Author: DBC

  • নিয়ামতপুরে প্রণোদনার সার ও বীজ বিতরণ

    নিয়ামতপুর(নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

    নওগাঁর নিয়ামতপুরে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উফশী রোপা আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণের উদ্বোধন করা হয়েছে।
    আজ (১ জুলাই) সকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের আয়োজনে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুর্শিদা খাতুন।
    কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রোপা আমন মৌসুমে উপজেলায় ৫ হাজার ১শ জনের মাঝে জন প্রতি ১০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি সার ও ৫ কেজি ধানের বীজ বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।
    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুর্শিদা খাতুন।
    আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে (ইউএনও) বলেন, সরকার কৃষকের স্বপ্ন বাস্তবায়নে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার দিচ্ছেন। প্রণোদনার সার ও বীজ সঠিকভাবে কৃষক ব্যবহার করলে ধান উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
    এ সময় কৃষি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তাসহ প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

  • চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে লোহাগাড়ায় কাভার্ড ভ্যান-হাইসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অনেকে

    লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :

    চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ খালেকের দোকান এলাকায় কাভার্ড ভ্যান ও হাইসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
    আজ (বুধবার) দুপুর আড়াইটার দিকে বার আউলিয়া ডিগ্রি কলেজের একটু পূর্ব পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত আমিরাবাদ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। দুর্ঘটনার বিস্তারিত ও আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

  • সরকার জনগণের প্রতি খুবই আন্তরিক : হুমায়ুন কবির।

    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :

    প্রকাশ: ১৩:৫১, বুধবার, ০১ জুলাই, ২০২৬
    সরকার জনগণের প্রতি খুবই আন্তরিক : হুমায়ুন কবির
    বিশ্বনাথে সুবিধাভোগীদের মাঝে অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্ঠা হুমায়ুন কবির।

    প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্ঠা হুমায়ুন কবির বলেছেন, ‘সরকার জনগণের প্রতি খুবই আন্তরিক। এই সরকার জনগণের সরকার। বছরের প্রথম থেকেই উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম দৃশ্যমান রয়েছে।

    আশাকরি সকলে সহযোগিতা করবেন। ’
    আজ বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১০টায় সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সুবিধাভোগীদের মধ্যে অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদ বিন কাশেম’র সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট-৬ আসনের এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী।

    বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি রুমেল আলীর পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ গাজী মো. মাহবুবুর রহমান, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আব্বাস আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির আহমদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুর রব, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও লামাকাজি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন ধলা মিয়া, অলংকারী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম রুহেল, উপজেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল আমীন আজাদ, বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিন তালুকদার, বিশ্বনাথ পুরাণবাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আহমদ, বিএনপি নেতা মুসলিম আলী, জয়নাল মিয়া, বাদশা মিয়া, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক তাজুল ইসলাম সাজু, বিশ্বনাথ পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক দিলোয়ার হোসেন সজিবসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

  • গাজীপুর সদর উপজেলার সকল দপ্তর নগরীতে

    গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:

    গাজীপুর সদর উপজেলাধীন এলাকায় একসময় ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদ ছিল। ২০১৩ সালে গাজীপুর ও টঙ্গী পৌরসভাকে একত্র করে এবং পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নগুলোর কিছু এলাকা নিয়ে যাত্রা শুরু হয় গাজীপুর সিটি করপোরেশন (গাসিক)। একই সঙ্গে অবশিষ্ট দূরবর্তী দুটি ইউনিয়ন পরিষদকে চারটিতে রূপান্তরিত করে পুনর্বিন্যস্ত গাজীপুর সদর উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়।

    কিন্তু উপজেলা পরিষদ কার্যালয়, সরকারি সব দপ্তর ও নাগরিক সেবা সেই সিটি করপোরেশনভুক্ত এলাকাতে থেকে গেছে। কোনো কার্যালয়ই সদর উপজেলার ভূখণ্ডে স্থানান্তর করা হয়নি। স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯-এর নানা শর্ত পূরণ না হওয়ায় সদরের কোনো পৌরসভাও নেই। এমনকি উপজেলাবাসীর জন্য নিজ এলাকায় নেই কোনো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

    ফলে এক যুগের বেশি সময় ধরে সরকারের যেকোনো ধরনের সেবা নিতে উপজেলাবাসীকে যেতে হচ্ছে ২৫-৩০ কিলোমিটার দূরের সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকায়। এতে নিত্য ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সদর উপজেলাবাসীকে।

    জানা গেছে, ২০১৩ সালে গাজীপুর সিটি করপোরেশন গঠনের পর পূর্বের সদর উপজেলার দুটি ইউনিয়ন থেকে যায়। এর মধ্যে মির্জাপুর ইউনিয়নকে পুনর্বিন্যাস করে ভাওয়ালগড় ও পিরুজালী নামের আরও দুটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়। এ ছাড়া রয়েছে বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ। সব মিলিয়ে চারটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয় সদর উপজেলা। আয়তনের দিক দিয়ে ছোট হলেও উপজেলাটি শিল্পাঞ্চল অধ্যুষিত হওয়ার কারণে এখানে বেশি মানুষের বসবাস। প্রায় ৮ লাখ মানুষের বসবাস এখানে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সিটি করপোরেশন গঠনের আগে বর্তমান গাজীপুর মহানগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) এলাকায় উপজেলা পরিষদের নিজস্ব কার্যালয় ছিল।

    বর্তমানে এই কার্যালয় থেকে পরিচালিত হচ্ছে অন্তত ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সদর উপজেলার সব ধরনের কার্যক্রম। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়, শিক্ষা অফিস, নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়সহ সরকারি সব দপ্তর মহানগরীতে রয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা পেতে। কয়েকটি কমিউনিটি ক্লিনিক ছাড়া কোনো স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা নেই এখানে। শুধু থানা-পুলিশের কার্যক্রম নিজ ভূখণ্ডে রয়েছে।

    সদর উপজেলার ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের বানিয়ারচালা গ্রামের বাসিন্দা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের শুধু নামে উপজেলা রয়েছে। নাগরিক সুবিধা পেতে অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এখানে একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সও নেই। ইউনিয়নের মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা পেতে পাশের শ্রীপুর উপজেলায় যতে হয়। বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা কিংবা মুমূর্ষু রোগীদের দ্রুত সরকারি হাসপাতালে নেওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে সেবা নিতে হয়। সরকারি দপ্তরের সেবা পেতে ভোগান্তির শেষ নেই। যেতে হয় মহানগরীতে।’

    শিরিরচালা গ্রামের বাসিন্দা সুমন হায়দার বলেন, ‘সরকারি কোনো একটি দপ্তর আমাদের উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ভেতর নেই। কোনো প্রয়োজন হলেই মহানগরীতে যেতে হয়। সামান্য একটি জন্মনিবন্ধনের সংশোধন করতেও ২৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়।’

    একই ক্ষোভ ও কষ্টের কথা জানান রাজনৈতিক নেতারাও। গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘সদর উপজেলা নামে থাকলেও উপজেলার সীমানায় কোনো সরকারি দপ্তর নেই। দাপ্তরিক সেবা নিতে এই উপজেলার মানুষের অনেক কষ্ট, ভোগান্তি হচ্ছে। যাতায়াত খরচ হচ্ছে কয়েক গুণ বেশি। বর্তমান সংসদ সদস্য আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। আশা করি আমাদের নাগরিক সমস্যার সমাধান হবে।’

    এদিকে সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে গত শুক্রবার গাজীপুর সদর উপজেলায় ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থাপনসহ সব নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিজ ভূখণ্ডে নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে। উপজেলার হোতাপাড়া বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

    গাজীপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার আগে থেকে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়টি এখানে (মহানগরীতে) অবস্থিত। তবে নাগরিক সেবা নিতে সদর উপজেলাবাসীর ভোগান্তি হচ্ছে, এটা সঠিক। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হবে।’

    জানতে চাইলে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সমস্যাটি নতুন নয়। সরকারের কার্যালয় স্থানান্তরের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। জনসাধারণের চিকিৎসাসেবাসহ অনন্য সেবা সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।’

    এ বিষয়ে গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর ও গাজীপুর সদর উপজেলা)

    আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আশা করছি,দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধান হবে।

  • বিরামপুরে একের পর এক অভিযোগ: জনদুর্ভোগ,শিক্ষা খাতে অনিয়ম ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় বিভিন্ন অনিয়ম, জনদুর্ভোগ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানা অভিযোগকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে একাধিক লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রমাণ তারা দেখতে পাননি। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী,১লা জুলাই ২০২৬গত ৩-৪ মাস পূর্ব থেকে উক্ত অভিযোগ গুলো উপজেলা প্রশাসনের বেশ কিছু দপ্তরে জমা পড়ে রয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও অনেক তথ্য প্রকাশ্যে এসেছেন তারপরও উপজেলা প্রশাসন তেমন কোন ব্যবস্হা গ্রহণ করা হয় নাই।উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে অনিয়ম,কথিত ভুয়া শিক্ষাগত সনদের মাধ্যমে চাকরি,উপস্থিত না থেকেও বেতন ভাতা উত্তোলন এবং প্রশাসনিক তদারকির ঘাটতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন সড়কে দীর্ঘ সময় ট্রাক্টর ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। উপজেলা পরিষদ চত্বরে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলেন, জনগণের করের টাকায় পরিচালিত সরকারি প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। অভিযোগ গুলো সত্য হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরা তাদের একমাত্র দ্বায়িত্ব।এলাকাবাসীর দাবি,দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগ নিষ্পত্তিহীন অবস্থায় পড়ে থাকায় প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করলে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। স্থানীয়রা আরও বলেন, তারা কোনো নির্দোষ ব্যক্তির হয়রানি চান না; একই সঙ্গে কোনো অভিযোগও যেন ধামাচাপা না পড়ে। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং প্রমাণিত অনিয়মের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান তারা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক ভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এলাকাবাসী বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসন,সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • টেন্ডার অনিয়ম, ঘুষ, অর্থ আত্মসাৎ ও নারী সহকর্মী হয়রানির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

    টেন্ডার অনিয়ম, ঘুষ, অর্থ আত্মসাৎ ও নারী সহকর্মী হয়রানির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

    স্টাফ রিপোর্টার:

    গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, টেন্ডার অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ এবং নারী সহকর্মীদের হয়রানির অভিযোগ এনে তার অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩০ জুন) বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্প, ইজারা কার্যক্রম ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম-দুর্নীতি চলে আসছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

    বক্তাদের অভিযোগ

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বরমী-বরামা-সিংহশ্রী-রায়েদ খেয়াঘাট ইজারা কার্যক্রমে ঘুষ গ্রহণ ও টেন্ডার অনিয়ম, জেলা পরিষদের প্রায় ৬২ কোটি টাকার এফডিআর (ফিক্সড ডিপোজিট) ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়নে ঘুষ গ্রহণ, ঠিকাদারি বিল থেকে ৬ শতাংশ হারে অবৈধ অর্থ আদায় এবং নারী সহকর্মীদের যৌন হয়রানির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

    বক্তারা বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন একাধিক অভিযোগ ওঠার পরও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তারা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

    আগেই দেওয়া হয়েছে লিখিত অভিযোগ

    এর আগে একই অভিযোগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়। গত ১৭ জুন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বাসিন্দা তফিজ ওই অভিযোগ দাখিল করেন।

    লিখিত অভিযোগে বলা হয়, জেলা পরিষদের এফডিআর ভেঙে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন ছাড়াই অর্থ উত্তোলন, বেয়ারার চেকের মাধ্যমে অর্থ বিতরণ, ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়নে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, সরকারি সম্পত্তি ইজারায় অনিয়ম এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি অর্থের অপব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে।

    এছাড়া গাজীপুর চৌরাস্তার নাওজোর এলাকার দোকান, ইসলামপুর ভাঙা ব্রিজসংলগ্ন জেলা পরিষদের জমি, কালিয়াকৈর ডাকবাংলা এলাকার কাঠবাজার এবং কাপাসিয়ার বিভিন্ন সরকারি সম্পত্তি ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিধি অনুসরণ না করে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও উত্থাপন করা হয়।

    অভিযোগে আরও বলা হয়, সরকারি বাসভবনে ওঠার কয়েক মাসের মধ্যেই টেন্ডার ছাড়াই ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কয়েকটি খেয়াঘাট ইজারায় সর্বোচ্চ দরদাতাকে বঞ্চিত করে পুনঃপুন দরপত্র আহ্বান, সিডিউল বিক্রয়ে বাধা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে টেন্ডার বাতিল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

    স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির কোনো স্থান নেই। সরকারের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি বাস্তবায়নের স্বার্থে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

    এ সময় গাজীপুর জেলা পরিষদে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

    উপস্থিত ছিলেন

    মানববন্ধনে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন আকাশ, সাংবাদিক এইচ. এম. হাকিম, আনজার শাহ, আবুল বাসার মজুমদার, ইসলাম উদ্দিন তালুকদারসহ সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • উন্নয়নে জোর: নতুন কোনো কর ছাড়াই কটিয়াদী পৌরসভার ২৪ কোটি টাকার বাজেট


    কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ জেলা) প্রতিনিধি:

    কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাজস্ব ও উন্নয়ন তহবিল মিলে ২৪ কোটি ১২ লক্ষ ৫৫ হাজার ৬৫ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।

    সোমবার (২৯ জুন) পৌরসভা মিলনায়তনে এই বাজেট ঘোষণা করেন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা।

    প্রস্তাবিত এই বাজেটে পৌরসভার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন ও স্মার্ট পৌরসভা গড়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
    বাজেট ঘোষনায় সভাপতিত্ব করেন পৌর প্রশাসক লাবনী আক্তার তারানা।

    এবারের বাজেটে সংযুক্ত দাপ্তরিক নথিপত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই প্রস্তাবিত বাজেটে মোট উদ্বৃত্ত ধরা হয়েছে ৪,৫৬,০৭,৮৭৫.৩৬ টাকা (৪ কোটি ৫৬ লক্ষ ৭ হাজার ৮৭৫ টাকা ৩৬ পয়সা)।রাজস্ব ও উন্নয়ন খাতের বিস্তারিত বিবরণ:১. রাজস্ব খাত:রাজস্ব আয়: ৭,৮৬,০০,৩৯৮.৬৫ টাকা (৭ কোটি ৮৬ লক্ষ ৩৯৮ টাকা ৬৫ পয়সা)। রাজস্ব ব্যয়:৫,৩৫,৪৭ ,২৯০.০০ টাকা (৫ কোটি ৩৫ লক্ষ ৪৭ হাজার ২৯০ টাকা)।রাজস্ব উদ্বৃত্ত: ২,৪৯,৫৩,১০৮.৬৫ টাকা (২ কোটি ৪৯ লক্ষ ৫৩ হাজার ১০৮ টাকা ৬৫ পয়সা)। ২. উন্নয়ন খাত:উন্নয়ন আয়: ১৬,২৬,৫৪,৭৬৬.৭১ টাকা (১৬ কোটি ২৬ লক্ষ ৫৪ হাজার ৭৬৬ টাকা ৭১ পয়সা)।উন্নয়ন ব্যয়: ১৪,২০,০০,০০০.০০ টাকা (১৪ কোটি ২০ লক্ষ টাকা)।উন্নয়ন উদ্বৃত্ত ২,০৬,৫৪,৭৬৬, ৭১ টাকা (২ কোটি ৬ লক্ষ ৫৪ হাজার ৭৬৬ টাকা ৭১ পয়সা)।

    পৌর কর্তৃপক্ষ জানান, এই বাজেটটি সম্পূর্ণ জনকল্যাণমুখী এবং এলাকার সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে। নতুন কোনো কর আরোপ ছাড়াই এই বাজেট ঘোষণা করায় স্থানীয় নাগরিক ও ব্যবসায়ী মহলে বেশ ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদি পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা কারার দিদারুল মতিন,সহকারী প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহম্মদ,পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন,সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার,উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন,জসিম উদ্দিন মেনু,উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মাসুদসহ পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।

  • ভোলাহাটে বিজিবির অভিযানে ১৬টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১৬টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ করেছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)।আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন ২০২৬) ভোরে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলাহাট ইউনিয়নের চামুচা গ্রামস্থ মাগুড়া মাঠে অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় মোবাইলগুলো উদ্ধার করে। এ বিষয়ে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, এসজিপি, বিএফএম, পিএসসি অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য, বিগত তিন মাসে এই ব্যাটালিয়ন সীমান্তে মোট ১৩৩টি চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে। জব্দকৃত মোবাইলগুলো কাস্টমসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

  • ইউজিসির নির্দেশনায় গবেষণায় আলাদা বরাদ্দ নেই কুবিতে

    কুবি প্রতিনিধি:

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য অনুমোদিত ৮৩ কোটি ২৯ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার বাজেটে রাখা হয়নি কোন গবেষণা বরাদ্দ। তবে প্রশাসন বলছে, ইউজিসির নির্দেশনাতেই আলাদা কোন বাজেট রাখা হয়নি এই-খাতে। এই অর্থবছরের গবেষণা ও স্কলারশিপ খাতের বরাদ্দের নির্দেশনায় থাকবে স্বয়ং ইউজিসি।

    সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এই বাজেট উপস্থাপন করেন।

    জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশকৃত মোট বাজেটের পরিমাণ ৮৩ কোটি ২৯ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে ইউজিসি থেকে পাওয়া যাবে ৭১ কোটি ৬২ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৮ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা, প্রারম্ভিক জের হিসেবে আসবে ২ কোটি ১ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা এবং ঘাটতি বাজেট ৯০ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা।

    বাজেট থেকে জানা যায়, বাজেটের সর্বোচ্চ ৬০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, যা টাকার অঙ্কে প্রায় ৫০ কোটি ৫২ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা খরচ হবে বেতন-ভাতা ও পেনশনে এবং সর্বনিম্ন শূন্য দশমিক ৫৩ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ৪৪ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা খরচ হবে অনুদান খাতে। তবে এরমধ্যে রাখা হয়নি গবেষণা বাবদ কোন বরাদ্দ।

    জানা যায়, ইউজিসি কর্তৃক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য গবেষণা ও বিদেশি বৃত্তি খাতে ২৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা ইউজিসির মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বণ্টন করা হবে এবং গবেষণা বরাদ্দের সার্বিক নির্দেশনায় থাকবে ইউজিসি।

    সেজন্য ইউজিসির নির্দেশনা মোতাবেকই গবেষণায় আলাদা বরাদ্দ রাখেনি প্রশাসন। তবে ইতোমধ্যেই ইউজিসিকে সাড়ে তিন কোটির গবেষণা বরাদ্দ দেওয়ার রিকুইজিশন দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে।

    যা অনুমোদিত হলে গবেষণা খাতে সাম্প্রতিক অর্থবছরগুলোর তুলনায় অনেক এগিয়ে থাকবে এই অর্থবছর। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গবেষণায় বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। ২০২৪-২৫ এ ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা, ২০২৩-২৪ এ ২ কোটি টাকা, ২০২২-২৩ এ ছিল ২ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে গবেষণায় বরাদ্দ ছিলো ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ফলে আবেদনকৃত গবেষণা বরাদ্দ মঞ্জুর হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় ইতিবাচক প্রভাব রাখবে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

    মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে আলাদা করে দেয়নি, এরকম না; অন্য বিশ্ববিদ্যালয়েও দেয় নাই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য যখন বরাদ্দ হবে, তখন ওখানে তারা ডিস্ট্রিবিউশন করে দিবে।’

    এ বিষয়ে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ইউজিসির কাছে আমরা ৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা চেয়েছি। আমরা আশা করছি, এটা পাবো আমরা। ইউজিসি-র কি নির্দেশনা আসবে, বা ইউজিসি-তে কিভাবে এটা ডিস্ট্রিবিউশন করবে তার আলোকে আমাদের আবার পরে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

  • নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা সভায় মেডিকেল রিপোর্টে কারসাজি নিয়ে ক্ষোভ


    নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় হাওরে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধে অভিযান জোরদার, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রাখা এবং স্কুল চলাকালে শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানো বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। একই সভায় এক নারী নির্যাতনের মামলার মেডিকেল রিপোর্টে কারসাজির অভিযোগও আলোচনায় আসে। মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুন।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদের, মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অনিক রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্নায়েন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম এরশাদুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানি পুতুল, উপজেলা জামায়াতের আমির কাজী মোফাজ্জল হোসেন সবুজ, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, সাত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা। সভায় বক্তারা বলেন, হাওরে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার অব্যাহত থাকায় মৎস্যসম্পদ হুমকির মুখে পড়ছে। তাই এ ধরনের জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদারের দাবি জানানো হয়। এছাড়া বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে কিছু শিক্ষক প্রাইভেট পড়ানোর অভিযোগ তুলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান উপস্থিত সদস্যরা।

    সভায় সম্প্রতি মোহনগঞ্জে এক নারী হামলার শিকার হয়ে তিন মাসের গর্ভের সন্তান হারানোর ঘটনাও আলোচিত হয়। অভিযোগ করা হয়, ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার মেডিকেল রিপোর্টে কারসাজি করে আঘাতের বিষয়টি স্বাভাবিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরে সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে অভিযুক্তরা আদালত থেকে জামিন পান। এ বিষয়ে সভায় উপস্থিত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ সরকার বলেন, “হয়তো কোনো কারণে এমনটি হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও আমেনা খাতুন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি সভায় উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে প্রয়োজন।