

সিরাজগঞ্জ উপজেলা সংবাদদাতা:
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়ন, পাড়া মহল্লা গুলোতে এবং বিভিন্ন বয়সী মানুষের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
স্থানীয়রা বলছেন এবারের আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আমেজ এখন থেকেই জমে উঠেছে, কারণ আত্মপ্রকাশ করা প্রত্যেকটি প্রার্থী যেনো কেউ কারো তুলনায় কোন অংশেই কম নয়। আর তাইতো জনগণের মন জয় করে যে কোন একজনকে বিজয়ী হতে গেলে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে বলে মন্তব্য করছেন স্থানীয় ভোটাররা ।
স্থানীয়রা আরো বলছেন ইতোমধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে মানুষের সাথে গণসংযোগ, মতবিনিময়, বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিতি সহ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন এবং সকলের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে নিজের কার্যদক্ষতা প্রকাশ করছেন।
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের একজন হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাতীয়তাবাদী বিপ্লবীদল কেন্দ্রীয় কমিটি, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক উপজেলা যুবদল, স্বৈরাশাসক ও ১/১১’র তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং জনাব তারেক রহমানের মুক্তির দাবিতে দেশের মধ্যে প্রথম পোস্টারিং করে কারাবরণ করেন। তিনি ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ-২৪ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন কিন্তু বিএনপির নেতৃবৃন্দের অনুরোধে নির্বাচন থেকে সরে আসার ঘোষণা দেন শেখ আব্দুর রাজ্জাক জুয়েল।
শেখ আব্দুর রাজ্জাক জুয়েল রাজনীতিতে একজন পরিচিত ও কর্মী বান্ধব এবং জনবান্ধব নেতা। তিনি মুলত ছাত্র জীবন (৯০ এর দশক) থেকেই রাজনীতিতে আসেন এবং কলেজ, উপজেলার বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেকে সংগঠনের একজন আস্থাভাজন নেতায় পরিনত করেন। ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেকে সংগঠনের একজন নির্ভরযোগ্য বিশ্বস্ত কর্মী বান্ধব নেতা হিসেবে গড়ে তোলেন।
অপরদিকে আরেকজন হেভি ওয়েট প্রার্থী হলেন, হাসিল হোসেন কুমার গাড়া, ব্রহ্মগাছা ইউনিউনের কৃতি সন্তান, ধর্ম ভীরু, দেশ প্রেমিক, শিক্ষানুরাগী ও বিশিষ্ট শিল্পপতি এ বি সিদ্দিক ফিরোজ। দাদা ছিলেন ব্রিটিশ ও পাক ভারত পিরিয়ডের সময় জমিদার, বাবা একজন মাওলানা এবং সাবেক শিক্ষক, নানা ছিলেন ব্রিটিশ ও পাক ভারত পিরিয়ডের সময় জমিদার এবং ধানগড়া ইউনিয়নের একজন ন্যায় পরায়ণ প্রভাব শালী চেয়ারম্যান ও মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর একজন সহযোদ্ধা মোঃ শাহজাহান
এবি সিদ্দিক ফিরোজ স্থানীয় সাধারণ জনগণ ও ভোটারদের কাছে একজন হেভি ওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। মানুষের সাথে গণসংযোগ, মতবিনিময়, বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিতি থাকেন। উপজেলার প্রত্যেকটি পাড়া, মহল্লা, গ্রামে চায়ের দোকানে যার নাম শুনামের সহিত ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে, সকল প্রার্থীদের তুলনায় তিনি কম বয়সি, তরুণদের প্রথম পছন্দ তাকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ উদ্দীপনা ও প্রত্যাশা করেন রায়গঞ্জ উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দারা।
এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের জনগন বলেন এবি সিদ্দিক ফিরোজ একজন ক্লিন ইমেজের মানুষ, সাধারণ মানুষের দুঃসময়ের কান্ডারী, তাই তার মত একজন পরিষ্কার মনের মানুষকে তারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।
এবি সিদ্দিক ফিরোজ বলেন তিনি সকল প্রার্থী, সকল জনগণের সাথে সুসমপর্ক বজায় রেখে কাজ করবেন এতে জনগন যাকেই নির্বাচিত করুক তার প্রতি তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন। তাই আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে এবি সিদ্দিক ফিরোজ একজন হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনা রয়েছে।
ইতোমধ্যে জামায়াত ইসলামীর পক্ষ হতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে একজনের নাম ঘোষণা করেছে দলটি । আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে, রায়গঞ্জ উপজেলা জামায়াত ইসলামীর পক্ষ হতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, আরেক হেভি ওয়েট প্রার্থী, রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদের দুই বারের নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান এ বি এম আব্দুস সাত্তার। বিগতকালে আওয়ামী লীগের ক্ষমতা কালীন সময়ে, আওয়ামী লীগের একমাত্র প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বিগত নির্বাচন গুলোতে তিনি ক্ষমতাশালী দল আওয়ামী লীগের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়েছেন। আবারো তিনি রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করেছেন। স্থানীয় সাধারণ ভোটারদের কাছে এ বি এম আব্দুস সাত্তার, হেভি ওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন।
এদিকে সলংগা থানা যুবদলের সদস্য সচিব ও স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল মান্নান তালুকদার এর আস্থাভাজন, সমাজ সেবক ও সংগঠক, রাশেদুল হাসান তালুকদার পাপন। বর্তমানে উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তাকে নিয়েও আলোচনা চলছে । যদিও বা এখন পর্যন্ত নিজে থেকে তিনি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করেননি, তবে স্থানীয় সাধারণ ভোটারদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে পোস্ট ও বিভিন্ন ব্যানার পোস্টার এর মাধ্যমে প্রকাশ করছেন তাকে রায়গঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান।
অপরদিকে আরো একজন হেভিওয়েট প্রার্থী হলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট শিল্পপতি সমাজসেবক দুলাল হোসেন খান। তিনি ইতোমধ্যে প্রত্যেকটি ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে পৌঁছে যাচ্ছেন এই প্রার্থী, চালিয়ে যাচ্ছেন গণসংযোগ এবং মতবিনিময়।
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ব্যারিস্টার আব্দুল বাতেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোকাদ্দেস হোসেন সোহান, ও মোঃ সাব্বির আহমেদ, প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় সাধারণ ভোটারদের কাছে আলোচনায় রয়েছেন।
স্থানীয় সাধারণ ভোটার এবং সচেতন মহলের একাংশ বলছেন নির্বাচিত হয়ে নেতৃত্বে যেই আসুক না কেন, আমরা চাই সাধারণ মানুষের ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা প্রদান এবং সমাজের গরীব দুস্থ অসহায় মানুষদেরকে সঠিকভাবে সরকারি সেবা প্রদান করবেন, যার দরজা সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় খোলা থাকবে এমন একজন সেবক।


বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:দিনাজপুরের বিরামপুরে অসহায়, দুস্থ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, আদিবাসী পরিবার, আদিবাসী শিক্ষার্থী ও এতিমদের সহায়তায় সরকারি এককালীন অনুদান এবং চার উপজেলার বিভিন্ন বেসরকারি এতিমখানা ও আশ্রমের জন্য ক্যাপিটেশন গ্রান্টের চেক বিতরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়ে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, “যুবসমাজকে রক্ষায় মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।”বুধবার (১ জুলাই ২০২৬) বিরামপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. তানজিনা খাতুন।অনুষ্ঠানে শতাধিক অসহায়, দুস্থ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, আদিবাসী পরিবার ও শিক্ষার্থীর হাতে সরকারি এককালীন অনুদানের চেক তুলে দেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে বিরামপুর, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট ও নবাবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বেসরকারি এতিমখানা ও আশ্রমের প্রতিনিধিদের হাতে ক্যাপিটেশন গ্রান্টের চেক হস্তান্তর করা হয়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সমাজের পিছিয়ে পড়া, অসহায়, প্রতিবন্ধী, এতিম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা ও জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।মাদক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ। যুবসমাজকে রক্ষা করতে মাদকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে মন্ত্রী বিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শফিকুল আলম মামুন, সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেল, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির, সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম রেজুসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে অনুষ্ঠানের অবশিষ্ট অংশ পরিচালনার জন্য আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সমাজসেবক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিপুলসংখ্যক উপকারভোগী উপস্থিত ছিলেন। উৎসবমুখর পরিবেশে চেক বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।উপস্থিত উপকারভোগী ও স্থানীয়রা জানান, সরকারের এ ধরনের সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে অসহায়, প্রতিবন্ধী, আদিবাসী পরিবার, মেধাবী শিক্ষার্থী ও এতিম শিশুদের শিক্ষা, চিকিৎসা এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে এ ধরনের আর্থিক সহায়তা কার্যকর অবদান রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।



সিলেট বিশ্বনাথ উপজেলা প্রতিনিধি: