Category: অন্যান্য

  • বন্যা পরিস্থিতিতে বন্যার্তদের পাশে থাকার আহ্বান নাসের রহমান এমপির


    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
    ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার অনুরোধ; প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা,মৌলভীবাজার ও রাজনগর উপজেলার বন্যা পরিস্থিতিতে জনগণের জানমাল রক্ষায় সরকারি সংস্থা, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সকলকে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনের সংসদ সদস্য নাসের রহমান।

    শুক্রবার(১০ই জুলাই) এক বিশেষ বার্তায় নাসের রহমান এমপি বলেন, রাজনগর উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা, নিচু অঞ্চল, নদী তীরবর্তী ও দুর্গম জনপদের মানুষের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় সতর্কতা, নিরাপদ আশ্রয়,জরুরি সহায়তা ও জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।

    তিনি সরকারি সকল সংস্থা, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশ্যে বলেন,“দুর্যোগপূর্ণ এই সময়ে মানুষের জীবন ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
    নাসের রহমান তার দলীয় নেতাকর্মীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে বন্যাকবলিত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন,“ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত মানুষকে সতর্ক করুন, প্রয়োজন হলে তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে সহযোগিতা করুন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসুন।”
    এমপি নাসের রহমান আরও বলেন।

    এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো মানুষের জীবন, নিরাপত্তা ও মানবিক সহায়তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া।

    বার্তার শেষে তিনি মহান আল্লাহ তাআলার কাছে সকলের নিরাপত্তা কামনা করে বলেন, “মহান আল্লাহ তাআলা সবাইকে নিরাপদ রাখুন।

  • মৌলভীবাজারে ৩ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১


    মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
    মৌলভীবাজারের জুড়ীতে গাঁজা সহ একজনকে গ্রেফতার করেছে জুড়ী থানা পুলিশ। শুক্রবার (১০ জুলাই) পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩ কেজি গাঁজাসহ সাইফুল ইসলাম জুয়েল নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জুয়েল জেলার সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের আঃ মান্নানের ছেলে। পুলিশ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, জুড়ী থানার ওসি রফিকুল ইসলামের দিক দিকনির্দেশনায় পোষ্ট অফিস রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা মাদক কারবারি জুয়েলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    এসময় ওই মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৩কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য ৬০ হাজার টাকা। বিষয়টি নিশ্চিত করে জুড়ী থানার ওসি মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে মৌলভীবাজার বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • আমতলীতে শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে নিখোঁজ দাখিল ফলপ্রার্থীর মরদেহ উদ্ধার দুই জেলে নিখোঁজ

    আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদন:
    তালতলী শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে নিখোঁজ পর্যটক দাখিল ফলপ্রার্থী আসাদুলের মরদেহ চারদিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে তালতলী নিন্দ্রা সকিনা নৌ-পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ফাড়িতে আনে। ওইদিন সন্ধ্যায় তার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান নিন্দ্রা সকিনা নৌ-ফাড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র। এমন ঘটনায় তিন পরিবারের স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম বইছে। একমাত্র ছেলে আসাদুলকে হারিয়ে দিশেহারা মা মরিয়ম বেগম। জানাগেছে, আমতলী উপজেলার মানিকঝুড়ি গ্রামের সৌদি প্রবাসী মুছা হাওলাদারের একমাত্র ছেলে দাখিল ফলপ্রার্থী মো. আসাদুল। গত সোমবার তালতলীতে তার এক ভগ্নিপতির বাড়ীতে বেড়াতে যায় আসাদুল।

    পরের দিন মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে আসাদুল, জাকারিয়া, আতাউল্লাহ,শাওন ও সাগর পাঁচ বন্ধু মিলে তালতলী উপজেলার শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে ভ্রমনে যায়। ওইদিন দুপুরে তারা সাগরে সাতার কাটতে নামে। এ সময় তারা সাগরের ঢেউয়ে তলিয়ে যায়। স্থানীয়রা দেখে চারজনকে উদ্ধার করে কিন্তু আসাদুলকে উদ্ধার করতে পারেনি। ঘটনার চারদিন পর শুক্রবার দুপুরে নিখোঁজ আসাদুলের মরদেহ ডিসি পয়েন্টের চরে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা।

    পরে তারা নৌ পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে নিন্দ্রা সকিনা নৌ-পুলিশ ফাড়িতে নিয়ে আসে। ওইদিন সন্ধ্যায় তার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়। আসাদুল আমতলী উপজেলার মানিকঝুড়ি মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

    আগামী ২০ জুলাই তার ফল প্রকাশিত হবে। অপর দিকে একই দিনে বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে তালতলী উপজেলার মধ্য আমখোলা গ্রামের তপন জোমাদ্দার ও ফুল মিয়ার দুইটি ট্রলার ১৮ জন জেলেসহ সাগরে ইলিশ শিকার করতে যায়। ওইদিন বিকেলে ট্রলার দুইটি সাগরে ডুবে যায়। পরের দিন অর্থ্যাৎ বুধবার সকালে ডুবে যাওয়া ১৮ জেলের মধ্যে ১৬ জনকে একটি ফিসিং ট্রলার উদ্ধার করে কিনারে নিয়ে আসে।

    কিন্তু কালাম পাইকার ও শহীদুল খাঁন নামের দুই জেলেকে উদ্ধার করতে পারেনি।শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চার দিন পেরিয়ে গেলেও তাদের এখন খোজ মিলেনি বলে জানান নিন্দ্রা সকিনা কোষ্টগার্ট কন্টিনেন্ট কমান্ডার আশরাফুল আলম। তালতলী নিন্দ্রা সকিনা কোষ্টগার্ড কন্টিজেন্ট কমান্ডার আশরাফুল আলম বলেন, চারদিন ধরে নিখোঁজ দুই জেলের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছি। কিন্তু এখনো তাদের কোন খোঁজ মিলেনি। তালতলী নিন্দ্রা সকিনা নৌ-পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র বলেন, নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় ফাড়িতে অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • খাদ্য বর্জ্য থেকেই মাছের খাদ্য, কুবি শিক্ষার্থীদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

    কুবি প্রতিনিধি:
    হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বাসাবাড়ির খাবারের উচ্ছিষ্ট আর শুধু বর্জ্য নয়। সেই খাদ্য বর্জ্যই এখন রূপ নিচ্ছে উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ও পরিবেশবান্ধব মাছের খাদ্যে। ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই (বিএসএফ) লার্ভা ব্যবহার করে এমনই একটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। পরিবেশ দূষণ কমানো, খাদ্য বর্জ্যের কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং স্বল্প ব্যয়ে বিকল্প মাছের খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যেই তাদের এ উদ্যোগ।

    উদ্যোগটি নিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আবেদ হোসেন, শাকিল আহমেদ, মুক্তিব হাসান জনি, নাজমুল হাসান চৌধুরী। ফাইন্যান্স বিভাগের কাওছার আহমেদ শাহীন এবং পরিসংখ্যান বিভাগের জয়া ভৌমিক এবং কুমিল্লা সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী ফখরুল ইসলাম এবং আদেল হোসাইন।

    উদ্যোক্তারা জানান, বিভিন্ন উৎস থেকে সংগ্রহ করা খাবারের উচ্ছিষ্ট নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই লার্ভার খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কয়েক দিনের মধ্যেই লার্ভাগুলো উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ জৈব উপাদানে পরিণত হয়। পরে সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করে মাছের জন্য মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন করা হয়। এতে একদিকে খাদ্য বর্জ্যের পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে মাছের খাদ্য উৎপাদনের ব্যয়ও কমানো সম্ভব হচ্ছে।

    উদ্যোক্তাদের মতে, দেশে মাছের খাদ্য উৎপাদনে প্রচলিত কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে এই উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি খাদ্য বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নেও এটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন তারা।

    এবিষয়ে উদ্যোক্তা শাকিল আহমেদ বলেন, “আমরা এমন একটি প্রযুক্তিনির্ভর পদ্ধতি ব্যবহার করছি, যেখানে খাদ্য বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করা হচ্ছে। এতে পরিবেশের ওপর চাপ কমার পাশাপাশি কম খরচে পুষ্টিকর মাছের খাদ্য উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।”

    আরেক উদ্যোক্তা আবেদ হোসেন বলেন, “আমাদের উদ্যোগের মূল লক্ষ্য শুধু বিকল্প মাছের খাদ্য উৎপাদন নয়। বরং খাদ্য অপচয় কমানো, জৈব বর্জ্যের কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, পরিবেশ দূষণ হ্রাস এবং টেকসই মৎস্যচাষে অবদান রাখা। একই সঙ্গে প্রচলিত ফিশমিলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলাও আমাদের উদ্দেশ্য।

  • মাদককে না বলি স্লোগানে ফুলসূতীতে মাদকবিরোধী পদযাত্রা

    ফরিদপুর প্রতিনিধি:
    “মাদককে না বলি”-এই স্লোগানকে সামনে রেখে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ফুলসূতী ইউনিয়নে মাদকবিরোধী পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে ফুলসূতী ফুটবল একাডেমির উদ্যোগে ফুলসূতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে পদযাত্রাটি শুরু হয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

    পদযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী, যুবসমাজ, ক্রীড়াপ্রেমী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

    আয়োজকদের বক্তব্যে বলা হয়, মাদক একটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ভয়াবহ অভিশাপ। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রমের কোনো বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যেই ফুলসূতী ফুটবল একাডেমি এ কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নিয়মিত এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করা হলে তরুণদের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং একটি সুস্থ, সুন্দর ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

  • রাজশাহীতে দেড় মাসেই ভেঙে গেল নতুন কালভার্ট


    রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:
    রাজশাহীর কেশরহাট পৌর বাজার থেকে কামারগাঁগামী সড়কের দর্শনপাড়া এলাকায় নির্মিত নতুন একটি কালভার্ট নির্মাণের মাত্র দেড় মাসের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ভেঙে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দর্শনপাড়া মহল্লায় সড়কের ওপর নির্মিত কালভার্টটির একটি অংশ অল্প সময়ের মধ্যেই ভেঙে যায়। বর্তমানে ওই অংশ দিয়ে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন এ সড়ক ব্যবহার করে বিপুল সংখ্যক মানুষ যাতায়াত করলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো সংস্কার উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

    স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, এত অল্প সময়ের মধ্যে একটি নতুন নির্মাণকাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের ধারণা, নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার অথবা যথাযথ তদারকির অভাবের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
    এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত কারণ উদঘাটন, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত কালভার্টটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে যুক্ত করা হবে । ভাঙ্গা অংশে এলাকাবাসী গাছের ডাল পুতে রাখে । যাতে যানবাহন চলাচলের সময় ভাঙ্গা অংশ দিয়ে চলাচল না করে ।

  • ম্যাক্স হাসপাতালের মালিকানা নেই, অভিযোগের জবাব দিতে প্রস্তুত ডা. ইসমাইল


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
    ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক্স) ডা. মো. ইসমাইল হোসেন দাবি করেছেন, সরকারি হাসপাতালে চাকরির পাশাপাশি বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতালের মালিকানা থাকার অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৩০ আগস্ট থেকেই তিনি ম্যাক্স হাসপাতালের সব শেয়ার ও মালিকানা তাঁর বন্ধু মো. রবিউল ইসলাম (রবি)-এর কাছে হস্তান্তর করেছেন। তাই বর্তমানে হাসপাতালটির সঙ্গে তাঁর কোনো মালিকানা বা শেয়ার নেই।

    এর আগে সরকারি হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় বেসরকারি হাসপাতালের মালিকানা থাকার অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ডা. ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে।

    গত ৫ জুলাই ২০২৬ জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাঁকে পত্রপ্রাপ্তির ১০ কর্মদিবসের মধ্যে অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী কেন তাঁর বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। জানা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হারুনুর রশীদের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন যে, ডা. ইসমাইল সরকারি হাসপাতালে চাকরি করেও হাসপাতালের বিপরীতে অবস্থিত ম্যাক্স হাসপাতালের অংশীদার। অভিযোগটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হলে স্বাস্থ্য বিভাগের তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করে এবং তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিভাগীয় কার্যক্রম শুরু হয়।

    তবে ডা. ইসমাইল হোসেন বলেন, সরকারি চাকরির বিধিমালা সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরই তিনি নিজের মালিকানাধীন পাঁচটি প্রাইমারি শেয়ার বন্ধু মো. রবিউল ইসলাম (রবি)-এর কাছে হেবা (দানপত্র) দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করেন। তিনি বলেন, “চাকরি বিধির প্রতি সম্মান দেখিয়েই গত বছরের আগস্টে আমার সব শেয়ার বন্ধুর কাছে দিয়ে দিই। বর্তমানে ম্যাক্স হাসপাতালে আমার কোনো মালিকানা বা আর্থিক স্বার্থ নেই।” হেবা দলিল সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চিকিৎসক হিসেবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অংশীদার থাকা আইনগতভাবে নিষিদ্ধ হওয়ায় কোনো প্রকার আর্থিক প্রতিদান ছাড়াই তিনি তাঁর সব শেয়ার বন্ধুর কাছে স্থায়ীভাবে হস্তান্তর করেন।

    দলিলে উল্লেখ রয়েছে, ২০২৫ সালের ৩০ আগস্ট থেকে এই হস্তান্তর কার্যকর বলে গণ্য হবে এবং এরপর থেকে ওই শেয়ার থেকে প্রাপ্ত সব ধরনের অধিকার, লভ্যাংশ ও সুবিধা গ্রহীতা ভোগ করবেন। দলিলটি চলতি বছরের জানুয়ারিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জজ আদালতের নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হয়। ডা. ইসমাইল আরও বলেন, গত ৩ জুন তদন্ত কমিটি পরিদর্শনে এলেও তাঁর কাছে কোনো কাগজপত্র চাওয়া হয়নি। ফলে তদন্তে পুরোনো নথির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

    তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় দলিল-দস্তাবেজসহ লিখিত জবাব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন।
    তিনি বলেন, “আমি নির্দোষ। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রসহ অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি। আশা করি প্রকৃত তথ্য বিবেচনায় ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত হবে।”

  • আধুনগর গুণ চৌকিদার পাড়ায় পাহাড়ি ঢলে বন্যা: সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

    লোহাগাড়ার প্রতিনিধি ;
    আধুনগর,লোহাগাড়া,চট্টগ্রাম: অবিরাম বর্ষণ ও ওপর থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে লোহাগাড়ার আধুনগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড সিকদার পাড়ায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ঢলের পানির তীব্র স্রোতে এলাকার প্রধান সড়কের একটি অংশ ভেঙে গিয়ে যাতায়াত সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

    সরেজমিনে ধারণ করা ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, পুরো সিকদার পাড়া এলাকা বর্তমানে পানির নিচে তলিয়ে আছে। ফসলি জমি, রাস্তাঘাট এবং ঘরবাড়ির আঙিনায় থৈ থৈ করছে বন্যার ঘোলা পানি। পানির প্রবল বেগে সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভেঙে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

    উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষয়ক্ষতি হবার কারণে আধুনগর স্টেশনের পূর্ব পাশে ৮ নং ওয়ার্ডে হাসান মেম্বার তাদের খোঁজ খবর নিতে এসেছে কাজ । পানির গতিপথ পরিবর্তন ও ভাঙন ঠেকাতে অনেকে কোদাল নিয়ে চেষ্টা চালাচ্ছেন। এছাড়া বসতবাড়িতে পানি ঢোকা আটকাতে ঘরের প্রবেশদ্বারে বালুর বস্তা দিয়ে বাঁধ তৈরি করছেন উপদ্রুত এলাকার মানুষ। পাহাড়ি ঢলের পানি ক্রমেই বাড়তে থাকায় পুরো এলাকায় এখন চরম আতঙ্ক ও দুর্ভোগ ।

  • রাঙ্গুনিয়া কর্ণফুলী নদী থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরাদেহ উদ্ধার


    রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ
    রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীতে পাহাড়ী ঢলের পানিতে  ভেসে এসেছে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ।
    বৃহস্পতিবার(৯ জুলাই) দুপুর ১.৩০ টায় শিলক ইউনিয়নের বুচুক্রহাটের স্কুলঘাটে স্থানীয়রা লাশটি উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়।
    ‎
    ‎শিলক বুচুক্রহাট স্থানীয় যুবক আরিফ জানান, দুপুরে পাহাড়ী ঢলে উপর থেকে ভেসে আসা উপুড়করা লাশটি স্থানীয়রা কর্ণফুলী নদীতে ভেসে আসতে দেখে পেয়ে নৌকা নিয়ে লাশটি টেনে নিয়ে কূলে উঠায়। এবং দক্ষিন রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশকে খবর দেয়।
    ‎
    দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হিলাল উদ্দিন আহমদ জানান পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছি। সন্ধা ছয়টায় লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
    ‎
    ‎ওসি আরো জানান, লাশটি পাহাড়ি উপজাতি হবার সম্ভাবনা রয়েছে। লাশটি ফুলে গিয়ে চেহারা বিকৃত হয়েছে।  তবে তার নাম ও পরিচয় সনাক্ত করা যায়নি। এবিষয়ে থানায় অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
    ‎

  • শ্রীপুরে এক রাতে কৃষকের তিনট‌ি খামার থেকে ৬ গরু চুরি

    গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:
    গাজীপুরের শ্রীপুরে গোসিঙ্গা ইউনিয়নের পটকা গ্রামে এক রাতে কৃষকের তিনটি খামারে ছয়টি গরু চুরি ঘটনা ঘটেছে। চুরি হওয়া গরুর মধ্যে রয়েছে প্রায় সাত লাখ টাকা মূল্যের দুটি গাভিন গাভী ও একটি ষাঁড়। গরু চুরির ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তাহীনতায় রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় খামারিরা।

    ভুক্তভোগী কৃষক কবির হোসেন জানান, বুধবার (৮ জুলাই) রাত দেড়টা পর্যন্ত গোয়ালঘরে গিয়ে গরুগুলো দেখে ঘুমাতে যান। ভোররাতে ঘুম ভেঙে গোয়ালঘরে গিয়ে দেখেন, গেট ও গোয়ালঘরের তালা ভেঙে তার তিনটি অস্ট্রেলিয়ান জাতের গরু চুরি হয়ে গেছে। এর মধ্যে কালো ও সাদা রঙের দুটি গাভী গাভিন ছিল এবং প্রতিদিন প্রায় ৩০ থেকে ৩২ লিটার দুধ দিত। তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই দুধ বিক্রি করতেন। গরুগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় সাত লাখ টাকা।

    একই রাতে কৃষক হাদিউল ইসলামের গোয়ালঘর থেকে দুটি এবং খামারি আজিজুল ইসলামের একটি গাভী চুরি হয়েছে। আজিজুল ইসলাম বলেন, তার চুরি হওয়া গাভীর আনুমানিক মূল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা।

    স্থানীয়দের ভাষ্য, কয়েকদিন আগেও একই গ্রামের কাজল নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে গরু চুরির ঘটনা ঘটে। একের পর এক চুরির ঘটনায় খামারিদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তারা দ্রুত চোরচক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

    শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাখাল চন্দ্র বলেন, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। একজন কৃষকের তিনটি গরু চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। অন্য দুই ভুক্তভোগী এখনো লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম বলেন, তিনি ছুটিতে থাকলেও সকালে বিষয়টি জেনেছেন। খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।