আশুলিয়া সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ছয়জনকে রাষ্ট্রীয় ক্ষতিকারক ব্যক্তি ঘোষণা সনদ স্থগিত, অফিসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

আলমাস হোসাইন : ঢাকা জেলা প্রতিনিধি
আশুলিয়া সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ছয়জন সনদধারীকে রাষ্ট্রীয় ক্ষতিকারক ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে তাঁদের সনদের কার্যকারিতা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে এবং অফিস প্রাঙ্গণে প্রবেশে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

সোমবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে আশুলিয়া সাবরেজিস্ট্রি অফিস থেকে জারি করা এক অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উল্লিখিত ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রীয় স্বার্থবিরোধী এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলাবিরোধী হওয়ায় এ কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

স্থগিতকৃত সনদধারীরা হলেন— মো. আলমগীর হোসেন (সনদ নং–১০৮, সাভার), মো. মোতালেব হোসেন (সনদ নং–৪১২, সাভার), অনিক হাসান দিলবর (সনদ নং–৪১৮, সাভার), মো. রেজাউল করিম (সনদ নং–২০৭, সাভার), মো. ফজলুর রহমান (সনদ নং–১৩৮, সাভার) এবং মো. মনসুর রহমান (সনদ নং–১৫, আশুলিয়া)।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্রীয় স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁদের অফিসে প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

প্রয়োজনে তাঁদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

একাধিক সূত্র জানায়, সম্প্রতি রেজিস্ট্রি সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি তদন্তে আসে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে রাষ্ট্রীয় স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়ার পরই এই কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রের ক্ষতি হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ড বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আশুলিয়া সাবরেজিস্ট্রি অফিসের পরিবেশ সুশৃঙ্খল রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

এদিকে এই সিদ্ধান্তে এলাকাজুড়ে আলোচনার ঝড় বইছে। স্থানীয়রা প্রশাসনের এমন পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, এতে রেজিস্ট্রি অফিসে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে।

শেষ কথা:
রাষ্ট্রীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া সাবরেজিস্ট্রি অফিসের এমন কঠোর পদক্ষেপ প্রশাসনিক স্বচ্ছতার নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.