Blog

  • জলবায়ু মোকাবিলায় নাঙ্গলমোড়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, বিতরণ হলো উন্নতমানের চারা

    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের উদ্যোগে এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রকল্পের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) সংসদীয় আসনের নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নে ফলজ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
    “গ্রীন নাঙ্গলমোড়া” গড়ে তোলার লক্ষ্যকে সামনে রেখে মাননীয় সংসদ সদস্য ও ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপির পক্ষে স্থানীয় জনগণের মাঝে জিপিএস-মানসম্পন্ন ফলজ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়।
    চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য, নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও নাঙ্গলমোড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আলহাজ লায়ন সালাউদ্দিন আলী, হাটহাজারী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মৎস্যজীবী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম হাসান , নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মামুনুর রশিদ এবং ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব নজরুল ইসলাম সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নাঙ্গলমোড়া গড়ে তুলতে এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তারা আরও বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশই রক্ষা করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর আবাস নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
    বক্তারা উপস্থিত সকলের প্রতি বিতরণকৃত চারাগুলো যথাযথভাবে রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার আহ্বান জানান, যাতে নাঙ্গলমোড়াকে একটি সবুজ, সমৃদ্ধ ও পরিবেশবান্ধব ইউনিয়নে পরিণত করা সম্ভব হয়।

  • রাঙ্গুনিয়ায় টানা বর্ষণে পাহাড়ধসের আশংকায় হাজার পরিবার…

    রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ
           
    চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় টানা ভারী বর্ষণে পাহাড়ধসের তীব্র ঝুঁকিতে রয়েছে প্রায় ২০ হাজার মানুষ, যাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

    চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় টানা ভারী বর্ষণের ফলে পাহাড়ধস, আকস্মিক পাহাড়ি ঢল এবং ব্যাপক জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা স্থানীয় জনজীবনে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে উপজেলার পাহাড়ের পাদদেশ, টিলা সংলগ্ন এলাকা এবং নদীতীরবর্তী জনপদগুলো বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, দুর্যোগের পূর্বাভাস মাথায় রেখে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত মানুষদের জরুরি ভিত্তিতে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, কারণ ভারী বর্ষণে পাহাড়ের মাটির স্থায়িত্ব কমে যাওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের ধসের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • রায়গঞ্জে স্কুলের ভবনে গাছ পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ঝুঁকিতে কোমলমতি শিক্ষার্থী


    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার দাদপুর-সাহেবগঞ্জ পুরাতন ঝুঁকিপূ্র্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের উপর গাছ পড়ে ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অত্র ভবনে কোমলমতি ১ম শ্রেণির ছাত্র ছাত্রীর নিয়মিত ক্লাস হয়। গতকাল সরেজমিনে ও তথ্য সূত্রে জানা যায়, ১৭ মে রাতে উক্ত ভবনের উপর গাছ পড়ে ভবনের সামনের অংশ ফেটে ভেঙ্গে পড়েছে। ২০ মে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর গাছটি অপসারণের জন্য প্রধান শিক্ষক একটি আবেদন করেন। ১ মাস অতিবাহিত হলে গাছটি এখনও অপসারণ না করায় শিক্ষার্থী অভিভাবক ও শিক্ষকবৃন্দ আছেন আতঙ্কে। দাদাপুর সাহেবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামিমা সুলতানা বলেন,যথাযথ নিয়ম মেনে গাছটি দ্রুত অপসারণ করা হলে কোমলমতি শিশুদের নিরাপদে রাখতে পারবো। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বেলাল হোসেন বলেন,ভেঙ্গে পড়া গাছটি সড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, গাছ অপসারণে জন্য বন বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লাল কার্ড প্রদর্শন, কুইজ প্রতিযোগিতা ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ১১টায় বালুগ্রাম আদর্শ ডিগ্রি কলেজে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    কলেজের অধ্যক্ষ মো. গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান, কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আজাদ আলী এবং সহকারী কমিশনার (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) আজমাইন মাহতাব।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, মাদক শুধু একটি পরিবার নয়, একটি সমাজ ও পুরো প্রজন্মকে ধ্বংস করে দেয়। সুস্থ, সুন্দর ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে পড়াশোনার কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, মাদকের কারণে তরুণদের ভবিষ্যৎ ও সৃজনশীলতা নষ্ট হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীদের তথ্য স্থানীয় প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে জানাতে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি যুব সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার এবং সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনা সভা শেষে সংগীতশিল্পী বাবলু হক মাদকবিরোধী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে কলেজের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ১০ জন এবং মেধাবী ৩ জন শিক্ষার্থীর হাতে প্রধান অতিথি পুরস্কার তুলে দেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মাঝে মাদকবিরোধী প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়। জেলা প্রশাসক নিজ হাতে কলেজের দেয়ালে মানবদেহে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরা একটি অ্যামবসড ফেস্টুন সাঁটিয়ে দেন। অনুষ্ঠানের শেষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাদকবিরোধী লাল কার্ড প্রদর্শন ও শপথবাক্য পাঠ করানো হয়।

  • ‎ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল: উপকূলীয় বাগেরহাটে চরম সংকটে মৎস্য খাত



    ‎,বাগেরহাট :

    ‎বৈরী আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অবৈধ জালের দৌরাত্ম্যে বাগেরহাটসহ উপকূলীয় অঞ্চলে ইলিশের দেখা মিলছে না, যা জেলে ও আড়তদারদের দীর্ঘমেয়াদী সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

    ‎বাগেরহাটসহ গোটা উপকূলীয় অঞ্চলে ইলিশের ভরা মৌসুম চললেও জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, যা স্থানীয় মৎস্য অর্থনীতিতে গভীর সংকট তৈরি করেছে। বঙ্গোপসাগরে বারবার সৃষ্ট লঘুচাপ ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সাগর উত্তাল থাকায় জেলেরা নিয়মিত মাছ ধরতে পারছেন না, ফলে অধিকাংশ ট্রলার সাগরে না গিয়ে উপকূলে ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং মিঠা পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় ইলিশের স্বাভাবিক গতিপথ ও অভিবাসন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পশুর ও বলেশ্বর নদীর মোহনায় অবৈধ বেহুন্দি জালসহ নানা ক্ষতিকর জাল পেতে রাখায় ঝাঁক বেঁধে ইলিশের উপকূলীয় নদ-নদীতে প্রবেশের পথ রুদ্ধ হয়ে পড়েছে, যার ফলে সাগর ও নদী উভয় ক্ষেত্রেই মাছের প্রাচুর্য আশঙ্কাজনক হারে হ্রাস পেয়েছে। ট্রলারের সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় এই অঞ্চলের জেলেরা গভীর সমুদ্রে গিয়ে মাছ আহরণেও ব্যর্থ হচ্ছেন, যা পাইকারি মাছের আড়তগুলোতে ইলিশের সরবরাহ তলানিতে নামিয়ে এনেছে।

    ‎জেলে ও আড়তদারদের অভিযোগ, উপকূলীয় মোহনাগুলোতে অবৈধ জালের অবাধ ব্যবহার এবং ভারতীয় ট্রলারের অনুপ্রবেশ ইলিশের বংশবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে। স্থানীয় জেলেরা দাবি করছেন যে, শুধুমাত্র বাংলাদেশে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করলে ইলিশের প্রজনন সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, বরং এর জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে সাগরে অভিন্ন অবরোধ বা নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন। ট্রলার মালিকদের মতে, বড় বড় টোলিং জাহাজের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল এবং জলসীমায় ভারতীয় জেলেদের অবৈধ অনুপ্রবেশের ফলে স্থানীয় জেলেরা তাদের ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মাছের আকাল থাকায় ঋণের দায়ে জর্জরিত জেলে পরিবারগুলো এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিনাতিপাত করছেন এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের অভাবে তারা পেশা বদল করতেও হিমশিম খাচ্ছেন। সরকারি প্রণোদনা হিসেবে চাল পেলেও তা দীর্ঘমেয়াদী এই সংকট উত্তরণে পর্যাপ্ত নয় বলে ভুক্তভোগীরা মনে করছেন।

    ‎জেলা মৎস্য বিভাগ ও সুন্দরবন বিভাগের কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, মোহনাগুলোতে বাধা এবং অবৈধ জালের ব্যবহার ইলিশের স্বাভাবিক চলাচলে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। মৎস্য বিভাগ তাদের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, সুন্দরবন অঞ্চল মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদী উৎপাদনের স্বার্থে গোটা সুন্দরবনের নদ-নদীতে সারা বছর মাছ আহরণ নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন। তবে সুন্দরবন বন বিভাগের মতে, এই ধরনের কঠোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে কয়েক হাজার জেলে পরিবারের জন্য কার্যকর বিকল্প কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা অপরিহার্য। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানোর আশ্বাস দেওয়া হলেও, সমন্বিত উদ্যোগের অভাবে মোহনাগুলোতে অবৈধ জাল নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না, যা মৎস্য সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ‎ইলিশের এই আকাল কেবল জেলেদের জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলছে না, বরং জাতীয় অর্থনীতির একটি বড় অংশকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। ভরা মৌসুমেও মাছের এই দুষ্প্রাপ্যতা ভোক্তা পর্যায়ে ইলিশের দামকে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে নিয়ে গেছে। যদি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং যৌথ জলসীমা ব্যবস্থাপনায় সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়, তবে উপকূলীয় অঞ্চলের মৎস্য শিল্প ধসে পড়ার পাশাপাশি হাজার হাজার জেলে কর্মহীন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এবং ইলিশের স্বাভাবিক বিচরণক্ষেত্র পুনরুদ্ধারে কঠোর প্রশাসনিক নজরদারি এবং জেলেদের পুনর্বাসনের কোনো বিকল্প নেই।

  • বাঘাইছড়িতে পাহাড় ধসে বৃদ্ধের মৃত্যু, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ছাড়ার আহ্বান প্রশাসনের।

    বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

    রাঙামাটির বাঘাইছড়ি পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড পশ্চিম লাল্যাঘোনায় পাহাড় থেকে গাছের গুঁড়ি ধসে পড়ে লক্ষী বিলাশ চাকমা (৭০) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে লাইল্যাঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের একটি পাহাড়ের নিকটে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে গরুর খড়ের স্তূপে পানি জমে যায়। সেই পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন করার সময় হঠাৎ উপর থেকে একটি বড় গাছের গুঁড়ি উপড়ে এসে তার গায়ের উপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    নিহত লক্ষী বিলাশ চাকমা স্থানীয়ভাবে পরিচিত লক্ষ্মী ডাক্তারের ভাই বলে জানা গেছে।

    নিহতের ছোট বোন মিনাক্ষী চাকমা বলেন, “অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের কাজ করা কালীন পাহাড় থেকে গাছের গুঁড়ি উপড়ে পড়ে আমার ভাই মারা যায়।”

    বড় ভাই নির্মলেন্দু চাকমা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার ছোট ভাই লক্ষী বিলাস চাকমা মায়া-মমতার বন্ধন ছিন্ন করে আজকে আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেছে। সে গরুর খড়ের স্তূপের পানি সরানোর জন্য ড্রেন করার সময় উপর থেকে গাছের গুঁড়া তার গায়ের উপর পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

    বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা মারজান বলেন “মূলত পাহাড় থেকে একটি গাছের গুঁড়ি ধসে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।”

    তিনি পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত সকলকে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি এড়াতে নিকটস্থ আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

    এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • মানবতার সেবায় এক তরুণের অনুপ্রেরণার গল্প: শরিফুল ইসলামের স্বেচ্ছাসেবী জীবনের পথচলা

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    পরিবার থেকেই মানবতা, সহমর্মিতা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা। সেই শিক্ষা বাস্তব জীবনে কাজে লাগিয়ে অল্প বয়সেই অসহায় মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন তরুণ স্বেচ্ছাসেবক শরিফুল ইসলাম। ২০০৬ সালের ০৫ মার্চ জন্মগ্রহণ করা এই তরুণের স্বেচ্ছাসেবী জীবনের শুরু হয় ২০২০ সালে। তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা তাঁর মা, যার হাত ধরেই তিনি প্রথম মানবিক কাজে অংশ নেন।
    শৈশব থেকেই তিনি দেখেছেন, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো কেবল একটি দায়িত্ব নয়, এটি একটি নৈতিক কর্তব্য। পরিবারের এই মূল্যবোধ তাঁকে সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করার সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে। বিশেষ করে তাঁর মায়ের উৎসাহ ও সহযোগিতা তাঁকে স্বেচ্ছাসেবী জীবনে এগিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
    ২০২০ সালে বিশ্ব যখন করোনা মহামারির ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, তখন নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবে ঘরে বসে না থেকে শরিফুল ইসলাম মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। সেই সময় তিনি খাদ্য সহায়তা, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেন। এরপর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মানবসেবাকেই তিনি নিজের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেন।
    গত কয়েক বছরে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। রক্তদান ও রক্তদাতা সংগ্রহ, অসুস্থ রোগীদের জন্য জরুরি রক্তের ব্যবস্থা, দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ, ঈদ সামগ্রী বিতরণ, পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা এবং দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো অসংখ্য উদ্যোগে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
    স্বেচ্ছাসেবী কাজের মাধ্যমে তিনি উপলব্ধি করেছেন, একজন মানুষের ছোট্ট সহযোগিতাও অন্য একজন মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তাই তিনি শুধু নিজে কাজ করেই থেমে থাকেননি; বরং সমাজের তরুণদেরও মানবিক কাজে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বিশ্বাস, দেশের তরুণরা যদি স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে এগিয়ে আসে, তাহলে একটি মানবিক, সচেতন ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
    শরিফুল ইসলাম বর্তমানে স্টুডেন্ট মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ–এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে সংগঠনটি রক্তদান কার্যক্রম, অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, খাদ্য ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ, পথশিশুদের জন্য মানবিক উদ্যোগ, বৃক্ষরোপণ, শিক্ষা সহায়তা এবং বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে। দেশের বিভিন্ন জেলার অসংখ্য তরুণ স্বেচ্ছাসেবক এই সংগঠনের মাধ্যমে মানবতার সেবায় যুক্ত হয়েছেন।
    তাঁর মতে, স্বেচ্ছাসেবী কাজ কোনো প্রচার বা ব্যক্তিগত অর্জনের বিষয় নয়; বরং এটি মানুষের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ এবং সামাজিক অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ। তিনি সবসময় চেষ্টা করেন, কোনো অসহায় মানুষ যেন সাহায্যের অভাবে কষ্ট না পায়।
    নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শরিফুল ইসলাম বলেন, “আমার মা ছোটবেলা থেকেই শিখিয়েছেন—মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় ইবাদত ও মানবিকতা। সেই শিক্ষা থেকেই আমি মানুষের জন্য কাজ করার সাহস পেয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর চেয়ে বড় কোনো অর্জন নেই। যতদিন বেঁচে থাকব, ইনশাআল্লাহ মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখব।”
    মানবিক মূল্যবোধ, নিষ্ঠা এবং মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কারণে শরিফুল ইসলাম ইতোমধ্যেই অনেক তরুণের কাছে অনুপ্রেরণার নাম হয়ে উঠেছেন। তাঁর স্বপ্ন, বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকায় এমন একদল মানবিক স্বেচ্ছাসেবক গড়ে তোলা, যারা সংকটের সময় নিঃস্বার্থভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াবে এবং একটি সুন্দর, মানবিক ও সহমর্মিতাপূর্ণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবে।
    একজন তরুণের এই মানবিক পথচলা প্রমাণ করে—বয়স নয়, মানুষের জন্য কাজ করার আন্তরিক ইচ্ছাই সমাজে পরিবর্তন আনতে পারে। আর সেই পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়েই প্রতিদিন এগিয়ে চলেছেন মানবিক তরুণ স্বেচ্ছাসেবক শরিফুল ইসলাম।

  • তালতলী শুভ সন্ধ্যায় ঘুরতে গিয়ে পর্যটক নিখোঁজ।

    আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

    সমুদ্র সৈকত শুভ সন্ধ্যায় বেড়াতে গিয়ে সাগরের ঢেউয়ে তলিয়ে আসাদুল নামের এক দাখিল ফল প্রার্থী নিখোজ হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার দুপুরে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাকে খুজে পাওয়া যায়নি।
    জানাগেছে, আমতলী উপজেলার মানিকঝুড়ি গ্রামের সৌদি প্রবাসী মুছা হাওলাদারের ছেলে দাখিল ফলপ্রার্থী মো. আসাদুল, জাকারিয়া, আতাউল্লাহ,শাওন ও সাগর পাঁচ বন্ধু মিলে তালতলী উপজেলার শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে যায়। মঙ্গলবার দুপুরে তারা সাগরে সাতার কাটতে নামে। এ সময় তারা সাগরের ঢেউয়ে তলিয়ে যায়। স্থানীয়রা দেখে চারজনকে উদ্ধার করে কিন্তু আসাদুলকে উদ্ধার করতে পারেনি। খবর পেয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও কোষ্টাপার্ড ঘটনাস্থলে পৌঁছে। তারা তাকে উদ্ধারে চার ঘন্টা ধরে চেষ্টা চালায়। কিন্তু আসাদুলকে উদ্ধার করতে পারেনি। উদ্ধারকৃত চারজনকে উপজেলা প্রশাসন তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন। তারা সুস্থ আছেন। নিখোজ আসাদুলের বাড়ী আমতলী উপজেলার মানিকঝুরি গ্রামে। আসাদুল মানিকঝুরি মোহাম্মদপুর দাখিল মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষা দিয়েছে।
    বন্ধু জাকারিয়া বলেন, আমরা পাঁচ বন্ধু মিলে সাগরে সাতার কাটতে নামি। এ সময় ঢেউ আসলে আমরা পানিতে তলিয়ে যাই। স্থানীয়দের সহায়তায় চারজনকে উদ্ধার করা হয়েছে কিন্তু আসাদুলকে উদ্ধার করতে পারেনি।
    তালতলী থানার ওসি মো সাইদুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার কাজ চলছে। এখন পর্যন্ত আাসাদুল নামের একজনকে উদ্ধার করতে পারিনি।
    তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। অপর একজনকে উদ্ধারে কাজ চলছে।

  • তালামীয বিশ্বনাথ দক্ষিণ শাখার নতুন সভাপতি নূরুল, সম্পাদক নাজিম।


    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :

    বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট পশ্চিম জেলাধীন বিশ্বনাথ দক্ষিণ উপজেলা শাখার ২০২৬-২৭ সেশনের কাউন্সিল ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

    রবিবার (৫জুলাই) পৌর শহরে আলহাজ্ব লেচু মিয়া স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে কাউন্সিল ও নবনির্বাচিত দায়িত্বশীলদের অভিষেক সম্পন্ন হয়। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও নবনির্বাচিত দায়িত্বশীলদের শপথ বাক্য পাঠ করান সংগঠনের সিলেট পশ্চিম জেলা শাখার সভাপতি ইমরান আহমদ সুফি, সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট পশ্চিম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আহকামুল ইসলাম বুলবুল।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিলেট পশ্চিম জেলার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জুনায়েদ আহমদ তালুকদার, প্রচার সম্পাদক আব্দুল মুহিত জানু, সহ-শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুহাম্মদ শামছুল ইসলাম, বিশ্বনাথ উপজেলা আল-ইসলাহ সভাপতি মাওলানা লুৎফুর রহমান, সহ-সভাপতি মাওলানা হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাহবুবুর রহমান আঙুর, বিশ্বনাথ দক্ষিণ উপজেলার সাবেক সভাপতি হুসাইন আহমদ রাজন।
    কাউন্সিলে সর্বস

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক মামলায় ৭ জনসহ গ্রেপ্তার ২২


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক মামলায় ৭ জনসহ মোট ২২ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া ৭ জনের বিরুদ্ধে ৪টি নিয়মিত মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আরও ১৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানকালে বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে সদর থানা এলাকা থেকে ১০০ গ্রাম হেরোইন, শিবগঞ্জ থানা এলাকা থেকে ৭০ বোতল স্কাফ সিরাপ, ভোলাহাট থানা এলাকা থেকে ১৫ লিটার চোলাই মদ এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোনো ধরনের কিশোর গ্যাং বা সন্ত্রাসী কার্যক্রম গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, জেলার মানুষের জানমাল ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে।