Author: DBC

  • আমতলীতে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের দাবিতে পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অ্যাডভোকেসি সভা

    আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

    বরগুনার আমতলী পৌরসভায় টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ এবং একটি স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের দাবিতে পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    রোববার (০৫ জুলাই ২০২৬) বিকেল ৩টায় আমতলী পৌরসভা মিলনায়তনে এনএসএস ও একশনএইড বাংলাদেশের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় পৌর এলাকার ক্রমবর্ধমান বর্জ্য সংকট, অপরিকল্পিতভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলা, পরিবেশ দূষণ, জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে একটি আধুনিক ও স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
    তারুণ্যের আলো যুব ফোরামের সভাপতি মুক্তা রানীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশিদ, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের আমতলী এপির চাইল্ড প্রোটেকশন ও এপি স্পন্সরশিপ অফিসার চার্চিল দাস, এনজিও ফোরামের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক মো. জাকির হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আমতলী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আবু জিহাদ এবং আমতলী প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহমান সালেহ।
    এ ছাড়া সভায় তারুণ্যের আলো যুব ফোরামের সদস্যবৃন্দ, আমতলী পৌরসভার বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
    আলোচনায় বক্তারা বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও নগরায়ণের ফলে প্রতিদিন পৌর এলাকায় বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে। কিন্তু পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশনের অভাবে বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণ, দুর্গন্ধ, জলাবদ্ধতা এবং বিভিন্ন রোগবালাইয়ের ঝুঁকি বাড়ছে।
    এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য দ্রুত আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সময়ের দাবি।
    বক্তারা আরও বলেন, একটি স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের পাশাপাশি বর্জ্য পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহার (রিসাইক্লিং), জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পৌরসভার সক্ষমতা উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা এবং স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
    সভায় পৌর কর্তৃপক্ষ বিষয়টির গুরুত্ব স্বীকার করে বলেন, নাগরিকদের সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়। পাশাপাশি স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন এবং বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়।
    সভা শেষে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ এবং আমতলী পৌরসভায় একটি স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়। সভা শেষে পৌর প্রশাসন বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

  • অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত: সদরপুরে মমিনের হোটেলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

    ফরিদপুর প্রতিনিধি:
    অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত, খাদ্যে নিষিদ্ধ রং ও কেওড়া জল ব্যবহার এবং খাবার খোলা অবস্থায় সংরক্ষণের দায়ে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ‘মমিনের হোটেল’-কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

    রোববার (৫ জুলাই) সকালে পরিচালিত এক অভিযানে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৩ ধারায় হোটেলটির মালিকের বিরুদ্ধে এ অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়।

    অভিযান পরিচালনা করেন ফরিদপুর জেলা ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান।

    অভিযানকালে হোটেলটির রান্নাঘর ও খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থায় একাধিক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরিদর্শনে দেখা যায়, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং কিছু খাদ্যদ্রব্যে নিষিদ্ধ রং ও কেওড়া জল ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে বিভিন্ন খাবার খোলা অবস্থায় রাখা হচ্ছিল, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

    জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং খাদ্য ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • কুবির ডান্স ক্লাবের নেতৃত্বে শান্তা-জয়

    কুবি প্রতিনিধি:

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ডান্স ক্লাবের প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন গণিত বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা শান্তা এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী জয় রায়।

    রবিবার (৫ জুলাই) সংগঠনটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মাহবুব, অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম এবং আহ্বায়ক মো. সামিন বকস সাদি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আগামী এক বছরের জন্য এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এছাড়াও নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন রুমা রাণী দেব এবং তন্ময় সরকার। যুগ্ম-সচিব হিসেবে ময়ূরী ত্রিপুরা, সামিয়া নাজ স্বীকৃতি এবং বৈশাখী চাকমা। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আছেন মাহফুজুর রহমান ভূঁইয়া। এবং কোষাধক্ষ্য হিসেবে আবু বক্কর সিদ্দিক এবং দপ্তর সম্পাদক হিসেবে আছেন শাহানাজ আক্তার। 

    আরো রয়েছেন, নৃত্য পরিচালক হিসেবে অন্তর রায়, গণমাধ্যম ও প্রকাশনা পরিচালক মো: মাহফুজুর রহমান এবং তানভীর আলম অর্প, সম্পাদক জামির উদ্দিন জাসদ, অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমন চক্রবর্তী এবং অমি দেব, অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিষয়ক পরিচালক ইফাত সাবরিন রিনি এবং বিথী দাস।   

    তাছাড়াও কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে মালিহা ইসলাম মৌন, অন্তর রাজ, মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির এবং আরিফুল ইসলাম সাকিব।

    এ বিষয়ে নব্য সাধারণ সম্পাদক জয় রায় বলেন, “আমার মূল লক্ষ্য ডান্স ক্লাবকে একটি সক্রিয়, সৃজনশীল এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলা। নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং মানসম্মত পরিবেশনার মাধ্যমে আমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে আরও সমৃদ্ধ করতে চাই। নাচের মাধ্যমে আমরা ঐক্য, সৃজনশীলতা ও সংস্কৃতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    নব্য সভাপতি উম্মে হাবিবা শান্তা বলেন, “কুবি ডান্স ক্লাব নতুন একটা সংগঠন। নৃত্যপ্রেমী শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ করে একটি সৃজনশীল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। ক্লাসিক্যাল ও আধুনিক নৃত্যের পাশাপাশি কনটেমপোরারি, হিপহপ ও লোকনৃত্যসহ সব ধরনের নাচ শেখার সুযোগ থাকবে। ভবিষ্যতে নিয়মিত কর্মশালা ও ডান্স ফেস্ট আয়োজনের মাধ্যমে ক্লাবটিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ক্লাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু নাচই শিখবে না, বরং তাদের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও দলগত কাজের দক্ষতা বাড়বে, যা মানসিক চাপ কমিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করবে।”

  • পুঠিয়ার পাইকপাড়া ভূমি অফিসে দুর্নীতি


    রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি :

    অনলাইনে নামজারির আবেদনের পর প্রাথমিক কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের মূল দায়িত্ব ইউনিয়ন ভূমি অফিসের। কিন্তু এই কাজটিকে বাণিজ্যে পরিণত করেছেন তহশিলদার সুফি এবরার আহমেদ বকসী।

    তিনি জাকির হোসেন নামের এক বহিরাগত দালালের মাধ্যমে নামজারি প্রতি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা নিচ্ছেন। জাকির হোসেন ভূমি অফিসের কোনো বৈধ কর্মচারী না হলেও তিনি প্রতিনিয়ত অফিসে উপস্থিত থাকেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাকির নিজেকে “উন্নয়ন খাতে কর্মরত” বলে দাবি করে অফিসের সব গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করছেন।

    এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) সুফি এবরার আহমেদ বকসী নিজের অনৈতিক সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেন। তবে অফিসে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি পরোক্ষভাবে স্বীকার করে তিনি বলেন,
    “আমার অফিসে দুজন সহকারী রয়েছে। তাদের ঘুষ নেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।”

    অনুসন্ধানে জানা যায়, তহশিলদার সুফি এবরার আহমেদের বিরুদ্ধে এর আগেও। সরকারি খাস জমি ব্যক্তিমালিকানায় পাইয়ে দিয়ে মোটা অঙ্কের উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে।

    উপজেলার ধোপাপাড়া মৌজার (জে.এল নম্বর ৩৯) আওতায় ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত মোট ৯টি দাগে (২৮০১, ২৮০২, ২৮০৩, ২৮০৪, ২৮০৫, ২৮০৬, ২৮১০, ২৭২৭ ও ২৭৩০) প্রায় ২৫ বিঘা (৮.২৭ একর) সরকারি ধানী জমি রয়েছে। অথচ মোটা অঙ্কের সুবিধা নিয়ে মৃত আলীমুদ্দিনের ছেলে শাহিদুল ইসলাম ওরফে সাইদুর রহমানকে জমিগুলো একচ্ছত্র দখলের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। শাহিদুল বছরের পর বছর ধরে ওই খাস জমিতে পুকুর খনন করে ব্যক্তিগত সম্পদের মতো ভোগদখল করছেন।

    অভিযোগ রয়েছে, দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে সুফি এবরার আহমেদ বকসী রাজশাহীর বিভিন্ন স্থানে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মহানগরীর একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করেন, যা তিনি প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে ক্রয় করেছেন বলে জানা গেছে।

    পাইকপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এই চরম অনিয়ম, দুর্নীতি ও খাস জমি দখলের বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ মহিনুল হাসান বলেন, এরকম কোন অভিযোগ আমার কাছে নাই। কেউ অভিযোগ করলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • জুলাই মানে নতুন বাংলাদেশের সূচনা: অ্যাডভোকেট হাসনা হেনা

    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

    চট্টগ্রাম কোর্ট হিলপাড়ার বিএনপির পরিচিত নেত্রী অ্যাডভোকেট হাসনা হেনা বলেছেন, “জুলাই মানেই নতুন বাংলাদেশের সূচনা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়েই দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে এবং জনগণ নতুন করে স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে। তাই জুলাইয়ের সঙ্গে কোনো আপস নয়, জুলাইকে দিতে হবে সর্বোচ্চ সম্মান।”
    তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দুঃসময়ে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া শত শত নেতাকর্মীর জামিন বিনা পারিশ্রমিকে করিয়ে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
    অ্যাডভোকেট হাসনা হেনা অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ তাকে দমিয়ে রাখতে তাঁর আইনজীবী সনদ (অ্যাডভোকেটশিপ) বাতিলেরও চেষ্টা করেছিল। কিন্তু কোনো চাপ বা ভয়-ভীতি তাঁকে আদর্শের পথ থেকে সরাতে পারেনি।
    তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি রাজপথে নেমেছিলেন। শেখ হাসিনার সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। তাঁর ভাষায়, “লাখো কোটি ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ ও আন্দোলনের কারণেই আমরা স্বৈরাচার থেকে মুক্তি পেয়েছি।”
    জুলাই আন্দোলনে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তিনি বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজকের স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহতদের উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
    শেষে অ্যাডভোকেট হাসনা হেনা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া সকলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁদের বাবা-মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “জাতির জন্য শ্রেষ্ঠ সন্তানদের জন্ম দিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের এই আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।”

  • জুলাই আন্দোলনের অন্তরালে ছিলেন তিনি — চট্টলার সাহসী অভিভাবক ব্যারিস্টার মীর হেলাল

    লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

    জুলাই আন্দোলন ছিল না কোনো হঠাৎ বিস্ফোরণ — এটি ছিল সংগঠিত, পরিকল্পিত এবং নেতৃত্বনির্ভর একটি গণঅভ্যুত্থান।
    এই আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের দিক নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রামের গর্ব, চট্টলার গণমানুষের অবিচল অভিভাবক, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল ভাই।
    সাথে ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ ভাই, যিনি মাঠের নেতৃত্বে ছিলেন নির্ভীক।

    মীর হেলাল ভাই শুধু আন্দোলনের ‘রোডম্যাপ’ দেননি —
    আমাদের প্রতিটি ব্লকেড, মিছিল, অবস্থান কর্মসূচি, এমনকি কোথা থেকে বের হবো, কোথায় নিরাপদে যাবো —
    সব সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে।
    তিনি ছিলেন মাঠে নেমে যোদ্ধাদের ছায়া, আর দূর থেকে সার্বক্ষণিক অভিভাবক।

    এই আন্দোলনে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আমাদের সমন্বয় করিয়ে দিয়েছেন তিনিই।
    তারেক রহমানের নির্দেশনা যে আগুন হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে তৃণমূলে, তা মীর হেলাল ভাইয়ের হাত ধরেই সম্ভব হয়েছে।

    যখন অনেক নেতা নিজেদের নিরাপত্তায় মোবাইল বন্ধ করে দূরে সরে গেছেন,
    তখন মীর হেলাল ভাই আমাদের খোঁজ রেখেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন — এমনকি আর্থিক সহায়তাও করেছেন।

    আমার নিরাপরাধ ছোট ভাই আমার কারণেই অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে আওয়ামী রক্ষীবাহিনীর হাতে
    আমার পরিবার ঘরছাড়া হয়েছিলো —
    কিন্তু সেই দুর্যোগে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন একজন —
    মীর হেলাল ভাই।
    তিনি ছিলেন কেবল নেতা নন,
    তিনি ছিলেন আমাদের যুদ্ধে আগুন জ্বালানো বাতিঘর।

  • ৯০ বছরের বৃদ্ধার স্বপ্ন পূরণে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত


    লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

    পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের মহিরা গ্রামের সনাতনী ধর্মাবলম্বী ৯০ বছরের ঊর্ধ্বে বৃদ্ধা হাদু মালেকা’র দীর্ঘদিনের একটি ছোট্ট স্বপ্ন ছিল— নিজের বাড়িতে যাওয়ার রাস্তাটি যেন চলাচলের উপযোগী হয়।

    কিছুদিন আগে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য জননেতা আলহাজ্ব এনামুল হক এনাম এমপি মহোদয় মহিরা এলাকা পরিদর্শনে গেলে বৃদ্ধা হাদু মালেকা তাঁর হাত ধরে বাড়ির রাস্তাটি দেখিয়ে সংস্কারের আবেদন জানান। সেদিন এমপি মহোদয় তাকে আশ্বস্ত করেছিলেন – “আমি ব্যবস্থা করব।”

    আলহামদুলিল্লাহ, তিনি তাঁর সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন।
    কাবিটা প্রকল্পের আওতায় ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়ে বৃদ্ধার বাড়ির রাস্তাটি আরসিসি ঢালাই করে দিয়েছেন।

    এটাই জনসেবার রাজনীতি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই একজন প্রকৃত জনপ্রতিনিধির পরিচয়।

    মানুষের আস্থা, মানুষের ভালোবাসা— জনতার এমপি, জননেতা আলহাজ্ব এনামুল হক এনাম এমপি।

  • জুলাই শহিদ ও আহত পরিবারের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন হাটহাজারীর গর্ব লায়ন সালাউদ্দিন আলী


    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের অসীম সাহস, ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাঁদের পরিবারের পক্ষ থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে সম্মাননা স্মারক (ক্রেস্ট) তুলে দেওয়া হয়েছে।
    সম্মাননা স্মারকটি তুলে দেন হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য, নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক, নাঙ্গলমোড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি এবং চমেক হাসপাতালের এডহক কমিটির সদস্য লায়ন সালাউদ্দিন আলী।
    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, ভোটাধিকার এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংঘটিত এই আন্দোলনে অসংখ্য মানুষ রাজপথে নেমে আসেন। আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে বহু মানুষ শহিদ হন এবং অসংখ্য মানুষ আহত হয়ে আজও সেই সংগ্রামের স্মৃতি বহন করছেন। তাঁদের আত্মত্যাগ, সাহস ও দেশপ্রেম জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
    বক্তারা আরও বলেন, শহিদদের রক্ত এবং আহতদের ত্যাগ কেবল একটি আন্দোলনের ইতিহাস নয়, বরং একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের অনুপ্রেরণা। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহিদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের অবদান সঠিকভাবে তুলে ধরতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
    অনুষ্ঠানে জুলাই শহিদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সম্মান ও সংহতি প্রকাশ করা হয়। বক্তারা বলেন, শহিদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা, আহতদের যথাযথ পুনর্বাসন এবং তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্র ও সমাজের নৈতিক দায়িত্ব। তাঁদের ত্যাগের চেতনাকে ধারণ করেই একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
    এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান এক অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। শহিদদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং আহতদের অবদানের যথাযথ মূল্যায়নের মধ্য দিয়েই তাঁদের আত্মত্যাগের প্রতি প্রকৃত সম্মান জানানো সম্ভব। অনুষ্ঠানের শেষে জুলাই শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতান্ত্রিক অগ্রগতির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

  • ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি বাবুলের নির্দেশে সদরপুর-চরভদ্রাসন সড়কের গর্ত সংস্কার


    ফরিদপুর প্রতিনিধি:
    ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার সদরপুর-চরভদ্রাসন সড়কের গাবতলার আগে একটি ঝুঁকিপূর্ণ গর্ত সংস্কার করা হয়েছে। এর আগে একই সড়কের আরেকটি গর্ত সংস্কার করা হলেও পাশেই অবস্থিত আরও একটি বড় গর্তের কারণে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছিল।
    স্থানীয় অটোরিকশা চালকদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম বাবুল-এর নির্দেশে গর্তটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
    সদরপুর উপজেলা যুবদল নেতা আজিজুল ইসলাম নান্নু-এর নেতৃত্বে একদল যুবক ও স্থানীয় লোকজন সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে আজ গর্তটি সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করেন।
    এ উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া পড়েছে। তারা বলেন, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং সড়কে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এ ধরনের স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ড নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।

  • গাজীপুরের শ্রীপুরে ৯কোটি টাকার রাস্তা তিন মাসেই ধস, ত্রুটি স্বীকার এলজিইডির, দ্রুত পুন নির্মানের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর

    গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:

    গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার সড়কের একটি অংশ নির্মাণ শেষ হওয়ার মাত্র তিন মাসের মাথায় ধসে পড়ার ঘটনায় পরিকল্পনা ও নকশাগত ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন।

    শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল ৫টায় প্রতিমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত রাজাবাড়ি-দমদমা সড়ক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিষয়টি নজরে আসার পরই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসেছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারকাজে বিশেষ নজরদারি এবং কাজের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পুরো সড়কের দৈর্ঘ্য প্রায় ১২ কিলোমিটার। এর মধ্যে নদী, খাল ও ক্যানেলসংলগ্ন অংশ প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিটার। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাত্র ৮৩ মিটার। বাকি অংশ আগের নকশা অনুযায়ী ঠিক আছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশে মাটির নিচের স্তর দুর্বল হওয়ায় সড়ক ধসে গেছে। এজন্য নতুন নকশা করা হয়েছে। বড় ধরনের পাইলিংয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পুনর্নির্মাণ করা হবে।’

    তিনি আরও বলেন, কোথাও সড়ক নির্মাণ বা সংস্কারে অনিয়ম হলে গণমাধ্যমকে তা তুলে ধরতে হবে। গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য আলাদা বরাদ্দ না থাকায় স্থানীয় জনগণের সহযোগিতার ওপর অনেকাংশে নির্ভর করতে হয়। তবে এ প্রকল্পে এখন পর্যন্ত তাঁর কাছে কোনো অনিয়মের তথ্য আসেনি বলেও জানান তিনি।

    এর আগে গত ২৯ জুন এলজিইডির ঢাকা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল মনজুর মো. সাদেকের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পরিদর্শন করে। পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘সড়কটির প্রাথমিক নকশা ও পরিকল্পনায় ত্রুটি থাকার কারণেই নির্মাণ শেষ হওয়ার পরপরই সূতি নদীসংলগ্ন অংশ ধসে গেছে।’

    তিনি জানান, তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত প্রকাশ করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ স্থায়ীভাবে সংস্কারের জন্য নতুন নকশা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তদন্ত কমিটির নকশা বিশেষজ্ঞরা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিল উত্তোলনের পর সংস্কার ব্যয় কোন খাত থেকে বহন করা হবে—এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।

    উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন ‘তিন মাসেই ধস ৯ কোটির সড়কে’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। এরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত ও পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়ন থেকে প্রহলাদপুর ইউনিয়নের দমদমা পর্যন্ত সহজ যোগাযোগ নিশ্চিত করতে ২০২১ সালে সাড়ে ৫ কিলোমিটার পাকা সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের দরপত্র আহ্বান করা হয়। মেসার্স সালাম ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায়। ২০২৪ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা শেষ হয় ২০২৬ সালে। নির্মাণ শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই সূতি নদীসংলগ্ন চিনাশুকানিয়া এলাকায় সড়কের একটি বড় অংশ দেবে যায়। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং নদীতীরে বসানো ব্লকও ভেঙে নদীতে চলে যাচ্ছে।

    পরিকল্পনা ও নকশাগত ত্রুটির বিষয়টি সরকারি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে স্বীকার করার পর প্রকল্প বাস্তবায়ন, তদারকি এবং দায় নিরূপণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

    পরিদর্শনের সময় গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস. এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।