Category: অর্থ ও বাণিজ্য

  • টেন্ডার অনিয়ম, ঘুষ, অর্থ আত্মসাৎ ও নারী সহকর্মী হয়রানির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

    টেন্ডার অনিয়ম, ঘুষ, অর্থ আত্মসাৎ ও নারী সহকর্মী হয়রানির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

    স্টাফ রিপোর্টার:

    গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, টেন্ডার অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ এবং নারী সহকর্মীদের হয়রানির অভিযোগ এনে তার অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩০ জুন) বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্প, ইজারা কার্যক্রম ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম-দুর্নীতি চলে আসছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

    বক্তাদের অভিযোগ

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বরমী-বরামা-সিংহশ্রী-রায়েদ খেয়াঘাট ইজারা কার্যক্রমে ঘুষ গ্রহণ ও টেন্ডার অনিয়ম, জেলা পরিষদের প্রায় ৬২ কোটি টাকার এফডিআর (ফিক্সড ডিপোজিট) ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়নে ঘুষ গ্রহণ, ঠিকাদারি বিল থেকে ৬ শতাংশ হারে অবৈধ অর্থ আদায় এবং নারী সহকর্মীদের যৌন হয়রানির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

    বক্তারা বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন একাধিক অভিযোগ ওঠার পরও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তারা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

    আগেই দেওয়া হয়েছে লিখিত অভিযোগ

    এর আগে একই অভিযোগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়। গত ১৭ জুন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বাসিন্দা তফিজ ওই অভিযোগ দাখিল করেন।

    লিখিত অভিযোগে বলা হয়, জেলা পরিষদের এফডিআর ভেঙে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন ছাড়াই অর্থ উত্তোলন, বেয়ারার চেকের মাধ্যমে অর্থ বিতরণ, ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়নে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, সরকারি সম্পত্তি ইজারায় অনিয়ম এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি অর্থের অপব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে।

    এছাড়া গাজীপুর চৌরাস্তার নাওজোর এলাকার দোকান, ইসলামপুর ভাঙা ব্রিজসংলগ্ন জেলা পরিষদের জমি, কালিয়াকৈর ডাকবাংলা এলাকার কাঠবাজার এবং কাপাসিয়ার বিভিন্ন সরকারি সম্পত্তি ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিধি অনুসরণ না করে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও উত্থাপন করা হয়।

    অভিযোগে আরও বলা হয়, সরকারি বাসভবনে ওঠার কয়েক মাসের মধ্যেই টেন্ডার ছাড়াই ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কয়েকটি খেয়াঘাট ইজারায় সর্বোচ্চ দরদাতাকে বঞ্চিত করে পুনঃপুন দরপত্র আহ্বান, সিডিউল বিক্রয়ে বাধা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে টেন্ডার বাতিল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

    স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির কোনো স্থান নেই। সরকারের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি বাস্তবায়নের স্বার্থে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

    এ সময় গাজীপুর জেলা পরিষদে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

    উপস্থিত ছিলেন

    মানববন্ধনে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন আকাশ, সাংবাদিক এইচ. এম. হাকিম, আনজার শাহ, আবুল বাসার মজুমদার, ইসলাম উদ্দিন তালুকদারসহ সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • দাউদকান্দি উপজেলায় জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৫ অনুষ্ঠিত।

    দাউদকান্দি উপজেলায় জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৫ অনুষ্ঠিত।

    দাউদকান্দি উপজেলায় জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৫ অনুষ্ঠিত।

    রিপোর্টার কুমিল্লা।

    কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলায় ৫৪ তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৫ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় সাম্য ও সমতায় দেশ গড়বে সমবায় এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে ৫৪ তম সমবায় দিবস উপলক্ষে সারা দেশের ন্যায় দাউদকান্দি উপজেলায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার বেলা ১১ টার দিকে জেলা প্রশাসন ও সমবায় বিভাগের আয়োজনে দাউদকান্দি উপজেলা সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আলোচনা সভায় দাউদকান্দি উপজেলা সমবায় অফিসার আলমগীর হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনা করেন মনির উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক ধানসিড়ি সমবায় সমিতি।

    প্রধান অতিথি ছিলেন জনাবা নাসরিন আক্তার দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি জনাব রেদয়ান ইসলাম, জনাব গোলাম মহিউদ্দিন মাহমুদ তালুকদার সভাপতি দাউদকান্দি উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি ।

    আরো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন ধানসিড়ি সমবায় সমিতি সভাপতি রেহানা আক্তার ক্লাসিক বহুমুখী সমবায় সমিতি , জামাল উদ্দিন সদস্য ধানসিড়ি সমবায় সমিতি , মোহাম্মদ সালাউদ্দিন টাক্টর মালিক সমবায় সমিতি , দাউদাউকান্দি ১৫টি উপজেলার বিভিন্ন সমবায় সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও শতাধিক সদস্যগন ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় বক্তারা বলেন , সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। ‘বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার সমবায় খাতকে আধুনিক ও গতিশীল করতে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। কৃষি, মৎস্য, পশুপালন, সঞ্চয় ও ঋণদান এবং কুটিরশিল্প প্রভৃতি ক্ষেত্রে সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলে ব্যক্ত করেন।

  • ‘কোরবানির পশুর চামড়ার দাম বাড়বে, মূল্য নির্ধারণ বৃহস্পতিবার

    ‘কোরবানির পশুর চামড়ার দাম বাড়বে, মূল্য নির্ধারণ বৃহস্পতিবার

    নিজস্ব প্রতিনিধি: বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, চামড়ার সঠিক ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে গত বছরের চেয়ে এ বছর কোরবানির পশুর চামড়ার দাম বেশি নির্ধারণ করা হবে।

    বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

    বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, চামড়ার সঠিক ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে গত বছরের চেয়ে এ বছর কোরবানির পশুর চামড়ার দাম বেশি নির্ধারণ করা হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার চামড়ার মূল্য নির্ধারণী সভায় মূল্য চূড়ান্ত করা হবে।

    তিনি বলেন, চামড়া মজুত কিংবা ব্যবস্থাপনায় কোনোভাবেই যাতে সিন্ডিকেট কাজ করতে না পারে সে জন্য তৎপর রয়েছে সরকার। এ বছর চামড়ার সঠিক ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে এতিমখানা এবং মাদ্রাসায় বিনামূল্যে লবণ সরবরাহ করা হবে।

    বিডি প্রতিদিন/কেএ;

  • ঋণের কিস্তির অর্থ ছাড়ের আগে সংস্কার পদক্ষেপ, ঢাকা সফরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রতিনিধি দল আইএমএফ

    ঋণের কিস্তির অর্থ ছাড়ের আগে সংস্কার পদক্ষেপ, ঢাকা সফরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রতিনিধি দল আইএমএফ

    অর্থনীতি ডেস্ক: ঋণের কিস্তির অর্থ ছাড়ের আগে সংস্কার পদক্ষেপ দেখতে চলতি মাসেই ঢাকায় সফর করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের একটি প্রতিনিধি দল (আইএমএফ)। সফরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), অর্থ মন্ত্রনালয়সহ কয়েকটি দফতরে গিয়ে সংস্কার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে দলটি।

    তবে অভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধিতে আশানুরুপ ফল না মেলায় এই ঋণদাতা সংস্থার মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। ঋণের শর্ত অনুযায়ী, চলতি অর্থ বছরের শেষ তিন মাসে দুই লাখ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় করতে হবে। তাছাড়া, আগামী অর্থবছরে বাড়তি ৫৭ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় করতে হবে। এতে অভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধিতে বেশি চাপ তৈরি হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আইএমএফ’র এই চাওয়া কি বাস্তবসম্মত?

    অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, কিছু ক্ষেত্রে আইএমফের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিৎ। তবে কিন্তু রাজস্ব ও জ্বালানির ভর্তুকির ক্ষেত্রে সংস্থাটির অবস্থানের পরিবর্তন দরকার। কারণ বাস্তবতার সাথে এটির মিল নেই। বিষয়টি নিয়ে সংস্থাটির সাথে আলোচনা প্রয়োজন।

    আইএমএফ বাংলাদেশের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কার্যক্রম চলমান রেখেছে। এরইমধ্যে তিনটি কিম্তির অর্থ ছাড় হয়েছে। তবে বাকি অর্থ ছাড় করতে দফায় দফায় শর্ত দেয়া হচ্ছে। শর্ত পরিপালনে ব্যর্থ হলে চতুর্থ কিস্তির অর্থ ছাড় আটকে যাবে। ফলে সংস্থাটির পরামর্শে অর্থবছরের মাঝপথে এসে ঢালাও শুল্ক বাড়ায় অন্তর্বর্তী সরকার।

    বিআইআইসিস গবেষণা পরিচালক ড. মাহফুজ কবীর বলেছেন, এই মূহুর্তে জনগণের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপানো হলে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে। এমনটা হলে অর্থনীতিতে বিশৃংখলা তৈরি হবে। এর দায়ভার তো সংস্থাটি নেবে না। বিষয়টি আইএমএফকে বোঝাতে হবে।

    বলা হচ্ছে ভর্তুকি পুরোপুরি তুলে নেয়া সম্ভব না। উন্নত দেশগুলোও জনগণের স্বার্থে ভর্তুকি চালু রেখেছে।

    ড. মাহফুজ কবীর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভর্তুকি দিয়ে থাকে। তারা কখনো ভর্তুকি প্রত্যাহার করেনি। বাংলাদেশের ওপর জোর করে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে দেখা যাচ্ছে। দেশ একটি ক্রান্তিকাল পার করছে। এমন পরিস্থিতিতে সংস্থাটির বাংলাদেশের পাশে থাকা উচিৎ। তাদের পরামর্শগুলো মানা যাবে, তবে এখন নয়।

    এদিকে, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ স্বস্তিদায়ক হওয়ায় ঋণের অর্থছাড় নিয়ে সরকার চিন্তিত নয়। তবে এই ঋণ ছাড়ের ওপর অন্য সংস্থাগুলো থেকে ঋণ প্রাপ্তি নির্ভর করছে।

     

    ;

  •   সপ্তাহের ব্যবধানে হিলিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা

      সপ্তাহের ব্যবধানে হিলিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা

    অর্থনীতি ডেস্ক:  সপ্তাহের ব্যবধানে হিলিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের ক্রেতারা। দোকানিরা জানিয়েছেন, একদিকে আমদানি বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে, স্থানীয় পর্যায়ে সরবরাহ কমেছে। আর এর প্রভাবেই বাড়ছে দাম।

    এক সপ্তাহ আগেও দেশি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হলেও এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫ টাকায়। হঠাৎ করে দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের ক্রেতারা।

    দোকানিরা বলছেন, পেঁয়াজের মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় সরবরাহ কমেছে। আর এর প্রভাব পড়েছে হিলি বাজারেও। কিছুদিন আগেও মোকামে প্রতিদিন ৩ থেকে ৫ ট্রাক পেঁয়াজ পাওয়া গেলেও এখন আসছে এক থেকে দুই ট্রাক।

    গেল সপ্তাহে, মোকামে প্রতিমণ পেঁয়াজ ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন হচ্ছে ১৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায়। পাইকাররা বলছেন, ভারত থেকে আমদানি শুরু হলে দাম আবারও কমে আসবে।

    স্থানীয় বাজারে পেয়াজের দর কমে আসায় ব্যবসায়ীরা আমদানি করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে।;

  • লিটারপ্রতি সয়াবিন তেলের দাম ১৪ টাকা বাড়িয়ে ১৮৯ টাকা নির্ধারণ

    লিটারপ্রতি সয়াবিন তেলের দাম ১৪ টাকা বাড়িয়ে ১৮৯ টাকা নির্ধারণ

    অর্থনীতি ডেস্ক: লিটারপ্রতি সয়াবিন তেলের দাম ১৪ টাকা বাড়িয়ে ১৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) ভোজ্যতেলের আমদানি ও সরবরাহসহ সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

    এর আগে, গত ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৪ টাকা বাড়িয়েছেন ভোজ্যতেল মিলমালিকেরা। এর ফলে বোতলজাত এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম হবে ১৮৯ টাকা, যা আগে ১৭৫ টাকা ছিল। ব্যবসায়ীদের এই ঘোষণা সরকারও মেনে নিয়েছে।

    নতুন ঘোষণা অনুসারে পাঁচ লিটার সয়াবিন তেলের বোতলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯২২ টাকা, যা আগে ছিল ৮৫২ টাকা।

    বোতলজাত তেলের পাশাপাশি খোলা সয়াবিন ও পাম অয়েলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ১৬৯ টাকা, যা আগে ছিল ১৫৭ টাকা।

    এর আগে, গত বছরের ৯ ডিসেম্বর সর্বশেষ বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন লিটারপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয় ১৭৫ টাকা।

    দাম বৃদ্ধির বিষয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজার ও ট্যারিফ কমিশনের ফর্মুলার ভিত্তিতে দেশের বাজারে বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, আমাদের ফর্মুলা অনুযায়ী তেলের দাম এসেছে প্রায় ১৯৭ টাকা। কিন্তু আমরা শিল্পের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের বোতলের দাম ১৮৯ টাকা নির্ধারণ করেছি। খোলা বাজারের ক্ষেত্রে এই দাম লিটারে ২০ টাকা কম।

    তবে, তিনি আশা করেন যে সরকার শিগগিরই আবার তেলের দাম কমিয়ে আনতে পারবে।

    করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) ভোজ্যতেলের আমদানি ও সরবরাহসহ সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

    এর আগে, গত ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৪ টাকা বাড়িয়েছেন ভোজ্যতেল মিলমালিকেরা। এর ফলে বোতলজাত এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম হবে ১৮৯ টাকা, যা আগে ১৭৫ টাকা ছিল। ব্যবসায়ীদের এই ঘোষণা সরকারও মেনে নিয়েছে।

    নতুন ঘোষণা অনুসারে পাঁচ লিটার সয়াবিন তেলের বোতলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯২২ টাকা, যা আগে ছিল ৮৫২ টাকা।

    বোতলজাত তেলের পাশাপাশি খোলা সয়াবিন ও পাম অয়েলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ১৬৯ টাকা, যা আগে ছিল ১৫৭ টাকা।

    এর আগে, গত বছরের ৯ ডিসেম্বর সর্বশেষ বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল। তখন লিটারপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয় ১৭৫ টাকা।

    দাম বৃদ্ধির বিষয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজার ও ট্যারিফ কমিশনের ফর্মুলার ভিত্তিতে দেশের বাজারে বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, আমাদের ফর্মুলা অনুযায়ী তেলের দাম এসেছে প্রায় ১৯৭ টাকা। কিন্তু আমরা শিল্পের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের বোতলের দাম ১৮৯ টাকা নির্ধারণ করেছি। খোলা বাজারের ক্ষেত্রে এই দাম লিটারে ২০ টাকা কম।

    তবে, তিনি আশা করেন যে সরকার শিগগিরই আবার তেলের দাম কমিয়ে আনতে পারবে।;

  • জৌলুস হারাচ্ছে তবুও রেওয়াজ ধরে রাখতে স্বর্ণের দোকানে চলছে হালখাতা উৎসব

    জৌলুস হারাচ্ছে তবুও রেওয়াজ ধরে রাখতে স্বর্ণের দোকানে চলছে হালখাতা উৎসব

    অর্থনীতি ডেস্ক: জৌলুস হারাচ্ছে হালখাতার আয়োজন। এখন আর গহনার দোকানে আগের মতো দেনাদার গ্রাহক নেই। ‘নগদ যা পাও হাত পেতে নাও, বাকির খাতা শুন্য থাক’— ওমর খৈয়ামের সেই কালজয়ী পঙক্তির চাক্ষুষ প্রমাণ মিলবে বায়তুল মোকাররমের কিছু স্বর্ণের দোকানে।

    তারপরও নববর্ষের রেওয়াজ ধরে রাখতে রাজধানীর অনেক স্বর্ণের দোকানে চলছে হালখাতা উৎসব। তবে এইক্ষেত্রেও কমেছে নিমন্ত্রণের ব্যপ্তি।

    ব্যবসায়ীরা জানালেন, চড়া দামের কারণে এখন বকেয়া রাখাই দায়। তারপরও গ্রাহক এলে আপ্যায়ন করা হচ্ছে। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে দোকানগুলোতে সাজসাজ রব।

    আজ নতুন বাংলা বর্ষের দিন বিভিন্ন স্বর্ণের দোকানে গিয়ে দেখা যায়, হালখাতার যুগ পেরিয়ে এখন সব হিসাব ডিজিটাল হলেও দোকানের অ্যাকাউনট্যান্ট বা ‘সরকার’-দের অনেকেই এখনও আগের অভ্যাস ছাড়তে পারেননি। তাই খাতায় লিখেই চলছে দেনা-পাওনার অঙ্ক। সবাই যে বকেয়া ফেরত দিতে আসছেন তা নয়। কেউ খুঁজছেন নতুন গহনা, কেউ-বা শুধুই আতিথিয়তার খোঁজে। অনেকে আবার টাকা দিয়ে ছুটিয়ে নিচ্ছেন বন্ধক রাখা গহনা। আর এসবই চলছে মিষ্টি, ফল আর উপহারের আপ্যায়নে।

    উৎসবের আমেজ মিলবছে রাজধানীর মিষ্টির দোকানেও। নববর্ষ উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই এখানে বেচাকেনার চাপ। পরিবার, স্বজন বা বন্ধুদের জন্য নানা রঙ আর স্বাদের মিষ্টি কিনছেন গ্রাহকরা। এর বাইরে করপোরেট অর্ডারের চাপও কম না।

    গতানুগতিক মিষ্টির বাইরে, বাঙালিয়ানাকে মাথায় রেখে নতুন ধরনের সন্দেশ আর ছানা হাজির করেছে কিছু প্রতিষ্ঠান। তাতে উঠে এসেছে মাছ কিংবা পাখির অবয়ব। বিশেষ প্যাকেট বা ডালায় সাজিয়ে ক্রেতাদের দেয়া হচ্ছে এসব মিষ্টি। যদিও বিশেষ পণ্যের দাম নিয়ে আপত্তি আছে ক্রেতাদের।

    পরিসংখ্যান বলছে, বৈশাখের বিকিকিনি মিলিয়ে প্রতি বছর হাতবদল হয় ৫ হাজার কোটি টাকা।;

  • ভাগ হচ্ছে এনবিআর, কার্যক্রম শুরু জুলাইয়ে

    ভাগ হচ্ছে এনবিআর, কার্যক্রম শুরু জুলাইয়ে

    কর-জিডিপির অনুপাতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোরে মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় বাংলাদেশ। নানা উদ্যোগ নেয়ার পরও বাড়ছে না কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব।

    অভ্যন্তরীণ আয় বাড়াতে পরিবর্তিত এই সময়ে সংস্কারের উদ্যোগ হাতে নিয়েছে সরকার। ভেঙে ফেলা হচ্ছে অর্ধশত বছরের পুরনো এনবিআর। রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে কার্যক্রম শুরু করবে দুইটি নতুন বিভাগ।

    এক্ষেত্রে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তাদের কাজের মধ্যে থাকবে রাজস্ব আদায়, বদলি-পদায়ন, বাজেট ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব সংক্রান্ত আইনের প্রয়োগ। বদলি ও পদায়ন, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা-ও। এই পৃথকীকরণের সিদ্ধান্ত কার্যকরে এখন চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি।

    এনবিআর এর সাবেক চেয়ারম্যান ও সংস্থাটির সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. নাসিরউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, রাজস্ব নীতি ও প্রশাসন একজায়গায় থাকলে সিদ্ধান্তগুলো বোঝাপড়ার মাধ্যমে হয়। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ রাজস্ব বিভাগে পুনর্গঠিত বা এ রকম কিছু একটা হবে। তবে ট্যাক্স বা কাস্টমস ব্যাকগ্রাউন্ডের লোকজনই সেখানে কাজ করবে।

    অন্যদিকে, রাজস্ব নীতি বিভাগ মূলত নীতি প্রণয়নে কাজ করবে। আয়কর, ভ্রমণ কর, দানকর, সম্পদ কর, কাস্টমস ডিউটি, আবগারি শুল্ক, সারচার্য এবং শুল্ক কর আরোপ ও অব্যাহতি সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবে এই বিভাগ।

    এমন সিদ্ধান্তে সুফল মিলবে বলে মনে করেন ড. নাসিরউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, একই ব্যক্তি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব এটিই মূল সমস্যা। তারা স্বাধীনভাবে আলাদা কাজ করবে। এমনকি তারা মন্ত্রণালয় বা এনবিআরে বসবে না। একইসাথে এনবিআরকে ডিপার্টমেন্ট থেকে কীভাবে ডিভিশন করা যায় সেটি নিয়ে কাজ হচ্ছে। এজন্য সক্ষমতা বাড়ানো, প্রশিক্ষণ ও গবেষণার ওপর জোর দেয়া হয়েছে।

    রাজস্ব বিভাগ সংস্কারে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে নানা সময়ে পরামর্শ আসে। বলা হয়, যারা কর দেয়, তাদের ঘাড়েই চাপানো হয় করের বোঝা।

    ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন বলেন, আমরা যে হয়রানির মধ্যে পড়ি তা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে বলে আশা করছি। কারণ, নীতিটি স্বচ্ছ থাকলে প্রয়োগকারীরা তা করতে বাধ্য থাকবে। সেক্ষেত্রে কোনো অন্যায় হলে কথা বলার সুযোগ থাকবে।

    ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ পুনঃপরিবর্তন করে পুনর্গঠন হবে এনবিআর। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী জুলাইয়ে শুরু হবে দুই বিভাগের যাত্রা।;

  • বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৩.৯ শতাংশ: এডিবির

    অর্থনীতি  ডেস্ক:  চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৩ দশমিক ৯ শতাংশ বাড়বে বলে জানিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। দক্ষিণ এশিয়ার গড় প্রবৃদ্ধির অনুমানের তুলনায় যা অনেক কম। দক্ষিণ এশিয়ায় গড়ে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে এডিবি।

    বুধবার (৯ এপ্রিল) প্রকাশিত এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক প্রতিবেদনে এডিবি এশিয়ান দেশগুলোর প্রবৃদ্ধির ২০২৫ এবং ২০২৬ সালের পূর্বাভাস দিয়েছে। বাংলাদেশ আগামী অর্থবছরে (২০২৫-২৬) জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ১ শতাংশ হবে বলে অনুমান করেছে এডিবি।

    এডিবি এর আগে চলতি অর্থবছরের জন্য চার দশমিক তিন শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল। বাংলাদেশের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) জিডিপি প্রাক্কলনের কথা উল্লেখ করে এডিবির পূবাভাসের এপ্রিল সংস্করণে বলা হয়েছে, এ সময়ে অর্থনীতি ধীর গতিতে প্রসারিত হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, শ্রমিক বিক্ষোভ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি বাংলাদেশের অর্থনীতির সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব ফেলেছে। তবে উৎপাদন খাত স্থিতিশীল হওয়ায় পরবর্তী প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।;

  • মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৩৫ শতাংশে

    মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৩৫ শতাংশে

    অর্থনীতি ডেস্ক: মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৯দশ মিক ৩৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা এক মাস আগে ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে ২২ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি দেখতে পায় দেশ।

    আজ মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    বিশ্লেষণে দেখা যায়, মাসের ব্যবধানে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে ঊর্ধ্বমূখী মূল্যস্ফীতি। শহর ও গ্রামে একই চিত্র মিলেছে।

    মার্চে খাদ্য মূল্যস্ফীতি যেখানে ফেব্রুয়ারির ৯ দশমিক ২৪ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, সেখানে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি ফেব্রুয়ারির ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ হয়েছে।

    খাদ্য বহির্ভূত খাতে ফেব্রুয়ারিতেও মূল্যস্ফীতি বাড়ার তথ্য মিলেছিল। মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ, জানুয়ারিতে যা ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ ছিল।

    এদিকে, মার্চে শহরের খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ১৮ শতাংশ, যা ফেব্রুয়ারিতে ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ ছিল। অন্যদিকে, গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি মার্চে ছিল ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ।

    আর গ্রামে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি ফেব্রুয়ারির ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ থেকে বেড়ে মার্চে ৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ হয়েছে। শহরে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি ফেব্রুয়ারির ৯ দশমিক ২৭ শতাংশ থেকে বেড়ে মার্চে ৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ হয়েছে।;