Blog

  • জুলাই মানে নতুন বাংলাদেশের সূচনা: অ্যাডভোকেট হাসনা হেনা

    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

    চট্টগ্রাম কোর্ট হিলপাড়ার বিএনপির পরিচিত নেত্রী অ্যাডভোকেট হাসনা হেনা বলেছেন, “জুলাই মানেই নতুন বাংলাদেশের সূচনা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়েই দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে এবং জনগণ নতুন করে স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছে। তাই জুলাইয়ের সঙ্গে কোনো আপস নয়, জুলাইকে দিতে হবে সর্বোচ্চ সম্মান।”
    তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দুঃসময়ে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া শত শত নেতাকর্মীর জামিন বিনা পারিশ্রমিকে করিয়ে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
    অ্যাডভোকেট হাসনা হেনা অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ তাকে দমিয়ে রাখতে তাঁর আইনজীবী সনদ (অ্যাডভোকেটশিপ) বাতিলেরও চেষ্টা করেছিল। কিন্তু কোনো চাপ বা ভয়-ভীতি তাঁকে আদর্শের পথ থেকে সরাতে পারেনি।
    তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি রাজপথে নেমেছিলেন। শেখ হাসিনার সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। তাঁর ভাষায়, “লাখো কোটি ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ ও আন্দোলনের কারণেই আমরা স্বৈরাচার থেকে মুক্তি পেয়েছি।”
    জুলাই আন্দোলনে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তিনি বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজকের স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহতদের উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
    শেষে অ্যাডভোকেট হাসনা হেনা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া সকলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁদের বাবা-মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “জাতির জন্য শ্রেষ্ঠ সন্তানদের জন্ম দিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের এই আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।”

  • জুলাই আন্দোলনের অন্তরালে ছিলেন তিনি — চট্টলার সাহসী অভিভাবক ব্যারিস্টার মীর হেলাল

    লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

    জুলাই আন্দোলন ছিল না কোনো হঠাৎ বিস্ফোরণ — এটি ছিল সংগঠিত, পরিকল্পিত এবং নেতৃত্বনির্ভর একটি গণঅভ্যুত্থান।
    এই আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের দিক নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রামের গর্ব, চট্টলার গণমানুষের অবিচল অভিভাবক, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল ভাই।
    সাথে ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ ভাই, যিনি মাঠের নেতৃত্বে ছিলেন নির্ভীক।

    মীর হেলাল ভাই শুধু আন্দোলনের ‘রোডম্যাপ’ দেননি —
    আমাদের প্রতিটি ব্লকেড, মিছিল, অবস্থান কর্মসূচি, এমনকি কোথা থেকে বের হবো, কোথায় নিরাপদে যাবো —
    সব সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে।
    তিনি ছিলেন মাঠে নেমে যোদ্ধাদের ছায়া, আর দূর থেকে সার্বক্ষণিক অভিভাবক।

    এই আন্দোলনে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আমাদের সমন্বয় করিয়ে দিয়েছেন তিনিই।
    তারেক রহমানের নির্দেশনা যে আগুন হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে তৃণমূলে, তা মীর হেলাল ভাইয়ের হাত ধরেই সম্ভব হয়েছে।

    যখন অনেক নেতা নিজেদের নিরাপত্তায় মোবাইল বন্ধ করে দূরে সরে গেছেন,
    তখন মীর হেলাল ভাই আমাদের খোঁজ রেখেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন — এমনকি আর্থিক সহায়তাও করেছেন।

    আমার নিরাপরাধ ছোট ভাই আমার কারণেই অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে আওয়ামী রক্ষীবাহিনীর হাতে
    আমার পরিবার ঘরছাড়া হয়েছিলো —
    কিন্তু সেই দুর্যোগে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন একজন —
    মীর হেলাল ভাই।
    তিনি ছিলেন কেবল নেতা নন,
    তিনি ছিলেন আমাদের যুদ্ধে আগুন জ্বালানো বাতিঘর।

  • ৯০ বছরের বৃদ্ধার স্বপ্ন পূরণে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত


    লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

    পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের মহিরা গ্রামের সনাতনী ধর্মাবলম্বী ৯০ বছরের ঊর্ধ্বে বৃদ্ধা হাদু মালেকা’র দীর্ঘদিনের একটি ছোট্ট স্বপ্ন ছিল— নিজের বাড়িতে যাওয়ার রাস্তাটি যেন চলাচলের উপযোগী হয়।

    কিছুদিন আগে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য জননেতা আলহাজ্ব এনামুল হক এনাম এমপি মহোদয় মহিরা এলাকা পরিদর্শনে গেলে বৃদ্ধা হাদু মালেকা তাঁর হাত ধরে বাড়ির রাস্তাটি দেখিয়ে সংস্কারের আবেদন জানান। সেদিন এমপি মহোদয় তাকে আশ্বস্ত করেছিলেন – “আমি ব্যবস্থা করব।”

    আলহামদুলিল্লাহ, তিনি তাঁর সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন।
    কাবিটা প্রকল্পের আওতায় ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়ে বৃদ্ধার বাড়ির রাস্তাটি আরসিসি ঢালাই করে দিয়েছেন।

    এটাই জনসেবার রাজনীতি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই একজন প্রকৃত জনপ্রতিনিধির পরিচয়।

    মানুষের আস্থা, মানুষের ভালোবাসা— জনতার এমপি, জননেতা আলহাজ্ব এনামুল হক এনাম এমপি।

  • জুলাই শহিদ ও আহত পরিবারের পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন হাটহাজারীর গর্ব লায়ন সালাউদ্দিন আলী


    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের অসীম সাহস, ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাঁদের পরিবারের পক্ষ থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে সম্মাননা স্মারক (ক্রেস্ট) তুলে দেওয়া হয়েছে।
    সম্মাননা স্মারকটি তুলে দেন হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সদস্য, নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক, নাঙ্গলমোড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি এবং চমেক হাসপাতালের এডহক কমিটির সদস্য লায়ন সালাউদ্দিন আলী।
    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, ভোটাধিকার এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংঘটিত এই আন্দোলনে অসংখ্য মানুষ রাজপথে নেমে আসেন। আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে বহু মানুষ শহিদ হন এবং অসংখ্য মানুষ আহত হয়ে আজও সেই সংগ্রামের স্মৃতি বহন করছেন। তাঁদের আত্মত্যাগ, সাহস ও দেশপ্রেম জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
    বক্তারা আরও বলেন, শহিদদের রক্ত এবং আহতদের ত্যাগ কেবল একটি আন্দোলনের ইতিহাস নয়, বরং একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের অনুপ্রেরণা। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, শহিদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের অবদান সঠিকভাবে তুলে ধরতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
    অনুষ্ঠানে জুলাই শহিদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সম্মান ও সংহতি প্রকাশ করা হয়। বক্তারা বলেন, শহিদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা, আহতদের যথাযথ পুনর্বাসন এবং তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্র ও সমাজের নৈতিক দায়িত্ব। তাঁদের ত্যাগের চেতনাকে ধারণ করেই একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
    এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান এক অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। শহিদদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং আহতদের অবদানের যথাযথ মূল্যায়নের মধ্য দিয়েই তাঁদের আত্মত্যাগের প্রতি প্রকৃত সম্মান জানানো সম্ভব। অনুষ্ঠানের শেষে জুলাই শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতান্ত্রিক অগ্রগতির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

  • ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি বাবুলের নির্দেশে সদরপুর-চরভদ্রাসন সড়কের গর্ত সংস্কার


    ফরিদপুর প্রতিনিধি:
    ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার সদরপুর-চরভদ্রাসন সড়কের গাবতলার আগে একটি ঝুঁকিপূর্ণ গর্ত সংস্কার করা হয়েছে। এর আগে একই সড়কের আরেকটি গর্ত সংস্কার করা হলেও পাশেই অবস্থিত আরও একটি বড় গর্তের কারণে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছিল।
    স্থানীয় অটোরিকশা চালকদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম বাবুল-এর নির্দেশে গর্তটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
    সদরপুর উপজেলা যুবদল নেতা আজিজুল ইসলাম নান্নু-এর নেতৃত্বে একদল যুবক ও স্থানীয় লোকজন সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে আজ গর্তটি সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করেন।
    এ উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া পড়েছে। তারা বলেন, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং সড়কে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে এ ধরনের স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ড নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।

  • গাজীপুরের শ্রীপুরে ৯কোটি টাকার রাস্তা তিন মাসেই ধস, ত্রুটি স্বীকার এলজিইডির, দ্রুত পুন নির্মানের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর

    গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:

    গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার সড়কের একটি অংশ নির্মাণ শেষ হওয়ার মাত্র তিন মাসের মাথায় ধসে পড়ার ঘটনায় পরিকল্পনা ও নকশাগত ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন।

    শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল ৫টায় প্রতিমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত রাজাবাড়ি-দমদমা সড়ক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিষয়টি নজরে আসার পরই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসেছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারকাজে বিশেষ নজরদারি এবং কাজের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পুরো সড়কের দৈর্ঘ্য প্রায় ১২ কিলোমিটার। এর মধ্যে নদী, খাল ও ক্যানেলসংলগ্ন অংশ প্রায় ২ হাজার ৯০০ মিটার। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাত্র ৮৩ মিটার। বাকি অংশ আগের নকশা অনুযায়ী ঠিক আছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশে মাটির নিচের স্তর দুর্বল হওয়ায় সড়ক ধসে গেছে। এজন্য নতুন নকশা করা হয়েছে। বড় ধরনের পাইলিংয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পুনর্নির্মাণ করা হবে।’

    তিনি আরও বলেন, কোথাও সড়ক নির্মাণ বা সংস্কারে অনিয়ম হলে গণমাধ্যমকে তা তুলে ধরতে হবে। গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য আলাদা বরাদ্দ না থাকায় স্থানীয় জনগণের সহযোগিতার ওপর অনেকাংশে নির্ভর করতে হয়। তবে এ প্রকল্পে এখন পর্যন্ত তাঁর কাছে কোনো অনিয়মের তথ্য আসেনি বলেও জানান তিনি।

    এর আগে গত ২৯ জুন এলজিইডির ঢাকা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল মনজুর মো. সাদেকের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পরিদর্শন করে। পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘সড়কটির প্রাথমিক নকশা ও পরিকল্পনায় ত্রুটি থাকার কারণেই নির্মাণ শেষ হওয়ার পরপরই সূতি নদীসংলগ্ন অংশ ধসে গেছে।’

    তিনি জানান, তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত প্রকাশ করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ স্থায়ীভাবে সংস্কারের জন্য নতুন নকশা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তদন্ত কমিটির নকশা বিশেষজ্ঞরা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিল উত্তোলনের পর সংস্কার ব্যয় কোন খাত থেকে বহন করা হবে—এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।

    উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন ‘তিন মাসেই ধস ৯ কোটির সড়কে’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। এরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত ও পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রাজাবাড়ি ইউনিয়ন থেকে প্রহলাদপুর ইউনিয়নের দমদমা পর্যন্ত সহজ যোগাযোগ নিশ্চিত করতে ২০২১ সালে সাড়ে ৫ কিলোমিটার পাকা সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের দরপত্র আহ্বান করা হয়। মেসার্স সালাম ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায়। ২০২৪ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা শেষ হয় ২০২৬ সালে। নির্মাণ শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই সূতি নদীসংলগ্ন চিনাশুকানিয়া এলাকায় সড়কের একটি বড় অংশ দেবে যায়। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং নদীতীরে বসানো ব্লকও ভেঙে নদীতে চলে যাচ্ছে।

    পরিকল্পনা ও নকশাগত ত্রুটির বিষয়টি সরকারি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে স্বীকার করার পর প্রকল্প বাস্তবায়ন, তদারকি এবং দায় নিরূপণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

    পরিদর্শনের সময় গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস. এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে টোল ইস্যুতে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিক্ষোভ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

     
    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহীউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতুর টোলমুক্ত করার দাবিতে চলমান আন্দোলনের সময় সড়ক অবরোধে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। শনিবার (৪ জুলাই) সকালে শহরের জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে তিন সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। এই বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ছাত্রদলের সভাপতি মীম ফজলে আজিম,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ জামিউল হক সোহেল ও যুবদলের সদস্যসচিব গোলাম কিবরিয়া সাউনসহ অসংখ্য নেতাকর্মীবৃন্দ।  সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহীউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতুর টোলমুক্ত করার দাবির আড়ালে মহাসড়ক অবরোধ করে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। পাশাপাশি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়া হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন। বক্তারা এসব ঘটনার নিন্দা জানিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি না করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানান তারা।

    উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই বিকেলে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহীউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতুর টোলমুক্ত করার দাবিতে আন্দোলনকারীরা প্রায় ছয় ঘণ্টা সেতু এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। এতে প্রসূতি নারীসহ বহু যাত্রী দীর্ঘ সময় যানজটে আটকা পড়েন এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়।

  • নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু

    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

    হাটহাজারী উপজেলার নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের মধ্যে স্থানীয় জনমতে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন হাটহাজারী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি ও আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নিজ উদ্যোগে অংশ নিয়ে স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোর কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি পরিচিত মুখ হিসেবে বিবেচিত।
    এলাকাবাসীর সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক, সাংগঠনিক সক্রিয়তা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার কারণে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন একাধিক বাসিন্দা।
    এ বিষয়ে বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু বলেন, “শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে রাজনীতি করছি। বর্তমানে চট্টগ্রাম-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের দিকনির্দেশনায় কাজ করে যাচ্ছি। ক্ষমতার চেয়ার নয়, জনগণের সেবক হওয়াই আমার মূল লক্ষ্য। সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।”

  • অত্যান্ত আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে, দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক কবি ও গুণিজন সংবর্ধনা এবং বর্ণাঢ্য এওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান

    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি :

    বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তন
    আজই অনুষ্ঠিত হলো ০৩-০৭-২৬ জুলাই, শুক্রবার ২০২৬ ইং
    নানা ক্যাটাগরিতে যে সকল সম্মাননা প্রদান করা হলো তা নিম্নরূপঃ
    ১। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি এওয়ার্ড।
    ২। “রত্নগর্ভা মা” সম্মাননা
    ৩। “গর্বিত আদর্শ পিতা” সম্মাননা
    ৪। “একান্নবর্তী সুখী পরিবার” সম্মাননা
    ৫। “সাদা মনের মানুষ” সম্মাননা
    ৬। আবৃত্তি সম্মাননা
    ৭। সেরা সংগঠক সম্মাননা
    ৮। “অনন্য মানবিক সংগঠন” সম্মাননা
    ৯। সেরা গীতিকার ও সুরকার সম্মাননা
    ১০। সাহিত্য সংস্কৃতিতে ঈর্ষণীয় অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ সম্মাননা।
    এবার এবার ২০২৬-এ আন্তর্জাতিক কবি ও গুণীজন সংবর্ধনা এবং বর্ণাঢ্য এওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে নওগাঁর ( থানা পত্নীতলা, পোস্ট গগনপুর খিরসীনের ) আলোচিত ,প্রতিবাদী, ও সাম্যের কবি গুলজার রহমান কে আজীবন সম্মাননা এওয়ার্ড প্রদান করেন, পিতা মৃত কছিমুদ্দিন ,মাতা মৃত মোসাঃ মোমেনা বেগমের পাঁচ সন্তানের তৃতীয় সন্তান, কবি গীতিকার সুরকার সংগঠক সম্পাদক সংগঠক সমাজসেবক মোঃ গুলজার রহমান।
    জানা যায় কবি গুলজার রহমান শৈশব থেকেই গান গজল ইসলাম সংগীত লেখতেন এবং সকন্ঠে পরিবেশন ও উপস্থাপন করতেন তিনি অতি সাধারণ গৃহস্থ ঘরের সন্তান পেশায় কৃষক ও চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত রেখেছেন ,অনেক কষ্ট, ক্লেশ ,বাঁধা অতিক্রম করে সত্য ও সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে ,ন্যায়ের পথে অবিচল থেকে সুদৃঢ় মনের পরিচয় দিয়ে বাংলা সাহিত্যের ঈশানিত্ব অবদান রেখে চলেছেন। আমরা সকলে তাঁর সর্বাঙ্গীন মঙ্গল করুন করছি।
    অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন কবি গবেষক ও সংগঠক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, চেয়ারম্যান আন্তর্জাতিক কবি পরিষদ।

  • নেত্রকোনায় আমার ‘আমার গ্রাম আমার শহর ‘প্রকল্পের ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ


    দূর্জয়- নেত্রকোনা : নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার ২নং সাহতা ইউনিয়নের ডেমুরা গ্রামে ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ প্রকল্পের আওতায় ৮৫৪৫৯১০/ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৯০টি টয়লেট নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার,অপর্যাপ্ত সিমেন্ট, ত্রুটিপূর্ণ ঢালাই এবং দুর্বল কাঠামোর কারণে উদ্বোধনের আগেই অনেক টয়লেটে ফাটল ও প্লাস্টার খসে পড়ার ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বেশ কয়েকটি টয়লেটের দেয়াল ও ঢালাইয়ের অংশ হাতের চাপেই ভেঙে পড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর বিটবালু ব্যবহার এবং প্রয়োজনের তুলনায় কম সিমেন্ট দেওয়ায় নির্মাণকাজ অত্যন্ত নিম্নমানের হয়েছে। অনেক উপকারভোগী বাধ্য হয়ে নিজেদের অর্থে অতিরিক্ত দুই থেকে তিন বস্তা সিমেন্ট কিনে দিলেও কাঙ্ক্ষিত মান নিশ্চিত হয়নি। ডেমুরা গ্রামের উপকারভোগী রফিকুল ইসলাম জানান, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে নিজের টাকায় সিমেন্ট কিনে দিতে হয়েছে। এরপরও নির্মাণকাজ সন্তোষজনক হয়নি।

    স্থানীয় বাসিন্দা শামসুজ্জামান কানন বলেন, এলাকার প্রায় সব টয়লেটের কাজই নিম্নমানের হয়েছে। উদ্বোধনের আগেই অনেকগুলোতে ফাটল দেখা দিয়েছে। আমরা বারবার আপত্তি জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। অভিযোগ রয়েছে, টয়লেটের পিলারে রডের খাঁচা তৈরির পরিবর্তে কোথাও একটি মাত্র রড ব্যবহার করা হয়েছে। আবার কোথাও জিআই তার ব্যবহার করে দায়সারা কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া নিম্নমানের কাঠ ও অল্প টিন ব্যবহারের কারণে অনেক টয়লেটের ছাউনি দিয়ে শুরু থেকেই পানি পড়ছে।

    ভুক্তভোগীদের দাবি, একটি টয়লেটের দরজা ও ছাউনি নির্মাণের জন্য স্থানীয় কাঠমিস্ত্রিকে মাত্র ৪৫০ টাকা দেওয়া হচ্ছে। এত অল্প বরাদ্দে মানসম্মত কাজ করা সম্ভব নয় বলেও তারা অভিযোগ করেন।
    স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কার্যকর তদারকির অভাবেই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে সরকারি অর্থের অপচয় করছে। প্রকল্পটি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনও অনেক উপকারভোগীর বাড়িতে নির্মাণসামগ্রী পর্যন্ত পৌঁছেনি। এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. বিদ্যুৎ মিয়া বলেন, আমরা সর্বাবস্থায় কাজের তদারকি করছি। অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই। তবে অন্যদিকে স্থানীয়দের প্রশ্ন, যদি যথাযথ তদারকি থেকেই থাকে, তাহলে উদ্বোধনের আগেই কেন টয়লেটগুলোতে ফাটল ধরছে এবং প্লাস্টার খসে পড়ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের ভাষ্য, গরিব মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন এই প্রকল্পের প্রকৃত উপকারভোগীরাই।