Blog

  • নোয়াখালীতে অধ্যক্ষের কক্ষ খুলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বদলের অভিযোগ, চৌধুরীহাট ডিগ্রি কলেজ সভাপতির বিরুদ্ধে


    নোয়াখালী প্রতিনিধি:

    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চৌধুরীহাট ডিগ্রি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে গভীর বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

    কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি অ্যাডভোকেট আজম খানের বিরুদ্ধে একক সিদ্ধান্তে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পরিবর্তনের চেষ্টা, অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়াই তার কক্ষ খোলা, গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্রে হস্তক্ষেপ এবং কলেজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে নতুন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নাম ঘোষণা করার অভিযোগ উঠেছে।

    এসব অভিযোগ করেছেন কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য সাইফুল্লাহ সোহাগ। একই অভিযোগের বিষয়ে গভর্নিং বডির আরও দুই সদস্য এবং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ শাদীও অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

    তবে অভিযোগ অস্বীকার বা ব্যাখ্যা জানাতে অভিযুক্ত সভাপতির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
    পরিচালনা কমিটিকে উপেক্ষা করার অভিযোগ
    গভর্নিং বডির সদস্য সাইফুল্লাহ সোহাগ বলেন, কলেজের পরিচালনা কমিটিতে মোট ১৪ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে দুইজন প্রবাসে অবস্থান করছেন। তার অভিযোগ, সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অ্যাডভোকেট আজম খান গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলোতে অন্য সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করে এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করে আসছেন।

    তিনি বলেন, “প্রতিটি গভর্নিং বডির সভায় সভাপতি নিজের প্রস্তাবই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে চাপিয়ে দিতে চান। সদস্যদের মতামত নেওয়ার পরিবর্তে তিনি সরাসরি রেজুলেশন করতে বলেন।”

    সাইফুল্লাহ সোহাগের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২০জুন ২০২৬ অনুষ্ঠিত গভর্নিং বডির সভায় সভাপতি কোনো পূর্ব আলোচনা ছাড়াই বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ শাদীকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে শাহ আলামকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করার প্রস্তাব দেন।

    তিনি দাবি করেন, উপস্থিত সদস্যরা ওই প্রস্তাবে সম্মতি না দিয়ে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও আলোচনার অনুরোধ জানান। কিন্তু সভাপতি একই প্রস্তাবে অনড় থাকেন।

    পরে সদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি সভা ত্যাগ করেন।
    এমপির হস্তক্ষেপের চেষ্টা
    অভিযোগকারী জানান, পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে গভর্নিং বডির কয়েকজন সদস্য বিষয়টি নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলামের নজরে আনেন। তিনি বিষয়টি শুনে পরিচালনা কমিটির সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে আইনানুগ সমাধানের আশ্বাস দেন।

    অভিযোগে বলা হয়, ৭ জুলাই সভাপতি অ্যাডভোকেট আজম খান সারাদিন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ শাদীকে বিভিন্নভাবে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। তাকে স্বেচ্ছায় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে শাহ আলামকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

    তবে শেখ শাদী পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়া এমন কোনো পদক্ষেপ নিতে রাজি হননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সাইফুল্লাহ সোহাগের অভিযোগ, ওইদিন রাত প্রায় ৮টার দিকে কলেজের অফিস সহকারী ও নৈশপ্রহরীর সহযোগিতায় অধ্যক্ষের কক্ষ খোলা হয়।

    তিনি দাবি করেন, অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়াই কক্ষে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্র, ফাইল ও অন্যান্য কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়। এছাড়া অধ্যক্ষের সরকারি সিল ও প্যাড ব্যবহার করে শেখ শাদীকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি এবং শাহ আলামকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

    পরবর্তীতে কলেজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে শাহ আলামকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি পোস্ট প্রকাশ করা হয়, যা অভিযোগকারীদের মতে সম্পূর্ণ অবৈধ এবং পরিচালনা কমিটির অনুমোদনবিহীন।

    গভর্নিং বডির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম বলেন,
    “দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়া রাতের বেলায় তার কক্ষ খোলা এবং দাপ্তরিক নথিপত্রে হস্তক্ষেপ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। এটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”
    গভর্নিং বডির আরেক সদস্য কবির আহমদ বলেন,
    “যখন বিষয়টি নিয়ে সংসদ সদস্য সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন, তখন তার আগেই এককভাবে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া পরিচালনা কমিটির নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। একজন সদস্য হিসেবে আমি এতে বিব্রত।”

    বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ শাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়গুলো স্বীকার করে বলেন, পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়া দায়িত্ব ছাড়তে তিনি রাজি হননি। এরপর তার অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

    শিক্ষা প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ বা অপসারণের ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রযোজ্য বিধিমালা এবং গভর্নিং বডির অনুমোদিত সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া দায়িত্ব পরিবর্তন করা হলে তা প্রশাসনিক ও আইনি প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

    এছাড়া অনুমতি ছাড়া কোনো কর্মকর্তার দাপ্তরিক কক্ষে প্রবেশ, সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক নথিপত্রে অননুমোদিত হস্তক্ষেপ কিংবা সিল-প্যাড ব্যবহার করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ।

    এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে গভর্নিং বডির সভাপতি অ্যাডভোকেট আজম খানকে ফোন করা হলে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তিনি কল কেটে দেন। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

    উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অভিযোগকারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

  • শিবগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে এসকাফ সিরাপসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের আব্দুলপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯২ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় Eskuf সিরাপসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৫, সিপিসি-১। র‍্যাব জানায়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নিয়মিত টহল ও মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিবগঞ্জ থানাধীন শাহাবাজপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুলপাড়া (সোনামসজিদ স্থলবন্দর) এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে কবির এন্টারপ্রাইজ অফিসের পূর্ব পাশে ফাঁকা জায়গা থেকে মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থানরত মো. আল আমিন ইসলাম ওরফে আলামিন (১৯)-কে আটক করা হয়। তিনি শাহাবাজপুর ইউনিয়নের বালিয়াদিঘী মধ্যপাড়া গ্রামের ফজলু মমিনের ছেলে। পরে তার হেফাজতে থাকা একটি প্লাস্টিকের বস্তা তল্লাশি করে ৯২ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় Eskuf সিরাপ উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত আলামতসহ তাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
    র‍্যাব-৫ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেসার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    “গতিসীমা মেনে চলি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের পেশাগত দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেসার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ বুধবার ০৮ জুলাই সকাল ১০:০০ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ (BRTA) যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ-এর পরিচালক (অডিট ও আইন) (যুগ্মসচিব) জনাব রুবাইয়াৎ-ই-আশিক।

    প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী।

    আরো উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আনিসুর রহমান চাঁপাইনবাগঞ্জ,
    সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) বিআরটিএ শাহজামান হক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ,
    মেডিকেল অফিসার ডা: রাকিবুল ইসলাম,
    টি আই ২ আজিজ ফেরদৌস,মোটরযান পরিদর্শক বি আরটি এর রাসন চাকমা, সাজেদুল ইসলাম মেকানিক্যাল এসিস্ট্যান্ট বিআরটিএ চাঁপাইনবাবগঞ্জ,

    সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) বিআরটিএ চাঁপাইনবাবগঞ্জ,এর শাহজামান হক, কর্মশালায় বক্তব্য বলেন সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে চালকদের গতিসীমা মেনে চলা, ট্রাফিক আইন ও সংকেত যথাযথভাবে অনুসরণ করা এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে আরও বেশি যত্নবান ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। উক্ত রিফ্রেসার প্রশিক্ষণে জেলার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পেশাজীবী গাড়ি চালক অংশ নেন ৬১ জন।

  • বিশ্বনাথে পণ্ডিত ছিপত আলী মেমোরিয়াল স্কুলে বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ।

    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

    বিশ্বনাথ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পণ্ডিত ছিপত আলী মেমোরিয়াল স্কুলের বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানটি বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে স্কুল প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
    বৃক্ষপ্রেমিক আব্দুল গফ্ফার উমরা মিয়ার সভাপতিত্বে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান অমির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. লুৎফুর রহমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের সকলকে পড়ালেখার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজেদের পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ক্রিড়া চর্চা শিক্ষার্থীদের মন ও শরীর গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।’
    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোপাল চন্দ্র সূত্রধর, বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজীদয়াল উদ্দিন তালুকদার, বিএডিসির কর্মকর্তা নাজমুল হক।
    এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষানুরাগী আব্দুল মান্নান রিপন, জাহাঙ্গ

  • তালতলীতে ইলিশ শিকার করতে গিয়ে দুই ট্রলার ডুবি। ১৬ জেলে উদ্ধার, দুই জেলে নিখোজ


    আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

    বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে তালতলী উপজেলার মধ্য আমখোলা গ্রামের দুইটি ট্রলার সাগরে ইলিশ শিকার করতে গিয়ে তলিয়ে গেছে। বুধবার সকালে দুই ট্রলারের ১৬ জন জেলে উদ্ধার করলেও কালাম পাইক ও শহীদুল খান নামের দুইজন জেলে নিখোজ রয়েছেন। নিখোঁজ দুইজনকে ১৮ ঘন্টায় উদ্ধার করতে পারেনি। ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার বিকেলে বঙ্গোপসাগরে কুয়াকাটা এলাকায়। জানাগেছে, তালতলী উপজেলার আমখোলা এলাকার তপন জোমাদ্দার ও ফুল মিয়ার দুইটি ট্রলার ইলিশ শিকার করতে মঙ্গলবার সকালে ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ ঘাট থেকে সাগরে যায়। ওইদিন বিকেলে বৈরি আবহাওয়ায় ট্রলার দুটি সাগরে ডুবে যায়। ট্রলারের জেলেরা সাগরে ভাসতে থাকে। ওই ট্রলার দুটির ১৬ জন জেলে মৌডুবির একটি ফিসিং ট্রলার বুধবার সকালে উদ্ধার করে ফকিরহাট ঘাটে পৌছে দেয়। আর কালাম ও শহীদুল নামের দুইজন জেলে নিখোজ রয়েছে। গত ১৮ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও তাদের উদ্ধার করতে পারেনি। উদ্ধার হওয়া জেলেরা জানান তপন জোমাদ্দারের ট্রলারের দুই জেলে ট্রলারের নীচে রয়েছে। তারা ট্রলার থেকে বের হতে পারেনি। অপর দিকে মঙ্গলবার দুপুরে শুভ সন্ধ্যায় নিখোজ হওয়া পর্যটক দাখিল ফলপ্রার্থী আসাদুলকে একদিনেও উদ্ধার করতে পারেনি। উদ্ধার হওয়া জেলে কামাল ও জামাল বলেন, আমাদের ট্রলারের দুইজন ছাড়া সকল জেলে মৌডুবির একটি ফিসিং ট্রলারে উদ্ধার করেছে। কালাম পাইক ও শহিদুল খান ট্রলারের মধ্য থেকে বের হতে পারিনি। তারা মারা গেছেন না জীবিত আছেন আল্লাই জানে। ট্রলার মালিক তপন জোমাদ্দার বলেন, আমার ট্রলার বৈরি আবহাওয়া ডুবে যায়নি। অন্য একটি ট্রলারে আমার ট্রলার ডুবিয়ে দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, ট্রলারের কালাম পাইক ও শহীদুল খাঁন নামের দুইজন জেলে নিখোজ রয়েছেন। এখন পর্যন্ত তাদের কোন খোজ পাচ্ছি না। তালতলী থানার ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, দুইজন জেলে নিখোজের খবর জেনেছি। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে। তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, দুই ট্রলারে ১৮ জন জেলে ছিল। তার মধ্যে ১৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুই জেলে নিখোজ রয়েছে। তাদের উদ্ধার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

  • সাইফুল ইসলাম সাইফের নির্দেশনায় রুবি গেইট এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার, স্থানীয়দের প্রশংসা

    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

    চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও সাবেক ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম সাইফের নির্দেশনায় নগরীর রুবি গেইট এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ড্রেনের মুখ পরিষ্কার করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেছে পাঁচলাইশ থানা ছাত্রদল।
    পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে পাঁচলাইশ থানা ছাত্রদলের সংগঠক মো. ফাহিম নিজেই ড্রেনের মুখে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করে পানি চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ করেন। এ সময় স্থানীয়রাও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
    কার্যক্রম শেষে মো. ফাহিম বলেন, “যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার কারণেই বর্ষাকালে নালা-নর্দমা বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সাইফুল ইসলাম সাইফের নির্দেশনায় এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাব।”
    এ বিষয়ে সাবেক ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাইফুল ইসলাম সাইফ বলেন, “জনগণের জন্য রাজনীতি করি। এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে মানুষের ভোগান্তি কমাতে সামান্য হলেও যদি ভূমিকা রাখতে পারি, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। জনস্বার্থে এ ধরনের সামাজিক ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
    এদিকে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই জনস্বার্থে এ ধরনের স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমকে সময়োপযোগী ও অনুসরণযোগ্য উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

  • ভারী বর্ষণে জনদুর্ভোগে দুঃখ প্রকাশ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালের, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান।

    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

    কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা, সড়ক যোগাযোগে বিঘ্ন এবং জনজীবনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।
    গতকাল রাতে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রাম বিভাগের স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় তরুণ সমাজের প্রতি সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
    ভিডিও বার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলমান বৈরী আবহাওয়ায় মানুষের জানমাল রক্ষা এবং দুর্গত পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি দুর্যোগ মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
    তিনি আরও জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর রাখছেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী কঠিন এ পরিস্থিতিতে সবাইকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে দুর্গত মানুষের জন্য খাদ্য, বস্ত্র, নিরাপদ আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।
    এদিকে টানা বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা, পাহাড়ি সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন এবং জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। বৈরী আবহাওয়ার প্রভাবে চট্টগ্রামে বিমান ও ট্রেন চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির বিভিন্ন সড়কে পানি জমে যানবাহন চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা প্রশাসন আগামী শুক্রবার পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে।
    দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

  • মানবতার ফেরিওয়ালা রামিম: এক তরুণ স্বেচ্ছাসেবকের অনুপ্রেরণার গল্প

    নরসিংদী প্রতিনিধি:

    “মানুষ মানুষের জন্য”—এই চিরন্তন সত্যই মানবতার সবচেয়ে বড় পরিচয়। চারপাশে যখন স্বার্থপরতার ছাপ ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে, তখনও কিছু তরুণ নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে।

    তেমনই একজন মানবিক স্বেচ্ছাসেবক রামিম, যিনি নিজের সময়, শ্রম ও মানবিকতা দিয়ে হয়ে উঠেছেন অনেক মানুষের আস্থার প্রতীক।

    ২০২০ সালে বৈশ্বিক মহামারির সময় চারদিকে যখন আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল, তখন রামিমের মনে জন্ম নেয় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দৃঢ় সংকল্প। সেই সময় থেকেই তিনি স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে যুক্ত হন। ধীরে ধীরে তিনি শুধু একজন রক্তদাতা নন, বরং অসহায় মানুষের নির্ভরতার নাম হয়ে ওঠেন।

    রামিমের মানবিক যাত্রার অন্যতম অধ্যায় রক্তদান। ২০২২ সালে প্রথমবার একজন রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীকে রক্তদান করার মাধ্যমে তিনি উপলব্ধি করেন, একটি ব্যাগ রক্ত একটি মানুষের জীবন বাঁচাতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এরপর থেকে তিনি নিয়মিত রক্তদান করে আসছেন। এখন পর্যন্ত তিনি ১২ বার স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন।

    যখনই কোনো রোগীর জন্য রক্তের প্রয়োজন হয়, তিনি সাড়া দিয়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তার বিশ্বাস, প্রতিটি জীবনই অমূল্য।
    রক্তদানের পাশাপাশি শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, কম্বল বিতরণ, বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নেওয়া প্রবীণদের খাবার পৌঁছে দেওয়া এবং অসহায় মানুষের মুখে একবেলা খাবার তুলে দেওয়ার মতো নানা মানবিক কর্মকাণ্ডেও নিয়মিত অংশ নেন তিনি।

    নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থেকেই মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারাকেই তিনি জীবনের অন্যতম বড় অর্জন বলে মনে করেন।

    নিজের অনুপ্রেরণার কথা জানিয়ে রামিম বলেন, “স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমার জীবনের ব্রত। মানুষের বিপদে এগিয়ে আসতে পারার যে আনন্দ, তা অন্য কোনো কিছুর সঙ্গে তুলনা করা যায় না। আমি চাই, যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে।

    সমাজ যখন ক্রমেই যান্ত্রিক হয়ে উঠছে, তখন রামিমের মতো তরুণদের মানবিক উদ্যোগ নতুন প্রজন্মের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তার নিরলস পথচলা প্রমাণ করে, মানুষের সেবা করতে বিপুল সম্পদের প্রয়োজন হয় না; প্রয়োজন একটি সহানুভূতিশীল মন এবং মানুষের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা। রামিমের এই মানবিক অভিযাত্রা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হোক এমন প্রত্যাশাই সবার।

  • নেত্রকোনা জেলা সাব-রেজিস্টার অফিসে পিয়ন সেলিমের অবৈদ টাকা লেনদেন ভিডিও ভাইরাল

    সোহেল খান দূর্জয়- নেত্রকোনা : নেত্রকোনা জেলা সাব-রেজিস্টার অফিসকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী দালাল চক্র গড়ে উঠেছে। এই চক্রের সাথে অফিসের কিছু কর্মচারীর যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছে।সাংবাদিকরা তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করতে গেলে তাদের উপরে শক্তিশালী সিন্ডিকেট হামলা করে ও ভিডিও ধারণে বাধা দেয়। ভিডিও ও তথ্য-প্রমাণসহ একাধিক সেবা গ্রহীতা অভিযোগ করেছেন, সরকারি ফি’র বাইরে মোটা অংকের টাকা আদায় করা হচ্ছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তাদের কাছে এমন ভিডিও ফুটেজ আছে যেখানে অফিসের ভেতরে দালদের দৌরাত্ম্য এবং টাকা লেনদেনের দৃশ্য ধরা পড়েছে। সেবা গ্রহীতাদের অফিসের বিভিন্ন কক্ষে ঘোরানো এবং অতিরিক্ত টাকা দাবির কথোপকথনও রেকর্ড করা আছে বলে তারা জানান।

    অভিযোগকারীদের একজন বলেন, “কিছু পিয়ন অল্প কিছুদিনের মধ্যেই লাখ লাখ টাকার মালিক হয়ে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নেওয়া টাকাই তাদের আয়ের উৎস। টাকা না দিলে ফাইল মাসের পর মাস আটকে থাকে।” সূত্র জানায়, প্রথমে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হয়। এরপর বাইরের দালরা এসে “দ্রুত কাজ করে দেওয়ার” কথা বলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। এই টাকার একটি অংশ অফিসের ভেতরের লোকদের কাছে যায় বলে অভিযোগ। তাছাড়া অফিসের কর্মচারী নিজের মুখে স্বীকার করেন ক্যামেরার সামনে ।

    এ বিষয়ে সাব-রেজিস্টার বলেন, “লিখিত অভিযোগ ও প্রমাণ পেলে আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করব। দুর্নীতির সাথে কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ভুক্তভোগীরা ভিডিও ও তথ্য-প্রমাণসহ জেলা প্রশাসক ও দুর্নীতি দমন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দাখিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তারা দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

  • জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি নির্বাচিত দশমিনার কৃতি সন্তান হাবিবুর রহমান

    স্টাফ রিপোর্টার:

    পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার আলীপুরা ইউনিয়নের কৃতি সন্তান মো. হাবিবুর রহমান জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বর্ধিত কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। সম্প্রতি ঘোষিত এ কমিটিতে তাঁর অন্তর্ভুক্তির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর নিজ এলাকা আলীপুরা ইউনিয়নসহ পুরো দশমিনা উপজেলায় আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

    দীর্ঘদিন ধরে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত মো. হাবিবুর রহমান সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং দলের প্রতি নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা মনে করছেন।

    নতুন দায়িত্ব পাওয়ায় আলীপুরা ইউনিয়ন ও দশমিনা উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সচেতন মহল তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও তাঁর এই অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা আশা করছেন, নতুন দায়িত্বে থেকে মো. হাবিবুর রহমান সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও গতিশীল করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন এবং ছাত্রসমাজের কল্যাণে ইতিবাচক অবদান রাখবে।

    প্রতিক্রিয়ায় মো. হাবিবুর রহমান বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণের জন্য তিনি দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞ। তিনি সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি তিনি তাঁর জন্য সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

    স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান হবে এবং দলের আদর্শ বাস্তবায়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।