Author: DBC

  • মানবতার সেবায় এক তরুণের অনুপ্রেরণার গল্প: শরিফুল ইসলামের স্বেচ্ছাসেবী জীবনের পথচলা

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    পরিবার থেকেই মানবতা, সহমর্মিতা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা। সেই শিক্ষা বাস্তব জীবনে কাজে লাগিয়ে অল্প বয়সেই অসহায় মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন তরুণ স্বেচ্ছাসেবক শরিফুল ইসলাম। ২০০৬ সালের ০৫ মার্চ জন্মগ্রহণ করা এই তরুণের স্বেচ্ছাসেবী জীবনের শুরু হয় ২০২০ সালে। তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা তাঁর মা, যার হাত ধরেই তিনি প্রথম মানবিক কাজে অংশ নেন।
    শৈশব থেকেই তিনি দেখেছেন, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো কেবল একটি দায়িত্ব নয়, এটি একটি নৈতিক কর্তব্য। পরিবারের এই মূল্যবোধ তাঁকে সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করার সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে। বিশেষ করে তাঁর মায়ের উৎসাহ ও সহযোগিতা তাঁকে স্বেচ্ছাসেবী জীবনে এগিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
    ২০২০ সালে বিশ্ব যখন করোনা মহামারির ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, তখন নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবে ঘরে বসে না থেকে শরিফুল ইসলাম মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। সেই সময় তিনি খাদ্য সহায়তা, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেন। এরপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মানবসেবাকেই তিনি নিজের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেন।
    গত কয়েক বছরে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। রক্তদান ও রক্তদাতা সংগ্রহ, অসুস্থ রোগীদের জন্য জরুরি রক্তের ব্যবস্থা, দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ, ঈদ সামগ্রী বিতরণ, পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা এবং দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো অসংখ্য উদ্যোগে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
    স্বেচ্ছাসেবী কাজের মাধ্যমে তিনি উপলব্ধি করেছেন, একজন মানুষের ছোট্ট সহযোগিতাও অন্য একজন মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তাই তিনি শুধু নিজে কাজ করেই থেমে থাকেননি; বরং সমাজের তরুণদেরও মানবিক কাজে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বিশ্বাস, দেশের তরুণরা যদি স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে এগিয়ে আসে, তাহলে একটি মানবিক, সচেতন ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
    শরিফুল ইসলাম বর্তমানে স্টুডেন্ট মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ–এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে সংগঠনটি রক্তদান কার্যক্রম, অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, খাদ্য ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ, পথশিশুদের জন্য মানবিক উদ্যোগ, বৃক্ষরোপণ, শিক্ষা সহায়তা এবং বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। দেশের বিভিন্ন জেলার অসংখ্য তরুণ স্বেচ্ছাসেবক এই সংগঠনের মাধ্যমে মানবতার সেবায় যুক্ত হয়েছেন।
    তাঁর মতে, স্বেচ্ছাসেবী কাজ কোনো প্রচার বা ব্যক্তিগত অর্জনের বিষয় নয়; বরং এটি মানুষের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ এবং সামাজিক অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ। তিনি সবসময় চেষ্টা করেন, কোনো অসহায় মানুষ যেন সাহায্যের অভাবে কষ্ট না পায়।
    নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শরিফুল ইসলাম বলেন, “আমার মা ছোটবেলা থেকেই শিখিয়েছেন—মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় ইবাদত ও মানবিকতা। সেই শিক্ষা থেকেই আমি মানুষের জন্য কাজ করার সাহস পেয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় কোনো অর্জন নেই। যতদিন বেঁচে থাকব, ইনশাআল্লাহ মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখব।”
    মানবিক মূল্যবোধ, নিষ্ঠা এবং মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কারণে শরিফুল ইসলাম ইতোমধ্যেই অনেক তরুণের কাছে অনুপ্রেরণার নাম হয়ে উঠেছেন। তাঁর স্বপ্ন, বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকায় এমন একদল মানবিক স্বেচ্ছাসেবক গড়ে তোলা, যারা সংকটের সময় নিঃস্বার্থভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াবে এবং একটি সুন্দর, মানবিক ও সহমর্মিতাপূর্ণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবে।
    একজন তরুণের এই মানবিক পথচলা প্রমাণ করে—বয়স নয়, মানুষের জন্য কাজ করার আন্তরিক ইচ্ছাই সমাজে পরিবর্তন আনতে পারে। আর সেই পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়েই প্রতিদিন এগিয়ে চলেছেন মানবিক তরুণ স্বেচ্ছাসেবক শরিফুল ইসলাম।

  • তালতলী শুভ সন্ধ্যায় ঘুরতে গিয়ে পর্যটক নিখোঁজ।

    আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

    সমুদ্র সৈকত শুভ সন্ধ্যায় বেড়াতে গিয়ে সাগরের ঢেউয়ে তলিয়ে আসাদুল নামের এক দাখিল ফল প্রার্থী নিখোজ হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার দুপুরে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাকে খুজে পাওয়া যায়নি।
    জানাগেছে, আমতলী উপজেলার মানিকঝুড়ি গ্রামের সৌদি প্রবাসী মুছা হাওলাদারের ছেলে দাখিল ফলপ্রার্থী মো. আসাদুল, জাকারিয়া, আতাউল্লাহ,শাওন ও সাগর পাঁচ বন্ধু মিলে তালতলী উপজেলার শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে যায়। মঙ্গলবার দুপুরে তারা সাগরে সাতার কাটতে নামে। এ সময় তারা সাগরের ঢেউয়ে তলিয়ে যায়। স্থানীয়রা দেখে চারজনকে উদ্ধার করে কিন্তু আসাদুলকে উদ্ধার করতে পারেনি। খবর পেয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও কোষ্টাপার্ড ঘটনাস্থলে পৌঁছে। তারা তাকে উদ্ধারে চার ঘন্টা ধরে চেষ্টা চালায়। কিন্তু আসাদুলকে উদ্ধার করতে পারেনি। উদ্ধারকৃত চারজনকে উপজেলা প্রশাসন তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন। তারা সুস্থ আছেন। নিখোজ আসাদুলের বাড়ী আমতলী উপজেলার মানিকঝুরি গ্রামে। আসাদুল মানিকঝুরি মোহাম্মদপুর দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষা দিয়েছে।
    বন্ধু জাকারিয়া বলেন, আমরা পাঁচ বন্ধু মিলে সাগরে সাতার কাটতে নামি। এ সময় ঢেউ আসলে আমরা পানিতে তলিয়ে যাই। স্থানীয়দের সহায়তায় চারজনকে উদ্ধার করা হয়েছে কিন্তু আসাদুলকে উদ্ধার করতে পারেনি।
    তালতলী থানার ওসি মো সাইদুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত আাসাদুল নামের একজনকে উদ্ধার করতে পারিনি।
    তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। অপর একজনকে উদ্ধারে কাজ চলছে।

  • তালামীয বিশ্বনাথ দক্ষিণ শাখার নতুন সভাপতি নূরুল, সম্পাদক নাজিম।


    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :

    বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট পশ্চিম জেলাধীন বিশ্বনাথ দক্ষিণ উপজেলা শাখার ২০২৬-২৭ সেশনের কাউন্সিল ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

    রবিবার (৫জুলাই) পৌর শহরে আলহাজ্ব লেচু মিয়া স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে কাউন্সিল ও নবনির্বাচিত দায়িত্বশীলদের অভিষেক সম্পন্ন হয়। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও নবনির্বাচিত দায়িত্বশীলদের শপথ বাক্য পাঠ করান সংগঠনের সিলেট পশ্চিম জেলা শাখার সভাপতি ইমরান আহমদ সুফি, সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট পশ্চিম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আহকামুল ইসলাম বুলবুল।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিলেট পশ্চিম জেলার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জুনায়েদ আহমদ তালুকদার, প্রচার সম্পাদক আব্দুল মুহিত জানু, সহ-শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুহাম্মদ শামছুল ইসলাম, বিশ্বনাথ উপজেলা আল-ইসলাহ সভাপতি মাওলানা লুৎফুর রহমান, সহ-সভাপতি মাওলানা হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাহবুবুর রহমান আঙুর, বিশ্বনাথ দক্ষিণ উপজেলার সাবেক সভাপতি হুসাইন আহমদ রাজন।
    কাউন্সিলে সর্বস

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক মামলায় ৭ জনসহ গ্রেপ্তার ২২


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক মামলায় ৭ জনসহ মোট ২২ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া ৭ জনের বিরুদ্ধে ৪টি নিয়মিত মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আরও ১৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানকালে বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে সদর থানা এলাকা থেকে ১০০ গ্রাম হেরোইন, শিবগঞ্জ থানা এলাকা থেকে ৭০ বোতল স্কাফ সিরাপ, ভোলাহাট থানা এলাকা থেকে ১৫ লিটার চোলাই মদ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোনো ধরনের কিশোর গ্যাং বা সন্ত্রাসী কার্যক্রম গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, জেলার মানুষের জানমাল ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে।

  • বিএমডিসি নিবন্ধনের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের স্মারকলিপি, ২০ হাজার গ্র্যাজুয়েটের কর্মসংস্থান সংকটের আশঙ্কা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের (ম্যাটস) মতো ৪ বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) আইন-২০১০-এর ১৫ ধারা ও ৫ম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করে পেশাগত নিবন্ধন দেওয়ার দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবর এ স্মারকলিপি পাঠানো হয়। স্মারকলিপিতে বলা হয়, স্টেট মেডিকেল ফ্যাকাল্টি অব বাংলাদেশের অধীনে ৪ বছর মেয়াদি ‘ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজি (ডেন্টাল)’ কোর্স সম্পন্ন করলেও ২০১০ সালের বিএমডিসি আইনে ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ফলে বিএমডিসির নিবন্ধন না থাকায় তারা আইনগতভাবে দেশে বা বিদেশে ডেন্টাল চিকিৎসা ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট পেশায় কাজ করতে পারছেন না। ডেন্টাল পরিষদের দাবি, বর্তমানে দেশে প্রায় ২০ হাজার ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারী আইনি স্বীকৃতির অভাবে বেকার জীবন কাটাচ্ছেন। এছাড়া দেশের ৯টি সরকারি ও শতাধিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি বছর প্রায় ২ হাজার নতুন ডিপ্লোমাধারী বের হচ্ছেন, যাদের ভবিষ্যৎও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছে। স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের (ম্যাটস) বিএমডিসির নিবন্ধন দেওয়া হলেও ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীরা দীর্ঘদিন ধরে একই সুযোগ থেকে বঞ্চিত। এমনকি ১৯৮০ সালের আইনের আওতায় শুধুমাত্র পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অনেককে ‘এফ’ ক্যাটাগরিতে প্র্যাকটিস রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়েছিল, যা এখনও নবায়ন করা হচ্ছে। ডেন্টাল পরিষদের নেতারা জানান, ১৯৮৩ সালে বিএমডিসির কার্যনির্বাহী কমিটি ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে ২০০৯ সালে আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ও জানায়, ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের প্র্যাকটিস রেজিস্ট্রেশন দিতে আইনগত কোনো বাধা নেই। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের কাজের পরিধি নির্ধারণ করে নিবন্ধনের জন্য একাধিকবার সুপারিশ পাঠালেও বিএমডিসি তা বাস্তবায়ন করেনি বলে অভিযোগ করা হয়। স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ২০২২ ও ২০২৩ সালে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ থেকে বিএমডিসি আইন সংশোধনের বিষয়ে মতামত চেয়ে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পুনরায় মতামত চাওয়া হলেও বিএমডিসি এখনও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম আযম বলেন, সমযোগ্যতা সম্পন্ন অন্যান্য স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের মতো ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদেরও বিএমডিসি আইনের ১৫ ধারা ও ৫ম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করে নিবন্ধন দেওয়া সময়ের দাবি। তারা দ্রুত আইন সংশোধনের মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার ডিপ্লোমাধারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং তৃণমূল পর্যায়ে ডেন্টাল চিকিৎসাসেবা আরও সম্প্রসারণে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

  • শ্রীমঙ্গলে অনলাইনে জুয়া চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার, ৪টি স্মার্টফোন জব্দ।


    নিজস্ব (মৌলভীবাজার)প্রতিবেদক:

    মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অভিযান চালিয়ে একটি সংঘবদ্ধ অনলাইন জুয়া চক্রের ৪ জন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯। এ সময় তাদের কাছ থেকে জুয়া খেলায় ব্যবহৃত ৪টি স্মার্ট মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
    গত ৩ জুলাই ২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক রাত ১০:৪০ মিনিটে শ্রীমঙ্গল থানাধীন আশিদ্রোন ইউনিয়নের দক্ষিণ টিকরিয়া গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ৪ জুলাই র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিঃ পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
    গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন:
    ১. মোঃ ইলিয়াস মিয়া (২৬), পিতা- মোঃ ইসমাইল মিয়া।
    ২. মোঃ জাফর আলী (২৫), পিতা- আবুল মিয়া।
    ৩. মোঃ মাহফুজ আহম্মেদ রাফিন (২৬), পিতা- দুদু মিয়া।
    ৪. মোঃ জাহিদ মিয়া (৩৮), পিতা- মৃত ইছাক মিয়া।
    গ্রেফতারকৃত সকলের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার দক্ষিণ টিকরিয়া গ্রাম।
    র‍্যাব জানায়, র‍্যাব-৯, সিপিসি-২ (মৌলভীবাজার ক্যাম্প)-এর একটি আভিযানিক দল শ্রীমঙ্গলের সিন্দুরখান বাজারে অবস্থানকালে গোপন সূত্রে খবর পায় যে, দক্ষিণ টিকরিয়া গ্রামের আব্দুল বারেক ভুইয়ার ভূষি মালের দোকানের ভেতরে একদল যুবক অনলাইনে জুয়া খেলছে। এই সংবাদের ভিত্তিতে রাত ১০:৫০ মিনিটে র‍্যাবের দলটি সেখানে অভিযান চালায়। র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে ওই ৪ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
    মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে চলত জুয়া:
    জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে মোবাইল ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে অনলাইনে জুয়া খেলে আসছিল। পরবর্তীতে তাদের কাছ থেকে জব্দকৃত মোবাইল ফোনগুলো পরীক্ষা করে অনলাইন জুয়া খেলার সুনির্দিষ্ট আলামত পাওয়া যায়।
    গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত আলামতসহ আসামিদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে শ্রীমঙ্গল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
    র‍্যাব-৯ জানিয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং এই ধরণের অপরাধ দমনে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও চলমান অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • সদরপুর সরকারি কলেজে ভূগোল বিভাগের নতুন প্রধানকে বরণ, ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক শাহীন উদ্দিনকে বিদায়

    ফরিদপুর প্রতিনিধি:

    ফরিদপুরের সদরপুর সরকারি কলেজে একই দিনে অনুষ্ঠিত হয়েছে একদিকে নতুন বিভাগীয় প্রধানকে বরণ, অন্যদিকে একজন শিক্ষককে বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা। মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) কলেজে এ উপলক্ষে সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
    এদিন কলেজের ভূগোল বিভাগের প্রধান হিসেবে যোগদান করেন প্রফেসর মো. এরফানুল হক শোয়ায়েব। যোগদান উপলক্ষে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. এনামুল হক এবং ভূগোল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সালমা আক্তার। এ সময় কলেজের অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বে ভূগোল বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ হবে।
    অপরদিকে, বদলিজনিত কারণে কলেজ থেকে বিদায় নেন ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক শাহীন উদ্দিন। তাঁকে বিদায় শুভেচ্ছা জানান কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. এনামুল হক, ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মো. ইসমাইল হোসেন এবং প্রভাষক সৈয়দ আমিনুল হক।
    বিদায় অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শাহীন উদ্দিন দায়িত্বশীলতা, কর্মনিষ্ঠা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছে একজন সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন। কলেজে তাঁর অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁরা তাঁর নতুন কর্মস্থলে সর্বাঙ্গীণ সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ কামনা করেন।
    অন্যদিকে, নবাগত বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মো. এরফানুল হক শোয়ায়েব কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়ন এবং ভূগোল বিভাগের সার্বিক অগ্রগতিতে আন্তরিকভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
    একই দিনে নতুন শিক্ষককে বরণ এবং একজন সহকর্মীকে বিদায় জানানোর মধ্য দিয়ে সদরপুর সরকারি কলেজে আবেগঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

  • কুবিতে ‘ক্যাম্পাস ফুড সেফটি অ্যাওয়ারনেস’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত


    কুবি প্রতিনিধি:

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত ও সেই সম্পর্কিত সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘ক্যাম্পাস ফুড সেফটি অ্যাওয়ারনেস’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সম্মেলন কক্ষে অধ্যাপক ড. এম. আমিনুল ইসলাম আকন্দের সভাপতিত্বে এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ এমদাদুল হকের সঞ্চালনায় এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করিম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। কী-নোট স্পিকার হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোয়েব। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা।

    সেমিনারে আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা তাদের হলের খাবার সংক্রান্ত বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ও সমস্যা তুলে ধরেন। পাশাপাশি খাবারে ভিন্নতা ও মান নিশ্চিতের জন্য ভর্তুকি প্রদানের প্রয়োজনীয়ত

  • পত্নীতলায় জুয়া খেলার অপরাধে গ্রেফতার ৬, নগদ টাকা ও তাস জব্দ

    পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: আব্দুল আজিজ
    নওগাঁর পত্নীতলা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে জুয়া খেলার অপরাধে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতরাতে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় পত্নীতলা থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
    থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতরাতে থানা এলাকার একটি জুয়ার আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। অভিযানে জুয়া খেলা অবস্থায় হাতেনাতে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে জুয়া খেলার ২৬,৬৮০/- (ছাব্বিশ হাজার ছয়শত আশি) টাকা এবং ৫২টি তাস (কার্ড) জব্দ করা হয়েছে।
    পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, এলাকায় সব ধরনের অপরাধ ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এই অভিযান চালানো হয়েছে। ধৃত আসামিদের বিরুদ্ধে জুয়া আইনে মামলা দায়ের করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

  • কাদা-জলে নাকাল ২ লাখ মানুষ: কটিয়াদীর জালালপুর সড়ক যেন এক মরণফাঁদ


    কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:

    কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ জালালপুর-লোহাজুরী সড়কটি এখন যেন এই অঞ্চলের মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারহীন পড়ে থাকা এই সড়কটির বেহাল দশার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন অন্তত দুই লাখ মানুষ। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের পিচ-খোয়া উঠে গিয়ে তৈরি হচ্ছে বড় বড় খানাখন্দ, যা জমে থাকা কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায়। পানির নিচে লুকিয়ে থাকা এসব অদৃশ্য গর্তের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। উল্টে যাচ্ছে সিএনজি, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জালালপুর ও লোহাজুরী ইউনিয়নের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী বিন্নাবাইদ, চরমান্দালিয়া, গোহালবাড়িয়া ও পাইকান এলাকার মানুষের উপজেলা সদরে যোগাযোগের একমাত্র প্রধান মাধ্যম এই সড়ক। কিন্তু বছরের পর বছর সড়কটির কোনো স্থায়ী সংস্কার করা হয়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাঝে মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু ভাঙা ইট ফেলে জোড়াতালির ‘দায়সারা’ মেরামত করা হলেও তা কোনো কাজেই আসেনি। বরং ইটগুলো ঠিকমতো রোলিং না করায় এবং অল্প দিনেই সেগুলো সরে যাওয়ায় রাস্তাটি আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

    কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা শত শত রোগী প্রতিদিন এই সড়কটি ব্যবহার করেন। স্থানীয়দের মতে, সড়কটি এখন বিশেষ করে বয়স্ক, গুরুতর অসুস্থ এবং গর্ভবতী নারীদের জন্য এক আতঙ্কের নাম। ভাঙাচোরা এবং ঝাঁকুনির এই রাস্তায় যাতায়াত করতে গিয়ে অনেক সময় প্রসূতি মায়েরা মাঝপথেই মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েন।

    সড়কের এই কঙ্কালসার অবস্থার কারণে এই রুটে গণপরিবহন চলাচল অর্ধেকের চেয়েও কমে গেছে। লোহাজুরী রুটের অটোরিকশা চালক জামাল মিয়া আক্ষেপ করে বলেন,
    “রাস্তার অবস্থা এতটাই খারাপ যে সপ্তাহে অন্তত দুইবার গাড়ি গ্যারেজে নিয়ে মেরামত করতে হয়। চাকা নষ্ট হয়, বডি ভেঙে যায়। বাধ্য হয়ে একটু বাড়তি ভাড়া চাইলে যাত্রীরা রাগ করেন। সব মিলিয়ে আমরা চালকেরা চরম আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছি।”

    পরিবহন সংকটের এই সুযোগে সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া আদায়েরও অভিযোগ উঠেছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা। অনেক শিক্ষার্থী বাড়তি ভাড়া দিতে না পেরে কাদা-পানি মাড়িয়ে পায়ে হেঁটেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

    কটিয়াদী উপজেলার অন্যতম বৃহৎ পাইকারি সবজি বাজারটি এই সড়কের পাশেই অবস্থিত। এই অঞ্চলের কৃষিপণ্য পরিবহনের মূল ধমনীও এটি। অথচ রাস্তার বেহাল দশার কারণে বাজারে সময়মতো সবজি আনা যাচ্ছে না। কাদা আর জমে থাকা পানির কারণে ঢাকা, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বড় বড় পাইকাররা এখন আর এই সড়ক দিয়ে আসতে চাচ্ছেন না। ফলে একদিকে যেমন সবজি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে পাইকার না থাকায় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অর্থনৈতিকভাবে ধস নামছে গ্রামীণ অর্থনীতিতে।

    উপজেলা সদরের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, ব্যাংক, চিকিৎসাসেবা এবং প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যাতায়াতের জন্য এই সড়কটির কোনো বিকল্প নেই। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়কের এমন অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত এই সড়কটি টেকসইভাবে সংস্কার করা না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারে।

    এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পথচারীরা আর কোনো ‘জোড়াতালির সংস্কার’ চান না। তারা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে সড়কটির স্থায়ী ও দ্রুত কার্পেটিংয়ের জোর দাবি জানিয়েছেন।