরি আবহাওয়ায় ট্রলার দুটি সাগরে ডুবে যায়। ট্রলারের জেলেরা সাগরে ভাসতে থাকে। ওই ট্রলার দুটির ১৬ জন জেলে মৌডুবির একটি ফিসিং ট্রলার বুধবার সকালে উদ্ধার করে ফকিরহাট ঘাটে পৌছে দেয়। আর কালাম ও শহীদুল নামের দুইজন জেলে নিখোজ রয়েছে। গত ১৮ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও তাদের উদ্ধার করতে পারেনি। উদ্ধার হওয়া জেলেরা জানান তপন জোমাদ্দারের ট্রলারের দুই জেলে ট্রলারের নীচে রয়েছে। তারা ট্রলার থেকে বের হতে পারেনি। অপর দিকে মঙ্গলবার দুপুরে শুভ সন্ধ্যায় নিখোজ হওয়া পর্যটক দাখিল ফলপ্রার্থী আসাদুলকে একদিনেও উদ্ধার করতে পারেনি। উদ্ধার হওয়া জেলে কামাল ও জামাল বলেন, আমাদের ট্রলারের দুইজন ছাড়া সকল জেলে মৌডুবির একটি ফিসিং ট্রলারে উদ্ধার করেছে। কালাম পাইক ও শহিদুল খান ট্রলারের মধ্য থেকে বের হতে পারিনি। তারা মারা গেছেন না জীবিত আছেন আল্লাই জানে। ট্রলার মালিক তপন জোমাদ্দার বলেন, আমার ট্রলার বৈরি আবহাওয়া ডুবে যায়নি। অন্য একটি ট্রলারে আমার ট্রলার ডুবিয়ে দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, ট্রলারের কালাম পাইক ও শহীদুল খাঁন নামের দুইজন জেলে নিখোজ রয়েছেন। এখন পর্যন্ত তাদের কোন খোজ পাচ্ছি না। তালতলী থানার ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, দুইজন জেলে নিখোজের খবর জেনেছি। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে। তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, দুই ট্রলারে ১৮ জন জেলে ছিল। তার মধ্যে ১৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুই জেলে নিখোজ রয়েছে। তাদের উদ্ধার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

  • সাইফুল ইসলাম সাইফের নির্দেশনায় রুবি গেইট এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার, স্থানীয়দের প্রশংসা

    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

    চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও সাবেক ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম সাইফের নির্দেশনায় নগরীর রুবি গেইট এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ড্রেনের মুখ পরিষ্কার করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেছে পাঁচলাইশ থানা ছাত্রদল।
    পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে পাঁচলাইশ থানা ছাত্রদলের সংগঠক মো. ফাহিম নিজেই ড্রেনের মুখে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করে পানি চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ করেন। এ সময় স্থানীয়রাও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
    কার্যক্রম শেষে মো. ফাহিম বলেন, “যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার কারণেই বর্ষাকালে নালা-নর্দমা বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সাইফুল ইসলাম সাইফের নির্দেশনায় এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাব।”
    এ বিষয়ে সাবেক ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাইফুল ইসলাম সাইফ বলেন, “জনগণের জন্য রাজনীতি করি। এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে মানুষের ভোগান্তি কমাতে সামান্য হলেও যদি ভূমিকা রাখতে পারি, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। জনস্বার্থে এ ধরনের সামাজিক ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
    এদিকে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই জনস্বার্থে এ ধরনের স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমকে সময়োপযোগী ও অনুসরণযোগ্য উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেছেন।