Author: DBC

  • রহম আলীর পরিকল্পিত মামলার হাত থেকে রেহাই পেতে চায় খাইরুল ইসলাম

    নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
    নেত্রকোনা জেলার দূর্গাপুর উপজেলাধীন উওর গুজিরকোনা গ্রামের মৃত ওমর আলী মন্ডলের ছেলে মোঃ রহম আলীর প্ররিকলপিত মামলার হাতে থেকে রেহাই পেতে চায় খাইরুল ইসলাম। সূত্রে জানা যায় গত ২৯/৫/২৬ ইং তারিখ ৮ টার দিকে খাইরুল ইসলাম কে বিভিন্ন বিষয় আদি নিয়ে প্রায় সময় অশ্লীন ভাষার গালিগালাজ করে রহম আলী। এই বিষয়টি খাইরুল ইসলাম জিজ্ঞাসা করার জন্য দোকান সামনে গেলে, উভয়ই কথা কাটাকাটি মধ্যেমে এক জন আরেক জন কে ঘুষা ঘুষি মেরে।এ সময় রহম আলী হাতে ব্যাতা পায়। পরে থাকে দূর্গাপুর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সে খান কার কর্মরত ডাঃ রোগী কে চিকিৎসা করিয়া সুস্থ করে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনার ৩ দিন পর রহম আলী বাদী হয়ে দূর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন প্রতিপক্ষ মোঃ খাইরুল ইসলাম ( ৪০) কে আসামি করে। যাহার মামলা নং ৩ ধারা৩২৩/৩২৫/৩০৭/৫০৬রুজ করা হয়।এ দিকে পূর্বে বিরুদ্ধের একটি পক্ষ এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে খাইরুল ইসলাম ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার লক্ষ্য উদ্দেশ্যে একটি মানব বন্ধন করে। এই নিয়ে পুরো এলাকায় আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রাম ও এলাকাবাসী কাছে জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন এই ঘটনা নিয়ে মানব বন্ধন করতে হয় না। এ ব্যাপারে মামলার বাদী কে খুঁজে তার বাড়িতে গেলে থাকে পাওয়া যায়নি।তাছাড়া খাইরুল ইসলাম এক জন ভাল লোক সে বিএনপির রাজনীতি সাথে জড়িত এবং তার ভাই জুলাই আন্দোলনে মারা যায়। তার পরিবারবর্গ লোকজন কে অর্থ ও রাজনৈতিক, পরিবার বর্গের মান সম্মান ক্ষুন্ন/ ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য কিছু সংখ্যক অসাধু নেতাকর্মী কু পরামর্শে এই কাজ টি হয়েছে।এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর সুদৃষ্টি কামনা করছে। ভোক্তভোগী খাইরুল ইসলাম পরিবার বর্গ ও সচেতন মহল। প্রকাশ থাকে যে উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা… চলবে।

  • ঢাকায় গোপনে বিয়ে, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বাড়িতে আসতেই তালা ঝুলিয়ে স্বামী উধাও

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
    কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় ঢাকায় গোপনে বিয়ে করে স্ত্রীকে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। স্বামীর স্বীকৃতি ও আশ্রয়ের দাবিতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী স্বামীর বাড়িতে এলে বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপনে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই নারী। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

    অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার ভাঙামোড় ইউনিয়নের উত্তর রাবাইটারী এলাকার বাসিন্দা মোঃ দুলাল মিয়া ঢাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করার সময় বরিশালের এক বিধবা নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে প্রায় ছয় মাস আগে তারা ঢাকায় গোপনে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে তারা একসঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন।

    ওই নারী মোছাঃ রাশিদা আক্তার সাথী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত। তিনি বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার কান্ডবাসা ইউনিয়নের নোলছিড়া এলাকার মৃত নুর হোসেনের স্ত্রী।

    সাথীর অভিযোগ, বিয়ের পর বিভিন্ন সময়ে মোঃ দুলাল মিয়া তার কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

    তিনি আরও জানান, সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন মোঃ দুলাল মিয়ার আগে থেকেই স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। প্রায় এক মাস ধরে দুলালের কোনো খোঁজ না পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার সকালে তিনি কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় স্বামীর বাড়িতে আসেন। তাকে দেখতে পেয়ে মোঃ দুলাল মিয়া বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    মোছাঃ সাথী আক্তার বলেন, দুলাল আমাকে মিষ্টি কথায় বিশ্বাস করিয়ে বিয়ে করেছে। আমি এখন চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। সারাদিন বাড়ির সামনে থেকেও স্ত্রী হিসেবে কোনো স্বীকৃতি পাইনি। পরে গভীর রাতে বাধ্য হয়ে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করি।

    স্থানীয়রা জানান, স্বামীর পরিবারের সদস্যরাও ওই নারীকে বাড়িতে প্রবেশ করতে দেননি। গতকাল মঙ্গলবার সারাদিন অপেক্ষার পরও কোনো সমাধান না হওয়ায় তিনি চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন।

    খবর পেয়ে রাত দেড়টার দিকে ফুলবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে উদ্ধার করে। পরে স্থানীয় শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে তাকে একই এলাকার মোঃ আমিনুল ইসলামের বাড়িতে নিরাপদে রাখার ব্যবস্থা করা হয়।

    তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ দুলাল মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    ফুলবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ ইয়াছিন আলী বলেন, মোঃ দুলাল মিয়াকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। আমরা ওই নারীকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক ব্যক্তির জিম্মায় রেখেছি। আজ বুধবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে। সমাধান না হলে এবং ভুক্তভোগী নারী আইনগত ব্যবস্থা নিতে চাইলে পুলিশ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।

    এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনার কোনো চূড়ান্ত সমাধান হয়নি। তবে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির উদ্যোগ চলছে বলে জানা গেছে।

  • খেলাধুলায় মনোযোগী তরুণ কখনো মাদক ও জুয়ার অন্ধকারে হারিয়ে যায় না নাজনীন আহমেদ

    বিশেষ প্রতিনিধি:

    পবিত্র ঈদুল আযহার আনন্দকে আরও উৎসবমুখর ও অর্থবহ করে তুলতে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর মাঠে আয়োজন করা হলো এক বিশাল ও প্রাণবন্ত ফুটবল টুর্নামেন্ট। ঈদের খুশির আমেজে মাঠজুড়ে নেমে আসে হাজারো মানুষের ঢল। শিশু, কিশোর, তরুণ থেকে শুরু করে সকল বয়সের দর্শকের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর মাঠ পরিণত হয় এক অভূতপূর্ব জনসমুদ্রে। এই টুর্নামেন্ট শুধু ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি এটি হয়ে উঠেছে মাদক, জুয়া ও অন্ধকারের বিরুদ্ধে তারুণ্যের এক দৃপ্ত প্রতিবাদ এবং সুস্থ সমাজ গড়ার এক অনুপ্রেরণামূলক বার্তা।

    পুরস্কার বিতরণ ও বিজয়ীদের সম্মাননা,

    উত্তেজনাপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা শেষে বিজয়ী দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের সহধর্মিণী এবং ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক নাজনীন আহমেদ। বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম এর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন বিজয়ী দলের খেলোয়াড়েরা। পুরস্কার বিতরণের এই মুহূর্তটি উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে তৈরি করে এক আনন্দঘন আবহ।

    উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ,

    অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম ও গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রীর সুযোগ্য কন্যা নিশি তাহের এবং পূর্বাচল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রায়ান তাহের । এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক সাধারণ দর্শক।

    নাজনীন আহমেদের অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য, তরুণদের আলোর পথ দেখালেন:

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালক নাজনীন আহমেদ উপস্থিত তরুণ ও যুবসমাজের উদ্দেশে আন্তরিক ও দিকনির্দেশনামূলক ভাষায় বলেন,
    “খেলাধুলা একজন তরুণের জীবনকে শুধু সুস্থ ও সবল করে না, এটি তার মনকেও শক্তিশালী করে তোলে। যে তরুণ মাঠে নামে, সে মাদক ও জুয়ার মতো অন্ধকার পথে হাঁটার সময় পায় না, সুযোগও পায় না। খেলাধুলায় মনোযোগী একজন তরুণ কখনো মাদক ও জুয়ার অন্ধকারে হারিয়ে যায় না। তাই আমি আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বলতে চাই, মাঠকে ভালোবাসো, খেলাকে ভালোবাসো এবং নিজেকে ভালোবাসো।”

    তিনি আরও বলেন, “ফুটবলের মাঠে একজন খেলোয়াড় যা শেখে শৃঙ্খলা, পরিশ্রম, দলগত মনোভাব ও হার না মানার মানসিকতা এই গুণগুলোই জীবনের মাঠেও তাকে বিজয়ী করে তোলে। আমাদের অভিভাবকদের প্রতি আমার আহ্বান, আপনাদের সন্তানদের মাঠে পাঠান, তাদের হাতে বল তুলে দিন। মাঠের ঘাস যদি তাদের পায়ের নিচে থাকে, তাহলে মাদকের জাল কখনো তাদের ঘিরে ধরতে পারবে না।”

    পিতার আদর্শে মন্ত্রীর পথচলা, নাজনীন আহমেদের প্রত্যাশা,
    বক্তব্যের এক পর্যায়ে নাজনীন আহমেদ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনের প্রসঙ্গে আবেগঘন কণ্ঠে বলেন,”আমাদের মাননীয় মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন তাঁর পিতা, বরুড়ার কৃতী সন্তান ও আজীবন জনসেবক এ কে এম আবু তাহেরের স্বপ্ন ও আদর্শ বুকে ধারণ করে রাজনীতিতে এসেছেন। একজন পিতার সারাজীবনের সংগ্রাম, ত্যাগ ও বরুড়াবাসীর প্রতি গভীর ভালোবাসা এই উত্তরাধিকার বহন করার দায়িত্ব তাঁর কাঁধে। আমি বিশ্বাস করি, তিনি তাঁর পিতার আদর্শকে সমুন্নত রেখে বরুড়াবাসীর উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন।”

    তিনি আরও বলেন, “এ কে এম আবু তাহের সাহেব সারাজীবন বরুড়ার মানুষের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন। তাঁর সেই অসমাপ্ত স্বপ্নকে পূরণ করার প্রতিশ্রুতি নিয়েই মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এগিয়ে চলুন, এটাই বরুড়াবাসীর প্রত্যাশা, এটাই আমাদের প্রার্থনা।”

    ঈদের আনন্দে ক্রীড়ার মেলবন্ধন, বরুড়ায় নতুন প্রভাতের সূচনা,

    ঈদুল আযহার এই আনন্দঘন আয়োজন গোটা বরুড়াবাসীর কাছে হয়ে উঠেছে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। খেলাধুলার মাধ্যমে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখার এই মহতী উদ্যোগ ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখা হবে, যাতে বরুড়ার তরুণ প্রজন্ম সুস্থ, সুন্দর ও আলোকিত ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে।

    দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর মাঠের সবুজ ঘাসে আজ যে স্বপ্নের বীজ বপন করা হলো, তা একদিন পরিণত হবে একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ ও সমৃদ্ধ বরুড়ার মহীরুহে।
    “মাঠে ঘাম ঝরাও, জীবনে আলো জ্বালাও মাদককে না বলো, খেলাধুলাকে বুকে তুলে নাও।”

  • অষ্টগ্রামে বড় শিন্নী উতযাপিত

    1. অষ্টগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি: (১ জুন) আল্লাহ পাকের অশেষ শুকরিয়া আদায় এবং হযরত বড়পীর আব্দুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর রুহানী ফয়েজ লাভের আশায় কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হাবেলি বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রায় দুইশত বছরের পুরোনো চিড়া শিন্নী উৎসব, যা স্থানীয়ভাবে বড় শিন্নী নামে পরিচিত।

    ভাটি অঞ্চলের অলী হিসেবে খ্যাত, নয় কোষা জমিদারি ত্যাগী সিপাহসালার সৈয়দ নাসির উদ্দিন (রহ.)-এর বংশধর হযরত সৈয়দ আবদুল করিম আল-হোসাইনী (রহ.) এ রেওয়াজের প্রবর্তন করেন। সেই থেকে যুগের পর যুগ ধরে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে এ আয়োজন পালিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর বোরো ধান কাটার পর অষ্টগ্রাম, পূর্ব অষ্টগ্রাম, দেওঘর ও কাস্তুল এলাকার গাউসে পাকের আশেকানরা সম্মিলিতভাবে হাবেলি বাড়ি আল-হোসাইনী দরবার শরীফে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

    এ বছরও সকাল ১০টা থেকে দরবার শরীফের মাজার প্রাঙ্গণে শিন্নী তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়। প্রায় ১০ মণ চিড়া, গুড় ও খাঁটি কাঁচা দুধের মিশ্রণে তৈরি করা হয় বিশাল এই তাবারক। ভাটি অঞ্চলের হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও ভক্তের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ।

    বিকেলে মিলাদ, কিয়াম ও বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি ঘটে। মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন আল-হোসাইনী দরবার শরীফের বর্তমান সাজ্জাদানেশীন মাওলানা সৈয়দ মোমতাজ হাসান আল-হোসাইনী, আল-হোসাইনী জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুহিবুল হাসান এবং মাওলানা মুফতি মো. আদনান।

    অনুষ্ঠানের সার্বিক তদারকি করেন সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু এবং সৈয়দ আহমেদুল কবির প্রিন্স।

    সবশেষে দেশ, জাতি ও বিশ্বমানবতার কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে আগত ভক্ত ও এলাকাবাসীর মাঝে তাবারক বিতরণের মাধ্যমে বিকেল ৫ টায় উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

  • প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পশুখাদ্য টেন্ডারে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, ১৭ বছর ধরে নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ

    প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পশুখাদ্য টেন্ডারে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, ১৭ বছর ধরে নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিনিধি:

    প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পশুখাদ্য টেন্ডারে ‘ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট’ অভিযোগ,পিপিআর-২০২৫ এর প্রতিযোগিতামূলক নীতিকে পাশ কাটিয়ে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ।
    দেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত হাঁস-মুরগির খামার, গরু ও ছাগল উন্নয়ন কেন্দ্রে চলতি বছরের পশুখাদ্য সরবরাহের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। তবে এসব দরপত্রকে ঘিরে ব্যাপক অনিয়ম ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠেছে।
    একাধিক ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রায় ১৭ বছর ধরে প্রাণিসম্পদ খাতের পশুখাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সরকার পরিবর্তন হলেও সেই ‘ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট’ এখনো বহাল রয়েছে বলে দাবি তাদের।
    অভিযোগ অনুযায়ী, সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস-এর সাবেক এপিএস হিল্টন কুমার সাহার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এ সিন্ডিকেটে রয়েছেন সাভারের ঠিকাদার হাফিজুর রহমান ও ঢাকার মিরপুর এলাকার বিমল কুমার। অভিযোগকারীরা জানান, হিল্টন কুমার সাহা প্রতিবছর একাই প্রায় ২৫ থেকে ২৬ জেলার পশুখাদ্য সরবরাহ কাজ নিয়ন্ত্রণ করেন। একইভাবে গত ১৭ বছর ধরে হাফিজুর রহমান বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) সাভারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজ এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন। অন্যদিকে বিমল কুমারও একই কায়দায় নিয়মিত সরকারি কাজ পেয়ে আসছেন।
    সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এই সিন্ডিকেট ব্যবস্থার কারণে একদিকে সরকারি ক্রয়ে কোটি কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে, অন্যদিকে নিম্নমানের পশুখাদ্য সরবরাহের ফলে প্রাণিসম্পদ খাতের বিভিন্ন প্রকল্প হুমকির মুখে পড়ছে।
    অভিযোগকারীরা আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে গত বছর বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বশীল কোনো পক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে ‘ম্যানেজ প্রক্রিয়ায়’ আওয়ামী আমলের মতোই নিজেদের আধিপত্য ধরে রেখেছেন সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেট সদস্যরা।
    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলতি বছর কেন্দ্রীয় হাঁস প্রজনন খামার নারায়ণগঞ্জ-এর পশুখাদ্য সরবরাহ দরপত্রে মোট চাহিদাকে দুইটি লটে বিভক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি লট ছোট হওয়ায় সেখানে তুলনামূলক প্রতিযোগিতার সুযোগ থাকলেও বড় লটটিতে এমন বাস্তব অভিজ্ঞতার শর্ত যুক্ত করা হয়েছে, যাতে কার্যত হিল্টন কুমার সাহা ছাড়া অন্য কোনো ঠিকাদার অংশ নিতে না পারেন।
    স্থানীয় সূত্র জানায়, গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে একাধারে এই খামারের কাজ পেয়ে আসছেন হিল্টন কুমার এবং চলতি বছরও তিনিই কাজ পাচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
    একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার জয়পুরহাট, মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার পাবনা, মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার বগুড়া, মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার রংপুর, মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার সিরাজগঞ্জ, মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার বরিশাল এবং মুরগী প্রজনন ও উন্নয়ন খামার পাহাড়তলী-এর দরপত্র নিয়েও।
    অভিযোগ রয়েছে, এসব দরপত্রে পশুখাদ্যের বিভিন্ন আইটেমের যে স্পেসিফিকেশন নির্ধারণ করা হয়েছে, তা কেবলমাত্র আরিফস্ বাংলাদেশ নামের একটি কোম্পানির উৎপাদিত পণ্যের সঙ্গে মিলে যায়। ফলে যেসব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওই কোম্পানির চুক্তি রয়েছে, তারাই কেবল টেন্ডারে অংশ নিতে পারছে।
    সংশ্লিষ্টদের দাবি, “আরিফস্ বাংলাদেশ” শুধুমাত্র হিল্টন কুমারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকেই পণ্য সরবরাহ করে। এ কারণে হিল্টনের নিয়ন্ত্রণাধীন এইচ এন এন্টারপ্রাইজ, অঙ্কিতা এন্টারপ্রাইজ, এফ এম ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ও লুৎফা এন্ড সন্স নামের চারটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে দরপত্রে অংশ নেওয়া হচ্ছে।
    অভিযোগকারীরা বলেন, গোপন সমঝোতার কারণে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান “আরিফস্ বাংলাদেশ”-এর পণ্য সংগ্রহ করতে পারে না। ফলে কার্যত প্রতিযোগিতাহীন পরিবেশে এসব কাজ হাতিয়ে নিচ্ছে সিন্ডিকেটটি। আর এতে সহযোগিতা করছেন এখনো বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহাল থাকা আওয়ামী লীগের ‘দোসর’ কর্মকর্তারা।
    এদিকে গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার সাভার, গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার বরিশাল, গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার সিলেট, গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার ফরিদপুর, গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার রাজশাহী এবং ছাগল উন্নয়ন খামার বরিশাল, ছাগল উন্নয়ন খামার ফরিদপুর ও ছাগল উন্নয়ন খামার রাজশাহী-এর পশুখাদ্য সরবরাহ টেন্ডার নিয়েও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে।
    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসব টেন্ডারেও এমন স্পেসিফিকেশন দেওয়া হয়েছে যা নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির উৎপাদিত পণ্যের সঙ্গে মিলে যায়। আর ওইস…

  • আশুলিয়ায় বাড়িতে হামলা, স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ

    আশুলিয়ায় বাড়িতে হামলা, স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ

    রিয়া মনি : স্টাফ রিপোর্টার
    ঢাকার আশুলিয়ায় বাড়িতে ঢুকে মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে একদল দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী এক গৃহবধূ।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়ার আউকপাড়া আদর্শগ্রাম সি-ব্লকের বাসিন্দা শাহানা হাসান (৩৫) গত ১৮ মে সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে পূর্ব শত্রুতার জেরে একদল লোক সংঘবদ্ধ হয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় অভিযুক্তরা লাঠি, লোহার রড, চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।
    ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে বেধড়ক মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। তার চিৎকারে এগিয়ে আসা তার মেয়ে বেলি পারভীনকেও মারধর করা হয়। এতে মা-মেয়ে উভয়েই আহত হন।

    অভিযুক্তরা হলেন,রয়মন মোস্তফা, ফারহান,রমজান কাইলা,শাকিল ও চোর শাকিল, মতিউর রহমান কসাই মতি,রাশেদ, মেহেদী ও মো. নুর ইসলাম সহ অজ্ঞাত আরো ১০-১২ জন। অভিযুক্ত সবাই আউকপাড়া আদর্শগ্রামের বাসিন্দা।

    এছাড়া অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী গৃহবধূর গলায় থাকা প্রায় ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন (মূল্য আনুমানিক ১ লাখ ১০ হাজার টাকা) এবং ঘরে থাকা নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
    হামলার সময় অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকিও দেয় বলে অভিযোগে বলা হয়।

    পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা নেওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী।

    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • আশুলিয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের অভিযানে জরিমানা, ফার্মেসি সিলগালা

    আশুলিয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের অভিযানে জরিমানা, ফার্মেসি সিলগালা

    আলমাস হোসাইন , আশুলিয়া:
    ঢাকার আশুলিয়ায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে একটি ফার্মেসিসহ দুইটি হোটেলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    নকল কনডম বিক্রি, অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক ওষুধ সংরক্ষণ এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্য পরিবেশনের অভিযোগে জরিমানা ও একটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়।

    সোমবার (১৮ মে) বিকেলে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অধিদপ্তর। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান।

    অভিযানকালে রাজধানী সার্জিক্যাল ফার্মেসিতে নকল কনডম ও অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক ওষুধ পাওয়া যায়। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ফার্মেসিটি সিলগালা করা হয়।

    একই অভিযানের অংশ হিসেবে বাইপাইল এলাকার রূপসা হোটেল ও খান হোটেলে তদারকি চালানো হয়। এ সময় খাবারে ক্ষতিকর রং ব্যবহার এবং রান্না করা খাবারের সঙ্গে কাঁচা মাংস একই ফ্রিজে সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অপরাধে রুপসা হোটেলকে ২০ হাজার টাকা এবং খান হোটেলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অভিযান শেষে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।

  • আশুলিয়ায় ৭তলা বাড়ি দখলের অভিযোগ, জাল দলিলে প্রতারণার দাবি

    আশুলিয়ায় ৭তলা বাড়ি দখলের অভিযোগ, জাল দলিলে প্রতারণার দাবি

    আশুলিয়া প্রতিনিধি:
    ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল বুড়িরবাজার এলাকায় পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের অভিযোগ উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। জাল দলিল তৈরি করে ৭তলা ভবনসহ সম্পত্তি আত্মসাতের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

    অভিযোগকারী মো. আবির হোসেন মিয়া জানান, তার পিতা মরহুম আনোয়ার হোসেন মিয়া পৈত্রিক সূত্রে অর্জিত প্রায় ৫ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত ৭তলা ভবনের মালিক ছিলেন। জীবদ্দশায় তিনি পরিবারসহ ওই ভবনের বিভিন্ন ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। তবে পিতার মৃত্যুর পর থেকেই তার সৎমা কল্পনা আক্তার নিজেকে একক মালিক দাবি করে সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, গত ৩ মে আশুলিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে তারা একটি দলিলের সন্ধান পান। ওই দলিলে কল্পনা আক্তারকে সম্পত্তির গ্রহীতা এবং মৃত আনোয়ার হোসেনকে দাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে দলিলে সংযুক্ত ছবিতে আনোয়ার হোসেনের পরিবর্তে অন্য একজনের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।

    এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সাক্ষীদের জড়িত করে অভিযোগ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে ভুয়া পরিচয়ে দলিল তৈরি করে সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।

    এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
    ভুক্তভোগী আবির হোসেন মিয়া বলেন, আমার পিতার নামে জাল দলিল তৈরি করে অন্য ব্যক্তিকে দাতা দেখানো হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।

    এ ঘটনায় তিনি আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    পুলিশ জানিয়েছে,অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলামকে ঘিরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগের অভিযোগে মানববন্ধন

    পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলামকে ঘিরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগের অভিযোগে মানববন্ধন

    স্টাফ রিপোর্টার:

    মৌলভীবাজার জেলার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ মাঈদুল ইসলামকে ঘিরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে সরকারি চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের তদন্ত ও বিচারের দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তারা অভিযোগ করেন, মাঈদুল ইসলাম মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেলেও তার পরিবার বা পিতার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

    অভিযোগকারীদের দাবি, তার পিতার নামে কোনো বৈধ মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বা গেজেট তালিকায় নাম পাওয়া যায়নি। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তালিকা যাচাই করেও তার পিতার নাম অনুপস্থিত রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

    মানববন্ধনে আরও বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা সনদে ব্যবহৃত ঠিকানা নিয়েও অসংগতি রয়েছে। অভিযোগকারীদের মতে, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।

    অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তাকে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের প্রমাণপত্র দেখাতে বলা হলে তিনি তা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন বলেও দাবি করা হয়।

    বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) থেকে প্রকাশিত নিয়োগ সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তরের “পরিদর্শক/ইন্সপেক্টর” পদে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তার নাম রয়েছে বলে অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেন।

    এ বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোঃ মাঈদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর কোনো মন্তব্য না করে বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং পরে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান বলে দাবি করা হয়।

    অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, তার শ্বশুরবাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার কাশিয়াগাড়ী গ্রামে অবস্থিত। একইসঙ্গে তার পিতার নামে ইস্যুকৃত মুক্তিযোদ্ধা সনদ (নং–১৯০৭০৪, তারিখ–১৯/০৫/২০১৩) অনুযায়ী ঠিকানা ধামশ্রেণী, উলিপুর, কুড়িগ্রাম উল্লেখ থাকলেও তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

    মানববন্ধনে বক্তারা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, সত্য উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আকাশ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক এইচ এম হাকিম, সাংবাদিক হাসান, সাংবাদিক টুটুল, সাংবাদিক সুমাইয়া, সাংবাদিক আব্দুর রহমান, মানবাধিকার কর্মী কালু পাটোয়ারী, সাংবাদিক পনির, সাংবাদিক আনজার শাহসহ অনেকে।

  • গুণীজন সংবর্ধনা পেলেন জীবননগর মানবিক সংগঠনের পরিচালক এইচ এম হাকিম

    গুণীজন সংবর্ধনা পেলেন জীবননগর মানবিক সংগঠনের পরিচালক এইচ এম হাকিম

    স্টাফ রিপোর্টার:


    রাজধানীর জাতীয় কচি-কাঁচার মিলন মেলার হলরুমে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সংবর্ধিত হলেন জীবননগর মানবিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক এইচ এম হাকিম। মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় দৈনিক স্বাধীন সংবাদ আয়োজিত ‘সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে গুণীজন সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান’-এ তাকে এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত থেকে এইচ এম হাকিমের হাতে সংবর্ধনা ক্রেস্ট তুলে দেন অনুষ্ঠানের সম্মানিত উদ্বোধক, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক নুর আহম্মেদ এবং দৈনিক স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আনোয়ার হোসেন আকাশ।

    আলোচনা সভায় বক্তারা একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এইচ এম হাকিমের মতো নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবীদের মাঠপর্যায়ের কাজের প্রশংসা করেন। সম্মাননা গ্রহণের পর এক আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় এইচ এম হাকিম এই অর্জনকে নিজের একান্ত প্রাপ্তি হিসেবে না দেখে সবার সঙ্গে ভাগ করে নেন এবং প্রাপ্ত সংবর্ধনা ক্রেস্টটি জীবননগর মানবিক সংগঠনের সকল উপদেষ্টা, সদস্য ও সংগঠনের সঙ্গে জড়িত প্রতিটি কর্মীকে উৎসর্গ করেন।

    তিনি জানান, এই সম্মাননা মূলত পুরো টিমের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল এবং জীবননগরকে একটি মানবিক ও মাদকমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে তাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সংবর্ধনা পর্ব শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশের মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখার আহ্বান জানানো হয়।

    এইচ এম হাকিমের নেতৃত্বে জীবননগর মানবিক সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোসহ বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে, যার স্বীকৃতিস্বরূপ আজকের এই আয়োজন সংগঠনের গতিশীলতাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে বিশিষ্টজনেরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।