Author: DBC

  • দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত আশুলিয়া থানার রুবেল হাওলাদার

    দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত আশুলিয়া থানার রুবেল হাওলাদার

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    আবারও ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রুবেল হাওলাদার, পিপিএম। টানা সাফল্য, দক্ষ নেতৃত্ব ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন।
    মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা জেলার ঐতিহ্যবাহী মিল ব্যারাক পুলিশ লাইন্সের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ, প্রশাসনিক ও অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তার হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান।
    জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর আশুলিয়া থানার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ওসি রুবেল হাওলাদারের নেতৃত্বে থানার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপরাধ দমন, অপরাধীদের গ্রেফতার, মামলা গ্রহণ ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। তার পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা ও কার্যকর পদক্ষেপের কারণে তাকে ঢাকা জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
    এ সম্মাননা অর্জনের পর আশুলিয়াবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। স্থানীয়দের মতে, তার নেতৃত্বে আশুলিয়া থানায় জনসেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ আরও জোরদার হয়েছে।
    প্রতিক্রিয়ায় ওসি মোঃ রুবেল হাওলাদার বলেন, “ঢাকা জেলা পুলিশের অভিভাবক জনাব মোঃ মিজানুর রহমান স্যারের নেতৃত্বে আশুলিয়া থানার সকল অফিসার ও ফোর্স নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আশুলিয়াবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা আশুলিয়াকে একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
    উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারিও তিনি প্রথমবারের মতো ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার দ্বিতীয়বারের মতো একই সম্মান অর্জন করে তিনি নতুন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।

  • বিসিবি নির্বাচন ঘিরে অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েছে- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

    বিসিবি নির্বাচন ঘিরে অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েছে- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    সাভারে বিকেএসপি পরিদর্শনে গিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচন ঘিরে অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েছে। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)কে অবহিত করার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    দায়িত্ব গ্রহণের পর রোববার (৫এপ্রিল) প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

    বিকেলে বিকেএসপি ক্যাম্পাসে পৌঁছালে প্রতিমন্ত্রীকে স্বাগত জানান প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ।

    পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। পরে তা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন আইসিসিকে জানানো হবে। এরপরই আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।

    বিসিবির তদন্তে সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টার অংশ না নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বিষয়টি প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে এবং তা যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। আইসিসির সঙ্গে আলোচনার পর বিস্তারিত জানানো হবে।

    এদিকে বিকেএসপিকে ঘিরে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, এখনো দেশের অধিকাংশ পরিবার সন্তানকে খেলাধুলায় এগিয়ে নিতে সাভারের বিকেএসপিকেই প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করে। তবে সরকার চায়, ঢাকার বাইরে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিকেএসপিগুলোতেও একই মানের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে।

    তিনি বলেন, শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক নয়, বিভাগীয় শহর ও জেলা পর্যায়ের বিকেএসপিগুলোতেও সাভারের মতো সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে। যাতে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ এলাকাতেই প্রশিক্ষণের সুযোগ পায়।

    প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, নতুন করে স্কুল ফুটবলসহ বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রম বিভাগীয় পর্যায়ে বিস্তৃত করা হবে। এতে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও অন্যান্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা নিজ এলাকায় থেকেই প্রশিক্ষণ ও আবাসনের সুবিধা পাবে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ সব বিকেএসপিতে সমমানের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।

    পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী বিকেএসপির চলমান প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, আবাসন ও অবকাঠামো ঘুরে দেখেন এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পরে তিনি জিমনেসিয়ামে প্রশিক্ষণার্থীদের শারীরিক কসরত ও বিকেএসপির অধীনে পরিচালিত ২১টি ক্রীড়া বিভাগের গেম ডিসপ্লে উপভোগ করেন।

  • আশুলিয়ায় ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    আশুলিয়ায় ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসাইন | স্টাফ রিপোর্টার
    ঢাকার আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
    শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুল ইসলাম।
    এর আগে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশ। অভিযানে দুইজনকে আটক করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— আশুলিয়ার জামগড়া কাঠালতলা এলাকার মৃত ফালু মিয়ার ছেলে সামাদ ভূঁইয়া (৫২) এবং বগুড়া জেলার গাবতলী থানার বেলতলা এলাকার মৃত আকরামুলের ছেলে সান্নান বাবু (৪২)। সান্নান বাবু বর্তমানে সামাদ ভূঁইয়ার বাড়িতে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন বলে জানা গেছে।
    ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তারা এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। শুক্রবার রাতে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে জামগড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় তাদের হেফাজত তল্লাশি করে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
    পুলিশ জানায়, আটক দুই ব্যক্তি পেশাদার মাদক কারবারি। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক অভিযোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়েও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
    ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।”
    তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

  • আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে নারীসহ চার মাদক ব্যবসায়ী ধরা

    আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে নারীসহ চার মাদক ব্যবসায়ী ধরা

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকার আশুলিয়ায় পৃথক দুটি অভিযানে এক নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ১ কেজি গাঁজা, ২০ লিটার চোলাই মদ ও ৫১টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।
    শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুল ইসলাম।
    ডিবি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত আশুলিয়ার ইউনিক বাসস্ট্যান্ড ও নরসিংহপুর লালপাহাড় সিটি এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    অভিযানে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার বালোবাড়ী এলাকার ইউসুফ আলী (৪৫) ও তার স্ত্রী শিল্পী বেগম (৪০)কে ১ কেজি গাঁজাসহ আটক করা হয়। একই সময় ২০ লিটার চোলাই মদসহ গ্রেপ্তার করা হয় চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার চর মাছুয়া এলাকার আরিফ হোসেন রাজু (২৬)কে। এ সময় মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
    পরে শুক্রবার ভোররাত পৌনে ৫টার দিকে আশুলিয়ার নরসিংহপুর লালপাহাড় সিটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫১টি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ বিদ্যুৎ সরকার (৪০)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আশুলিয়ার ইয়ারপুর এলাকার বাসিন্দা।
    ডিবি পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ইউসুফ আলী ও বিদ্যুৎ সরকারের বিরুদ্ধে এর আগেও পাঁচটি করে মাদক মামলা ছাড়াও বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।
    এ বিষয়ে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • আশুলিয়ায় ৩০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, গাড়ি জব্দ

    আশুলিয়ায় ৩০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, গাড়ি জব্দ

    আলমাস হোসাইন | স্টাফ রিপোর্টার
    ঢাকার আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের বারইপাড়া এলাকা থেকে প্রায় ৩০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৪। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি নোয়া (NOAH) গাড়িও জব্দ করা হয়।

    বৃহস্পতিবার সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানান র‍্যাব-৪ সিপিসি-২, নবীনগর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহীনুর কবির।

    এর আগে বুধবার (১ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে বারইপাড়া এলাকা থেকে ৩০ কেজি গাঁজাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত মো. জুয়েল মিয়া (২৩) হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট থানার আবদার সালেহার বটতলা, ময়নাবাদ এলাকার ওমর আলী (কাজল)-এর ছেলে।

    র‍্যাব জানায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের নবীনগর এলাকায় চেকপোস্ট ডিউটির সময় সন্দেহজনক একটি নোয়া গাড়িকে থামানোর সংকেত দেওয়া হলে চালক তা অমান্য করে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। পরে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আশুলিয়ার বারইপাড়া এলাকায় গাড়িটি থামাতে সক্ষম হয়।

    গাড়ির চালকের আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় গাড়িটি তল্লাশি করা হলে চালকের আসনের নিচে ও পেছনের অংশে লুকিয়ে রাখা ১২টি প্যাকেট থেকে মোট ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা।

    এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিলভার রঙের নোয়া গাড়িটি জব্দ করা হয়। পাশাপাশি তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র‍্যাব জানতে পারে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে ঢাকা, গাজীপুর ও টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলেন।

    র‍্যাব আরও জানায়, মাদক নির্মূলে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • বাইপাইলে নেই যানবাহন, বৃষ্টিতে ভিজে অপেক্ষায় ঈদযাত্রীদের দুর্ভোগ

    বাইপাইলে নেই যানবাহন, বৃষ্টিতে ভিজে অপেক্ষায় ঈদযাত্রীদের দুর্ভোগ

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঈদ সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়লেও আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র যানবাহন সংকট। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বাড়ি ফেরা যাত্রীরা।

    বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে বাইপাইল এলাকায় গিয়ে এমন দুর্ভোগের চিত্র দেখা যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেক যাত্রী পরিবহন পাচ্ছেন না। কেউ কেউ পরিবার-পরিজন নিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন, আবার অনেকেই ভিজে একাকার হয়ে পড়েছেন বৃষ্টিতে।

    ঠাকুরগাঁওগামী যাত্রী আমেনা বলেন, দুপুর থেকে ছোট বাচ্চা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। এখন সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কোনো গাড়ি পাচ্ছি না। দাঁড়িয়ে থাকার মতো জায়গাও নেই, বৃষ্টিতে ভিজে গেছি।

    রংপুরগামী যাত্রী শামীম বলেন, পরিবারের চারজনকে নিয়ে অপেক্ষা করছি। এবার গাড়ির খুব সংকট। গাড়ি পেলেই ভাড়া একটু বেশি হলেও চলে যেতাম।

    পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জ্বালানির সংকটের কারণেই অনেক গাড়ি সড়কে নামতে পারছে না। চালক আব্দুর রহিম জানান, পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক কষ্টে নিজের গাড়ির জন্য তেল সংগ্রহ করেছি। তবে বেশিরভাগ গাড়িই তেলের অভাবে ছাড়তে পারছে না।

    এদিকে বাইপাইলের আজিজ ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, পাম্পটি বন্ধ রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকেই স্টেশনটিতে কোনো ধরনের জ্বালানি সরবরাহ নেই। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ডিজেল ও অক্টেন শেষ হয়ে গেছে। নতুন সরবরাহের জন্য চট্টগ্রামে গাড়ি পাঠানো হলেও তা এখনো পৌঁছায়নি।

    সব মিলিয়ে, যানবাহন সংকট ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ঈদে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন যাত্রীরা।

  • আশুলিয়ায় ময়লা সংগ্রহের ব্যবসা ঘিরে উত্তেজনা: ভাঙচুর ও হুমকির অভিযোগ,

    আশুলিয়ায় ময়লা সংগ্রহের ব্যবসা ঘিরে উত্তেজনা: ভাঙচুর ও হুমকির অভিযোগ,

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকায় ময়লা সংগ্রহের ব্যবসা কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ভাঙচুর, হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাদের ব্যবসা দখলের উদ্দেশ্যে চাপ দিয়ে আসছিল আশুলিয়া থানা যুবদলের সহ-সভাপতি ইদ্রিস আলী। তার বাবাকে ময়লার ব্যবসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য নিয়মিত হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
    সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে ঘটনার সূত্রপাত হয় বলে জানান ভুক্তভোগী এমতাজউদ্দিন ভুঁইয়া। এ ঘটনায় তার মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত দুই থেকে তিন মাস ধরে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাদের ময়লা সংগ্রহের কাজ ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। ঘটনার দিন সকালে শ্রমিকরা কাজে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। এ সময় পরিবারের সদস্যরা প্রতিবাদ করলে তাদেরও ভয়ভীতি দেখানো হয়।
    ভুক্তভোগীদের দাবি, কাজ শেষে বিকেলে গাড়িটি গ্যারেজে রাখার পর অভিযুক্তের নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। ঘটনার খবর পেয়ে তারা সেখানে পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা সরে যায়।
    অভিযোগে আরও বলা হয়, থানায় অভিযোগ দায়েরের পর পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অভিযুক্ত ইদ্রিস আলী কার্যালয়ে গেলে সেখানেও ভুক্তভোগীদের প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হয়। এতে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন।
    পরিবারটি জানায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসাবাড়ির উচ্ছিষ্ট ময়লা সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এই ব্যবসা দখলের লক্ষ্যেই তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ। ঘটনার ভিডিওসহ বিভিন্ন প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
    তবে অভিযুক্ত ইদ্রিস আলী এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেছেন, এ ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • গার্মেন্টস শ্রমিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে বাইপাইলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    গার্মেন্টস শ্রমিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে বাইপাইলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    আশুলিয়ায় গার্মেন্টস শ্রমিকের ওপর হামলা ও অপহরণের অভিযোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন শ্রমিকরা। দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
    সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল মোড়ে আল্টিমেট ফ্যাশন লিমিটেডের শ্রমিকদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে কারখানাটির শতাধিক শ্রমিক অংশগ্রহণ করেন।
    ভুক্তভোগী শ্রমিকদের অভিযোগ, গত শনিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে একদল মুখোশধারী সন্ত্রাসী আল্টিমেট ফ্যাশন লিমিটেডের শ্রমিক মো. শামীম হোসেনের বাসায় ঢুকে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। পরে জোরপূর্বক তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। সন্ত্রাসীরা তাকে কাছাকাছি একটি নির্জন জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে মারধর শুরু করলে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করেন।
    একই রাতে প্রায় ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে একই কারখানার আরেক শ্রমিক মো. খায়রুল ইসলামের ওপরও দলবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
    এ ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ফরিদুল ইসলাম ফরিদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের আশুলিয়া থানা কমিটির সভাপতি নাজমুল হক। সংহতি বক্তব্য দেন শ্রমিক নেতা মাসুদ রানা সুলতান। এ সময় বক্তব্য রাখেন হামলার শিকার শ্রমিক মো. শামীম হোসেন ও মো. খায়রুল ইসলামসহ অন্যান্য শ্রমিক নেতারা।
    বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির আন্দোলন দমিয়ে রাখতে পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে। দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা। অন্যথায় শ্রমিকরা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
    জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ফরিদুল ইসলাম ফরিদ বলেন, প্রায় চার মাস কারখানা বন্ধ থাকার পরও শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ করা হয়নি। বাধ্য হয়ে শ্রমিকরা আন্দোলনে নামেন। পরে শিল্প পুলিশের হস্তক্ষেপে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করে। এর জের ধরেই প্রতিবাদী কয়েকজন শ্রমিককে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
    তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের ভয় দেখাতে ও আন্দোলন দমাতে এ ধরনের হামলা চালানো হয়েছে। তাই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
    কর্মসূচি শেষে শ্রমিকরা হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।

  • ধর্ষণ মামলায় আশুলিয়ায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ‘বিপি ইমরান’ গ্রেপ্তার

    ধর্ষণ মামলায় আশুলিয়ায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ‘বিপি ইমরান’ গ্রেপ্তার

    আলমাস হোসেন | ঢাকা প্রতিনিধি
    ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর মো. ইমরান ওরফে ‘বিপি ইমরান’-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও দুইজনকে আসামি করে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
    রোববার (১৫ মার্চ) দুপুরে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুবেল হাওলাদার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে শনিবার (১৪ মার্চ) দিবাগত রাতে আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে পুলিশ।
    গ্রেপ্তারকৃত মো. ইমরান ওরফে বিপি ইমরান সাভারের আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকার আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে। মামলায় তার সহযোগী হিসেবে জুনায়েত ও সোমাইয়া নামে আরও দুইজনকে আসামি করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
    ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে বিপি ইমরানের সঙ্গে তার পরিচয় ছিল এবং তিনি তাকে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের ভিডিও তৈরি করতেন। তবে সম্প্রতি ওই নারী টিকটকের ভিডিও নির্মাণে আর আগ্রহী না থাকায় অভিযুক্ত ইমরান ক্ষুব্ধ হন। অভিযোগ রয়েছে, গত ১২ মার্চ দুপুরে আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকায় নিজের বাড়িতে একা পেয়ে তিনি ওই নারীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
    পরবর্তীতে অভিযুক্ত ইমরান অন্য দুই আসামিকে ডেকে এনে তাদের সহযোগিতায় ভুক্তভোগী নারীকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার পর শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে ওই নারী আশুলিয়া থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুবেল হাওলাদার জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করে রোববার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
    পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলমান রয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • কারখানা স্থানান্তরের প্রতিবাদে আশুলিয়ায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ঈদের আগে পাওনা পরিশোধের দাবি

    কারখানা স্থানান্তরের প্রতিবাদে আশুলিয়ায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ঈদের আগে পাওনা পরিশোধের দাবি

    আলমাস হোসাইন | ঢাকা প্রতিনিধি
    কারখানা স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ এবং শ্রম আইন অনুযায়ী ঈদের আগেই শ্রমিকদের সকল বকেয়া পাওনা পরিশোধের দাবিতে আশুলিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।
    রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে আশুলিয়ার বাইপাইল ত্রিমোড় এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে কারখানাটির বিপুলসংখ্যক শ্রমিক অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।
    শ্রমিকদের অভিযোগ, আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকায় অবস্থিত উইলিয়ামস সোয়েটারস লিমিটেড কারখানায় তারা দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত। সম্প্রতি কর্তৃপক্ষ হঠাৎ করেই প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
    শ্রমিকরা জানান, আকস্মিকভাবে এত দূরে কারখানা স্থানান্তরের সিদ্ধান্তে তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। অধিকাংশ শ্রমিক দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়া এলাকায় বসবাস করছেন এবং তাদের সন্তানরা এখানকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছে। ফলে নতুন এলাকায় গিয়ে বসবাস ও কর্মসংস্থান চালিয়ে যাওয়া তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে।
    এই পরিস্থিতিতে শ্রম আইন অনুযায়ী বকেয়া সকল পাওনা দ্রুত পরিশোধ এবং শ্রমিকদের প্রতি হয়রানি ও চাপ প্রয়োগ বন্ধের দাবিতে তারা বাইপাইল ত্রিমোড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
    কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ফরিদুল ইসলাম ফরিদ এবং সঞ্চালনা করেন আশুলিয়া থানা কমিটির সভাপতি নাজমুল হক। এ সময় শ্রমিক নেতা মাসুদ রানা সুলতানসহ শ্রমিক প্রতিনিধি মো. শাহাজাহান ও মো. রাজা মিয়া বক্তব্য রাখেন।
    বক্তারা বলেন, ন্যায্য অধিকার আদায়ের দাবি জানাতে গেলেই শ্রমিকদের হুমকি-ধমকি ও বিভিন্ন ধরনের চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে। দ্রুত এসব কার্যক্রম বন্ধ করে শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের সব বকেয়া পাওনা ঈদের আগেই পরিশোধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান তারা।