বিরামপুরে একের পর এক অভিযোগ: জনদুর্ভোগ,শিক্ষা খাতে অনিয়ম ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় বিভিন্ন অনিয়ম, জনদুর্ভোগ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানা অভিযোগকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে একাধিক লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রমাণ তারা দেখতে পাননি। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী,১লা জুলাই ২০২৬গত ৩-৪ মাস পূর্ব থেকে উক্ত অভিযোগ গুলো উপজেলা প্রশাসনের বেশ কিছু দপ্তরে জমা পড়ে রয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও অনেক তথ্য প্রকাশ্যে এসেছেন তারপরও উপজেলা প্রশাসন তেমন কোন ব্যবস্হা গ্রহণ করা হয় নাই।উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে অনিয়ম,কথিত ভুয়া শিক্ষাগত সনদের মাধ্যমে চাকরি,উপস্থিত না থেকেও বেতন ভাতা উত্তোলন এবং প্রশাসনিক তদারকির ঘাটতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন সড়কে দীর্ঘ সময় ট্রাক্টর ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। উপজেলা পরিষদ চত্বরে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলেন, জনগণের করের টাকায় পরিচালিত সরকারি প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। অভিযোগ গুলো সত্য হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরা তাদের একমাত্র দ্বায়িত্ব।এলাকাবাসীর দাবি,দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগ নিষ্পত্তিহীন অবস্থায় পড়ে থাকায় প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করলে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। স্থানীয়রা আরও বলেন, তারা কোনো নির্দোষ ব্যক্তির হয়রানি চান না; একই সঙ্গে কোনো অভিযোগও যেন ধামাচাপা না পড়ে। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং প্রমাণিত অনিয়মের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান তারা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক ভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এলাকাবাসী বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসন,সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.