Blog

  • বিরামপুরে একের পর এক অভিযোগ: জনদুর্ভোগ,শিক্ষা খাতে অনিয়ম ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় বিভিন্ন অনিয়ম, জনদুর্ভোগ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানা অভিযোগকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে একাধিক লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রমাণ তারা দেখতে পাননি। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী,১লা জুলাই ২০২৬গত ৩-৪ মাস পূর্ব থেকে উক্ত অভিযোগ গুলো উপজেলা প্রশাসনের বেশ কিছু দপ্তরে জমা পড়ে রয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও অনেক তথ্য প্রকাশ্যে এসেছেন তারপরও উপজেলা প্রশাসন তেমন কোন ব্যবস্হা গ্রহণ করা হয় নাই।উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে অনিয়ম,কথিত ভুয়া শিক্ষাগত সনদের মাধ্যমে চাকরি,উপস্থিত না থেকেও বেতন ভাতা উত্তোলন এবং প্রশাসনিক তদারকির ঘাটতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন সড়কে দীর্ঘ সময় ট্রাক্টর ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে দাঁড়িয়ে থাকার কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। উপজেলা পরিষদ চত্বরে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলেন, জনগণের করের টাকায় পরিচালিত সরকারি প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। অভিযোগ গুলো সত্য হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরা তাদের একমাত্র দ্বায়িত্ব।এলাকাবাসীর দাবি,দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগ নিষ্পত্তিহীন অবস্থায় পড়ে থাকায় প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করলে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। স্থানীয়রা আরও বলেন, তারা কোনো নির্দোষ ব্যক্তির হয়রানি চান না; একই সঙ্গে কোনো অভিযোগও যেন ধামাচাপা না পড়ে। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং প্রমাণিত অনিয়মের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান তারা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক ভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এলাকাবাসী বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসন,সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • টেন্ডার অনিয়ম, ঘুষ, অর্থ আত্মসাৎ ও নারী সহকর্মী হয়রানির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

    টেন্ডার অনিয়ম, ঘুষ, অর্থ আত্মসাৎ ও নারী সহকর্মী হয়রানির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

    স্টাফ রিপোর্টার:

    গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, টেন্ডার অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ এবং নারী সহকর্মীদের হয়রানির অভিযোগ এনে তার অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩০ জুন) বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্প, ইজারা কার্যক্রম ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম-দুর্নীতি চলে আসছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

    বক্তাদের অভিযোগ

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বরমী-বরামা-সিংহশ্রী-রায়েদ খেয়াঘাট ইজারা কার্যক্রমে ঘুষ গ্রহণ ও টেন্ডার অনিয়ম, জেলা পরিষদের প্রায় ৬২ কোটি টাকার এফডিআর (ফিক্সড ডিপোজিট) ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়নে ঘুষ গ্রহণ, ঠিকাদারি বিল থেকে ৬ শতাংশ হারে অবৈধ অর্থ আদায় এবং নারী সহকর্মীদের যৌন হয়রানির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

    বক্তারা বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন একাধিক অভিযোগ ওঠার পরও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তারা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

    আগেই দেওয়া হয়েছে লিখিত অভিযোগ

    এর আগে একই অভিযোগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়। গত ১৭ জুন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বাসিন্দা তফিজ ওই অভিযোগ দাখিল করেন।

    লিখিত অভিযোগে বলা হয়, জেলা পরিষদের এফডিআর ভেঙে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন ছাড়াই অর্থ উত্তোলন, বেয়ারার চেকের মাধ্যমে অর্থ বিতরণ, ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়নে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, সরকারি সম্পত্তি ইজারায় অনিয়ম এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি অর্থের অপব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে।

    এছাড়া গাজীপুর চৌরাস্তার নাওজোর এলাকার দোকান, ইসলামপুর ভাঙা ব্রিজসংলগ্ন জেলা পরিষদের জমি, কালিয়াকৈর ডাকবাংলা এলাকার কাঠবাজার এবং কাপাসিয়ার বিভিন্ন সরকারি সম্পত্তি ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিধি অনুসরণ না করে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও উত্থাপন করা হয়।

    অভিযোগে আরও বলা হয়, সরকারি বাসভবনে ওঠার কয়েক মাসের মধ্যেই টেন্ডার ছাড়াই ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কয়েকটি খেয়াঘাট ইজারায় সর্বোচ্চ দরদাতাকে বঞ্চিত করে পুনঃপুন দরপত্র আহ্বান, সিডিউল বিক্রয়ে বাধা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে টেন্ডার বাতিল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

    স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির কোনো স্থান নেই। সরকারের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি বাস্তবায়নের স্বার্থে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

    এ সময় গাজীপুর জেলা পরিষদে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

    উপস্থিত ছিলেন

    মানববন্ধনে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন আকাশ, সাংবাদিক এইচ. এম. হাকিম, আনজার শাহ, আবুল বাসার মজুমদার, ইসলাম উদ্দিন তালুকদারসহ সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • উন্নয়নে জোর: নতুন কোনো কর ছাড়াই কটিয়াদী পৌরসভার ২৪ কোটি টাকার বাজেট


    কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ জেলা) প্রতিনিধি:

    কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাজস্ব ও উন্নয়ন তহবিল মিলে ২৪ কোটি ১২ লক্ষ ৫৫ হাজার ৬৫ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।

    সোমবার (২৯ জুন) পৌরসভা মিলনায়তনে এই বাজেট ঘোষণা করেন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা।

    প্রস্তাবিত এই বাজেটে পৌরসভার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন ও স্মার্ট পৌরসভা গড়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
    বাজেট ঘোষনায় সভাপতিত্ব করেন পৌর প্রশাসক লাবনী আক্তার তারানা।

    এবারের বাজেটে সংযুক্ত দাপ্তরিক নথিপত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই প্রস্তাবিত বাজেটে মোট উদ্বৃত্ত ধরা হয়েছে ৪,৫৬,০৭,৮৭৫.৩৬ টাকা (৪ কোটি ৫৬ লক্ষ ৭ হাজার ৮৭৫ টাকা ৩৬ পয়সা)।রাজস্ব ও উন্নয়ন খাতের বিস্তারিত বিবরণ:১. রাজস্ব খাত:রাজস্ব আয়: ৭,৮৬,০০,৩৯৮.৬৫ টাকা (৭ কোটি ৮৬ লক্ষ ৩৯৮ টাকা ৬৫ পয়সা)। রাজস্ব ব্যয়:৫,৩৫,৪৭ ,২৯০.০০ টাকা (৫ কোটি ৩৫ লক্ষ ৪৭ হাজার ২৯০ টাকা)।রাজস্ব উদ্বৃত্ত: ২,৪৯,৫৩,১০৮.৬৫ টাকা (২ কোটি ৪৯ লক্ষ ৫৩ হাজার ১০৮ টাকা ৬৫ পয়সা)। ২. উন্নয়ন খাত:উন্নয়ন আয়: ১৬,২৬,৫৪,৭৬৬.৭১ টাকা (১৬ কোটি ২৬ লক্ষ ৫৪ হাজার ৭৬৬ টাকা ৭১ পয়সা)।উন্নয়ন ব্যয়: ১৪,২০,০০,০০০.০০ টাকা (১৪ কোটি ২০ লক্ষ টাকা)।উন্নয়ন উদ্বৃত্ত ২,০৬,৫৪,৭৬৬, ৭১ টাকা (২ কোটি ৬ লক্ষ ৫৪ হাজার ৭৬৬ টাকা ৭১ পয়সা)।

    পৌর কর্তৃপক্ষ জানান, এই বাজেটটি সম্পূর্ণ জনকল্যাণমুখী এবং এলাকার সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে। নতুন কোনো কর আরোপ ছাড়াই এই বাজেট ঘোষণা করায় স্থানীয় নাগরিক ও ব্যবসায়ী মহলে বেশ ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদি পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা কারার দিদারুল মতিন,সহকারী প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহম্মদ,পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন,সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার,উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন,জসিম উদ্দিন মেনু,উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মাসুদসহ পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা।

  • ভোলাহাটে বিজিবির অভিযানে ১৬টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১৬টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ করেছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)।আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন ২০২৬) ভোরে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোলাহাট ইউনিয়নের চামুচা গ্রামস্থ মাগুড়া মাঠে অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় মোবাইলগুলো উদ্ধার করে। এ বিষয়ে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, এসজিপি, বিএফএম, পিএসসি অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য, বিগত তিন মাসে এই ব্যাটালিয়ন সীমান্তে মোট ১৩৩টি চোরাই মোবাইল ফোন জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে। জব্দকৃত মোবাইলগুলো কাস্টমসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

  • ইউজিসির নির্দেশনায় গবেষণায় আলাদা বরাদ্দ নেই কুবিতে

    কুবি প্রতিনিধি:

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য অনুমোদিত ৮৩ কোটি ২৯ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার বাজেটে রাখা হয়নি কোন গবেষণা বরাদ্দ। তবে প্রশাসন বলছে, ইউজিসির নির্দেশনাতেই আলাদা কোন বাজেট রাখা হয়নি এই-খাতে। এই অর্থবছরের গবেষণা ও স্কলারশিপ খাতের বরাদ্দের নির্দেশনায় থাকবে স্বয়ং ইউজিসি।

    সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এই বাজেট উপস্থাপন করেন।

    জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশকৃত মোট বাজেটের পরিমাণ ৮৩ কোটি ২৯ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে ইউজিসি থেকে পাওয়া যাবে ৭১ কোটি ৬২ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৮ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা, প্রারম্ভিক জের হিসেবে আসবে ২ কোটি ১ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা এবং ঘাটতি বাজেট ৯০ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা।

    বাজেট থেকে জানা যায়, বাজেটের সর্বোচ্চ ৬০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, যা টাকার অঙ্কে প্রায় ৫০ কোটি ৫২ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা খরচ হবে বেতন-ভাতা ও পেনশনে এবং সর্বনিম্ন শূন্য দশমিক ৫৩ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ৪৪ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা খরচ হবে অনুদান খাতে। তবে এরমধ্যে রাখা হয়নি গবেষণা বাবদ কোন বরাদ্দ।

    জানা যায়, ইউজিসি কর্তৃক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য গবেষণা ও বিদেশি বৃত্তি খাতে ২৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা ইউজিসির মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বণ্টন করা হবে এবং গবেষণা বরাদ্দের সার্বিক নির্দেশনায় থাকবে ইউজিসি।

    সেজন্য ইউজিসির নির্দেশনা মোতাবেকই গবেষণায় আলাদা বরাদ্দ রাখেনি প্রশাসন। তবে ইতোমধ্যেই ইউজিসিকে সাড়ে তিন কোটির গবেষণা বরাদ্দ দেওয়ার রিকুইজিশন দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে।

    যা অনুমোদিত হলে গবেষণা খাতে সাম্প্রতিক অর্থবছরগুলোর তুলনায় অনেক এগিয়ে থাকবে এই অর্থবছর। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গবেষণায় বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। ২০২৪-২৫ এ ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা, ২০২৩-২৪ এ ২ কোটি টাকা, ২০২২-২৩ এ ছিল ২ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে গবেষণায় বরাদ্দ ছিলো ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ফলে আবেদনকৃত গবেষণা বরাদ্দ মঞ্জুর হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় ইতিবাচক প্রভাব রাখবে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

    মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে আলাদা করে দেয়নি, এরকম না; অন্য বিশ্ববিদ্যালয়েও দেয় নাই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য যখন বরাদ্দ হবে, তখন ওখানে তারা ডিস্ট্রিবিউশন করে দিবে।’

    এ বিষয়ে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ইউজিসির কাছে আমরা ৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা চেয়েছি। আমরা আশা করছি, এটা পাবো আমরা। ইউজিসি-র কি নির্দেশনা আসবে, বা ইউজিসি-তে কিভাবে এটা ডিস্ট্রিবিউশন করবে তার আলোকে আমাদের আবার পরে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

  • নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা সভায় মেডিকেল রিপোর্টে কারসাজি নিয়ে ক্ষোভ


    নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় হাওরে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধে অভিযান জোরদার, মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রাখা এবং স্কুল চলাকালে শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানো বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। একই সভায় এক নারী নির্যাতনের মামলার মেডিকেল রিপোর্টে কারসাজির অভিযোগও আলোচনায় আসে। মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুন।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদের, মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অনিক রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম কার্নায়েন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম এরশাদুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানি পুতুল, উপজেলা জামায়াতের আমির কাজী মোফাজ্জল হোসেন সবুজ, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, সাত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা। সভায় বক্তারা বলেন, হাওরে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার অব্যাহত থাকায় মৎস্যসম্পদ হুমকির মুখে পড়ছে। তাই এ ধরনের জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদারের দাবি জানানো হয়। এছাড়া বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে কিছু শিক্ষক প্রাইভেট পড়ানোর অভিযোগ তুলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান উপস্থিত সদস্যরা।

    সভায় সম্প্রতি মোহনগঞ্জে এক নারী হামলার শিকার হয়ে তিন মাসের গর্ভের সন্তান হারানোর ঘটনাও আলোচিত হয়। অভিযোগ করা হয়, ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার মেডিকেল রিপোর্টে কারসাজি করে আঘাতের বিষয়টি স্বাভাবিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরে সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে অভিযুক্তরা আদালত থেকে জামিন পান। এ বিষয়ে সভায় উপস্থিত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ সরকার বলেন, “হয়তো কোনো কারণে এমনটি হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও আমেনা খাতুন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি সভায় উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে প্রয়োজন।

  • নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি-সম্পাদকের পদত্যাগ

    নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

    নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এস দোহা, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম রতন এবং সহ-সভাপতি ইন্দ্রজিত সরকার পদত্যাগ করেছেন। জানা যায়,গত এপ্রিল মাসে তারা প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুনের কাছে পৃথকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন। ইউএনও ও প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা আমেনা খাতুন পদত্যাগপত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি মোহনগঞ্জ প্রেসক্লাবের বর্তমান কমিটি গঠন করা হয়। শুরুতে ক্লাবের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকলেও পরে অভ্যন্তরীণ নানা বিরোধ দেখা দেয়।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত বছরের ডিসেম্বরে মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় সভাপতি, সাবেক সভাপতিসহ ক্লাবের সদস্যদের উপস্থিতিতে সদস্য মানিক তালুকদার ও সুমন মাহমুদ শেখ অন্য সদস্যদের উদ্দেশে অশালীন ভাষায় গালাগাল ও অপমানজনক আচরণ করেন। এ ঘটনায় কার্যকরী কমিটির দুই সদস্য সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও অভিযোগের বিষয়ে কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এরপর থেকেই ক্লাবে অস্থিরতা ও বিভক্তি বাড়তে থাকে। এরই মধ্যে চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ভয়ংকর মাদক রেক্টিফায়েড স্পিরিটসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। ওই ঘটনায় প্রেসক্লাবের দুই সদস্য মানিক তালুকদার ও সুমন মাহমুদ শেখের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে। পরে তাদের ছবিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রেসক্লাবের একাধিক সদস্যের দাবি, অসদাচরণ ও মাদক-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে অভিযুক্ত দুই সদস্যের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে জটিলতা এবং সম্ভাব্য চাপের কারণেই সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ তিন নেতা পদত্যাগ করেছেন।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আরিফ জুয়েল বলেন, তাদের পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে সদস্যদের মধ্যে কানাঘুষা চলতেছিল। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানলাম যে তারা (সভাপতি -সম্পাদক) পদত্যাগ করেছেন। এ বিষয়ে ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক আজহারুল ইসলাম বলেন, তাদের পদত্যাগের বিষয়ে কোন কাগজপত্র হাতে পাইনি। তবে সাধারণ সম্পাদক আমাকে জানিয়েছেন যে-তারা ইউএনও বরাবর পদত্যাগ করেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম রতন পদত্যাগের বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, অযোগ্যতা, অপারগতা ও শারিরীক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছি। মঙ্গলবার (৩০ জুন) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা আমেনা খাতুন বলেন, “সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সভাপতির পদত্যাগপত্র পেয়েছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

  • গোদাগাড়ীতে ১ কেজি ৪০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার

    রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:

    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ১ কেজি ৪০ গ্রাম অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইন উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৫। তবে র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি ।

    র‍্যাব-৫ জানায়, সোমবার রাত সোয়া ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৫, সিপিএসসি’র একটি আভিযানিক দল জানতে পারে, রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী মডেল থানার ৬ নম্বর মাটিকাটা ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রাম থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে পদ্মা নদীর চর এলাকায় কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী অবস্থান করছে। তারা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে হেরোইন সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিল।

    গোপন
    সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করলে তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে একটি বস্তা ফেলে পাশের বিস্তীর্ণ পাটক্ষেতে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এতে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

    পরে স্থানীয় নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ফেলে যাওয়া বস্তাটি তল্লাশি করে র‍্যাব। এ সময় বস্তার ভেতরে থাকা ৬টি স্বচ্ছ পলিপ্যাক থেকে মোট ১ কেজি ৪০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে।

    র‍্যাব-৫ আরও জানায়, জব্দকৃত হেরোইন পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোদাগাড়ী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদক কারবার দমনে র‍্যাবের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • হালুয়াঘাট প্রেসক্লাবের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন সভাপতি পনির, সাধারণ সম্পাদক সুমন

    হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

    ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট প্রেসক্লাবের ২০২৬-২০২৮ ঈসাব্দ মেয়াদের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ২৮ জুন ২০২৬, রবিবার প্রেসক্লাব গৃহে আয়োজিত এক সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠিত ও অনুমোদিত হয়।

    প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্রের ২৬নং ধারা অনুযায়ী আয়োজিত এই সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন নির্বাচনী সভার আহ্বায়ক এ.কে.এম শামসুল ইসলাম মাহবুব। নবগঠিত এই কার্যকরী কমিটি আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৮ পর্যন্ত বহাল থাকবে।

    ১৮ সদস্য বিশিষ্ট এই নতুন কমিটিতে দৈনিক সংগ্রাম-এর খালেদ আহমদ শামসুল আলম পনির, সভাপতি এবং আনন্দ টিভি ও মানবজমিন-এর ওমর ফারুক সুমন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

    কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন
    সহ-সভাপতি মীর মো: শওকত আহসান বাবুল (ভোরের আকাশ)
    যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামছুল ইসলাম কমল মল্লিক (দৈনিক ইনকিলাব)
    সহ সম্পাদক শুভাশিষ সরকার শুভ (দৈনিক ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস)
    কোষাধ্যক্ষ সুমন আহমেদ (দৈনিক বাংলা)
    সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ খালেদ উজ্জামান আউলিয়া (দৈনিক ঢাকা)
    দপ্তর সম্পাদক মো: আব্দুল হামিদ খান (দৈনিক বাংলাবাজার)
    তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক
    আরিফ আহমেদ (দৈনিক চ্যানের দিগন্ত)
    ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান আপেল (দৈনিক ভোরের বাংলা)
    প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদ
    মো: তারেক রহমান (দৈনিক সোনার বাংলা)
    সমাজ কল্যাণ সম্পাদক কাউসার আহমেদ নয়ন (দৈনিক চেতনায় বাংলাদেশ)

    শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাশেদ মোশাররফ (দৈনিক মুক্ত খবর)

    এছাড়া কার্যকরী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন যথাক্রমে এ.কে.এম শামসুল ইসলাম (দৈনিক আমার দেশ), মো: আক্তার হোসেন (দৈনিক শ্বাশত বাংলা), সাখাওয়াত হোসেন রাজন (ক্যামেরাপার্সন, আনন্দ টিভি),

    আরিফুল ইসলাম আকাশ (ঢাকা ভয়েস ২৪) এবং মেহেদী হাসান রাকিব (বার্তা সিন্ধু ডট কম)।

    সাধারণ সভা শেষে নবনির্বাচিত কমিটিকে উপস্থিত সকলে অভিনন্দন জানান এবং নতুন কমিটি হালুয়াঘাটের সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়ন ও এলাকার উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • কাঁঠালিয়ায় মৎস্য অফিসের অভিযান: বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী ও বেহুন্দি জাল জব্দ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
    ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় মৎস্য অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী ও বেহুন্দি জাল জব্দ করা হয়েছে। দেশীয় প্রজাতির মাছ ও পোনামাছ রক্ষায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের আমরিবুনিয়া ও মশাবুনিয়া গ্রামের বিভিন্ন ধানক্ষেত ও খালে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে কাঁঠালিয়া উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে একটি ঝটিকা অভিযান চালানো হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী মেজিস্ট্রেট সুমি রানী বল ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাহিদা আক্তার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযানকালে সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাছের বংশবৃদ্ধি ধ্বংসকারী বেশ কয়েকটি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী ও বেহুন্দি জাল জব্দ করা হয়। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে অবৈধ জাল স্থাপনকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

    জব্দকৃত চায়না দুয়ারী ও বেহুন্দি জালগুলো পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ মাঠে নিয়ে আসা হয়। পরে স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী মেজিস্ট্রেট সুমি রানী বল এর উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনার মাধ্যমে জব্দকৃত সমস্ত অবৈধ চায়না দুয়ারী ও বেহুন্দি জাল আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়। ধ্বংসকৃত জালের আনুমানিক বাজার মূল্য ৩ লক্ষাধিক টাকা।

    অভিযান শেষে কাঁঠালিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাহিদা আক্তার বলেন, “চায়না দুরারী ও বেহুন্দি জালের মতো নিষিদ্ধ জালগুলো আমাদের দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা ও ডিম্বাণু ধ্বংস করে দিচ্ছে। মৎস্য সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। কাঁঠালিয়া উপজেলার নদীগুলোকে ক্ষতিকর জালমুক্ত করতে আমাদের এই বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্টের তৎপরতা নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।”

    মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধ করতে স্থানীয় জেলে সমাজ ও সর্বসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।