Author: DBC

  • বাপুস ঝালকাঠি শাখায় ভোটার তালিকা বিতর্ক, কেন্দ্রীয় কমিটির হস্তক্ষেপ চায় সদস্যরা


    ঝালকাঠি সংবাদদাতাঃ বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি (বাপুস) ঝালকাঠি জেলা শাখার আসন্ন ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনকে ঘিরে ভোটার তালিকা ও আর্থিক হিসাবের অসঙ্গতির অভিযোগে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন আহ্বায়ক কমিটির সরাসরি তত্ত্বাবধানে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের দুই সদস্য।

    কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে দেওয়া লিখিত আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, জেলা শাখার ৪০তম বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থাপিত সাধারণ সম্পাদকের বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২৫ অনুযায়ী সংগঠনের সদস্য সংখ্যা ৩৮ জন। তবে একই সভায় উপস্থাপিত আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী মাত্র একজন নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি এবং ২৯ জন সদস্যের সদস্যপদ নবায়নের তথ্য দেখানো হয়েছে। এ হিসেবে মোট ৩০ জন সদস্যের কাছ থেকে সদস্য ফি বাবদ ১ লাখ ৫ হাজার টাকা আদায়ের হিসাব উপস্থাপন করা হয়।

    অভিযোগকারীদের দাবি, বাস্তবে নতুন সদস্য হয়েছেন দুইজন। তাদের কাছ থেকে যথাক্রমে ২০ হাজার ও ১৫ হাজার টাকা গ্রহণ করা হলেও সেই অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব আয়-ব্যয়ের বিবরণীতে প্রতিফলিত হয়নি। এছাড়া লাইব্রেরির মালিকানা পরিবর্তন, সদস্যপদ হস্তান্তর এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সংগঠনের তহবিলে অর্থ জমা হলেও তার বিস্তারিত তথ্য বার্ষিক হিসাব বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়নি।

    লিখিত আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সদস্যপদ নবায়নকারী সদস্যের সংখ্যা ৩০ জন হলেও প্রকাশিত ভোটার তালিকায় ৩৮ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ কারণে ভোটার তালিকার বৈধতা ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এসব অসঙ্গতি নিরসন ছাড়া নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে সদস্যদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ সৃষ্টি হতে পারে এবং সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বাপুস ঝালকাঠি জেলা শাখার সভাপতি ও মেসার্স আদর্শ লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী মো. আবুল কালাম আজাদ এবং সাধারণ সম্পাদক ও নুরিয়া লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী মো. হাসিবুল ইসলাম নিপুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    এদিকে আবেদনকারীরা কেন্দ্রীয় নির্বাচন আহ্বায়ক কমিটির কাছে সদস্যপদ ও আর্থিক হিসাবের নিরপেক্ষ তদন্ত, হালনাগাদ ও বৈধ ভোটার তালিকা প্রকাশ, সদস্যপদ নবায়ন না করা ব্যক্তিদের ভোটাধিকার বাতিল এবং কেন্দ্রীয় তত্ত্বাবধানে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি ও সদস্যপদ হস্তান্তর সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনও তদন্তের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

    উল্লেখ্য, আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেছেন ইসলামিয়া লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী মো. সাইফুল ইসলাম এবং ছাত্রবন্ধু লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী আবু জাফর বিশ্বাস।

    তবে এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাচন আহ্বায়ক কমিটির কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগকে ঘিরে বাপুসের সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

  • বেনাপোলে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের মিছিলের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল


    (শার্শা)যশোর প্রতিনিধি:
    যশোরের বেনাপোল পৌর গেট এলাকায় আজ দুপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিসেবে পরিচিত শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

    এরই প্রতিবাদে শুক্রবার ( ৫ জুন ২০২৬) বিকেলে শার্শা উপজেলা ছাত্রদল ও বেনাপোল পৌর ছাত্রদলের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি বেনাপোলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

    এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা নিষিদ্ধ সংগঠনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তারা বলেন, দেশের প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান মেনে সকল রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হওয়া উচিত এবং কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রকাশ্য কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয়।

    মিছিলে শার্শা উপজেলা ছাত্রদল ও বেনাপোল পৌর ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচি চলাকালে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

  • শার্শায় আইনজীবি মিন্টুকে গ্রেফতার থেকে বাঁচালেন গ্রামবাসী


    শার্শা(যশোর) প্রতিনিধি:যশোরের শার্শায় কোন মামলা বা অভিযোগ ছাড়া আইনজীবি মোস্তফা কামাল মিন্টুকে গ্রেফতার চেষ্টা ও লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে । গ্রামবাসীর বাঁধার মুখে রক্ষা পান তিনি। তবে পুলিশের অভিযোগ একটি মামলার আসামী হওয়ায় তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলকালে তার লোকজন গ্রেফতারে বাঁধা দেয়।

    মোস্তফা কামাল মিন্টু আইনজীবির পাশাপাশি
    শার্শা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারন সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।

    বৃহস্পতিবার(০৪ জুন) বিকাল ৫ টার দিকে শার্শার শ্যামলাগাছি গেটে এ ঘটনা ঘটে।

    আইনজীবি মিন্টু জানান, গত ২৯ মে শার্শার শ্যামলাগাছি গ্রামের মশিউর রহমানের ছেলে মামুন হাসান জুয়েলসহ কয়েকজনকে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিবেশি কয়েকজন মারধোর করেন। এঘটনায় ঐ দিন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় জিডি দায়ের হয়। তবে জিডিতে আমার নাম উল্লেখ না থাকলেও ৪ জুন জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও শার্শা থানা পুলিশ আমাকে গ্রেফতারের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে আশ,পাশের লোক ছুটে আসলে জনরসে পড়ে পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। এসময় তিনি শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত হন। তিনি জুয়েলের মারধরের সাথে কোন ভাবে জড়িত ছিলেন না। সামনে উপজেলা নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান প্রার্থী এছাড়া আইনজীবি পেশার কারনে অনেকেই শত্রু হয়ে পড়েছে। যেসব কারনে প্রতিপক্ষরা আমাকে বিতর্কে ফেলতে এ ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে হয়রানি করছে। কোন অভিযুক্ত না হয়েও কোন ধরনের গ্রেফতারী পরওয়ানা ছাড়ায় শত্রুপক্ষের মদদে পুলিশ ধরতে এসেছিল। এছাড়া তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখেছেন শার্শা থানায় তার নামে কোন মামলা দায়ের হয়নি।
    বিষয়টি জেলা বিএনপি নেতাদের অবগত করা হয়েছে।

    জুয়েলের প্রতিবেশি এমএম কলেজের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান জানান, মামুন হাসান জুয়েল বিগত সরকারের সময়ে প্রভাব বিস্তার করে গ্রামের অনেককে মারধোর,লাঞ্চিত ও মিথ্যা মামলায় সহযোগীতার হাত রয়েছে। সে ঈদ ছুটিতে বাসলে ঐসব মানুষের সাথে তর্কে জড়িয়ে এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ মানুষেরা তাকে মারধোর করে

    এদিকে মামুন হাসান জুয়েলের স্বজন কনেদাহ গ্রামের আব্দুল বারিক জানান, বালি ব্যবসা নিয়ে এই মারধোরের ঘটনা ঘটেছে। ঐ ঘটনায় তিনিও আহত হয়েছেন। তবে জিডিতে তিনি আইনজীবি মিন্টুর নাম উল্লেখ করেননি।

    যশোর জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন জানান, মারধোরের অভিযোগের ঘটনায় ইতিমধ্যে একটা তদন্ত কমিটি করে সত্যতা যাচাইয়ে কাজ চলছে। যে কোন অপরাধ মুলক কাজের বিরুদ্ধে আমাদের দল এখন জিরো টলারেন্স ভুমিকায়। যদি এখানে কারো বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমান মেলে তবে দল তার বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক পদক্ষেপ গ্রহন করবে।

    এসব বিষয়ে যশোরের নাভরণ সার্কেল এএসপি আরিফ হোসেন জানান, মারধোরের শিকার মামুন হাসান জুয়েল একজন পুলিশ সদস্য। ছুটিতে সে বাড়িতে আসলে পূর্ব শত্রুতায় তাকে ও তার স্বজনদের মারধোর করে কয়েকজন। এঘটনায় মোস্তফা কামাল মিন্টু প্রধান আসামী। তাকে গ্রেফতার করতে গেলে তার লোকজন বাঁধা দেয়।

  • বেনাপোলে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৩২ লক্ষ টাকার মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য আটক


    (শার্শা)যশোর প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল সীমান্তে অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য এবং অবৈধ চোরাচালানী মালামাল আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সদস্যরা।

    শুক্রবার ( ০৫ জুন ২০২৬) দিনব্যাপী বিজিবির বিশেষ টহলদল, মাসিলা ও বেনাপোল বিওপি, বেনাপোল আইসিপি এবং আমড়াখালী চেকপোষ্টের সীমান্ত এলাকায় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় ৭৮ বোতল WINCEREX COUGH SYRUP, ১৫১টি শাড়ী, ০১টি থ্রী-পিস, ৩টি কম্বল, ১০১ প্যাকেট ফুসকা, ১০ কেজি কিসমিস, ৩ কেজি জিরা, ৯৬টি ইনজেকশন, ১৩২টি খাদ্য সামগ্রী, ১৩ প্যাকেট সন পাপড়ী, ১১৯৫টি বিভিন্ন প্রকার চকলেট, ১৫৯১টি ভারতীয় কসমেটিক্স সামগ্রী আটক করে।

    আটককৃত মালামালের মূল্য ৩১,৭৪,৯৬০/-(একত্রিশ লক্ষ চুয়াত্তর হাজার নয়শত ষাট) টাকা।

    যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি জানান, দীর্ঘদিন যাবত মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী মালামালসহ পাচার চক্র আটকের নিমিত্তে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি’র বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় যশোর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য এবং বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানী মালামাল জব্দ করতে সক্ষম হচ্ছে।

    সীমান্তে বিজিবির এ ধরনের অভিযান কার্যক্রম সবসময়ই অব্যাহত থাকবে বলে জানান বিজিবি কর্মকর্তা।

  • বেনাপোলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল শুরুর আগেই ছত্রভঙ্গ করল ছাত্রদল আটক ২


    শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি:বেনাপোলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল শুরু হওয়ার আগেই ভেস্তে দিয়েছে ছাত্রদলের এক নেতা। ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতা রেজাউর রহমান ভুট্টোর হুংকারে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় মিছিলটি। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
    ভিডিওতে দেখা যায়, বেনাপোল পৌর গেট এলাকায় জুম্মার নামাজের আগ মুহূর্তে ২৫/৩০ জন যুবক হাতে ছাত্রলীগের ব্যানার নিয়ে মিছিল শুরু করে। এসময় ছাত্রদল নেতা রেজাউর রহমান ভুট্টোর উপস্থিতিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।

    এ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলসহ আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালায়। এ সময় সন্দেহজনক হওয়ায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

  • ​চাঁনশিকারী সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩ চোরাকারবারি ও ১২৪ বোতল মাদক ও ইজিবাইক জব্দ


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার চাঁনশিকারী সীমান্তে চোরাচালান ও মাদক বিরোধী এক সফল অভিযান পরিচালনা করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানে ৩ জন মাদক চোরাকারবারিকে আটক করার পাশাপাশি ফেন্সিডিলের বিকল্প ১২৪ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় Eskuf সিরাপ, ৩টি মোবাইল ফোন এবং ১টি ইজিবাইক জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ৪,২৪,৬০০/- (চার লক্ষ চব্বিশ হাজার ছয়শত) টাকা।

    ​বিজিবি সূত্র জানায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আজ ০৫ জুন ২০২৬ তারিখ আনুমানিক সকাল ১১:০০ ঘটিকায় মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) অধীনস্থ চাঁনশিকারী বিওপি’র হাবিলদার মোঃ কাজী ইব্রাহীম এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল এই অভিযান পরিচালনা করে। সীমান্ত পিলার ১৯৮/২-এস হতে আনুমানিক ১.৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভোলাহাট ইউনিয়নের শিকারী গ্রামে চোরাকারবারিদের ঘেরাও করে মালামালসহ তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
    ​আটককৃত আসামিরা হলেন:

    ​১. মোঃ মাহাবুবুর রহমান (১৯), পিতা- মোঃ রানাউল, গ্রাম- আলালপুর।
    ২. মোঃ জাহিদুল ইসলাম (১৯), পিতা- মোঃ সেতাউল, গ্রাম- আলালপুর।
    ৩. মোঃ সাগর হোসেন (১৬), পিতা- মোঃ দুলাল, গ্রাম- হাউসপুর।
    ​আটককৃত সকলের ডাকঘর- ফুটানি বাজার, থানা- ভোলাহাট, জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
    ​
    ​আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদক ও চোরাচালান আইনে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে। জব্দকৃত নেশাজাতীয় সিরাপ, মোবাইল এবং ইজিবাইকসহ আসামিদের ভোলাহাট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বিজিবি সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।​সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান রোধে বিজিবি’র এমন কঠোর ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।

  • কটিয়াদীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শাশুড়ি-বউয়ের করুণ মৃত্যু এলাকায় শোকের ছায়া


    কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
    ​কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শাশুড়ি ও পুত্রবধূর এক মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

    আজ শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের উখড়াশাল গ্রামে এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    ​নিহতরা হলেন—উখড়াশাল গ্রামের প্রবাসী জাহাঙ্গীর মিয়ার মা মোছা. মেহেরা খাতুন (৫০) এবং তার স্ত্রী খালেদা আক্তার (৩২)।

    ​পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে শাশুড়ি মেহেরা খাতুন ও বউ খালেদা আক্তার বাড়ির গোয়ালঘরে কাজ করতে যান। সেখানে কাজ করার একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত তারা বিদ্যুতায়িত হন এবং গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

    ​বাড়ির অন্য সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত তাদের উদ্ধার করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ভাগলপুর) নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

    ​একই পরিবারের দুই প্রিয়জনের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় স্তব্ধতা নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারি আর কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে উখড়াশাল গ্রামের বাতাস। স্থানীয় প্রতিবেশীদের মাঝেও নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

    কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • নেত্রকোনার কলমাকান্দায় পোগলা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার নামে অনলাইন সহ ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ


    নেত্রকোনা জেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দালালের দৌরাত্ম্য, দিনের পর দিন হয়রানি ও বাড়তি টাকা আদায়। ভূমি অফিস নিয়ে সেবাগ্রহীতা ও সাধারন মানুষের এমন ধারনা পাল্টে দিয়েছেন নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার ৩নং পোগলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন খান। তিনি কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নবাসীকে রিতিমতো ভূমি সংক্রান্ত সেবা দিয়ে অবাক করে দিয়েছেন। কিন্তু একদল কুচকরি মহল তার কাছ থেকে সুবিধা না পেয়ে তাকে বিভিন্ন ভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করে আসছে তিনি এখানে যোগদান করার পর থেকেই।

    অন্যদিকে উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন খান বলেন, আমি এই ইউনিয়নের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। এবং যতদিন আমি এই ইউনিয়নের সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে আছি ততদিন সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাবো ইনশাআল্লাহ। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন খান বলেন, গত ১৭ ই মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে (Dhaka Mail) নামক একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদ, একাধিকবার বদলি, তবুও থামেনি ভূমি কর্মকর্তা,নতুন কর্মস্থলেও ঘুষ গ্রহণ“ এমন শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয় এবং (MD Uzzal Talukder ) নামক একটি ফেসবুক একাউন্ট হতে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়। Dhaka mail অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদ ও Md Uzzal Talukder নামক একটি ফেসবুক একাউন্ট হতে ভিডিও প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।

    প্রতিবেদক অন্যের প্ররোচনায় এবং ভুল তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে এমন ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করেছে এবং Md Uzzal Talukder নামে যে ফেসবুক একাউন্ট থেকে একটি ভিডিও প্রচারিত হয়েছে আমি এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমি মোহাম্মদ কামাল হোসেন খান সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি ও আমার পরিবারের জীবন চলার জন্য যতটুকু অর্থ ও সম্পদ প্রয়োজন,সেটুকু সৎ পথে কষ্ট ও পরিশ্রম করে উপার্জন করেছি। প্রতিবেদকসহ উল্লেখিত Dhaka mail অনলাইন নিউজ পোর্টালের সম্পাদক যে সংবাদটি প্রকাশ করেছে,সেখানে বলা হয়েছে একাধিকবার বদলি তবুও থামেনি ভূমি কর্মকর্তা, নতুন কর্মস্থলেও ঘুষ গ্রহণ এবং Md Uzzal Talukder নামে যে ফেসবুক একাউন্ট থেকে ভিডিও প্রকাশিত হয়। যেগুলো সম্পুর্ণ মিথ্যা।

    বর্তমানে ইউনিয়ন ভূমি অফিস সহ সকল সরকারি দপ্তরে অনলাইনের মাধ্যমে সরকারি নিয়ম মেনেই কেবল কাজ করা হয়। তাই এখানে ঘুষ গ্রহণ করার কোনো সুযোগ নাই। সেখানে কাজে অনিয়ম বা ঘুষ গ্রহণ করার কোনো প্রকার সুযোগ নেই। এমন উদ্ভট ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশে আমার নিজের এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। তাই আমি উদ্দেশ্য প্রণোদিত, মিথ্যা, ভিত্তিহীন এই সংবাদের এবং ফেসবুকে প্রচারিত ভিডিও`র তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।

    এদিকে পোগলা ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল্লাহ বলেন, আমাদের ভূমি অফিসে এসে আমার জমি আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করে নামজারি করেছি। অতিরিক্ত কোনো টাকা খরচ হয়নি আমি শুধু সরকারি ফি জমা দিয়েছি। তিনি বলেন, এই ভূমি অফিসের বর্তমান ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কামাল হোসেন খানের সেবায় আমি খুবই খুশি। তিনি সকলকে সরাসরি পোগলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এসে ভূমি সংক্রান্ত সেবা নেওয়ার আহবান জানান। তার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে আমি এই ইউনিয়নের বাসিন্দা হিসেবে প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    সম্প্রতি সরেজমিনে পোগলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, গেইটে প্রবেশ করে একটু সামনে এগুতেই চোখে পড়বে পুরো অফিসের ফ্লু চার্ট। এর পাশেই সাঁটানো সিটিজেন চার্টার। এতে জমির নামজারি করতে খরচ, খতিয়ান তোলার খরচ, খাসজমি বন্দোবস্ত নিতে করণীয়,কোন বিষয়ে কার সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ করতে হবে। এসব তথ্য লেখা রয়েছে। এদিকে পোগলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন খান জানান,আমার পুরো অফিস দালাল মুক্ত করা হয়েছে।

    অফিসের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্যেও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন,‘যার কাজ তাকেই সরাসরি আমার অফিসে আসতে উৎসাহ দিচ্ছি। অন্য কারো হাত দিয়ে আসা মানেই সেখানে দালাল ঢুকে পড়া। ফলে এখন সেবা গ্রহীতারা সরাসরি আমার অফিসে আসতে পারছেন।তিনি আরো বলেন, কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মিকাইল ইসলাম স্যারের সার্বিক সহযোগীতায় ও কলমাকন্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ শামছুজ্জামান আসিফ স্যারের দিকনির্দেশনায় আমার অফিসকে একটি মডেল ইউনিয়ন ভূমি অফিস হিসেবে তৈরি করার চেষ্টা করছি, তাই আমি ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে ইউনিয়নের সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সহযোগীতা কামনা করছি।

  • মেঠোপথ থেকে সাফল্যের শীর্ষে রাজশাহী বিভাগের সেরা শিক্ষা অফিসার দুরুল হোদা


    নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
    কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা আর সততা থাকলে যে কোনো বাধা পেরিয়ে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছানো সম্ভব।তারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার পানিহারা গ্রামের কৃতি সন্তান দুরুল হোদা। ২০২৬ সালের ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ প্রতিযোগিতায় তিনি রাজশাহী বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার (এটিইও) নির্বাচিত হয়েছেন।

    ​রাজশাহী বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক বাছাই কমিটির চূড়ান্ত মূল্যায়নে এই গৌরবময় স্বীকৃতি পান তিনি। তার এই অভাবনীয় সাফল্যে নিজ গ্রাম পানিহারা ও গোটা নিয়ামতপুর উপজেলাজুড়ে বইছে আনন্দের বন্যা।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান, নিয়মিত ও নিবিড় বিদ্যালয় পরিদর্শন, গুণগত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই শ্রেষ্ঠত্বের আসনে ভূষিত করা হয়।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নিয়ামতপুরের প্রত্যন্ত গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন দুরুল হোদা। শৈশব থেকেই মেধা, সততা ও অধ্যবসায় ছিল তার নিত্যসঙ্গী। পানিহারা গ্রামের সাধারণ জীবন থেকে উঠে এসে আজ তিনি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার একজন অত্যন্ত দক্ষ ও সফল কর্মকর্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার এই অর্জন প্রমাণ করে, প্রতিকূল পরিবেশেও কঠোর পরিশ্রম করলে জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে সাফল্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করা সম্ভব।

    স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও সচেতন মহলের মতে, দুরুল হোদার এই স্বীকৃতি শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়,এটি পানিহারা গ্রাম, নিয়ামতপুর উপজেলা এবং পুরো নওগাঁ জেলার জন্য এক বিশাল গৌরব। তার এই কর্মনিষ্ঠা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে আগামী দিনে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

    ​এদিকে, দুরুল হোদার এই অনন্য অর্জনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পানিহারা গ্রামসহ নিয়ামতপুরের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন উপায়ে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।

    ​স্থানীয়রা মনে করছেন, গ্রামের সাধারণ মেঠোপথ থেকে উঠে আসা দুরুল হোদার এই সাফল্যের গল্প এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে।

  • দিনাজপুরে বাংলাদেশ আদিবাসী পার্টি (BAP)-এর ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত


    বিরামপুর(দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
    আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচির আহ্বান,দেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ন্যায্য অধিকার মর্যাদা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দিনাজপুরে বাংলাদেশ আদিবাসী পার্টি (বিএপি)-এর ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সভায় সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন চিত্তরঞ্জন পাহান। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক স্বপন বাসিল কিস্কু। এছাড়াও দিনাজপুর জেলা কমিটির সভাপতি শ্যামল মার্ডি, সাধারণ সম্পাদক জেরভ্যাস মারান্ডি, দিনাজপুর সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি আরতি হাঁসদা এবং সাধারণ সম্পাদক শ্রী কান্ত সরেনসহ জেলার ১৩টি উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

    আলোচনা সভায় সংগঠনের চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে করণীয় বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ আদিবাসী পার্টির মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশের আদিবাসী জনগণের অধিকার সংরক্ষণ, মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়নের পথ সুগম করা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভা শেষে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

    পাশাপাশি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে বেগবান করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নেতৃবৃন্দ।