Blog

  • ভারতের মদদপুষ্ট আওয়ামী ফ্যাসিবাদ দমনে কঠোর হোন:- জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ

    স্টাফ রিপোর্টার- যাত্রাবাড়ি, ঢাকা :

    সাভারে এনসিপির সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতিতে ভারতের মদদপুষ্ট আওয়ামী ফ্যাসিবাদ দমনে সকলকে কঠোর হওয়ার আহ্বান করেন ।
    গতকাল সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভারের তারাপুর ঈদগাহ মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সমাবেশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বোমা হামলার ঘটনায় জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান এবং সদস্য সচিব ডা. নাবিল আহমেদ গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

    বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা ভারতের মাটিতে ঘাঁটি স্থাপন করে সামাজিক মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদী সহিংসতার হুমকি দিয়ে আসছে। দেশেও বেসরকারি টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও টকশোতে এই সন্ত্রাসবাদের সমর্থনে জুলাই বিপ্লব বিরোধী ঘৃণামূলক অপপ্রচার ও কুৎসা রটনা করা হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপির সমাবেশে বিদ্যুৎ বন্ধ করে বোমা হামলার ঘটনা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এই ঘটনার পর সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

    তারা বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কোনো রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে এ ধরনের নাশকতামূলক হামলা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। সন্ত্রাসবাদী আইনে নিষিদ্ধ ঘোষিত গোষ্ঠীর সন্ত্রাস, বোমা হামলা বা সহিংসতাকে বিনা চ্যালেঞ্জে মেনে নেওয়া যায় না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় সরকারের স্বদিচ্ছা ও সামর্থকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

    তারা বলেন, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ অবিলম্বে এই হামলার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক সন্ত্রাসী, পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা এবং মদদদাতাকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছে। একই সঙ্গে একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও কার্যকর তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনা করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করেন।

    নেতৃদ্বয় আরও বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো সব রাজনৈতিক দল ও নাগরিকের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ভারতের মদদপুষ্ট কোনো ফ্যাসিবাদী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন ভয়-ভীতি, সন্ত্রাস ও নাশকতার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনকে অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে জন্য সরকারকে সতর্কতামূলক আগাম কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ বিশ্বাস করে, পতিত ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসী তৎপরতাকে সাংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ করে আইনের কার্যকর প্রয়োগ, ফ্যাসিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা এবং গণতান্ত্রিক শক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই দেশে একটি নিরাপদ, স্থিতিশীল ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

  • আমি মুসলিম উদ্দীন। আপনাদের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি

    লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

    আমার অঙ্গীকার—সততা, জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার এবং সকলের জন্য সমান সেবা। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছি
    ক্ষমতা নয়, মানুষের সেবাই আমার লক্ষ্য।
    আমিরাবাদ ইউনিয়নের উন্নয়ন, শান্তি ও ঐক্যের লক্ষ্যে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। আপনাদের মূল্যবান ভোট, দোয়া ও সমর্থন আমার চলার শক্তি।

    আসুন, সবাই মিলে গড়ি একটি সুন্দর আমিরাবাদ। গড়ি
    আমিরাবাদ ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাকে সম্মান জানিয়ে আমি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিচ্ছি।

    ইনশাআল্লাহ, জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে, স্বচ্ছতা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে কাজ করার চেষ্টা করব। আপনাদের দোয়া ও সমর্থন একান্তভাবে কাম্য।

  • চট্টগ্রামে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়ায় শোভাযাত্রা ও সভা অনুষ্ঠিত


    চট্টগ্রামরাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি:
    উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) উদ্যোগে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ পালিত হয়। এ উপলক্ষে ৬ জুলাই সকাল ১১টায় রাঙ্গুনিয়া উপজেলার প্রশাসনিক এলাকায় শোভাযাত্রা শেষে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    বিআরডিবি রাঙ্গুনিয়ার সভাপতি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি ইউসুফ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সংস্থার সহ-সভাপতি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ওসমান গনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদ্য সাবেক যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক ইউনুস চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নোয়াব মিয়া, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক কুতুব উদ্দিন বাহার, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, যুগ্ম আহবায়ক হেলাল উদ্দিন শাহ, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি সাহেদ কামাল,রাঙ্গুনিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক নেজাম উদ্দিন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুজাত কুমার চৌধুরী, বিআরডিবি কর্মকর্তা মাসুদ রানা, এওয়াক ম্যানেজার আসহাবুল ইসলাম সিদ্দিকী প্রমুখ।

    সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। বিআরডিবির মাধ্যমে অবহেলিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে সরকার ঋণের ব্যবস্থা করে থাকে। এক্ষেত্রে কোনো অনৈতিক কাজ যাতে সংগঠিত না হয় সেদিকে সকলের সুদৃষ্টি প্রত্যাশা করেন তিনি।
    শেষে বিআরডিবির বিভিন্ন সমিতিভুক্ত সদস্যদের মাঝে ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

  • ‎মোংলা বন্দরে ১৫৩৮ কোটি টাকার ম্যান্টেন্যান্স ড্রেজিং প্রকল্প: নাব্যতা ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ


    ‎ডাকুয়া(বাগেরহাট) প্রতিনিধি:
    ‎মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের নাব্যতা ও ইনার বার ড্রেজিংয়ের সুফল বজায় রাখতে ১৫৩৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ে পাঁচ বছর মেয়াদি নতুন সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্প শুরু হয়েছে।

    ‎দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পশুর চ্যানেলে শুরু হয়েছে ১৫৩৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন সংরক্ষণ বা ম্যান্টেন্যান্স ড্রেজিং প্রকল্প। সম্প্রতি দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছর সময় নিয়ে সম্পন্ন হওয়া ইনার বার ড্রেজিং প্রকল্পের সফল সমাপ্তির পরপরই বন্দর কর্তৃপক্ষ এই নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মূলত ইনার বার ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে চ্যানেলের যে গভীরতা অর্জন করা হয়েছে, পলি জমে তা যেন পুনরায় ভরাট না হয়ে যায়, তা নিশ্চিত করাই এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পটি ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে, যা বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও জাহাজ চলাচলের পথকে নিরবচ্ছিন্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বন্দরের নৌ-চ্যানেলের ভূতাত্ত্বিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ড্রেজিংয়ের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে বন্দর প্রশাসন।

    ‎বন্দর সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীদের মতে, অতীতে ড্রেজিংয়ের অভাবে পশুর চ্যানেলে প্রায়ই নাব্যতা সংকট দেখা দিত, যার ফলে বড় জাহাজগুলো জেটিতে ভিড়তে গিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষমাণ থাকতে হতো। ম্যান্টেন্যান্স ড্রেজিংয়ের এই ৫ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা কার্যকর করা না গেলে ইনার বার ড্রেজিংয়ের সুফলগুলো দ্রুতই হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কা ছিল। স্টেকহোল্ডারদের অভিযোগ অনুযায়ী, যথাযথ সংরক্ষণ ড্রেজিংয়ের অভাবে অতীতে বন্দরের পণ্য হ্যান্ডলিং ও খালাস প্রক্রিয়ায় যে ধীরগতি দেখা গিয়েছিল, তা দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। বর্তমানে প্রকল্পের কাজ শুরুর ফলে বন্দরের জেটিগুলোতে সাড়ে ৯ থেকে ১০ মিটার গভীরতার ড্রাফট সম্পন্ন বাণিজ্যিক জাহাজ সরাসরি নোঙর করতে পারবে, যা বন্দরের অপারেশনাল সক্ষমতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এই ড্রেজিং নিয়মিতভাবে সম্পন্ন হলে বন্দরের টার্ন-অ্যারাউন্ড টাইম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে এবং ব্যয়বহুল লাইটারিংয়ের প্রয়োজনীয়তা কমে আসবে।

    ‎প্রকল্পটির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও তদারকির বিষয়ে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নৌবাহিনীর কারিগরি দক্ষতা ও আধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয়ে চ্যানেলটি সচল রাখা হবে। প্রকল্পের বাজেট ও সময়সীমা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক ও জলবায়ুগত বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে যাতে পলি জমার হার নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, এই প্রকল্পটি শুধুমাত্র বন্দরের নাব্যতা রক্ষা করবে না, বরং প্রশাসনিক ও কারিগরি নজরদারির মাধ্যমে ড্রেজিং কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, নিয়মিত সংরক্ষণ ড্রেজিংয়ের কোনো বিকল্প নেই, কারণ পশুর চ্যানেলের তলদেশ সবসময়ই পলির উপস্থিতির কারণে ঝুঁকিপূর্ণ থাকে। বন্দর কর্তৃপক্ষের এই সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে ড্রেজিং খাতে অনিয়মের অভিযোগ কমে আসবে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বন্দরের সক্ষমতা বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ‎এই মেগা প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন মোংলা বন্দরকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক হাব হিসেবে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাবে। ভবিষ্যতে বড় জাহাজ সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারায় বন্দরের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পথ প্রশস্ত হবে। তবে এই বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার এবং প্রকল্পের সময়সীমা অনুযায়ী কাজ শেষ করাটাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। যদি প্রকল্পটি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়, তবে মোংলা বন্দর আঞ্চলিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা অর্জন করবে এবং দেশের সমুদ্রবন্দর খাতের ভারসাম্য বজায় রাখতে এটি একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।

  • ফরিদপুরে নগরকান্দায় স্কুলড্রেস পরিহিত কয়েকজন কিশোরীর ধূমপানের দাবিতে ভিডিও ভাইরাল


    ফরিদপুর প্রতিনিধি:
    ফরিদপুরের নগরকান্দায় স্কুলড্রেস পরিহিত কয়েকজন কিশোরীর ধূমপান করার দাবি করে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

    গত ৫ জুলাই তুরান রহমান নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। পোস্টে দাবি করা হয়, ভিডিওতে দেখা যাওয়া কয়েকজন কিশোরী এম এন একাডেমি ও গার্লস স্কুল–এর শিক্ষার্থী এবং তারা স্কুলের পোশাক পরিহিত অবস্থায় প্রকাশ্যে ধূমপান করছেন।

    তবে ভিডিওটির সত্যতা, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় এবং তারা উক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী কি না—এসব বিষয় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

  • দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা দিয়েই মাদক সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে নাহিদ ইসলাম

    গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:
    দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা দিয়েই মাদক সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই মাদক কারবারিদের বন্ধ করুন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখুন। এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি।

    সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে গাজীপুরের কালীগঞ্জ বাজার বাসস্ট্যান্ডে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এনসিপির মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত ‘জুলাই বিপ্লবীদের মহাসমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু সরকার এখনো সেই সংস্কারের বাস্তবায়ন করেনি।

    তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি সরকার জাতির সাথে বেইমানি ও গাদ্দারি করেছে। সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, সরকার বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিলেও চলতি বাজেটে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি বলেন, জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে না। তিনি দেশে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

    এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেন, জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড হলে, তা যে রাজনৈতিক দলই করুক না কেন, তার সমালোচনা করার সাহস থাকতে হবে। একই সঙ্গে কোনো দল ভালো কাজ করলে সেটিরও প্রশংসা করা উচিত।

    এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টায় কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজের সামনে থেকে ‘জুলাই পদযাত্রা’ শুরু হয়ে কালীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে এসে মহাসমাবেশ শেষ হয়।

  • জামায়াত-শিবির পরিচয়ে মার্কেট দখল, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

    ঢাকা প্রতিনিধি:
    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন ফুলবাড়ীয়া সুপার মার্কেট-২ (নগর প্লাজা) দখল করে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী পরিচয়ে একটি গ্রুপ চাঁদাবাজি ও বিপুল অর্থ আত্মসাত করেছে বলে অভিযোগ করেছেন মার্কেটের একদল দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী। তবে তারা বলেছেন, মার্কেটে বিএনপি বা এর অঙ্গসংগঠনের কোনো দখলদারি বা চাঁদাবাজি নেই।

    সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে নগর প্লাজার নিচতলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিরা।

    ব্যবসায়ীদের পক্ষে বক্তব্য দেন মো. কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মার্কেট সমিতির তৎকালীন সভাপতি এলাকা ছেড়ে চলে গেলে মো. সুমন, আউয়াল, ফারুক ও হানিফ বাচ্চুর নেতৃত্বে একটি গ্রুপ জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের কর্মী পরিচয়ে সমিতির নিয়ন্ত্রণ নেয়।’

    তিনি অভিযোগ জানিয়ে বলেন, এরপর থেকে তারা চাঁদাবাজি, অবৈধভাবে দোকান নির্মাণ, দোকান মালিকদের উচ্ছেদ, স্থায়ী দোকানের সামনে ও ফুটপাতে দোকান বসানো, লিফট মেরামতের নামে অর্থ আদায় এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ও ওয়াসা বিল আদায়সহ বিভিন্ন খাতে টাকা উত্তোলন করেছে।

  • বিশ্বনাথে অলংকারী ইউনিয়ন জামায়াতের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত


    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:
    পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারী ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৬ জুলাই ২০২৬) অলংকারী ইউনিয়নের হযরত আমির হামজা( রাঃ) জামেয়া ইসলামীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিলেট জেলা মজলিসে শূরার অন্যতম সদস্য, বিশ্বনাথ উপজেলা আমীর এবং আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “পরিবেশ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে বৃক্ষরোপণ আন্দোলনে সম্পৃক্ত হতে হবে।”

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বনাথ পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি জাহিদুর রহমান, দৌলতপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ রুবেল আহমেদ, অলংকারী ইউনিয়ন জামায়াতের সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান (মেম্বার) আবুল হোসেন. ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মকবুল হোসাইন এবং এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী মাওলানা আতিকুর রহমান ।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অলংকারী ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর কামাল আহমেদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জামায়াত নেতা আবুল কালাম ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন জামায়াতে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    বক্তারা বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য দেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। মাসব্যাপী এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিপুল সংখ্যক ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে বলেও তারা জানান।

    অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথিসহ উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা বিভিন্ন প্রজাতিরগাছের চারা রোপণ করেন।

  • কুবির চিত্তনামার নেতৃত্বে ফাহাদ-রিক্তা


    কুবি প্রতিনিধি:
    চিন্তা ও চিত্তের প্রকাশ ঘটুক, মূল্যবোধের চর্চা হোক’ এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সাহিত্য ও মূল্যবোধভিত্তিক সংগঠন চিত্তনামার নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে সংগঠনটির নবীনবরণ অনুষ্ঠান।

    সোমবার (৬ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাডমিন্টন কোর্টে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে বাংলা বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আল ফাহাদ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মার্কেটিং বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিক্তা চক্রবর্তীর নাম ঘোষণা করা হয়।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। পরে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

    সংগঠনের বিদায়ী সভাপতি মারুফ শেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রপরামর্শক ও বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মো. মোর্শেদ রায়হান এবং শিশু ও কিশোর মেলা সাহিত্য সংগঠনের সম্পাদক দীপা মজুমদার।

    নবনির্বাচিত সভাপতি আল ফাহাদ বলেন, সংগঠনের ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে পূর্বসূরিদের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই তাঁদের লক্ষ্য। একই সঙ্গে বর্তমান সময়ে মূল্যবোধের চর্চা ও মানবিকতা জাগ্রত রাখতে কাজ করবেন বলে তিনি জানান।

    সাধারণ সম্পাদক রিক্তা চক্রবর্তী বলেন, চিত্তনামা মানুষের হয়ে ওঠা, চিন্তার বিকাশ এবং মূল্যবোধ চর্চার একটি প্ল্যাটফর্ম। নতুন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে ড. নাহিদা বেগম বলেন, স্বাধীন ও সাহসের সঙ্গে চিত্তের কথা প্রকাশ করাই চিত্তনামার মূল শক্তি। ছোট পরিসরে যাত্রা শুরু করলেও সদস্যদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা সংগঠনটিকে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • বুড়িচংয়ে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও ঋণের চেক বিতরণ

    বুড়িচং
    (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    ‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ; সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং সমবায়ীদের মাঝে ঋণের চেক, গাছের চারা ও সম্মাননা ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়।

    সোমবার (৬ জুলাই) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) বুড়িচংয়ের যৌথ আয়োজনে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদের প্রশিক্ষণ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানভীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিআরডিবির চেয়ারম্যান মো. কবির হোসেন ভূঁইয়া।

    সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. রাসেল সারওয়ার। উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ, বুড়িচং প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম, পয়াত কৃষক সমবায় সমিতির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান, গোপীনাথপুর কৃষক সমবায় সমিতির প্রতিনিধি মো. নজরুল ইসলাম এবং বুড়িচং পূর্ব মধ্যপাড়া কৃষক সমবায় সমিতির প্রতিনিধি ডা. গোলাম রাব্বাবী।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মো. মীর হাসান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাখাওয়াত আহমেদ, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফওজিয়া আক্তার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা, ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আজিজুর রহমান, সহকারী সমবায় কর্মকর্তা মোসা. মাহমুদা আক্তার, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জাবেদ কাউছার সবুজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া, বিআরডিবির হিসাবরক্ষক সুজিত কুমার মজুমদারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সমবায়ী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

    আলোচনা সভা শেষে সমবায়ীদের মাঝে ঋণের চেক, বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা এবং সম্মাননা ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়।