Author: DBC

  • জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু

    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

    হাটহাজারী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ও নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু বলেছেন, “জুলাই আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। এই মাস শুধু একটি আন্দোলনের স্মৃতি নয়, বরং অন্যায়, নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে মানুষের সাহস, আত্মত্যাগ এবং ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের প্রতীক। জুলাই আমাদের শিখিয়েছে—দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রয়োজন হলে মানুষ সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতেও পিছপা হয় না।”
    তিনি বলেন, “যারা দেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং একটি সুন্দর ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না। জুলাইয়ের শহিদরা আমাদের বিবেক, আমাদের অনুপ্রেরণা এবং আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার পথপ্রদর্শক। তাঁদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত চেতনা আমাদের সবসময় সত্য, ন্যায় ও জনকল্যাণের পথে চলার শক্তি জোগাবে।”
    বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু আরও বলেন, “জুলাইয়ের চেতনা কেবল আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। এই চেতনাকে আমাদের ব্যক্তি জীবন, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং রাজনৈতিক আদর্শে ধারণ করতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের সেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার মধ্য দিয়েই শহিদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব।”
    তিনি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা আহত হয়েছেন, তাঁদের ত্যাগও কোনো অংশে কম নয়। অনেকেই স্থায়ীভাবে শারীরিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন, আবার অনেক পরিবার আজও সেই ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে। তাঁদের প্রতি রাষ্ট্র, সমাজ এবং আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। আহতদের উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সবাইকে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে। তাঁদের পাশে দাঁড়ানো মানে শুধু একজন মানুষকে সহায়তা করা নয়, বরং জুলাইয়ের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো।”
    তিনি আরও বলেন, “নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাইয়ের প্রকৃত ইতিহাস, আত্মত্যাগ এবং গণমানুষের সংগ্রামের কথা তুলে ধরতে হবে। যেন তারা দেশপ্রেম, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখতে পারে।”
    শেষে বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত সকল শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা, দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করে তিনি বলেন, “জুলাইয়ের আত্মত্যাগ আমাদের কাছে এক পবিত্র আমানত। এই চেতনা বুকে ধারণ করে দেশ, সমাজ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করাই হবে শহিদদের প্রতি আমাদের প্রকৃত শ্রদ্ধা।”

  • আমতলীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

    আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

    “উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরগুনার আমতলী উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।

    সোমবার সকাল ১০টায় আমতলী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়।

    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী।

    অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আমতলী প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম বাদল। শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও পবিত্র গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

    স্বাগত বক্তব্য দেন বিআরডিবি কর্মকর্তা মো. ফিরোজ আলম।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আশরাফুল ইসলাম, আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সোহেল, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাসেল, বিআরডিবি চেয়ারম্যান মো. মঈনউদ্দীন মামুন এবং আমতলী উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কবির ফকির।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আমতলী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. জাকির হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আমতলী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক আবু জিহাদ, আমতলী প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান সালেহ, সাংবাদিক শাওন খান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সমবায় সমিতির সদস্য, বিআরডিবির গ্রাহক ও সুবিধাভোগী, সুধীজন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    অনুষ্ঠানে সুবিধাভোগীদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্বে মোছা. ফাতেমা বেগম বলেন, “২০১১ সাল থেকে আমি বিআরডিবির সঙ্গে যুক্ত। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা সচেতন হচ্ছি। পরিবেশবান্ধব গ্রাম গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”

    অপর সুবিধাভোগী ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, “বিআরডিবি থেকে ঋণ নিয়ে আমি ছাগল, হাঁস ও মুরগি পালন শুরু করেছি। বর্তমানে স্বাবলম্বী হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে খামার গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।”

    বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পল্লী এলাকার অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, সমবায় কার্যক্রম জোরদার, নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।

    সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পল্লী উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন।

    অনুষ্ঠানের শেষে নির্বাচিত কয়েকজন সুবিধাভোগীর মাঝে নগদ অর্থের চেক বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন উপকারভোগীর হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।

    ??????????????????????????????????????????????????????????????????
    আমতলীতে শ্রমিকদল সভাপতিকে কুপিয়ে

    হত্যার ঘটনায় ২ আসামী গ্রেপ্তার

    আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি।।

    আমতলীর গুলিশাখালী ইউনিয়নের শ্রমিক দল সভাপতি কালিবাড়ী গ্রামের মো. রিপন কাজী (৩৫) হত্যা মামলার দুই আসামী সোহাগ কাজী (৩০ ও রাসেল কাজী নামে দুই আসামীকে র‌্যাবের সহযোগিতায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে রবিবার সকালে গ্রেপ্তার করেছে পটুয়াখালী থানা পুলিশ। সোমবার সকালে তাদেরকে পটুয়াখালী আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১ টার সময় চাচাত ভাইদের হাতে খুন হন রিপন কাজী। এ ঘটনায় ৭ জনকে আসামী করে নিহতের মা আমেনা বেগম পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পাশ^বর্তী পটুয়াখালী জেলার মুরচবুনিয়া ইউনিয়নের গগন খা বাজারে ঘুরতে গিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে আপন চাচাত ভাইদের হাতে খুন হন গুলিশাখালী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি রিপন কাজী। হত্যা কান্ডের ঘটনায় বৃহস্পতিবার ৭জনকে আসামী করে নিহতের মা আমেনা বেগম পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পটুয়াখালী সদর থানার পুলিশ র‌্যাব -৮ এর সহায়তায় গোপস সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গা শহর থেকে সোহাগ ও রাসেলকে গ্রেপ্তার করে।

    পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, রিপন কাজী হত্যা মামলার ২ আসামীকে র‌্যাবের সহায়তায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গা শহর থেকে রবিবার সকালে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারের চেচচষ্টা চলছে।

  • আইনি মতামতের ভিত্তিতে কুবিতে ৫ অনুষদে ডিন নিয়োগ

    কুবি প্রতিনিধি:

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) পাঁচটি অনুষদে স্থায়ীভাবে পাঁচজন ডিন নিয়োগ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, কমিটির রিপোর্ট এবং দায়েরকৃত সিভিল পিটিশনের উপর আইন উপদেষ্টার মতামতের ভিত্তিতে উপাচার্য কর্তৃক এই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

    সোমবার (৬ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করিম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ থেকে এই তথ্য জানা যায়।

    ডিন হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন, বিজ্ঞান অনুষদে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র মজুমদার, কলা ও মানবিক অনুষদে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম, প্রকৌশল অনুষদে সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাছান এবং ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ফিনান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: এমদাদুল হক।

    নিয়োগসংক্রান্ত অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ১০৯ এবং ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬ এর ধারা ২২, ডিন নিয়োগের বিষয়ে গঠিত কমিটির রিপোর্ট এবং ডিন নিয়োগের বিষয়ে রিট পিটিশন নং-৩০৪৫ অব ২০২০ এবং পরবর্তীতে ‘সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু অ্যাপিল’ নং ৯৩৭ অব ২০২০ এর উপর আইন উপদেষ্টার পরামর্শ বিবেচনায় উপাচার্য ডিন নিয়োগের নির্দেশ প্রদান করেছেন।

    প্রশাসন থেকে জানানো হয়, এবারের ডিন নিয়োগে বিভাগের পালাক্রম অনুসরণ করা হয়েছে। তবে পূর্বে প্রশাসন কর্তৃক বিভিন্ন অনুষদে একাধিকবার বিভাগের পালাক্রমে ব্যত্যয় ঘটানোর ঘটনা ঘটায়, সেগুলোকে আমলে নিয়ে যে বিভাগ থেকে ব্যত্যয় ঘটেছে সেই বিভাগ থেকেই শুরু করা হয়েছে এবারের ডিন নিয়োগের কার্যক্রম।

    এক্ষেত্রে আরো জানায়, বিভাগের পালাক্রমে যে বিভাগ এসেছে, সেখানে আবার শিক্ষকদের মধ্য হতে জৈ্যষ্ঠতার ভিত্তিতে ডিন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে হলেও উক্ত বিভাগে পূর্বে ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে কিংবা কেউ আইনি জটিলতায় থাকলে তাদের পরবর্তীজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, সকল কিছু বিবেচনায় নিয়েই ডিন নিয়োগ করা হয়েছে, যাতে কোনপ্রকার বিতর্কের জন্ম না হয়।

    সদ্য ডিন নিয়োগের আদেশের আগে গত ২০ মে এক অফিস আদেশের মাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে বিজ্ঞান অনুষদে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ জাকির ছায়াদউল্লাহ খান, প্রকৌশল অনুষদে আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ তোফায়েল আহমেদ এবং ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, কলা ও মানবিক অনুষদে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম ডিনের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সেই অফিস আদেশে বলা হয়েছিল, আইন উপদেষ্টার মতামত না আসা পর্যন্ত তারা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    নতুন ডিন নিয়োগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করিম চৌধুরী বলেন, পূর্বে ডিন নিয়োগে একাধিকবার নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেছে। সেসব ব্যত্যয় আমলে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, দায়েরকৃত পিটিশন, আইন উপদেষ্টার মতামত, কমিটির রিপোর্টসহ সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে ডিন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

  • জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে নগরকান্দায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ফরিদপুর প্রতিনিধি:

    “উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুরের নগরকান্দায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।

    দিবসটি উপলক্ষে রবিবার (৬ জুলাই) উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি), নগরকান্দা।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন।

    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন ও সমবায়ভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে পল্লী অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। তারা উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন নগরকান্দা থানা সার্কেল মোহাম্মদ ফাহাদ, নগরকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ রাসুল সামদানী আজাদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত আলী শরীফসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বিআরডিবির কর্মকর্তা-কর্মচারী, সমবায় সমিতির সদস্য, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, প্রতি বছর ৬ জুলাই সারাদেশে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালন করা হয়। এ উপলক্ষে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামীণ উন্নয়ন, সমবায় এবং আত্মকর্মসংস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

  • হালুয়াঘাটে মাদকের ভয়াবহ রূপ:দর্শারপাড়ে বিপথগামী অপ্রাপ্তবয়স্করা

    হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

    ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার দর্শারপাড় এলাকায় মাদকের বিস্তার দিন দিন ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এলাকার ১১ থেকে ১৬ বছর বয়সী অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর ও যুবসমাজ এই মরণনেশায় জড়িয়ে পড়ছে। মদ, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সেবনের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এলাকায় অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের রমরমা ব্যবসা।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দর্শারপাড় এলাকায় দেশি মদের প্রাপ্যতা অনেক বেশি। এলাকার কিছু উপজাতি পরিবার কেবল নিজেরা মদ পান করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না, তারা বাণিজ্যিকভাবে এই মদ তৈরি ও বিক্রি করছে। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই দর্শারপাড় এলাকায় বহিরাগত মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়ে যায়। মদ পান করে রাস্তাঘাটে মাতলামি এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে এলাকার সামাজিক পরিবেশ যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি ক্ষুণ্ন হচ্ছে দীর্ঘদিনের সুনাম।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন
    আমাদের এলাকার ছোট ছোট ছেলেরা মদের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। সন্ধ্যার পর বাইরে বের হওয়াই দায় হয়ে গেছে। বহিরাগতরা এসে মদ খেয়ে মাতলামি করে। আমরা সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম আতঙ্কে আছি।”

    পাশাপাশি এলাকায় বেশ কয়েকজন গাঁজা ব্যবসায়ী সক্রিয় থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। কিশোরদের হাতে সহজে মাদক পৌঁছে যাওয়ায় ধ্বংসের মুখে পড়ছে আগামী প্রজন্ম।

    এলাকার সচেতন মহলের দাবি, এই সামাজিক অবক্ষয় রুখতে এবং দর্শারপাড়ের শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের কঠোর ও দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি। বিশেষ করে উপজাতি পরিবারগুলোকে প্রশাসনের মাধ্যমে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া এবং মাদক বিক্রির আস্তানাগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানো এখন সময়ের দাবি।

  • পত্নীতলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১২ লিটার চোলাইমদ ও তৈরির উপকরণসহ আটক ২

    পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি আব্দুল আজিজ :

    নওগাঁর পত্নীতলায় থানা পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ১২ লিটার চোলাইমদ এবং ৩০ লিটার চোলাইমদ তৈরির উপকরণসহ এক নারী ও এক পুরুষ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    রবিবার (০৫ জুলাই, ২০২৬) বিকালে পত্নীতলা থানার হাসেনবেগপুর গ্রামে তাদের নিজ বাড়িতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন—বত্তিশ চন্দ্র ওরফে সুমন (২৮), পিতা-বিষ্ণুপদ এবং দীপ্তি (৩৭), স্বামী-বিদাশুত।

    অভিযানকালে আসামিদের হেফাজত থেকে ১২ লিটার চোলাইমদ ও ৩০ লিটার মদ তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পত্নীতলা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে অষ্টগ্রামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ‎

    ‎মোঃ আল-আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি:
    ‎
    ‎‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।
    ‎
    ‎সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বর্ণাঢ্য র‍্যালির মাধ্যমে দিবসটির কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে র‍্যালি শেষে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
    ‎
    ‎আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অষ্টগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিলভিয়া স্নিগ্ধা।
    ‎
    ‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অষ্টগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রুকনুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মুকুল।
    ‎
    ‎এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মজনু মিয়া, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
    ‎
    ‎আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অষ্টগ্রাম উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আনা, উপজেলা শাখা যুবদলের সদস্য সচিব আলী রহমানসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
    ‎
    ‎বক্তারা বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো পল্লী উন্নয়ন। গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সমবায়ভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এসব উদ্যোগ সফল করতে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।
    ‎
    ‎অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অষ্টগ্রাম উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)-এর উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রিপন মিয়া।
    ‎
    ‎অনুষ্ঠানের শেষে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে গ্রামীণ উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
    ‎
    ‎পরবর্তীতে অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিবৃন্দের মাঝে বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়।

  • অনিয়মে ‘জিরো টলারেন্স’: সময়মতো ট্রাকসেল না করায় ডিলারকে শাস্তি দিলেন ডি-৪ এলাকার এআরও তারিকুজ্জামান

    অনিয়মে ‘জিরো টলারেন্স’: সময়মতো ট্রাকসেল না করায় ডিলারকে শাস্তি দিলেন ডি-৪ এলাকার এআরও তারিকুজ্জামান

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    সরকারি খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ডি-৪ এলাকার সহকারী আঞ্চলিক কর্মকর্তা (এআরও) তারিকুজ্জামান। দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা কিংবা সাধারণ মানুষের ভোগান্তিকে তিনি কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেবেন না—সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় সেই বার্তাই স্পষ্ট করেছেন তিনি।

    জানা গেছে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ডি-৪ এলাকার ডিলার খাইরুন নেছার ট্রাকসেল কার্যক্রম নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল। সে অনুযায়ী ভোর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সাধারণ মানুষ চাল ও আটা কেনার আশায় ট্রাকসেলের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন।

    কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও ট্রাক ঘটনাস্থলে না পৌঁছায়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও ট্রাকসেল শুরু না হওয়ায় নারী, পুরুষ ও বয়স্ক ক্রেতাদের মধ্যে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। প্রচণ্ড রোদ ও অপেক্ষার কারণে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় দুই ঘণ্টা বিলম্বের পর সকাল ১১টার দিকে ট্রাক ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিষয়টি জানাজানি হলে ডি-৪ এলাকার এআরও তারিকুজ্জামান দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করেন।

    পরিদর্শনে সময়সূচি লঙ্ঘনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট ডিলারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। শাস্তিস্বরূপ ওই দিনের ট্রাকসেল কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে পরদিন সকাল ঠিক ৯টায় ট্রাকসেল কার্যক্রম শুরু করার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ফলে সংশ্লিষ্ট ডিলারকে ট্রাক ভাড়া, শ্রমিক ও কর্মচারীদের পারিশ্রমিকসহ বিভিন্ন খাতে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। তবে এ বিষয়ে এআরও তারিকুজ্জামান বলেন, এটি কোনো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়; বরং সরকারি সেবার মান বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতে অন্য কোনো ডিলার যেন সময়সূচি লঙ্ঘনের সাহস না পান, সে লক্ষ্যেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন,
    “আমি যতদিন দায়িত্বে থাকব, ততদিন আমার এলাকায় কোনো ধরনের অন্যায়, অনিয়ম কিংবা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা বরদাশত করা হবে না। সরকারি সেবা নির্ধারিত সময় ও নিয়ম অনুযায়ী জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে যা যা প্রয়োজন, আমি তা-ই করব। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।”

    এআরওর এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ট্রাকসেলে আসা একাধিক ক্রেতা। তাদের ভাষ্য, অনেক সময় ডিলারদের অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বে গাফিলতির কারণে সাধারণ মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। এমন কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে ভবিষ্যতে অন্য ডিলাররাও সময় মেনে দায়িত্ব পালনে আরও সচেতন হবেন বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

    সচেতন মহলের মতে, সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে ন্যায্যমূল্যে খাদ্যপণ্য পৌঁছে দেওয়া। তাই মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা, নিয়মিত তদারকি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাদের মতে, ডি-৪ এলাকার এআরও তারিকুজ্জামানের এমন পদক্ষেপ সরকারি সেবায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়াবে।

  • মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমরা দুঃখিত কথা ছিল মিছিলের শেষে থাকা ছেলেটাও রাজনৈতিক পরিচয় পাবে‌

    লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :

    আমাদের অনেক সহযোদ্ধা রয়েছেন যারা বছরের পর বছর দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, দলের কঠিন দুঃসময়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন।

    নিজেদের কষ্টে উপার্জিত পকেটের টাকা খরচ করে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রেখেছেন।
    তাঁরা কেউ স্বার্থের জন্য রাজনীতি করেনি,শহীদ জিয়ার আদর্শ বোকে ধারন করে একটু সম্মান নিয়ে বাঁচতে চেয়েছেন,

    অথচ এই সু সময়ে এসেও তাঁরা সেই আগের মতই অবহেলিত রয়েই গেল, বিন্দু পরিমাণ সুযোগ সুবিধা পাইনি দল থেকে।

    এখনও পর্যন্ত ওয়ার্ড, ইউনিয়নে যুবদল ছাত্রদলের কোন কমিটি নেই?? অনেক জায়গায় জেলা উপজেলায় পর্যন্ত নেই,যেখানে যাদের কমিটি আছে তাদের এই নিয়ে বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই।

    অনেক এমপি, মন্ত্রী দুঃসময়ে পাশে থাকা ত্যাগীদের বেমালুম ভুলে গেছেন, সব জায়গায় টাকা ওয়ালা আত্মীয় স্বজন আর হাইব্রিডদের ছড়াছড়ি।।

    আজ ভাবতেই অবাক লাগে যখন জুলাই যুদ্ধাদের তালিকা হয় তখন ভোলার নুরে আলম আব্দুর রহিমদের কথা কেউ তুলে ধরে না, দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে কত নেতা কর্মী গুম হয়েছেন খুন হয়েছেন তাদের কেউ মনে রাখে না, তাদের কথা কেউ কোন প্রোগ্রামে তুলে ধরে না,

    সবাই জুলাই নিয়ে ব্যস্ত, এই জুলাই জুলাই করতে গিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছরের ত্যাগীদের ভুলে যাচ্ছেন?!

    এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যত নেতৃত্ব কঠিন হবে, নেতৃত্ব সংকটে পড়বে দল।
    যেখানে ত্যাগীরা হারিয়ে যাচ্ছে সেখানে নতুন নেতৃত্ব তৈরি করা কঠিন হবে, নতুন কেউ দলের দিকে আগ্রহ প্রকাশ করবে না।

    দুঃসময়ের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে যতটুকু বুঝেছি আগে কী কঠিন ছিল ভবিষ্যত এর চেয়েও কঠিন হবে, তখন হয়তো কর্মী খুঁজে পাওয়া যাবে না?

  • পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২ কেজি ৬৯৫ গ্রাম কথিত হেরোইন উদ্ধার, একই পরিবারের ৪ জন গ্রেপ্তার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ২ কেজি ৬৯৫ গ্রাম কথিত হেরোইন উদ্ধার এবং একই পরিবারের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে গত ১ জুলাই থেকে জেলাব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে মাদকবিরোধী অভিযান, ওয়ারেন্ট তামিল এবং নিয়মিত মামলার আসামি গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে বিকেল ২টার দিকে সদর উপজেলার ফুলকুড়ি সিএনবি ঘাট এলাকার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক সদস্য মো. আব্দুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় মো. আব্দুর রহমান (৫৫), তার স্ত্রী মোছা. মাসিরুন বেগম (৫০), ছেলে মো. শুকুদ্দি (৩৪) ও মো. মাসুদ রানা (১৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, তাদের হেফাজত থেকে ২ কেজি ৬৯৫ গ্রাম কথিত হেরোইন, পাঁচটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, একটি বাটন ফোন, একটি স্বর্ণের আংটি, সাতটি রুপাসহ অন্যান্য ধাতুর আংটি, একটি ডিজিটাল ওজন মাপার মেশিন, একটি পাসপোর্ট, একটি ডিভিআর, একটি হিটিং বাল্ব, একটি ফয়েল পেপার রোল, হেরোইন শুকানোর একটি গামলা এবং মাদক বিক্রির ২৪ হাজার ৩২০ টাকা জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, উদ্ধার হওয়া আলামত জব্দ করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।