Category: প্রচ্ছদ

  • ইতালির রোমে নিজ বাসায় ছুরিকাঘাতে কোম্পানীগঞ্জের একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও কন্যা নিহত

    নোয়াখালী প্রতিনিধি:
    ইতালির রাজধানী রোমে নিজ বাসায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার একই পরিবারের তিন সদস্যকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
    এ ঘটনায় পরিবারের আরও এক সদস্য আহত হয়েছেন।

    শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে রোমের পার্শ্ববর্তী এলাকা ক্যাসালোত্তির ভিয়া মন্তিলিও এলাকায় একটি অ্যাপার্টমেন্টে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের সিরাজ মিয়ার নতুন বাড়ির বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল (৩৯), তার স্ত্রী (৩৮) এবং তাদের ৫ বছর বয়সী কন্যাসন্তান।

    এ ঘটনায় তাদের ২০ বছর বয়সী ছেলেও গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে ইতালির স্থানীয় জেমেলি পলিক্লিনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঘটনার পর ইতালির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।

    এদিকে একই পরিবারের ৩ সদস্যের নিহত হওয়ার খবরে কোম্পানীগঞ্জের চরকাঁকড়া এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোক ও উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।

  • শার্শায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের উপর হামলা


    বেনাপোল প্রতিনিধি: সংবাদ প্রকাশের জেরে যশোরের শার্শায় সাংবাদিক আতিকুজ্জামানের উপর হামলা চালিয়ে আহত করেছে আরিকুল ইসলাম নামে এক মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী। সোমবার (২৫জুন) সন্ধ্যায় শার্শা রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে এই হামলা চালায় সন্ত্রাসী আরিকুল।

    আহত সাংবাদিক আতিকুজ্জামানকে উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আতিকুজ্জামান বাদি হয়ে শার্শা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    আহত আতিকুজ্জামান দৈনিক যশোর বার্তা ও দৈনিক বাংলাদেশ রয়টার্সের পত্রিকার শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি।

    হামলার শিকার সাংবাদিক আতিকুজ্জামান জানান, দুপুর ১.৩০ টার দিকে শার্শা রেজিস্ট্রি অফিসের সামনের অবস্থান করছিলেন তিনি। এমন সময় হঠাৎ করে মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী আরিকুল ইসলাম পুর্ব শত্রুতার জেরে তাকে গালিগালাজ করতে থাকে। এসময় তাকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে সে তার উপর চড়াও হয়ে মারধর করে আহত করে। একপর্যায়ে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে পালিয়ে যায় হামলাকারী আরিকুল। 

    হামলাকারী আরিকুল শার্শার চটকাপোতা গ্রামের বাসিন্দা। আরিকুল ইসলাম পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী। মাদক ও অস্ত্রসহ তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। বিগত ক্ষমতাসীন দলের সময় ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও অস্ত্রের ব্যবসা করে আসছিলো এখনও চলছে বহাল তবিয়তে । তাকে একাধিকবার গ্রেপ্তার হওয়া নিয়ে ইতোপূর্বে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এতে স্থানীয় সাংবাদ কর্মীদের উপর ক্ষিপ্ত ছিলো আরিকুল ইসলাম।

    শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, “ঘটনার বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

    এদিকে সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন শার্শার বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীরা। তারা অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের দাবী জানান।

  • কারবালার চেতনায় অষ্টগ্রাম (১৯১) বছরের ঐতিহ্যে পালিত হলো পবিত্র আশুরা ‎


    ‎মোঃ আল-আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি:
    কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা, শোকাবহ পরিবেশ ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে পবিত্র আশুরা। শুক্রবার (১০ মহররম) দিনব্যাপী নফল রোজা, নামাজ, জিকির-আসকার, দোয়া, দান-সদকা এবং বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি পালন করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
    ‎
    ‎ইসলামের ইতিহাসে আশুরা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। আরবি ‘আশারা’ শব্দের অর্থ দশ এবং ‘আশুরা’ অর্থ দশম। হিজরি ৬১ সালের ১০ মহররম কারবালার ময়দানে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসেন (রা.) ও তাঁর পরিবার-পরিজন এবং সঙ্গীরা সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে শাহাদত বরণ করেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগ আজও মানবতার জন্য অনন্য প্রেরণা হয়ে রয়েছে।
    ‎
    ‎এ উপলক্ষে ৩ নম্বর অষ্টগ্রাম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু জানান, হযরত শাহজালাল ইয়ামেনী (রহ.)-এর অন্যতম প্রধান সহচর সিপাহসালার সৈয়দ নাসির উদ্দিন (রহ.)-এর বংশধর এবং ‘ভাটির অলী’ হিসেবে পরিচিত হযরত সৈয়দ আবদুল করিম আল-হোসাইনী (রহ.), ওরফে সৈয়দ আলাই মিয়া সাহেব, আহলে বাইতের প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকে অষ্টগ্রামে মহররমের এই ঐতিহ্যের সূচনা করেন।
    ‎
    ‎তিনি বলেন, পার্থিব ভোগ-বিলাস ও ‘নয় কোষা’ জমিদারি ত্যাগ করে সৈয়দ আলাই মিয়া সাহেব অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করতেন। ১৮৩৪ সালে তিনি নিজ বাড়িতে একটি হোসাইনী মোকাম (ইমামবাড়া) প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৮৩৫ সাল থেকে মহররমের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়। সেই ধারাবাহিকতায় টানা ১৯১ বছর ধরে বংশপরম্পরায় এই ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
    ‎
    ‎তিনি আরও জানান, মহররমের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর থেকেই বিশেষ নিয়ম মেনে কর্মসূচি শুরু হয়। মোকামে লাল ও কালো নিশান উত্তোলন, টানা ১০ দিন রোজা পালন, মাটিতে শয়ন, সাধারণ পোশাক পরিধান, নিরামিষ ও সাধারণ খাবার গ্রহণ এবং খালি মাথা ও খালি পায়ে চলাফেরা ছিল সৈয়দ আলাই মিয়া সাহেবের অনুসৃত নিয়ম।
    ‎
    ‎প্রতিদিন ফজরের নামাজের পর মিলাদ শরিফ, কারবালার ইতিহাস আলোচনা ও জারি গান পরিবেশিত হয়। সকালবেলায় নারীরাও আলাদাভাবে জারি পরিবেশন করেন। একই সঙ্গে পুরুষরা বাঁশ, বেত, রঙিন কাগজ ও কাপড় দিয়ে কারবালার স্মৃতিবিজড়িত তাজিয়া নির্মাণে অংশ নেন। আসরের পর মাতম ও মার্সিয়া, মাগরিবের আগে ফাতেহা এবং ইফতারের জন্য তাবারক বিতরণের মধ্য দিয়ে প্রতিদিনের আয়োজন শেষ হয়।
    ‎
    ‎মহররমের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৫ মহররমে ‘পাঁচ গায়েলা’ নামে ২২ মৌজার মাতাব্বর ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ৯ মহররমে নিশান গাস্ত ও তাজিয়া গাস্তের মাধ্যমে ১০ মহররমের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।
    ‎
    ‎আশুরার দিন বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন মোকাম থেকে তাজিয়া মিছিল বের হয়ে মধ্য অষ্টগ্রামের কারবালা প্রাঙ্গণে একত্রিত হয়। সেখানে তাজিয়া স্থাপনের মাধ্যমে ১০ দিনের শোকানুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। প্রতিবছরের মতো এবারও বিপুলসংখ্যক মানুষ এতে অংশ নেন। অনেক সনাতন ধর্মাবলম্বীকেও শোকানুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়, যা অষ্টগ্রামের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
    ‎
    ‎সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু বলেন, সৈয়দ আলাই মিয়া সাহেবের ইন্তেকালের পর পর্যায়ক্রমে হযরত মাওলানা সৈয়দ আবদুল হেকীম আল-হোসাইনী (রহ.) এবং মাওলানা সৈয়দ কুতুব উদ্দিন আহমেদ আল-হোসাইনী চিশতী (রহ.) এই ঐতিহ্য রক্ষা করেন। বর্তমানে সৈয়দ আহমেদুল কবির প্রিন্স নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। এ আয়োজন সফল করতে হাবেলির সদস্য, স্থানীয় বাসিন্দা এবং ২২ মৌজার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সার্বিক সহযোগিতা করে আসছেন।
    ‎
    ‎তিনি আরও বলেন, পবিত্র আশুরা মুসলমানদের কাছে শুধু শোকের দিন নয়; এটি সত্য, ন্যায়, ত্যাগ, ধৈর্য, সহমর্মিতা ও মানবকল্যাণের শিক্ষায় অনুপ্রাণিত হওয়ারও দিন। কারবালার আত্মত্যাগ অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর এবং ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার শিক্ষা দেয়, যা যুগে যুগে মানুষের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
    ‎

  • খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে ৬০০ জন কৃষক/ কৃষাণীদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ


    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়ি মানিকছড়ি উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের খরিফ-২ মৌসুমে আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ৬০০ জন কৃষক/ কৃষাণীদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।
    উপজেলা প্রতি কৃষকের মাঝে উফশী আমন ধান বীজ ৫ কেজি, ডিএপি সার ১০ কেজি, এমওপি সার ১০ কেজি বিতরণ করা হয়।
    বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) বিকেলে মানিকছড়ি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে মানিকছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজনে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক/ কৃষাণীদের মাঝে বিনামূল্যে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষক/ কৃষাণীরা অংশগ্রহণ করেন।

    আলোচনা সভা মানিকছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জহির রায়হান সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মানিকছড়ি উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিনা আফরোজ ভুঁইয়া। স্বাগত বক্তব্য প্রদান রাখেন, মানিকছড়ি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: মাহমুদুল হাসান।
    এসময় অন্যান্য মধ্যে আরোও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি উপ-সহকারী মোঃ ইয়াছিন, উপজেলা জাতীয়তাবাদী কৃষকদলে সভাপতি মোঃ আল ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহিন হোসেন, মানিকছড়ি সদর ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আব্দুল রাজ্জাক প্রমূখ।

    আলোচনা সভা বক্তারা বলেন, পাহাড়ের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তা প্রদানে সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

  • হালুয়াঘাটে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, ঘাতক স্বামী পলাতক


    ময়মনসিংহ হালুয়াঘাট প্রতিনিধি:
    ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে শিরিনা (২৫) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। আজ দুপুরে উপজেলার ৩ নং কৈচাপুর ইউনিয়নের বড় খালের পাড় এলাকার একটি ফসলি জমিতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

    ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী হাবিবুর রহমান হাবিব (৩৮) পলাতক রয়েছেন।

    ফসলের মাঠে কথাকাটাকাটি ও হত্যাকাণ্ড স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুরে বড় খানের পাড় এলাকার একটি ফসলি জমিতে কাজ করছিলেন হাবিবুর রহমান। ওই সময় তার দ্বিতীয় স্ত্রী শিরিনা বেগম সেখানে যান। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তীব্র কথাকাটাকাটি ও কলহ শুরু হয়। বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হাবিবুর তার স্ত্রী শিরিনার মাথার পেছনে সজোরে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই মাটির ওপর লুটিয়ে পড়েন শিরিনা এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই ঘাতক স্বামী হাবিবুর দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।

    স্থানীয়দের বিবরণ অনুযায়ী, ঘাতক মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব দুটি বিয়ে করেছিলেন। নিহত শিরিনা আক্তার ছিলেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য চলত বলে জানা গেছে।

    ঘটনার খবর পেয়ে হালুয়াঘাট থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ফসলি জমি থেকে রক্তাক্ত মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি স্থানীয় হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

    হালুয়াঘাট থানার পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে। এই ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার ১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৪৫০ গ্রাম গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন ২০২৬) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানাধীন নবাবগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের চন্ডিতলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন তপন দাস (৩৮)।

    তিনি চন্ডিতলা গ্রামের মৃত সুকুমার দাস ও মৃত নন্দ রানীর ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে তপন দাসের বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

    এ সময় তার হেফাজত থেকে ৪৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের পক্ষ হতে সদর মডেল থানার ইনচার্জ একরামুল হোসাইন জানিয়েছে, মাদক নির্মূল ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • হালুয়াঘাটে দুই ইউনিয়নের সংযোগ সড়ক যেন মরণফাঁদ চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ


    ময়মনসিংহ হালুয়াঘাট প্রতিনিধি:
    ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার হালুয়াঘাট সদর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড দর্শারপাড় থেকে (ভায়া ডাকবাড়ী) ৮ নং নড়াইল ইউনিয়ন পর্যন্ত সংযোগ সড়কটি এখন স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় কাঁচা রাস্তাটি ও ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন সদর ইউনিয়নের হালুয়াঘাট , ডাকবাড়ীসহ পাশ্ববর্তী ৮ নং ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী এবং জরুরি চিকিৎসার রোগীরা এই রাস্তা ব্যবহার করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সামান্য বৃষ্টি হলেই খানাখন্দগুলোতে পানি জমে রাস্তাটি যেন এক একটি ছোটখাটো ডোবায় পরিণত হয়।

    স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই রাস্তাটি দিয়ে যাতায়াত করা এখন রীতিমতো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। রাতে বা বৃষ্টি হলে দুর্ভোগের সীমা থাকে না।
    কোনো জরুরি রোগী বা গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে নিতে হলে ভাঙা রাস্তার ঝাঁকুনিতে অবস্থা আরও সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির এই বেহাল দশা থাকলেও মেরামতের কোন কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

    সড়কটির এমন বেহাল দশারধ কারণে পণ্য পরিবহনেও অতিরিক্ত খরচ ও সময় ব্যয় দহচ্ছে স্থানীয় ব্যবসায় ফলে অর্থনৈতিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এই অঞ্চলের মানুষ।

    এলাকাবাসীর দাবি, দুই ইউনিয়নের এই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কটির কারণে সৃষ্ট গণদুর্ভোগ লাঘবে এবং যেকোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যেন অতি দ্রুত রাস্তাটি পরিদর্শনের মাধ্যমে সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

  • সত্য প্রতিষ্ঠায় ইমাম হোসাইন (রা.)-এর আত্মত্যাগ অনন্য দৃষ্টান্ত: হযরাতুল আল্লাম এম. আমিরুল ইসলাম ‎ ‎

    মোঃ আল-আমিন,বিশেষ প্রতিনিধি:
    ‎পবিত্র মহররম উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় ইসলামী আলোচক হযরাতুল আল্লাম এম. আমিরুল ইসলাম বলেছেন, কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা ইসলামের ইতিহাসে সত্য, ন্যায় ও আত্মত্যাগের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। তিনি বলেন, ৬১ হিজরির ১০ মহররম কারবালার প্রান্তরে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসাইন (রা.) অন্যায়ের কাছে মাথানত না করে শাহাদতবরণ করেন এবং সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
    ‎
    ‎তিনি বলেন, ৬০ হিজরির ৮ জিলহজ হযরত ইমাম হোসাইন (রা.) পরিবার-পরিজন ও সঙ্গীদের নিয়ে মক্কা থেকে কুফার উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে বিভিন্ন ঘটনা অতিক্রম করে তিনি কারবালায় পৌঁছান। সেখানে কুফার গভর্নর উবাইদুল্লাহ ইবনে জিয়াদের নির্দেশে তাঁর কাফেলাকে অবরুদ্ধ করা হয় এবং ফোরাত নদীর পানি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
    ‎
    ‎হযরাতুল আল্লাম এম. আমিরুল ইসলাম বলেন, এজিদের প্রতি আনুগত্য স্বীকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ইমাম হোসাইন (রা.) ঘোষণা করেছিলেন, “মিথ্যার কাছে সত্য কখনো মাথা নত করবে না।” এরপর তাঁর পরিবার ও সঙ্গীদের ওপর চরম নির্যাতন নেমে আসে। পানির অভাবে শিশু ও নারীসহ সবাই মানবেতর কষ্ট ভোগ করেন।
    ‎
    ‎তিনি আরও বলেন, মহররমের ১০ তারিখে সংঘটিত যুদ্ধে ইমাম হোসাইন (রা.)-এর সঙ্গী-সাথি এবং আহলে বাইতের সদস্যরা একে একে শাহাদতবরণ করেন। শেষ পর্যন্ত অসীম সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে ইমাম হোসাইন (রা.) নিজেও শাহাদতবরণ করেন। তাঁর এই আত্মত্যাগ ইসলামি ইতিহাসে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সত্য প্রতিষ্ঠার সর্বোচ্চ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত।
    ‎
    ‎বক্তা বলেন, কারবালার ঘটনা কেবল শোকের নয়, বরং মানবতার জন্য শিক্ষা ও প্রেরণার উৎস। ইমাম হোসাইন (রা.)-এর জীবনাদর্শ মুসলিম উম্মাহকে সত্য, ন্যায় ও আদর্শের পথে অবিচল থাকার শিক্ষা দেয়।
    ‎
    ‎তিনি মুসলিম উম্মাহর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কারবালার আত্মত্যাগের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করতে হবে।
    ‎
    ‎আলোচনা শেষে তিনি মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন, যেন মুসলিম উম্মাহ হযরত ইমাম হোসাইন (রা.)-এর আত্মত্যাগের আদর্শ অনুসরণ করে জীবন পরিচালনার তাওফিক দান করুন। আমিন!

  • কিশোরগঞ্জে (নীলফামারী) অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল কারখানায় অভিযান, বিপুল জাল ও সরঞ্জাম জব্দ


    কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
    নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধ্যরাজিব সয়ারকাজী গ্রামে পরিচালিত এ অভিযানে ৩০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৬৮০টি জাল, ৪টি জাল তৈরির মেশিন এবং অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪৪ লাখ টাকা।

    অভিযান চলাকালে জাল তৈরির তিনটি ডায়াস ধ্বংস করা হয় এবং ৮০টি অবৈধ জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কারখানার এক সহযোগীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তবে মূল মালিক ও আরেক সহযোগী পালিয়ে যায়; তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

    অভিযানে মৎস্য বিভাগ, প্রশাসন ও পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। কর্মকর্তারা জানান, দেশীয় মাছ রক্ষায় অবৈধ জালের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সীমান্ত হত্যা, পুশইন ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান বাস্তবতা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত।

    স্টাফ রিপোর্টার-ঢাকা: বাংলাদেশ গ্রীন পার্টির উদ্যোগে “সীমান্ত হত্যা, পুশইন ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান বাস্তবতা” শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠক আজ (২৪ জুন ২০২৬) বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ গ্রীন পার্টির সদস্য সচিব সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর। তিনি সীমান্ত হত্যা ও পুশইন ইস্যুতে বাংলাদেশ গ্রীন পার্টির যৌক্তিক অবস্থান তুলে ধরেন।

    গোলটেবিল বৈঠকে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ গ্রীন পার্টির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ইউসুফ আম্মার। তিনি প্রবন্ধ উপস্থাপন শেষে বাংলাদেশ গ্রীন পার্টির পক্ষ থেকে করণীয় প্রস্তাবনা পেশ করেন:
    ১. সীমান্ত হত্যা ০% নামিয়ে আনতে আরও শক্তিশালী কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
    ২. সীমান্তে নিহত নাগরিকদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে।
    ৩. ভারতকে বাংলাদেশ সীমান্তে নিহত নাগরিকদের বিচার ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
    ৪. সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সীমান্তবর্তী নাগরিকদের প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
    ৫. সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধে সর্বদলীয় কাউন্সিল করে ঐক্যবদ্ধ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করতে হবে।
    ৬.পুশইন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আইন ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে অবস্থান সুস্পষ্ট করা এবং এর যৌক্তিক সমাধান করা।
    ৭. সরকারের পক্ষ থেকে কূটনীতিক, মানবাধিকার কর্মী ও মিডিয়ার মাধ্যমে সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করে আন্তর্জাতিকভাবে তার বাস্তবতা তুলে ধরতে হবে।
    ৮. সীমান্তে আধুনিক নজরদারী ব্যবস্থা বৃদ্ধি করা।
    ৯. বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-কে আধুনিকায়ন করা।
    ১০. নাগরিক নিবন্ধন ও পরিচয় যাচাই ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা।
    ১১. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধি করা।
    ১২. রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত সমাধানে আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখা।

    বৈঠকে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা সীমান্ত হত্যা, অবৈধ পুশইন, সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।

    আলোচনায় এনসিপির নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “সীমান্ত কেবল রাষ্ট্রের মানচিত্রের একটি রেখা নয়; এটি লাখো মানুষের জীবন, জীবিকা ও নিরাপত্তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সীমান্তে একজন নিরীহ নাগরিকের মৃত্যুও জাতির জন্য বেদনাদায়ক। সীমান্তবর্তী মানুষের জীবন ও মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রকে আরও কার্যকর ও মানবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।”
    তিনি আরও বলেন, সীমান্ত অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

    এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, “বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে বিজিবির আধুনিকায়নের কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত নজরদারী ব্যবস্থা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করতে হবে।”
    তিনি সীমান্তবর্তী নাগরিকদের জন্য প্রাথমিক সামরিক ও নিরাপত্তা সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণের প্রস্তাব দিয়ে বলেন, “সচেতন ও প্রশিক্ষিত নাগরিক সমাজ সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে।”

    আলোচনায় জাতীয় সংসদ সদস্য (সংরক্ষিত- মহিলা)মারদিয়া মমতাজ, ডেল এইচ খান, সামান্তা শারমিন- এনসিপি, এবং আব্দুল্লাহ আল জাবের- ইনকিলাব মঞ্চ
    সীমান্ত হত্যা বন্ধে দৃঢ় কূটনৈতিক উদ্যোগ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ এবং পুশইন সমস্যার স্থায়ী সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান, সমতা এবং ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া উচিত। প্রতিবেশী দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট রাখার পাশাপাশি সীমান্তে প্রাণহানি ও পুশইনের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোর দ্রুত ও কার্যকর সমাধান জরুরি।

    গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা সীমান্তে প্রাণহানি শূন্যে নামিয়ে আনা, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ নিশ্চিত করা এবং দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধানে আরও সক্রিয় কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।