

লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:
জুলাই আন্দোলন ছিল না কোনো হঠাৎ বিস্ফোরণ — এটি ছিল সংগঠিত, পরিকল্পিত এবং নেতৃত্বনির্ভর একটি গণঅভ্যুত্থান।
এই আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের দিক নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রামের গর্ব, চট্টলার গণমানুষের অবিচল অভিভাবক, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল ভাই।
সাথে ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ ভাই, যিনি মাঠের নেতৃত্বে ছিলেন নির্ভীক।
মীর হেলাল ভাই শুধু আন্দোলনের ‘রোডম্যাপ’ দেননি —
আমাদের প্রতিটি ব্লকেড, মিছিল, অবস্থান কর্মসূচি, এমনকি কোথা থেকে বের হবো, কোথায় নিরাপদে যাবো —
সব সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে।
তিনি ছিলেন মাঠে নেমে যোদ্ধাদের ছায়া, আর দূর থেকে সার্বক্ষণিক অভিভাবক।
এই আন্দোলনে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আমাদের সমন্বয় করিয়ে দিয়েছেন তিনিই।
তারেক রহমানের নির্দেশনা যে আগুন হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে তৃণমূলে, তা মীর হেলাল ভাইয়ের হাত ধরেই সম্ভব হয়েছে।
যখন অনেক নেতা নিজেদের নিরাপত্তায় মোবাইল বন্ধ করে দূরে সরে গেছেন,
তখন মীর হেলাল ভাই আমাদের খোঁজ রেখেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন, সাহস দিয়েছেন — এমনকি আর্থিক সহায়তাও করেছেন।
আমার নিরাপরাধ ছোট ভাই আমার কারণেই অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে আওয়ামী রক্ষীবাহিনীর হাতে
আমার পরিবার ঘরছাড়া হয়েছিলো —
কিন্তু সেই দুর্যোগে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন একজন —
মীর হেলাল ভাই।
তিনি ছিলেন কেবল নেতা নন,
তিনি ছিলেন আমাদের যুদ্ধে আগুন জ্বালানো বাতিঘর।