দিওড় ইউনিয়নে কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষক দলের উদ্যোগ

বিরামপুর (দিনাজপুর)প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ৪ নম্বর দিওড় ইউনিয়নে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, দিওড় ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দিওড় ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মোঃ রেজওয়ান আলী।

প্রধান উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিরামপুর উপজেলা কৃষক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম মাস্টার।এসময় উপস্থিত ছিলেন দিওড় ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, দিওড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মালেক মণ্ডলসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক কৃষক।কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি কৃষককে ৫ কেজি উন্নতমানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি পটাশ সার বিতরণ করা হয়। আয়োজকদের মতে, কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধির কারণে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তারা নানা সংকটে পড়ছেন।

সেই ব্যয় কিছুটা কমানো এবং কৃষকদের উৎপাদনে উৎসাহিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান এবং গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে কৃষির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা, উন্নত জাতের বীজ, কৃষি প্রশিক্ষণ এবং সহজ শর্তে কৃষিঋণের সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে কৃষি খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।সভাপতির বক্তব্যে মোঃ রেজওয়ান আলী বলেন, “কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। কৃষকদের উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে সহায়তা এবং তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ রফিকুল ইসলাম মাস্টার বলেন, “বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি কৃষি। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।”অনুষ্ঠানে উপস্থিত কৃষকরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, কৃষি উপকরণের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে চাষাবাদ পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

সময়মতো বীজ ও সার সহায়তা পাওয়ায় তারা আসন্ন মৌসুমে ভালো ফলনের আশা করছেন।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, কৃষকদের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এ ধরনের কৃষকবান্ধব কর্মসূচি ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।

 

তাং ১৮/০৬/২০২৬

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.