Author: DBC

  • ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত


    বরিশাল প্রতিনিধি: “নিজ পরিবেশ পরিচ্ছন্ন করি, ডেঙ্গু মুক্ত বাংলাদেশ গড়ি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার ৬ জুন সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। ডেঙ্গু সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে আয়োজিত কর্মসূচিতে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন স্তরের স্বাস্থ্যকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

    কর্মসূচির অংশ হিসেবে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন বার্তাসংবলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন।

    র‍্যালি শেষে হাসপাতাল চত্বর ও আশপাশের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় জমে থাকা পানি অপসারণ, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এস এম মাইদুল ইসলাম, অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ডা. নাজমুস সাকিব, মেডিকেল অফিসার ডা. স্বপ্নিল আব্দুল্লাহ, ডা. মাইদুল ইসলাম তুহিনসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যান্য চিকিৎসক, নার্স ও বিভিন্ন স্তরের স্বাস্থ্যকর্মীগণ।

    বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন জনসচেতনতা ও সামাজিক অংশগ্রহণ। নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করা সম্ভব। তারা ডেঙ্গুমুক্ত সমাজ গঠনে সকলকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

    কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • মানবতার নীরব সৈনিক: রোগীর সেবায় নিরলস মাহমুদ হাসান


    ‌বিশেষ প্রতিনিধিঃ
    বর্তমান সমাজে যখন অনেকেই নিজের দায়িত্বটুকু পালন করতেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন, ঠিক তখনই কিছু মানুষ নীরবে মানবতার আলো ছড়িয়ে যান নিজের কর্ম আর ভালোবাসা দিয়ে। তেমনি একজন মানবিক মানুষ হলেন মাহমুদ হাসান। তিনি একজন দায়িত্বশীল ডাক্তার #№##№## হিসেবে কর্মরত আছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ অর্থোপেডিক্স বিভাগে। তার পিতা মরহুম আশরাফুল হক (অবঃ নায়েব সুবেদার, বাংলাদেশ রাইফেল)। গ্রামের বাড়ি রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলা সদর শ্রীমন্তপুর গ্রামে।

    রোগীর সেবাকেই তিনি নিজের জীবনের অন্যতম দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছেন। দিনের অধিকাংশ সময় কাটে হাসপাতালের রোগীদের পাশে। ক্লান্তিহীন এই মানুষটি সবসময় হাসিমুখে রোগীদের সেবা করে চলেন। রোগীর অভিযোগ, কষ্ট কিংবা উদ্বেগ—সবকিছুই ধৈর্য ও আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করেন তিনি। তার ব্যবহারে নেই কোনো বিরক্তি কিংবা অহংকার; বরং প্রতিটি রোগীর প্রতি থাকে সমান সহমর্মিতা ও মানবিকতা।

    হাসপাতালের কয়েকজন সিনিয়র চিকিৎসকের সাথেও তিনি নিবিড়ভাবে কাজ করেন। রোগীর কখন কী প্রয়োজন, কোন ওষুধ লাগবে, কোন পরীক্ষা করাতে হবে কিংবা কার কী সমস্যা—এসব বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখেন তিনি। শুধু দায়িত্ব পালন করাই নয়, রোগীদের মানসিক সাহস জোগাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মাহমুদ হাসান।

    অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ডিউটি শেষ হলেও যেন শেষ হয় না তার মানবসেবা। বাসায় ফিরে গিয়েও ফোনে রোগীদের খোঁজখবর নেন নিয়মিত। এমনকি কোনো রোগী হাসপাতাল থেকে ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরে গেলেও প্রয়োজনের মুহূর্তে ফোন দিলে সাড়া দেন তিনি। রোগীর প্রয়োজনে সবসময় পাশে থাকার এই মানসিকতাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।

    তার এই আন্তরিকতা ও মানবিক আচরণের কারণে হাসপাতালের চিকিৎসকরাও তাকে অত্যন্ত স্নেহ ও ভালোবাসেন। সহকর্মীদের কাছেও তিনি একজন দায়িত্ববান, পরিশ্রমী এবং বিশ্বস্ত মানুষ হিসেবে পরিচিত। অনেক রোগী ও স্বজনের কাছেও তিনি হয়ে উঠেছেন ভরসার আরেক নাম।

    মাহমুদ হাসান বলেন,মানুষের সেবা করাটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ও মানবতা। একজন রোগী যখন কষ্টে থাকে, তখন শুধু চিকিৎসা নয়, তার পাশে দাঁড়িয়ে সাহস দেওয়াটাও খুব প্রয়োজন। আমি সবসময় চেষ্টা করি রোগীদের আপনজনের মতো পাশে থাকতে। মানুষের দোয়া আর ভালোবাসাই আমার কাজের সবচেয়ে বড় প্রেরণা।

    মানবতার এই সময়ে মাহমুদ হাসানের মতো মানুষরা সমাজের জন্য সত্যিই অনুকরণীয়। নিঃস্বার্থ সেবা, দায়িত্ববোধ আর মানুষের প্রতি ভালোবাসা দিয়ে তিনি প্রমাণ করে চলেছেন—মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় মানবতা।

  • জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটি গঠন


    নিজস্ব প্রতিবেদক:
    জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন ঘিরে বিএনপির বিভিন্ন স্তরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে নতুন নেতৃত্ব আনতে যাচ্ছে বিএনপি। ইতোমধ্যে পদপ্রত্যাশী নেতাদের মধ্যে ব্যাপক লবিং-তদবির শুরু হয়েছে।

    বিএনপির একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। দলের হাইকমান্ড সম্ভাব্য শীর্ষ নেতাদের সাংগঠনিক সক্ষমতা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, তৃণমূল গ্রহণযোগ্যতা এবং অতীত রাজনৈতিক ত্যাগের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে যাচাই-বাছাই করছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী জুন মাসের মধ্যে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা হতে পারে।

    দলের অভ্যন্তরে ‘এক নেতার এক পদ’ এই নীতি কঠোর ভাবে অনুসরণের আলোচনা থাকায় এবারের কমিটিতে বড় ধরনের চমক থাকতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে বর্তমান কমিটির শীর্ষ দুই পদ থেকে নতুন কমিটিতে কাউকে না রাখার আলোচনা নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর এস এম জিলানীকে সভাপতি ও রাজীব আহসানকে সাধারণ সম্পাদক করে তিন বছর মেয়াদি কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই কমিটির মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আগ্রহ এখন তুঙ্গে।

    সংগঠনের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, সম্প্রতি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি ইয়াছিন আলী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান। ওই বৈঠকে কমিটি পুনর্গঠন, ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় নেতৃত্বকে সামনে আনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে গুরুত্ব পায় দীর্ঘদিন বিগত সরকার আমলে রাজপথে সক্রিয় থাকা, হামলা-মামলা, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েও যারা সংগঠনকে ধরে রেখেছেন, তাদের মূল্যায়নের বিষয়টি। একই সঙ্গে নতুন, পুরোনো ও বঞ্চিত নেতাদের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ কমিটি গঠনের বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এমন বাস্তবতায় সভাপতি পদে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাবেক অন্যতম ছাত্র নেতা সাদরেজ জামান দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং রাজনৈতিক দুঃসময়ে মাঠে থাকার কারণে তৃণমূল নেতাকর্মীদের বড় একটি অংশ তাকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান। কারণ, অতীতের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে প্রত্যাশিত মূল্যায়ন না পেলেও এবার ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বকে সামনে আনার নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে সাদরেজ জামান শীর্ষ নেতৃত্বের বিবেচনায় রয়েছেন।

    বিশেষ করে বিএনপির দুঃসময়ে ধারাবাহিকভাবে রাজপথে সক্রিয় থাকা, বিভিন্ন আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া এবং সাংগঠনিক যোগাযোগ ধরে রাখার কারণে তিনি এখন সভাপতি পদের শক্ত অবস্থানে রয়েছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    কমিটি পুনর্গঠন করা হবে কি না, এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাদরেজ জামান বলেন, ‘সংগঠনের কমিটি পুনর্গঠন একটি চলমান প্রক্রিয়া। যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন জেল-জুলুম-নির্যাতন ও গুমের শিকার হয়েও রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছেন, তাদের মধ্য থেকেই নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে বলে প্রত্যাশা করছি। যাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই, দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাদের সাংগঠনিক দক্ষতা বিবেচনায় এনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান অবশ্যই সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি যেই সিদ্ধান্ত দেবেন, সেই সিদ্ধান্তের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল ও অনুগত থাকব।’

    সভাপতি পদে আরও যাদের নাম আলোচনায় রয়েছে তারা হলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইয়াছিন আলী, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ জাকারিয়া আলম মামুন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম নোমান, সহসভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন।

    অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, যুগ্ম সম্পাদক ফয়েজউল্লাহ ফয়েজ,সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার ডালিম সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে এগিয়ে আছেন পাশাপাশি ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের মধ্য থেকেও নতুন কমিটির নেতৃত্ব আসতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে। সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল।

    স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি প্রসঙ্গে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘সারা দেশে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম চলছে। যেসব কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে, সেগুলো একে একে পুনর্গঠন করা হবে। সেখানে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে। তৃণমূল নেতাকর্মী ও মাঠের রাজনীতির সঙ্গে যাদের সম্পর্ক রয়েছে, তারাই কমিটিতে স্থান পাবেন বলে বিশ্বাস আছে।’

    এ নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল দক্ষিণের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম নোমান বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর যারা আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিলেন, জুলুম-নির্যাতন সহ্য করেছেন এবং তৃণমূলকে সংগঠিত করে দলকে শক্তিশালী করতে পারবেন, তাদেরকে বিএনপি চেয়ারম্যান মূল্যায়ন করবেন বলে আমার প্রত্যাশা।’সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার ডালিম বলেন ১৭ বছরের আন্দোলন সংগ্রামের রাজপথের ত্যাগী নির্যাতিত নেতৃবৃন্দদের-কে মূল্যায়ন করলে স্বেচ্ছাসেবক দল হবে আমাদের শক্তিশালী একটি সংগঠন আমার বিশ্বাস নতুন কমিটিতে ত্যাগীদের-কে মূল্যায়ন করা হবে এটা আমার প্রত্যাশা

    যুগ্ম সম্পাদক ফয়েজউল্লাহ ফয়েজ বলেন, ‘মেধাবী, ত্যাগী ও সাংগঠনিক দক্ষ নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়দের দিয়ে কমিটি গঠন করা হলে সংগঠনে নতুন গতি ফিরে আসবে।’

    যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, ‘জাতীয়তাবাদের আদর্শকে বুকে ধারণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজের জীবন দিতেও প্রস্তুত। দল যে দায়িত্ব দেবে, তা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব।’

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন বলেন, ‘দীর্ঘদিন রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, হামলা-মামলার শিকার হয়েছি। সাংগঠনিক অভিভাবক যে দায়িত্ব দেবেন, সেটাই পালন করব।’

    দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, এবারের কমিটিতে ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ইমেজের এবং মাঠপর্যায়ে পরীক্ষিত নেতৃত্বকে মূল্যায়ন করা হলে সংগঠনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে। সেই বিবেচনায় সভাপতি পদে সাদরেজ জামান এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বলে জানা গেছে।

  • কুড়িগ্রামে বানিজ্য মেলা স্থগিত চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের আবেদন


    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
    কুড়িগ্রামে শিল্প ও বানিজ্যমেলা স্থগিত চেয়ে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবর মেলার নির্ধারিত স্থান সংলগ্ন আল্লামা ফজলুল করীম (রহঃ) জামিয়া ইসলামীয়া মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আবেদন জানিয়েছে।

    গতকাল ৫ জুন উক্ত মাদ্রাসার সভাপতি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান আলী জেলা প্রশাসকের কাছে উক্ত আবেদন পেশ করেন।

    মেলা স্থগিত চাওয়ার কারণ হিসেবে আবেদনে বলা হয়, বাবস্যা-বানিজ্য উন্নয়নের নামে এ ভাবে আয়োজিত বানিজ্য মেলায় প্রকৃত শিল্প ও ব্যবসার চেয়ে সার্কাস, লটারী, অশালীন বিনোদন ও বিভিন্ন প্রকার অনৈতিক অনাঙ্খিত কর্মকান্ডই বেশি গুরুত্ব পেয়ে থাকে বলে এলাকাবাসীর ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং উদ্বেগের অন্যতম কারণ হিসেবে বলা হয়, নির্ধারিত স্থানের বিপরীতে পূর্বপার্শ্বে মহাসড়ক সংলগ্ন আল্লামা ফজলুল করীম (রহঃ) জামিয়া ইসলামীয়া নামে একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান কওমী মাদ্রাসা অবস্থান। মাদ্রাসায় প্রায় ৪শত আবাসিক ছাত্র অধ্যয়নরত আছে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা এ মেলা মাসাধিক কাল চলতে থাকলে মাদক দ্রব্যের বিস্তার, জুয়া, ছিনতাই, চুরি কিশোর অপরাধ ও সামাজিক অবক্ষয় অবশ্যই বৃদ্ধি পাবে। এতে মাদ্রাসায় পড়া লেখা ও পরিবেশ রক্ষা করা বিঘ্নিত হতে পারে বলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এজন্য কর্তৃপক্ষ দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের ভাবমুক্তি বজায় রাখতে এবং কোলাহল মুক্ত পরিবেশে ছাত্রদের লেখাপড়া সাবলীল গতিতে পরিচালনা স্বার্থে প্রস্তাবিত বানিজ্য মেলার অনুমতি অবিলম্বে বাতিল বা স্থাগিতকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান। ইতোমধ্যে গত ৩ জুন উক্ত মেলার অবকাঠামো নিরমাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়।

    উল্লেখ্য, লটারির নামে জুয়া এবং মাদকের রমরমা ব্যবসাকে সামনে রেখে সস্তা বিনোদনের নাম করে কুড়িগ্রাম চেম্বার এন্ড কমার্স – এর আয়োজনে কুড়িগ্রামের ধরলা ব্রিজ সংলগ্ন প্রস্তাবিত ডিসি পার্কে আমামী ২০ জুন থেকে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা(অনুমোদিত) স্থগিত বা বাতিল করার দাবিতে কুড়িগ্রাম জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদ গত ৪ জুন মাননীয়
    প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে আবেদন করে। আবেদনের অনুলিপি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়। মেলা স্থগিতের ওই আবেদনে বলা হয়, ৬০ লক্ষ টাকার অনৈতিক রফাদফায় এই মেলা সম্পূর্ণ অসৎ উদ্দেশ্যে আয়োজনের প্রক্রিয়া চুড়ান্ত করা হয়েছে। এছাড়া মেলাটি স্থগিত বা বাতিলের সঙ্গতঃ কারণ উল্লেখ করে আবেদনকারী বলেন, কুড়িগ্রাম দেশের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ ও পিছিয়ে থাকা জেলা। প্রতিবছর বন্যা, নদীভাঙন, দারিদ্র্য ও বেকারত্বের সঙ্গে লড়াই করে জেলার মানুষ জীবনযাপন করে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারী বর্ষণ ও নদীভাঙনে অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষকদের ফসলের ক্ষতি হয়েছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ বর্তমান চরম দুর্ভোগে পড়েছে। এ অবস্থায় বাণিজ্য মেলার আয়োজনকে সময়োপযোগী নয় বলে উল্লেখ করা হয় এবং একই সঙ্গে কুড়িগ্রামে এধরণের মেলার অতীত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলা হয়, এ ধরনের মেলায় স্থানীয় অর্থনীতির উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা প্রত্যাশিত সুবিধা পান না। বরং কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ পায়। পাশাপাশি মেলার সময় মাদক, জুয়া, লটারি, কিশোর অপরাধ, চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো সামাজিক সমস্যার বিস্তার ঘটতে পারে এধরণের আশঙ্কাও প্রকাশ করে উক্ত মেলা বাতিলের পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

    নিরভরযোগ্য সূত্র জানায়, গতকাল শুক্রবার বিকেলে জেলা প্রশাসনের আহ্বানে মেলার আয়োজক কমিটি, স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের নিয়ে এক আলোচনায় মেলাটি আদৌ করা যাবে কী না- এ বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়। তবে সর্বশেষ মেলাটি স্থগিত কিংবা বাতিলের ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তা প্রকাশ করা হয়নি। মেলা স্থগিত বা বাতিলের আবেদনকারীদের পক্ষে বলা হয়েছে সম্ভবত: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার অপেক্ষা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এক আবেদেনকারীকে তার আবেদন তুলে নেয়ার চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। আপরদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বলছে, কে কী করে করুক আমরা আমাদের ছাত্রদের কথা বিবেচনা করে প্রস্তাবিত জায়গায় মেলাটি হতে দেব না।

  • কুড়িগ্রামে দুধকুমার নদের ভাঙ্গন প্রতিরোধের দাবিতে ফুসে উঠেছে এলাকাবাসী


    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
    বর্ষা আসতে নাআসতেই কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নুনখাওয়া ইউনিয়নের পয়েন্টে শুরু হয়েছে দুধকুমার নদের ভাঙ্গন। এতে শঙ্কিত হয়ে দুঃখ – ক্ষোভে ফুসে উঠেছে ভাঙ্গল কবিলিত এলাকার স্থানীয় মানুষজন।

    শুক্রবার (৫জুন) নদী পাড়ের শতশত মানুষজন উপস্থিত হয়ে বিক্ষোভ করেছে। অতি দ্রুত ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় সংসদ সদস্য সহ সরকারের জরুরী পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে এক জরুরি সভা ও মানব বন্ধন করেন তারা।

    স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষজন জানান, গতকয়েক দিন থেকে নুনখাওয়া ইউনিয়নের চরকাফনা এলাকায় দুধকুমোর এর ভাঙ্গনে বিলীন হয়েছে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ও আবাদি জমি।
    ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে ওই এলাকার মাদ্রাসা, মসজিদ ও বাজারসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ভাঙ্গন প্রতিরোধের দাবিতে ফুসে উঠেছে এলাকার মানুষজন।

    এ সময় বক্তব্য রাখেন চর আউলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু তাহের মাস্টার , স্থানীয় কাজী মোঃ মোসলিম উদ্দিন খন্দকারসহ ভাঙ্গন কবলিত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষজন। বক্তারা অতিদ্রুত বরাদ্দ সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া দাবি জানান।

    কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান খুবদ্রুত ব্যবস্থা নিবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

  • কটিয়াদীতে গোল্ডকাপ ফুটবলের মেগা ফাইনালে প্রতিমন্ত্রী ও এমপির উপস্থিতিতে লক্ষাধিক দর্শকের উপচে পড়া ভিড়


    কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:
    কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ঐতিহ্যবাহী গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে এক অভূতপূর্ব ফুটবল উন্মাদনা ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

    শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে উপজেলার আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউট মাঠে অনুষ্ঠিত এই জমকালো ফাইনাল ম্যাচটি সশরীরে উপস্থিত থেকে উপভোগ করেন প্রধান অতিথি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম এবং খেলার উদ্বোধক ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দিন।

    ভিআইপি অতিথিদের পাশাপাশি এই ম্যাচ ঘিরে সাধারণ মানুষের মাঝে তৈরি হয় ব্যাপক সাড়া। কটিয়াদী ছাড়াও নরসিংদী, গাজীপুর, ময়মনসিংহসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা প্রায় লক্ষাধিক দর্শকের সমাগমে দুপুরের পরপরই পুরো মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। স্থান সংকুলান না হওয়ায় বহু দর্শককে গাছে উঠেও খেলা উপভোগ করতে দেখা গেছে। মাঠজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের গগনবিদারী উল্লাস আর বিপুল এই ভিড় সামাল দিতে পুলিশ প্রশাসনকেও বেশ হিমশিম খেতে হয়।

    ট্রাইব্রেকারে বোয়ালিয়া চ্যাম্পিয়ন
    আচমিতা ইউনিয়নের অষ্টঘরিয়া পাপ্পু ক্রীড়াচক্রের আয়োজনে মাসব্যাপী চলা ‘৩৩তম লক্ষ টাকা প্রাইজমানি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এর এই ফাইনাল ম্যাচটিতে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে বোয়ালিয়া ফুটবল একাডেমি ও বেতাল ছুবেজ্জামান একাদশ—উভয় দলই নাইজেরিয়া ও উগান্ডার একঝাঁক বিদেশি ফুটবলার এবং দেশের জাতীয় দলের কয়েকজন তারকা খেলোয়াড়কে দলে ভিড়িয়ে পূর্ণ শক্তি নিয়ে মাঠে নামে।

    নির্ধারিত ৯০ মিনিটে মাঠের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়। পরে ফলাফল নির্ধারণের জন্য ট্রাইব্রেকারের আশ্রয় নেওয়া হয়। চরম উত্তেজনাপূর্ণ ট্রাইব্রেকারে বেতাল ছুবেজ্জামান একাদশকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে বোয়ালিয়া ফুটবল একাডেমি।

    খেলা শেষে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক বিজয়ী দলের হাতে জমকালো গোল্ডকাপ ও এক লাখ টাকার প্রাইজমানি তুলে দেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম মাঠে উপস্থিত বিপুলসংখ্যক দর্শকের কষ্ট লাঘবের আশ্বাস দিয়ে বলেন, দর্শকদের সুবিধার্থে ঐতিহাসিক জর্জ ইনস্টিটিউট মাঠটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়ামে রূপান্তর করা হবে। আগামী বছরের টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই এই কাজ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশে খেলাধুলার বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। খেলাধুলার মাধ্যমেই একটি মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। নতুন কুঁড়ি ক্লাবের মাধ্যমে দেশজুড়ে উদীয়মান খেলোয়াড় তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসারে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এবং সরকার এ বিষয়ে সবসময় আন্তরিক সহযোগিতা করবে।

  • নজিপুরে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ ফজলুল কবির ভূঁইয়ার (৪৫ তম) জন্মদিন উদযাপিত


    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
    নজিপুর সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিভাগের প্রখ্যাত সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ ফজলুল কবির ভূঁইয়া (পাভেল)-এর ৪৫তম জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে।

    গতকাল শুক্রবার (৫ জুন, ২০২৬) ডায়াগনস্টিক সেন্টার কার্যালয়ে এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিশিষ্ট চিকিৎসকের জন্মদিনের কেক কাটা হয়। (নোট: আজ ৬ জুন শনিবার হওয়ায়, গতকাল শুক্রবার ৫ জুন ছিল)।
    অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক ও নজিপুর সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক আলহাজ্ব মোঃ হারুন রশিদ উপস্থিত থেকে ডাঃ ফজলুল কবির ভূঁইয়া (পাভেল)-কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
    এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পরিচালক মোঃ হারুন রশিদ বলেন।

    ডাঃ ফজলুল কবির ভূঁইয়া (পাভেল) স্যার আমাদের অঞ্চলের সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবায় এক অনন্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। তাঁর মতো একজন মানবিক ও দক্ষ চিকিৎসক আমাদের মাঝে সেবা দিচ্ছেন, এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। তাঁর ৪৫তম জন্মদিনে আমরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে নজিপুর সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্টাফবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সকলেই প্রিয় চিকিৎসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করেন। পরিশেষে মিষ্টি মুখ করানোর মধ্য দিয়ে চমৎকার এই আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

  • সদরপুরে ভুবনেশ্বর নদ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির গলিত মরদেহ উদ্ধার


    সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
    ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় ভুবনেশ্বর নদ থেকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর কৃষ্ণপুর গ্রামের শ্মশানঘাট সংলগ্ন নদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকালে কৃষ্ণপুর চিতাখোলা শ্মশানের পেছনে ভুবনেশ্বর নদে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে বিষয়টি সদরপুর থানা পুলিশকে জানানো হলে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। মরদেহটি মারাত্মকভাবে পচে-গলে বিকৃত হয়ে যাওয়ায় সেটি পুরুষ নাকি নারীর, তা তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

    সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ্‌ জানান,প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আনুমানিক ৬-৭ দিন আগে মরদেহটি নদে ফেলা হয়েছে বা ভেসে এসেছে। ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক রিপোর্টের ফলাফল হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং বিস্তারিত রহস্য জানা যাবে।

    এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ মরদেহের পরিচয় শনাক্তকরণসহ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।

  • চরভদ্রাসনে টিউবওয়েল দেওয়ার নামে প্রতারণা জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান


    চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) সংবাদদাতা:ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় টিউবওয়েল দেওয়ার নামে একটি প্রতারক চক্র সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

    জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, চরভদ্রাসন কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলাম এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, একটি প্রতারক চক্র মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার এবং তার দপ্তরের পরিচয় ব্যবহার করে টিউবওয়েল দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আদায় করছে।

    তিনি বলেন, প্রতারকরা সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে আমার এবং দপ্তরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, টিউবওয়েল প্রদান বা সরকারি কোনো সুবিধা দেওয়ার নামে কেউ অর্থ দাবি করলে তা বিশ্বাস না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করতে এবং সন্দেহজনক কোনো তথ্য পেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর জানিয়েছে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হয়। কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে অর্থ গ্রহণের মাধ্যমে টিউবওয়েল বরাদ্দ দেন না।

    এদিকে, প্রতারণার এমন অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর জনগণকে সচেতন থাকার পাশাপাশি প্রতারকদের বিষয়ে তথ্য পেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে।

  • জলবায়ু রক্ষায় কটিয়াদীতে জামায়াতের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

    কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:
    পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে কটিয়াদী উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতের রাজনৈতিক সেক্রেটারি ও পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক আজিজুল হক।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মোজাম্মেল হক জোয়ারদার।

    এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নায়েবে আমীর সাইদুল হক বিএসসি, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুল হাসান, কটিয়াদী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা শফিকুল ইসলাম মোড়ল, যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা আলী হোসেন রণি কাউসারী, উপজেলা অফিস সেক্রেটারি জামাল উদ্দিন মাস্টার, পৌর আমীর আনিসুজ্জামান রুবেল মাস্টার এবং উপজেলা মানবসম্পদ সেক্রেটারি ওয়াহিদুল হক মাস্টার প্রমুখ।

    এ সময় বক্তারা বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি সবুজ,পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান তারা।

    মাসব্যাপী এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হবে বলে আয়োজকরা জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগ পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বৃক্ষরোপণের আগ্রহ বৃদ্ধি করবে।