Blog

  • হালুয়াঘাটে মাদকের ভয়াবহ রূপ:দর্শারপাড়ে বিপথগামী অপ্রাপ্তবয়স্করা

    হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

    ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার দর্শারপাড় এলাকায় মাদকের বিস্তার দিন দিন ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এলাকার ১১ থেকে ১৬ বছর বয়সী অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর ও যুবসমাজ এই মরণনেশায় জড়িয়ে পড়ছে। মদ, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সেবনের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এলাকায় অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের রমরমা ব্যবসা।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দর্শারপাড় এলাকায় দেশি মদের প্রাপ্যতা অনেক বেশি। এলাকার কিছু উপজাতি পরিবার কেবল নিজেরা মদ পান করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না, তারা বাণিজ্যিকভাবে এই মদ তৈরি ও বিক্রি করছে। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই দর্শারপাড় এলাকায় বহিরাগত মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়ে যায়। মদ পান করে রাস্তাঘাটে মাতলামি এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে এলাকার সামাজিক পরিবেশ যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি ক্ষুণ্ন হচ্ছে দীর্ঘদিনের সুনাম।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন
    আমাদের এলাকার ছোট ছোট ছেলেরা মদের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। সন্ধ্যার পর বাইরে বের হওয়াই দায় হয়ে গেছে। বহিরাগতরা এসে মদ খেয়ে মাতলামি করে। আমরা সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম আতঙ্কে আছি।”

    পাশাপাশি এলাকায় বেশ কয়েকজন গাঁজা ব্যবসায়ী সক্রিয় থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। কিশোরদের হাতে সহজে মাদক পৌঁছে যাওয়ায় ধ্বংসের মুখে পড়ছে আগামী প্রজন্ম।

    এলাকার সচেতন মহলের দাবি, এই সামাজিক অবক্ষয় রুখতে এবং দর্শারপাড়ের শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের কঠোর ও দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি। বিশেষ করে উপজাতি পরিবারগুলোকে প্রশাসনের মাধ্যমে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া এবং মাদক বিক্রির আস্তানাগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানো এখন সময়ের দাবি।

  • পত্নীতলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১২ লিটার চোলাইমদ ও তৈরির উপকরণসহ আটক ২

    পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি আব্দুল আজিজ :

    নওগাঁর পত্নীতলায় থানা পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ১২ লিটার চোলাইমদ এবং ৩০ লিটার চোলাইমদ তৈরির উপকরণসহ এক নারী ও এক পুরুষ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    রবিবার (০৫ জুলাই, ২০২৬) বিকালে পত্নীতলা থানার হাসেনবেগপুর গ্রামে তাদের নিজ বাড়িতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন—বত্তিশ চন্দ্র ওরফে সুমন (২৮), পিতা-বিষ্ণুপদ এবং দীপ্তি (৩৭), স্বামী-বিদাশুত।

    অভিযানকালে আসামিদের হেফাজত থেকে ১২ লিটার চোলাইমদ ও ৩০ লিটার মদ তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পত্নীতলা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে অষ্টগ্রামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ‎

    ‎মোঃ আল-আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি:

    ‎‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।

    ‎সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বর্ণাঢ্য র‍্যালির মাধ্যমে দিবসটির কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে র‍্যালি শেষে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

    ‎আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অষ্টগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিলভিয়া স্নিগ্ধা।

    ‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অষ্টগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রুকনুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মুকুল।

    ‎এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মজনু মিয়া, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

    ‎আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অষ্টগ্রাম উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আনা, উপজেলা শাখা যুবদলের সদস্য সচিব আলী রহমানসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

    ‎বক্তারা বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো পল্লী উন্নয়ন। গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সমবায়ভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এসব উদ্যোগ সফল করতে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

    ‎অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অষ্টগ্রাম উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)-এর উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রিপন মিয়া।

    ‎অনুষ্ঠানের শেষে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে গ্রামীণ উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    ‎পরবর্তীতে অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিবৃন্দের মাঝে বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়।

  • অনিয়মে ‘জিরো টলারেন্স’: সময়মতো ট্রাকসেল না করায় ডিলারকে শাস্তি দিলেন ডি-৪ এলাকার এআরও তারিকুজ্জামান

    অনিয়মে ‘জিরো টলারেন্স’: সময়মতো ট্রাকসেল না করায় ডিলারকে শাস্তি দিলেন ডি-৪ এলাকার এআরও তারিকুজ্জামান

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    সরকারি খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ডি-৪ এলাকার সহকারী আঞ্চলিক কর্মকর্তা (এআরও) তারিকুজ্জামান। দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা কিংবা সাধারণ মানুষের ভোগান্তিকে তিনি কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেবেন না—সাম্প্রতিক একটি ঘটনায় সেই বার্তাই স্পষ্ট করেছেন তিনি।

    জানা গেছে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ডি-৪ এলাকার ডিলার খাইরুন নেছার ট্রাকসেল কার্যক্রম নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল। সে অনুযায়ী ভোর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সাধারণ মানুষ চাল ও আটা কেনার আশায় ট্রাকসেলের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন।

    কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও ট্রাক ঘটনাস্থলে না পৌঁছায়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও ট্রাকসেল শুরু না হওয়ায় নারী, পুরুষ ও বয়স্ক ক্রেতাদের মধ্যে চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। প্রচণ্ড রোদ ও অপেক্ষার কারণে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় দুই ঘণ্টা বিলম্বের পর সকাল ১১টার দিকে ট্রাক ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিষয়টি জানাজানি হলে ডি-৪ এলাকার এআরও তারিকুজ্জামান দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করেন।

    পরিদর্শনে সময়সূচি লঙ্ঘনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট ডিলারের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। শাস্তিস্বরূপ ওই দিনের ট্রাকসেল কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে পরদিন সকাল ঠিক ৯টায় ট্রাকসেল কার্যক্রম শুরু করার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ফলে সংশ্লিষ্ট ডিলারকে ট্রাক ভাড়া, শ্রমিক ও কর্মচারীদের পারিশ্রমিকসহ বিভিন্ন খাতে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। তবে এ বিষয়ে এআরও তারিকুজ্জামান বলেন, এটি কোনো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়; বরং সরকারি সেবার মান বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতে অন্য কোনো ডিলার যেন সময়সূচি লঙ্ঘনের সাহস না পান, সে লক্ষ্যেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন,
    “আমি যতদিন দায়িত্বে থাকব, ততদিন আমার এলাকায় কোনো ধরনের অন্যায়, অনিয়ম কিংবা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা বরদাশত করা হবে না। সরকারি সেবা নির্ধারিত সময় ও নিয়ম অনুযায়ী জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে যা যা প্রয়োজন, আমি তা-ই করব। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।”

    এআরওর এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ট্রাকসেলে আসা একাধিক ক্রেতা। তাদের ভাষ্য, অনেক সময় ডিলারদের অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বে গাফিলতির কারণে সাধারণ মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়। এমন কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে ভবিষ্যতে অন্য ডিলাররাও সময় মেনে দায়িত্ব পালনে আরও সচেতন হবেন বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

    সচেতন মহলের মতে, সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে ন্যায্যমূল্যে খাদ্যপণ্য পৌঁছে দেওয়া। তাই মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা, নিয়মিত তদারকি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাদের মতে, ডি-৪ এলাকার এআরও তারিকুজ্জামানের এমন পদক্ষেপ সরকারি সেবায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়াবে।

  • মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমরা দুঃখিত কথা ছিল মিছিলের শেষে থাকা ছেলেটাও রাজনৈতিক পরিচয় পাবে‌

    লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি :

    আমাদের অনেক সহযোদ্ধা রয়েছেন যারা বছরের পর বছর দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, দলের কঠিন দুঃসময়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন।

    নিজেদের কষ্টে উপার্জিত পকেটের টাকা খরচ করে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রেখেছেন।
    তাঁরা কেউ স্বার্থের জন্য রাজনীতি করেনি,শহীদ জিয়ার আদর্শ বোকে ধারন করে একটু সম্মান নিয়ে বাঁচতে চেয়েছেন,

    অথচ এই সু সময়ে এসেও তাঁরা সেই আগের মতই অবহেলিত রয়েই গেল, বিন্দু পরিমাণ সুযোগ সুবিধা পাইনি দল থেকে।

    এখনও পর্যন্ত ওয়ার্ড, ইউনিয়নে যুবদল ছাত্রদলের কোন কমিটি নেই?? অনেক জায়গায় জেলা উপজেলায় পর্যন্ত নেই,যেখানে যাদের কমিটি আছে তাদের এই নিয়ে বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই।

    অনেক এমপি, মন্ত্রী দুঃসময়ে পাশে থাকা ত্যাগীদের বেমালুম ভুলে গেছেন, সব জায়গায় টাকা ওয়ালা আত্মীয় স্বজন আর হাইব্রিডদের ছড়াছড়ি।।

    আজ ভাবতেই অবাক লাগে যখন জুলাই যুদ্ধাদের তালিকা হয় তখন ভোলার নুরে আলম আব্দুর রহিমদের কথা কেউ তুলে ধরে না, দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে কত নেতা কর্মী গুম হয়েছেন খুন হয়েছেন তাদের কেউ মনে রাখে না, তাদের কথা কেউ কোন প্রোগ্রামে তুলে ধরে না,

    সবাই জুলাই নিয়ে ব্যস্ত, এই জুলাই জুলাই করতে গিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছরের ত্যাগীদের ভুলে যাচ্ছেন?!

    এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যত নেতৃত্ব কঠিন হবে, নেতৃত্ব সংকটে পড়বে দল।
    যেখানে ত্যাগীরা হারিয়ে যাচ্ছে সেখানে নতুন নেতৃত্ব তৈরি করা কঠিন হবে, নতুন কেউ দলের দিকে আগ্রহ প্রকাশ করবে না।

    দুঃসময়ের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে যতটুকু বুঝেছি আগে কী কঠিন ছিল ভবিষ্যত এর চেয়েও কঠিন হবে, তখন হয়তো কর্মী খুঁজে পাওয়া যাবে না?

  • পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২ কেজি ৬৯৫ গ্রাম কথিত হেরোইন উদ্ধার, একই পরিবারের ৪ জন গ্রেপ্তার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ২ কেজি ৬৯৫ গ্রাম কথিত হেরোইন উদ্ধার এবং একই পরিবারের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে গত ১ জুলাই থেকে জেলাব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে মাদকবিরোধী অভিযান, ওয়ারেন্ট তামিল এবং নিয়মিত মামলার আসামি গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে বিকেল ২টার দিকে সদর উপজেলার ফুলকুড়ি সিএনবি ঘাট এলাকার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক সদস্য মো. আব্দুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় মো. আব্দুর রহমান (৫৫), তার স্ত্রী মোছা. মাসিরুন বেগম (৫০), ছেলে মো. শুকুদ্দি (৩৪) ও মো. মাসুদ রানা (১৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, তাদের হেফাজত থেকে ২ কেজি ৬৯৫ গ্রাম কথিত হেরোইন, পাঁচটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, একটি বাটন ফোন, একটি স্বর্ণের আংটি, সাতটি রুপাসহ অন্যান্য ধাতুর আংটি, একটি ডিজিটাল ওজন মাপার মেশিন, একটি পাসপোর্ট, একটি ডিভিআর, একটি হিটিং বাল্ব, একটি ফয়েল পেপার রোল, হেরোইন শুকানোর একটি গামলা এবং মাদক বিক্রির ২৪ হাজার ৩২০ টাকা জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, উদ্ধার হওয়া আলামত জব্দ করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • আমতলীতে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের দাবিতে পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অ্যাডভোকেসি সভা

    আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

    বরগুনার আমতলী পৌরসভায় টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ এবং একটি স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের দাবিতে পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    রোববার (০৫ জুলাই ২০২৬) বিকেল ৩টায় আমতলী পৌরসভা মিলনায়তনে এনএসএস ও একশনএইড বাংলাদেশের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় পৌর এলাকার ক্রমবর্ধমান বর্জ্য সংকট, অপরিকল্পিতভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলা, পরিবেশ দূষণ, জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে একটি আধুনিক ও স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
    তারুণ্যের আলো যুব ফোরামের সভাপতি মুক্তা রানীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশিদ, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের আমতলী এপির চাইল্ড প্রোটেকশন ও এপি স্পন্সরশিপ অফিসার চার্চিল দাস, এনজিও ফোরামের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক মো. জাকির হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আমতলী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আবু জিহাদ এবং আমতলী প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহমান সালেহ।
    এ ছাড়া সভায় তারুণ্যের আলো যুব ফোরামের সদস্যবৃন্দ, আমতলী পৌরসভার বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
    আলোচনায় বক্তারা বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও নগরায়ণের ফলে প্রতিদিন পৌর এলাকায় বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে। কিন্তু পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশনের অভাবে বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণ, দুর্গন্ধ, জলাবদ্ধতা এবং বিভিন্ন রোগবালাইয়ের ঝুঁকি বাড়ছে।
    এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য দ্রুত আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সময়ের দাবি।
    বক্তারা আরও বলেন, একটি স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের পাশাপাশি বর্জ্য পৃথকীকরণ, পুনর্ব্যবহার (রিসাইক্লিং), জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পৌরসভার সক্ষমতা উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা এবং স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
    সভায় পৌর কর্তৃপক্ষ বিষয়টির গুরুত্ব স্বীকার করে বলেন, নাগরিকদের সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়। পাশাপাশি স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন এবং বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়।
    সভা শেষে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ এবং আমতলী পৌরসভায় একটি স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়। সভা শেষে পৌর প্রশাসন বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

  • অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত: সদরপুরে মমিনের হোটেলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

    ফরিদপুর প্রতিনিধি:
    অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত, খাদ্যে নিষিদ্ধ রং ও কেওড়া জল ব্যবহার এবং খাবার খোলা অবস্থায় সংরক্ষণের দায়ে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ‘মমিনের হোটেল’-কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

    রোববার (৫ জুলাই) সকালে পরিচালিত এক অভিযানে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৩ ধারায় হোটেলটির মালিকের বিরুদ্ধে এ অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়।

    অভিযান পরিচালনা করেন ফরিদপুর জেলা ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান।

    অভিযানকালে হোটেলটির রান্নাঘর ও খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থায় একাধিক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরিদর্শনে দেখা যায়, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং কিছু খাদ্যদ্রব্যে নিষিদ্ধ রং ও কেওড়া জল ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে বিভিন্ন খাবার খোলা অবস্থায় রাখা হচ্ছিল, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

    জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং খাদ্য ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • কুবির ডান্স ক্লাবের নেতৃত্বে শান্তা-জয়

    কুবি প্রতিনিধি:

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ডান্স ক্লাবের প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন গণিত বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা শান্তা এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী জয় রায়।

    রবিবার (৫ জুলাই) সংগঠনটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মাহবুব, অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম এবং আহ্বায়ক মো. সামিন বকস সাদি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আগামী এক বছরের জন্য এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এছাড়াও নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন রুমা রাণী দেব এবং তন্ময় সরকার। যুগ্ম-সচিব হিসেবে ময়ূরী ত্রিপুরা, সামিয়া নাজ স্বীকৃতি এবং বৈশাখী চাকমা। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আছেন মাহফুজুর রহমান ভূঁইয়া। এবং কোষাধক্ষ্য হিসেবে আবু বক্কর সিদ্দিক এবং দপ্তর সম্পাদক হিসেবে আছেন শাহানাজ আক্তার। 

    আরো রয়েছেন, নৃত্য পরিচালক হিসেবে অন্তর রায়, গণমাধ্যম ও প্রকাশনা পরিচালক মো: মাহফুজুর রহমান এবং তানভীর আলম অর্প, সম্পাদক জামির উদ্দিন জাসদ, অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমন চক্রবর্তী এবং অমি দেব, অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিষয়ক পরিচালক ইফাত সাবরিন রিনি এবং বিথী দাস।   

    তাছাড়াও কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে মালিহা ইসলাম মৌন, অন্তর রাজ, মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির এবং আরিফুল ইসলাম সাকিব।

    এ বিষয়ে নব্য সাধারণ সম্পাদক জয় রায় বলেন, “আমার মূল লক্ষ্য ডান্স ক্লাবকে একটি সক্রিয়, সৃজনশীল এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলা। নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং মানসম্মত পরিবেশনার মাধ্যমে আমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে আরও সমৃদ্ধ করতে চাই। নাচের মাধ্যমে আমরা ঐক্য, সৃজনশীলতা ও সংস্কৃতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    নব্য সভাপতি উম্মে হাবিবা শান্তা বলেন, “কুবি ডান্স ক্লাব নতুন একটা সংগঠন। নৃত্যপ্রেমী শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ করে একটি সৃজনশীল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। ক্লাসিক্যাল ও আধুনিক নৃত্যের পাশাপাশি কনটেমপোরারি, হিপহপ ও লোকনৃত্যসহ সব ধরনের নাচ শেখার সুযোগ থাকবে। ভবিষ্যতে নিয়মিত কর্মশালা ও ডান্স ফেস্ট আয়োজনের মাধ্যমে ক্লাবটিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ক্লাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু নাচই শিখবে না, বরং তাদের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও দলগত কাজের দক্ষতা বাড়বে, যা মানসিক চাপ কমিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করবে।”

  • পুঠিয়ার পাইকপাড়া ভূমি অফিসে দুর্নীতি


    রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি :

    অনলাইনে নামজারির আবেদনের পর প্রাথমিক কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের মূল দায়িত্ব ইউনিয়ন ভূমি অফিসের। কিন্তু এই কাজটিকে বাণিজ্যে পরিণত করেছেন তহশিলদার সুফি এবরার আহমেদ বকসী।

    তিনি জাকির হোসেন নামের এক বহিরাগত দালালের মাধ্যমে নামজারি প্রতি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা নিচ্ছেন। জাকির হোসেন ভূমি অফিসের কোনো বৈধ কর্মচারী না হলেও তিনি প্রতিনিয়ত অফিসে উপস্থিত থাকেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাকির নিজেকে “উন্নয়ন খাতে কর্মরত” বলে দাবি করে অফিসের সব গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করছেন।

    এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) সুফি এবরার আহমেদ বকসী নিজের অনৈতিক সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেন। তবে অফিসে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি পরোক্ষভাবে স্বীকার করে তিনি বলেন,
    “আমার অফিসে দুজন সহকারী রয়েছে। তাদের ঘুষ নেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।”

    অনুসন্ধানে জানা যায়, তহশিলদার সুফি এবরার আহমেদের বিরুদ্ধে এর আগেও। সরকারি খাস জমি ব্যক্তিমালিকানায় পাইয়ে দিয়ে মোটা অঙ্কের উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে।

    উপজেলার ধোপাপাড়া মৌজার (জে.এল নম্বর ৩৯) আওতায় ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত মোট ৯টি দাগে (২৮০১, ২৮০২, ২৮০৩, ২৮০৪, ২৮০৫, ২৮০৬, ২৮১০, ২৭২৭ ও ২৭৩০) প্রায় ২৫ বিঘা (৮.২৭ একর) সরকারি ধানী জমি রয়েছে। অথচ মোটা অঙ্কের সুবিধা নিয়ে মৃত আলীমুদ্দিনের ছেলে শাহিদুল ইসলাম ওরফে সাইদুর রহমানকে জমিগুলো একচ্ছত্র দখলের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। শাহিদুল বছরের পর বছর ধরে ওই খাস জমিতে পুকুর খনন করে ব্যক্তিগত সম্পদের মতো ভোগদখল করছেন।

    অভিযোগ রয়েছে, দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে সুফি এবরার আহমেদ বকসী রাজশাহীর বিভিন্ন স্থানে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মহানগরীর একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করেন, যা তিনি প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে ক্রয় করেছেন বলে জানা গেছে।

    পাইকপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এই চরম অনিয়ম, দুর্নীতি ও খাস জমি দখলের বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ মহিনুল হাসান বলেন, এরকম কোন অভিযোগ আমার কাছে নাই। কেউ অভিযোগ করলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।