Author: DBC

  • রামগড়ে চুরির অপবাদে হামিদুর ইসলাম নামে ১৫ বছরের শিশু কারাগারে

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি রামগড় উপজেলায় একটি মোবাইল চুরির মামলায় হামিদুর ইসলাম ফয়সাল নামে ১৫ বছর বয়সী এক শিশুকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    শিশুটির পরিবার দাবি করেছে, সে চুরির সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নয়; বরং প্রকৃত অভিযুক্তের সঙ্গে অজান্তে একটি মোবাইল ফোন বিক্রি করতে যাওয়ায় তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে শিশুটির মুক্তির দাবি জানিয়েছে পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।
    শিশুটির বাবা মো. হানিফ অভিযোগ করেন, তার ছেলে কখনো চুরির সঙ্গে জড়িত ছিল না। প্রকৃত অভিযুক্ত শিশুটিকে জানায়, মোবাইল ফোনটি তার খালার এবং সেটি বিক্রি করতে হবে। সেই বিশ্বাসে সে অভিযুক্তের সঙ্গে দোকানে গেলেও মোবাইলটি যে চুরি করা ছিল, তা শিশুটি জানত না।

    পরিবারের অভিযোগ, রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজির আলম শিশুটির বক্তব্য গুরুত্ব না দিয়ে দণ্ডবিধির ৩৮০, ৪১১ ও ৩৪ ধারায় দায়ের করা মামলায় তাকে আসামি করেন। জন্মসনদে শিশুটির বয়স ১৫ বছর হলেও মামলার নথিতে ১৬ বছর উল্লেখ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ পরিবারের।
    পরিবার আরও দাবি করেছে, শিশুটিকে হাতকড়া পরিয়ে আদালতে নেওয়া হয়। খাগড়াছড়িতে শিশু হাজতের ব্যবস্থা না থাকায় পরে তাকে গাজীপুরের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

    শিশুটির বাবার ভাষ্য, আটক অভিযানের সময় স্থানীয় এক সাংবাদিকের সঙ্গে পুলিশের বাকবিতণ্ডার ঘটনার জের ধরে ওসি ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিহিংসাবশত তার ছেলেকে মামলায় জড়িয়েছেন। এছাড়া, শিশু আটক করার আগে সমাজসেবা কর্মকর্তাকে অবহিত করার বিধান থাকলেও তা অনুসরণ করা হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
    তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে রামগড় থানার ওসি মো. নাজির আলম বলেন, “জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি মোবাইল চুরির বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাই তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

    এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, শিশু সংশ্লিষ্ট মামলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে শিশুটি নির্দোষ প্রমাণিত হলে দ্রুত মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

  • কাঁঠালিয়ায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, চারা ও সার বিতরণ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি:ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, গাছের চারা ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

    সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিসের সামনের চত্বরে প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফাতেমা ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি সুমী রানী বল।

    অনুষ্ঠানে কৃষি বিভাগের সহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও কৃষক কৃষাণীরা উপস্থিত ছিলেন।

    কৃষকদের প্রণোদনা আওতায় ১০০০ জন আমন চাষীকে সার, বীজ ও ঔষধ, ৬৯২৫ জন চাষীকে ফলদ ও বনজ চারা ৪০০ জনকে লেবু চারা এবং ৬০০ জনকে সবজি চাষের উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

  • হিন্দু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ ছাত্রলীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে, সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি :
    ঝালকাঠির রাজাপুরে এক হিন্দু পরিবারের জমি জোরপূর্বক দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রলীগের উপ-ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক মোসা. রিয়া আকতারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সংবাদ সম্মেলন করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছে।

    সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে রাজাপুর উপজেলার রয়েল ক্যাফেতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী অমূল্য চন্দ্র হালদারের মেয়ে অনামিকা হালদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জমির মালিক অমূল্য চন্দ্র হালদার, তার স্ত্রী রিনা হালদার, ছেলে রাজিব হালদার, মেয়ে অনামিকা হালদার ও সমীর চন্দ্র মালাকার।

    লিখিত বক্তব্যে অনামিকা হালদার বলেন, ২০২২ সালে তারা ৪৭ নম্বর রাজাপুর মৌজার ৫ দশমিক ১১ শতাংশ জমি বড়ইয়া ইউনিয়নের উত্তমপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের মেয়ে মোসা. রিয়া আকতারের কাছে ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। একই মৌজার আরও ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ জমি রাজাপুর সদর ইউনিয়নের আঙ্গারিয়া গ্রামের অধীর মালাকারের ছেলে সমীর চন্দ্র মালাকারের কাছে ১৭ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

    তাদের দাবি, জমি বিক্রির পর একাধিকবার মাপজোক করে ক্রেতাদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং তারা দীর্ঘদিন সঠিক মাপ অনুযায়ী জমি ভোগদখল করে আসছিলেন। তবে ২০২৪ সালের শেষের দিকে মোসা. রিয়া আকতার বিক্রিকৃত ৫ দশমিক ১১ শতাংশ জমির পরিবর্তে ৬ দশমিক ১১ শতাংশ জমি রেকর্ড করে নেন। এ ঘটনায় বরিশাল আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে বলেও জানান তারা।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রিয়া আকতার ও তার স্বামী মো. রফিক হাওলাদার উপজেলা পরিষদে চাকুরী করে যার জন্য ক্ষমতার শক্তিতে স্থানীয় লোকজন নিয়ে গত ২৮ জুন রবিবার সকালে তাদের জমির সীমানা বেড়া ও টিন ভেঙে জোরপূর্বক দখল করে নেন। এ সময় তাদের পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়।

    অমূল্য হালদার বলেন, ঘটনার সময় রাজাপুর থানায় ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দখল কার্যক্রমে বাধা দেয়। তবে এখন পর্যন্ত তারা কোনো প্রতিকার পাননি। বরং অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এখনও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে।

    সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করে বলেন, “আমরা হিন্দুধর্মাবলম্বী হওয়ায় আমাদের দুর্বল মনে করে জমি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা আমাদের জমি ফেরত চাই এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।”

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোসা. রিয়া আকতার জমি দখলের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমার কাছে জমি বিক্রি করে মাপজোক দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। বলে আমাকে মেপে নিতে পরে আমি আমিন দ্বারা মাপজোক দিয়ে সীমানায় পিলার বসিয়েছি। সংবাদ সম্মেলনে তারা আমার বিরুদ্ধ যা বলছে সব মিথ্যা।

    এবিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুজন বিশ্বাস বলেন, ঘটনা আমার জানা নেই তবে খোঁজ নিয়ে দেখতাছি। ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ছবি ক্যাপশন:-১ অভিযুক্ত উপজেলা ছাত্রলীগের উপ-ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক মোসা. রিয়া আকতার।

    ছবি ক্যাপশন:-২ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী অমূল্য চন্দ্র হালদারের মেয়ে অনামিকা হালদার।

  • শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ কলেজের এইচএসসি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বিদায় অনুষ্ঠান -২০২৬


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শাহ্‌ নেয়ামতুল্লাহ কলেজের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১০টায় কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফ আফজাল রাজন।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. সেরাজ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার, নবাবগঞ্জ সিটি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুহা. আমানুল্লাহ, শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ কলেজের উপাধ্যক্ষ মোহাঃ শরিফুল আলম প্রমুখ ।
    অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন শাহ্‌ নেয়ামতুল্লাহ কলেজের অধ্যক্ষ মোহা. তরিকুল আলম সিদ্দিকি।
    এ সময় অতিথিরা কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করেন এবং এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তারা বলেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফল হতে হলে সততা, অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাসের বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ভালো ফলাফল অর্জনের আহ্বান জানান তারা। অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা, শুভকামনা এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননার মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।

  • নবাবগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৬ অনুষ্ঠিত


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ পৃথিবী গড়ার প্রত্যয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী নবাবগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) বিকাল ৩ ঘটিকায় নবাবগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠ প্রাঙ্গণে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। “ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি” (একটি শিশু, একটি গাছ) স্লোগানকে সামনে রেখে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ের শতভাগ উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৩ শিক্ষার্থীকে ফলজ, বনজ ও ঔষধী গাছের চারা বিতরণ করেন। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছাত্রীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নবাবগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালযের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোসাঃ রওশনয়ারা । উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের ইঞ্জিনিয়ার ও শিক্ষার্থীর অভিভাবক মোঃ আব্দুল ওয়াহিদ, নবাবগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোঃ মাসুদ রানা ও মোঃ শফিউল আজম, হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক ও অভিভাবক মোঃ নাসির উদ্দীন ও অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুল হান্নানসহ শিক্ষক- শিক্ষিকা ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা সারিবদ্ধভাবে বিদ্যালয় মাঠে বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ সহ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে চারা রোপণ করে । একই সাথে রোপণকৃত গাছগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা ও সুরক্ষার দায়িত্ব নেয় ছাত্রীরা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাঃ রওশনয়ারা তাঁর বক্তব্যে বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি শিক্ষার্থীর মাঝে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করা, যেন তারা নিজেদের একটি করে গাছের দায়িত্ব নিয়ে বড় হতে পারে।” বৃক্ষরোপণ শেষে পরিবেশ বাঁচানোর আহ্বান জানিয়ে ছাত্রীরা একটি র‍্যালি বা সচেতনতামূলক প্রচারণায় অংশ নেয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবক ও পরিবেশবাদীরা।

  • খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় লোকালয়ে আট ফুট লম্বা অজগর সাপ উদ্ধার

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:দীঘিনালা উপজেলার কবাখালী ইউনিয়নের পূর্ব হাচিনসনপুর এলাকায় প্রায় ৮ ফুট লম্বা একটি অজগর সাপ উদ্ধার হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাপটি নিরাপদে উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে এক ব্যক্তি মাছ ধরা জালের মধ্যে একটি ৮ ফুট লম্বা অজগর সাপ আটকে থাকতে দেখেন। আটকে খবর মুহূত্বে ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন জড়ো হতে থাকে। পরে সতর্কতার সঙ্গে সাপটিকে জাল থেকে বের করা হয়। বন বিভাগকে জানানো হলে মেরুং রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. জাফর উল্লাহর নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটিকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

    বন বিভাগ জানায়, উদ্ধার হওয়া সাপটি প্রায় ৮ ফুট লম্বা এবং এটি একটি দেশীয় প্রজাতির অজগর (Python molurus)। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সাপটিকে উপযুক্ত প্রাকৃতিক আবাসস্থলে অবমুক্ত করা হবে।

    মেরুং রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. জাফর উল্লাহ বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি দেশীয় প্রজাতির অজগর সাপ বলে শনাক্ত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে এ ধরনের সাপের উপস্থিতি থাকলেও দীঘিনালায় এ প্রজাতির অজগর উদ্ধারের ঘটনা আমাদের জানা মতে প্রথম।

    ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা জানান, এত বড় অজগর তারা আগে কখনও এলাকায় দেখেননি। বন বিভাগের তাৎক্ষণিক জানানো পরে সাপটি নিরাপদে উদ্ধার হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

  • রায়গঞ্জে ফুলজোড় ইংলিশ একাডেমির এইচএসসি-২৬ ব্যাচের দোয়া ও বিদায় সংবর্ধনা

    রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ফুলজোড় ইংলিশ একাডেমির উদ্যোগে এইচএসসি-২৬ ব্যাচের পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলার ভুইয়াগাঁতী কোচিং সেন্টার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ছিল আবেগ, প্রেরণা ও শুভকামনার এক উষ্ণ মিলনমেলা।

    প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো. একরামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভুইয়াগাঁতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শাহিনুর আলম।

    এ ছাড়া অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তারা বলেন, “ফুলজোড় ইংলিশ একাডেমি শুধু একটি কোচিং সেন্টার নয়, এটি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন গড়ার এক নির্ভরযোগ্য ঠিকানা। গত পাঁচ বছরে প্রতিষ্ঠানটি ইংরেজির মতো কঠিন বিষয়কে সহজ ও আনন্দময় করে তুলে অসংখ্য শিক্ষার্থীর মনে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলেছে। ভুইয়াগাঁতীর মতো গ্রামীণ এলাকায় এমন একটি মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকা সত্যিই এলাকাবাসীর জন্য গর্বের।”

    সভাপতির বক্তব্যে মো. একরামুল হক বলেন, “এসএসসি পরীক্ষা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ভয় নয়, আত্মবিশ্বাস নিয়েই পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। কঠোর পরিশ্রম ও সঠিক প্রস্তুতিই তোমাদের সাফল্যের চাবিকাঠি। তিনি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।”

    শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে লাবনী, প্রিয়া, নাইম ও জুবায়ের আবেগঘন বক্তব্য দেন। তারা বলেন, “এই প্রতিষ্ঠান আমাদের শুধু পড়াশোনাই শেখায়নি, শিখিয়েছে স্বপ্ন দেখতে ও সেই স্বপ্ন পূরণের সাহস রাখতে। শিক্ষকেদের ভালোবাসা ও দিকনির্দেশনা আমরা কখনো ভুলব না।”

    অনুষ্ঠানে পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা সামগ্রী ও চূড়ান্ত মডেল টেস্ট পরিক্ষায় বিজয়ের বিশেষ পুরুষ্কার প্রদান করা হয়। পরে সকল শিক্ষার্থীর সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। শেষপর্যন্ত এক আবেগঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

  • বিশ্বনাথে সৌদি আরব প্রবাসী আমির আলীর ইন্তেকালে উপজেলা জামায়াতের শোক ও সমবেদনা


    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:
    সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের পাকিছিরি গ্রামের বাসিন্দা ও সৌদি আরব প্রবাসী আমির আলী অসুস্থতাজনিত কারণে সৌদি আরবের জেদ্দার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    তাঁর ইন্তেকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার আমীর মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী, নায়েবে আমীর মাস্টার ইমাদ উদ্দিন এবং সেক্রেটারি মোহাম্মদ মতিউর রহমান এক যৌথ শোকবার্তায় গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

    শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন, মরহুম আমির আলী ছিলেন একজন সৎ, আমানতদার, নিবেদিতপ্রাণ ইসলামী আন্দোলনের কর্মী। তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে অবস্থান করেও দ্বীনি মূল্যবোধ, সমাজসেবা এবং মানুষের কল্যাণে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে গেছেন। তাঁর চরিত্র, কর্মনিষ্ঠা ও মানবিক গুণাবলি এলাকাবাসীর কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

    নেতৃবৃন্দ মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়া করেন, আল্লাহ যেন তাঁর জীবনের সকল নেক আমল কবুল করেন, যাবতীয় ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্না

  • কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০২ শিক্ষার্থীর জন্য ৩১ লাখ টাকার শিক্ষাবৃত্তি ঘোষণা

    কুবি প্রতিনিধি:
    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (২০২৫-২৬) অর্থবছরে মেধাবৃত্তি, অস্বচ্ছল মেধাবী এবং স্পোর্টস ক্যাটাগরিতে এবার শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হবে ৪০২ জন শিক্ষার্থীকে। আর এরজন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে বরাদ্দ রাখা হয়েছে মোট ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা।

    রবিবার (২৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের একাডেমিক শাখা থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    শিক্ষাবৃত্তির জন্য প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ থেকে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এর আওতায় শিক্ষাবৃত্তি পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি বিভাগ থেকে মেধাবৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হবে ২০৮ জনকে। এই ক্যাটাগরিতে বরাদ্দ ১৬ লক্ষ ৬১ হাজার ৫০০ টাকা। তাদের মধ্যে ফলাফলে প্রথম স্থান অধিকারী ৬৮ জন শিক্ষার্থী ৮ হাজার ৫০০ টাকা, দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী ৬৭ জন শিক্ষার্থী ৮ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী ৭৩ জন শিক্ষার্থী পাবেন ৭ হাজার ৫০০ টাকা করে।

    এরমধ্যে ব্যবস্থাপনা শিক্ষা এবং মার্কেটিং বিভাগে ১৪ জন করে, আইন, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং এবং ইংরেজি বিভাগে ১৩ জন, গণিত বিভাগে ১২ জন, একাউন্টিং, প্রত্নতত্ত্ব, অর্থনীতি ও পরিসংখ্যান বিভাগে ১১ জন, রসায়ন, সিএসই, আইসিটি এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১০ জন এবং পদার্থ বিজ্ঞান, ফার্মেসী, বাংলা, লোক প্রশাসন ও নৃবিজ্ঞান বিভাগে ৯ জন করে পাবেন মেধাবৃত্তি।

    এছাড়া আর্থিকভাবে অসচ্ছল মেধাবী ক্যাটাগরিতে ১৮২ জন শিক্ষার্থীর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা। এরমধ্যে প্রত্যেকে পাবেন ৭ হাজার ৫০০ টাকা করে। তাছাড়াও খেলাধুলায় স্বীকৃতি হিসেবে ১২ জন শিক্ষার্থীকে দেওয়া হচ্ছে স্পোর্টস শিক্ষাবৃত্তি। এদের প্রত্যেকে পাবেন ৮ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট এক লক্ষ দুই হাজার টাকা।

    এরমধ্যে গণিত, পরিসংখ্যান, রসায়ন, ইংরেজি, বাংলা, অর্থনীতি, লোক প্রশাসন, নৃবিজ্ঞান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, এআইএস, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা, মার্কেটিং, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং এবং আইন বিভাগে ১০ জন করে। পদার্থ বিজ্ঞান ও সিএসই বিভাগে ৯ জন, ফার্মেসী, প্রত্নতত্ত্ব ও আইসিটি বিভাগে ৮ জন করে পাবেন অসচ্ছল মেধাবৃত্তি।

    এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নুরুল করিম চৌধুরী বলেন, “শিক্ষার্থীদের কল্যাণের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মেধাবৃত্তি, অসচ্ছল মেধাবী স্টাইপেন্ড এবং স্পোর্টস স্কলারশিপ, এই তিনটি ক্যাটাগরিতে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। বৃত্তি প্রদানের ক্ষেত্রে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক অসচ্ছলতাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাকি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে তাদের একাডেমিক ফলাফল ও সিজিপিএকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।’

  • বিশ্বনাথের স্থানীয় রাজনীতিতে ইউপি চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিনের চমক

    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:
    সিলেটর এক আলোচিত রাজনীতির জনপদ বিশ্বনাথ। গত দুই দশকে স্থানীয় রাজনীতিতে যত আলোচিত-সমালোচিত ঘটনা ঘটেছে, তা দেশের অন্য কোন উপজেলায় ততটা ঘটেনি। একারণে দেশী-বিদেশী মিডিয়ার দৃষ্ঠি সব সময় বিশ^নাথের দিকে তাক করা থাকে। স্থানীয় রাজনীতিতে সর্বশেষ চমক দিলেন বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. দয়াল উদ্দিন তালুকদার। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্ঠা হুমায়ুন কবিরের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন। শীঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে হুমায়ুন কবিরের বলয়ে যোগ দিবেন বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. দয়াল উদ্দিন তালুকদার।

    বাংলাদেশের আলোচিত এক রাজনৈতিক জনপদ সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা। প্রবাসী অধ্যূষিত এই জনপদে গত দুই দশকে স্থানীয় রাজনীতিতে নানান ঘটনা আলোড়ন সৃষ্ঠি করেছে, এরমধ্যে গত ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার রাজপথ থেকে গুম হন বিশ্বনাথের কৃতি সন্তান বিএনপির প্রভাভশালী নেতা এম. ইলিয়াস আলী। যার গুমের প্রকৃত রহস্য এখনও উম্মোচিত হয়নি।

    শুধু তাই নয় রাজণৈতিক কারণে রাজপথে ঝরেছে ৭টি তাজা প্রাণ। গত দুই দশকে একানকার রাজনীতিতে আলোচিত-সমালোচিত যত ঘটনা ঘটেছে, তা দেশের অন্য কোন উপজেলায় ততটা ঘটেনি। একারণে দেশী-বিদেশী মিডিয়ার দৃষ্ঠি থাকে বিশ্বনাথের দিকে। বিশ্বনাথের জনপ্রিয় ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় হাজী মো. দয়াল উদ্দিন তালুকদার ২০২৩ সালের ১৭ জুলাই অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দারুন এক চমক দেখান।

    তিনি যখন নির্বাচিত হন তখন ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ সরকার। এরপর তিনি ক্ষমতায় থাকাকালীণ সময় অন্তরবর্তি সরকার এবং বর্তমানে বিএনপি সরকারকে পেয়েছেন। তিন সরকারের আমলেই তিনি বেশ দাপটের সাথে তাঁর দায়িত্ব পালন করেন। সবার মনে প্রশ্ন ছিল দয়াল তুমি কার? চেয়ারম্যান হাজী মো. দয়াল উদ্দিন তালুকদারের রাজনৈতিক স্পষ্ট কোন পরিচিতি না থাকলেও তিন সরকারের আমলেই কারো সাথে তাঁর কোন দূরত্ব সৃষ্ঠি হয়নি।
    বরং সবার সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে চেয়ারম্যান দয়াল ছিলেন সবার।

    সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্ঠা হুমায়ুন কবিরের সাথে বেশ সখ্যতা গড়ে তুলেছেন চেয়ারম্যান দয়াল। ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে একান্তে সাক্ষাত করেছেন উপদেষ্ঠা হুমায়ুন কবিরের সাথে। হুমায়ুন কবিরের সাথে এরকম কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে প্রচার করা হয়।

    তাতে বিশ্বনাথের হুমায়ুন বলয়ের নেতাকর্মীরা খুশি হনসম্প্রতি ফেসবুকে এক সাক্ষাতকারে বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেছেন, আমি আনুষ্ঠানিকভাবে হুমায়ুন কবির ভাইয়ের কাছে যোগদান করব। আমি বিএনপির রাজনীতিতে আগেই ছিলাম। বর্তমান বিএনপিতে যারা আছেন তাদের অনেকের সিনিয়র আমি। কাগজ খুজলে পাওয়া যাবে। আমি দুই নৌকায় পা রাখতে চাইনা। একারণে একদিকে থাকতে চাই।

    সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় চেয়ারম্যান দয়াল বলেন, । ইনো আদা পথ মাইর করি মরমু দেখছি। এরলাগি হরিয়া যাইরামগি। তারা শান্তি থাখউক্ষা।