Category: খেলাধুলা

  • বিশ্বনাথে পণ্ডিত ছিপত আলী মেমোরিয়াল স্কুলে বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ।

    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

    বিশ্বনাথ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পণ্ডিত ছিপত আলী মেমোরিয়াল স্কুলের বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানটি বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে স্কুল প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
    বৃক্ষপ্রেমিক আব্দুল গফ্ফার উমরা মিয়ার সভাপতিত্বে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান অমির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. লুৎফুর রহমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের সকলকে পড়ালেখার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজেদের পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ক্রিড়া চর্চা শিক্ষার্থীদের মন ও শরীর গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।’
    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোপাল চন্দ্র সূত্রধর, বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজীদয়াল উদ্দিন তালুকদার, বিএডিসির কর্মকর্তা নাজমুল হক।
    এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষানুরাগী আব্দুল মান্নান রিপন, জাহাঙ্গ

  • টেন্ডার অনিয়ম, ঘুষ, অর্থ আত্মসাৎ ও নারী সহকর্মী হয়রানির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

    টেন্ডার অনিয়ম, ঘুষ, অর্থ আত্মসাৎ ও নারী সহকর্মী হয়রানির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

    স্টাফ রিপোর্টার:

    গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, টেন্ডার অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ এবং নারী সহকর্মীদের হয়রানির অভিযোগ এনে তার অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩০ জুন) বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্প, ইজারা কার্যক্রম ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম-দুর্নীতি চলে আসছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

    বক্তাদের অভিযোগ

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বরমী-বরামা-সিংহশ্রী-রায়েদ খেয়াঘাট ইজারা কার্যক্রমে ঘুষ গ্রহণ ও টেন্ডার অনিয়ম, জেলা পরিষদের প্রায় ৬২ কোটি টাকার এফডিআর (ফিক্সড ডিপোজিট) ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়নে ঘুষ গ্রহণ, ঠিকাদারি বিল থেকে ৬ শতাংশ হারে অবৈধ অর্থ আদায় এবং নারী সহকর্মীদের যৌন হয়রানির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

    বক্তারা বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন একাধিক অভিযোগ ওঠার পরও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তারা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

    আগেই দেওয়া হয়েছে লিখিত অভিযোগ

    এর আগে একই অভিযোগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়। গত ১৭ জুন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বাসিন্দা তফিজ ওই অভিযোগ দাখিল করেন।

    লিখিত অভিযোগে বলা হয়, জেলা পরিষদের এফডিআর ভেঙে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন ছাড়াই অর্থ উত্তোলন, বেয়ারার চেকের মাধ্যমে অর্থ বিতরণ, ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়নে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, সরকারি সম্পত্তি ইজারায় অনিয়ম এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি অর্থের অপব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে।

    এছাড়া গাজীপুর চৌরাস্তার নাওজোর এলাকার দোকান, ইসলামপুর ভাঙা ব্রিজসংলগ্ন জেলা পরিষদের জমি, কালিয়াকৈর ডাকবাংলা এলাকার কাঠবাজার এবং কাপাসিয়ার বিভিন্ন সরকারি সম্পত্তি ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিধি অনুসরণ না করে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও উত্থাপন করা হয়।

    অভিযোগে আরও বলা হয়, সরকারি বাসভবনে ওঠার কয়েক মাসের মধ্যেই টেন্ডার ছাড়াই ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কয়েকটি খেয়াঘাট ইজারায় সর্বোচ্চ দরদাতাকে বঞ্চিত করে পুনঃপুন দরপত্র আহ্বান, সিডিউল বিক্রয়ে বাধা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে টেন্ডার বাতিল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

    স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির কোনো স্থান নেই। সরকারের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি বাস্তবায়নের স্বার্থে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

    এ সময় গাজীপুর জেলা পরিষদে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

    উপস্থিত ছিলেন

    মানববন্ধনে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন আকাশ, সাংবাদিক এইচ. এম. হাকিম, আনজার শাহ, আবুল বাসার মজুমদার, ইসলাম উদ্দিন তালুকদারসহ সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সপ্তাহের ব্যবধানে সদরপুরে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বিশাল বর্ণাঢ্য র‌্যালি, ফুটবল উন্মাদনায় মুখর জনপদ

    ফরিদপুর প্রতিনিধি:
    ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিশ্ব ফুটবলের দুই জনপ্রিয় দল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের উদ্যোগে দুটি বিশাল বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ দুই আয়োজন ঘিরে পুরো উপজেলায় সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ এবং ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।

    গত ১৯ জুন শুক্রবার ব্রাজিল সমর্থকরা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করেন। সবুজ-হলুদ পতাকা, জার্সি, ব্যানার ও বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে বিপুলসংখ্যক সমর্থকের অংশগ্রহণে র‌্যালিটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

    এর ঠিক এক সপ্তাহ পর আজ শুক্রবার (২৬ জুন) আর্জেন্টিনা সমর্থকরা আগের আয়োজনকে ছাপিয়ে আরও ব্যতিক্রমধর্মী ও চমকপ্রদ র‌্যালির আয়োজন করেন। নীল-সাদা পতাকা, বিশালাকার ব্যানার, নানা সাজসজ্জা এবং বিপুলসংখ্যক সমর্থকের অংশগ্রহণে র‌্যালিটি এক উৎসবের রূপ নেয়।

    আর্জেন্টিনা সমর্থকদের দাবি, অংশগ্রহণকারী মানুষের সংখ্যা ও আয়োজনের দিক থেকে এটি দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সর্ববৃহৎ র‌্যালি। র‌্যালিতে বিভিন্ন বয়সী মানুষ, বিশেষ করে তরুণ ও কিশোরদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

    স্থানীয়দের মতে, বিশ্ব ফুটবলকে ঘিরে সদরপুরে এমন প্রাণবন্ত আয়োজন কেবল খেলাপ্রেমই নয়, সামাজিক সম্প্রীতি ও উৎসবমুখর সংস্কৃতিকেও নতুন মাত্রা দিয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে দুই দলের সমর্থকদের শান্তিপূর্ণ ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি এখন সদরপুরজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

  • ট্রাইব্রেকারের নাটকীয়তায় চ্যাম্পিয়ন মাইনীমু, রানার্সআপ খেদারমারা


    রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:
    দর্শকের উত্তেজনা আর শ্বাসরুদ্ধকর ট্রাইব্রেকারের মধ্য দিয়ে শেষ হলো “লংগদু জোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬”।

    রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে মাইনীমুখ ইউনিয়ন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।

    আজ শুক্রবার ( ২৬ জুন ২০২৬) লংগদু উপজেলা মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনালে মুখোমুখি হয় খেদারমারা ইউনিয়ন বনাম মাইনীমুখ ইউনিয়ন। নির্ধারিত সময়ের খেলায় দুই দলই গোলশূন্য ড্র করলে খেলা গড়ায় সরাসরি ট্রাইব্রেকারে।

    ট্রাইব্রেকারে ৩-২ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হয় “মাইনীমুখ ইউনিয়ন”। অন্যদিকে কঠিন লড়াই করে রানার্সআপের সম্মান নিয়ে মাঠ ছাড়ে খেদারমারা ইউনিয়ন।

    পুরস্কার বিতরণ:
    খেলা শেষে জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর মোর্শেদ পিএসসি

    তিনি চ্যাম্পিয়ন মাইনীমুখ ইউনিয়ন দলের হাতে নগদ ২৫,০০০/- টাকা ও চ্যাম্পিয়ন ট্রফি এবং রানার্সআপ খেদারমারা ইউনিয়ন দলের হাতে নগদ ১৫,০০০/- টাকা তুলে দেন।

    ব্যক্তিগত পুরস্কার:
    টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড় গোল্ডেন বল জিতেছেন খেদারমারা ইউনিয়নের অধিনায়ক খোকন চাকমা।
    -সর্বোচ্চ গোলদাতা টুর্নামেন্টে ৫টি গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছেন ঝন্টু দাস।

    প্রধান অতিথির বক্তব্য:
    প্রধান অতিথি বলেন, “যুব সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। খেলাধুলা মন ও শরীর উভয়কেই শক্তিশালী করে তোলে।”
    তিনি চ্যাম্পিয়ন দলকে অভিনন্দন ও রানার্সআপকে উৎসাহিত করেন।তিনি মাঠে উপস্থিত প্রায় তিন সহস্রাধিক দর্শকের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা জানান।

  • ব্রাজিলের জার্সিতে ফিরে কেমন খেললেন নেইমার


    চট্টগ্রাম লোহাগাড়া প্রতিনিধি:
    ব্রাজিলের জার্সিতে ফিরে কেমন করলেন নেইমার?
    মায়ামির রাতটা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জোড়া গোল আর ব্রাজিলের গ্রুপসেরা হওয়ার হলেও, আবেগের সবচেয়ে বড় মুহূর্তটি ছিল সেলেসাও রাজপূত্র নেইমারের মাঠে নামা। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের শেষ ভাগে বদলি হিসেবে নামেন ব্রাজিলের নম্বর ১০। প্রায় তিন বছর পর জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে ফিরলেন তিনি।ম্যাচ তখন ব্রাজিলের নিয়ন্ত্রণে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুই গোলের পর দ্বিতীয়ার্ধে মাতেউস কুনিয়া ব্যবধান ৩-০ করেছেন। এরপর ৭৬ মিনিটে কুনিয়ার বদলি হিসেবে নেইমারকে মাঠে নামান কার্লো আনচেলত্তি। স্টেডিয়ামে ব্রাজিল সমর্থকদের উচ্ছ্বাসেই বোঝা যাচ্ছিল, এই বদলি শুধু কৌশলগত ছিল না; এটি ছিল দীর্ঘ অপেক্ষার শেষ।

    নেইমার শেষবার ব্রাজিলের হয়ে খেলেছিলেন ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর, উরুগুয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে। সেই ম্যাচেই বাঁ হাঁটুতে গুরুতর চোট পান তিনি। এরপর অস্ত্রোপচার, পুনর্বাসন, নতুন করে শারীরিক সমস্যা, সব মিলিয়ে জাতীয় দলের বাইরে কেটে যায় ৯৮১ দিন।

    স্কটল্যান্ড ম্যাচে মাঠে নামার পর খুব বেশি সময় পাননি নেইমার। গোলও পাননি, বড় সুযোগও তৈরি করতে পারেননি। তবে তাঁর ফেরাটাই ছিল ব্রাজিলের জন্য বড় খবর। বল পেলে আক্রমণে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করেছেন, সতীর্থদের সঙ্গে বোঝাপড়া ফেরানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং ম্যাচের ছন্দে নিজেকে আবার মানিয়ে নেওয়ার প্রথম ধাপটা পেরিয়েছেন।

    এই ম্যাচের আরেকটি বড় গুরুত্ব আছে। বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে এটি ছিল নেইমারের ১৪তম ম্যাচ। এর ফলে বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলার সংখ্যায় পেলের পাশে বসেছেন তিনি। পেলে, গিলমার ও লিয়াওরও ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপে ১৪টি করে ম্যাচ আছে। এই তালিকায় সবার ওপরে কাফু, তাঁর ম্যাচ ২০টি।
    নেইমারের ফেরা তাই শুধু একটি বদলি নামার ঘটনা নয়। এটি চোটের দীর্ঘ অন্ধকার পেরিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে আসা। নকআউট পর্বের আগে ব্রাজিলের জন্য এটি নতুন স্বস্তি। ভিনিসিয়ুস এখন দারুণ ছন্দে, রায়ানও সুযোগ পেয়ে নজর কাড়ছেন। এর মধ্যে নেইমারের ফেরায় আনচেলত্তির হাতে আক্রমণে আরও একটি বড় বিকল্প তৈরি হলো।

    নেইমার পুরো ছন্দে ফিরেছেন, এমন দাবি এখনই করা যাবে না। তিনি কত মিনিট খেলতে পারবেন, নকআউটে তাঁর ভূমিকা কতটা বড় হবে, সেটি সময় বলবে। তবে স্কটল্যান্ড ম্যাচে মাঠে নামার মধ্য দিয়েই একটি বাধা পেরোলেন তিনি। ৯৮১ দিন পর ব্রাজিলের জার্সিতে ফেরা, আর ফিরেই পেলের পাশে বসা, নেইমারের জন্য রাতটা তাই স্মরণীয় হয়েই থাকল।

  • পত্নীতলা ও ধামইরহাটে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের আনন্দ রেলি ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর পত্নীতলা ও ধামইরহাট উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় আর্জেন্টিনার সমর্থকদের উদ্যোগে এক বিশাল আনন্দ রেলি ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা ও উন্মাদনা থেকে শত শত ফুটবলপ্রেমী দর্শক এই বর্ণাঢ্য আয়োজনে অংশ নেন।

    শোভাযাত্রাটি নজিপুর পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পত্নীতলা ও ধামইরহাটের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘুরে বেড়ায়। এ সময় সমর্থকদের পরনে ছিল আর্জেন্টিনার আকাশী-সাদা জার্সি, আর হাতে ছিল প্রিয় দলের পতাকা। মোটরসাইকেলের হর্ন, ভুভুজেলা বাঁশির আওয়াজ আর “আর্জেন্টিনা, আর্জেন্টিনা” স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

    স্থানীয় সমর্থকরা জানান, ফুটবলকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলে তরুণদের মাঝে এই উদ্দীপনা সত্যিই দারুণ। প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানাতে এবং নিজেদের মধ্যকার সৌহার্দ্য বাড়াতেই এই আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। কোনো রকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই অত্যন্ত উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই শোভাযাত্রাটি শেষ হয়।

    এই আনন্দ রেলিকে ঘিরে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

  • ধামইরহাটে দুই দিনব্যাপী আদিবাসী ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু

    ধামইরহাট নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাটে জগদল আদিবাসী ফুটবল একাদশের আয়োজনে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘আদীবাসী ফুটবল টুর্নামেন্ট’। ১২ ও ১৩ জুন স্থানীয় জগদল আদিবাসী স্কুল ও কলেজ মাঠে এই খেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    জগদল আদিবাসী স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ জনাব মো: ইলিয়াস আলমের সভাপতিত্বে টুর্নামেন্টটি উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মাথাই টুডু। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধামইরহাট উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মো: রুহুল আমিন।

    1. বিশেষ অতিথি হিসেবে স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পুরো টুর্নামেন্টটি পরিচালনা করছেন জগদল আদিবাসী ফুটবল একাদশের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মি. ফিলিমোন টুডু। খেলা দেখতে মাঠে স্থানীয় ক্রীড়ামোদীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
  • আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসায় ভ্যানকে বানিয়েছেন আলবিসেলেস্তে, এলাকায় মেসি নামেই পরিচিত সুমন

    মোঃ মানিক:

    ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরের দত্তপাড়া এলাকার আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারী সুমন গৌড় (৩৫) পেশায় একজন ভ্যানচালক। জীবিকার একমাত্র অবলম্বন ভ্যানগাড়িটি তিনি সাজিয়েছেন আর্জেন্টিনার জাতীয় পতাকার আদলে। শুধু তাই নয়, নিজের প্রিয় দল আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে তিনি কিনেছেন আর্জেন্টিনার জার্সি, এমনকি জার্সির সঙ্গে মিলিয়ে তৈরি করেছেন বিশেষ লুঙ্গিও।

    ফুটবলপ্রেমী সুমনের আর্জেন্টিনার প্রতি আবেগ ও ভালোবাসা এতটাই প্রবল যে, তিনি নিজ এলাকার এক নম্বর মোড়ে ২০ থেকে ২৫টি বড় আকারের আর্জেন্টিনার পতাকা টানিয়েছেন। বহু বছর ধরেই আর্জেন্টিনা দলের প্রতি তার এই ব্যতিক্রমী ভালোবাসা ও উন্মাদনার কারণে এলাকাবাসী তাকে ‘মেসি’ নামে ডাকতে শুরু করে। বর্তমানে সুমন গৌড়ের চেয়ে ‘মেসি সুমন’ নামেই তিনি বেশি পরিচিত।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিশ্বকাপ কিংবা বড় কোনো আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্ট এলেই সুমনের আর্জেন্টিনাপ্রীতি নতুন মাত্রা পায়। সীমিত আয়ের মধ্যেও তিনি নিজের সাধ্য অনুযায়ী প্রিয় দলের সমর্থনে নানা আয়োজন করে থাকেন।

    সুমনের স্ত্রী আড়তী গৌড় বলেন, “খেলা এলেই তিনি আর্জেন্টিনাকে ঘিরে নানা পরিকল্পনা শুরু করেন। অনেক বুঝিয়েছি, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। সংসারে অভাব থাকলেও তিনি নিজের ভালোবাসার দলের জন্য খরচ করতে পিছপা হন না। প্রথমদিকে বিষয়টি নিয়ে রাগ করলেও এখন আর কিছু বলি না।”

    সুমন গৌড় বলেন, “ছোটবেলা থেকেই আমি আর্জেন্টিনা দলের সমর্থক। আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসি আমার আবেগ, আমার ভালোবাসা। সেই ভালোবাসা থেকেই নিজের ভ্যানগাড়িকে আর্জেন্টিনার পতাকার রঙে সাজিয়েছি এবং এলাকায় পতাকা টানিয়েছি। এটি আমার ভালো লাগার জায়গা।”

    খরচের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, একটি এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে তিনি এসব আয়োজন করেছেন। ভ্যান সাজানো, জার্সি কেনা, পতাকা তৈরি ও অন্যান্য প্রস্তুতিসহ প্রায় ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

    স্থানীয়দের মতে, আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও প্রিয় দলের প্রতি সুমনের অগাধ ভালোবাসা ও আবেগ তাকে এলাকায় এক অনন্য পরিচিতি এনে দিয়েছে। ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তিনি এখন ‘মেসি সুমন’ নামেই পরিচিত একটি ব্যতিক্রমী চরিত্র।

  • কটিয়াদীতে বিশ্বকাপ ফুটবলের তুমুল উন্মাদনা পতাকা ও জার্সি বিক্রির ধুম

    কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:

    বিশ্বকাপ ফুটবলের আকাশছোঁয়া উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে।

    চলতি বছরের ১১ জুন পর্দা উঠতে যাচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই মহাযজ্ঞের। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ফুটবলপ্রেমীদের উৎসাহ-উদ্দীপনা। প্রিয় দলকে সমর্থন জানাতে ইতিমধ্যেই সমর্থকরা সংগ্রহ করছেন পছন্দের দলের জার্সি ও পতাকা।

    ​সরেজমিনে দেখা যায়, কটিয়াদী বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার ক্রীড়াসামগ্রীর দোকানগুলোতে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের পতাকা ও জার্সি বিক্রির হিড়িক পড়েছে। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, সৌদি আরব ও বাংলাদেশের পতাকা দোকানের সামনে সারিবদ্ধভাবে টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বাহারি রঙের পতাকা ও জার্সিতে সাজানো হয়েছে পুরো দোকান।

    ​ব্যবসায়ীরা জানান, বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই পতাকা ও জার্সি বিক্রি শুরু হয়েছে। বিশ্বকাপের সময় যত এগিয়ে আসছে, বেচাকেনাও তত বাড়ছে। বাজারে বিভিন্ন আকার ও মানের পতাকা এবং নান্দনিক ডিজাইনের জার্সি পাওয়া যাচ্ছে। মান ও প্রকারভেদে এগুলোর দামেও রয়েছে ভিন্নতা।

    ​স্থানীয় একটি দোকানের কর্মচারী ইব্রাহিম বলেন, “বিশ্বকাপ ফুটবলকে সামনে রেখে পতাকার চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। ফুটবলপ্রেমীরা পছন্দের দলের জার্সির খোঁজে আসছেন। টুর্নামেন্ট শুরু হতে আর মাত্র ৩ দিন বাকি থাকায় এখন বিক্রি একদম তুঙ্গে।

    ​স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীরা জানান, বিশ্বকাপকে ঘিরে কটিয়াদী উপজেলার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ইতিমধ্যেই উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। অনেকেই নিজেদের বাড়ি, দোকান ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রিয় দলের পতাকা টাঙানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে পছন্দের দল নিয়ে জমজমাট আলোচনা-সমালোচনা ও সমর্থনের তুমুল প্রচারণা।

    ​কটিয়াদী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে ভ্যানে করে জার্সি ও পতাকা বিক্রি করছিলেন আবদুল কাদির। তিনি জানান, বিশ্বকাপ এলেই তিনি এই ব্যবসায় নামেন। প্রায় দুই দশক ধরে এই মৌসুমি ব্যবসা করে আসছেন তিনি।

    ​আবদুল কাদির তাঁর পণ্যের দামের বিবরণ দিয়ে বলেন, তিনি ৩ ফুটের পতাকা ১০০ টাকা, ৫ ফুটের পতাকা ২৫০ টাকা এবং ১০ ফুটের বড় পতাকা ৮০০ টাকায় বিক্রি করছেন। এছাড়া ৫ ফুটের বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বিক্রি করছেন ১৫০ টাকায়।

    ​বেচাকেনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আবদুল কাদির বলেন, “ঈদের আগে বিক্রি বেশ ভালো ছিল। অনেকেই বাড়ি ফেরার সময় সন্তানদের জন্য জার্সি ও পতাকা কিনে নিয়ে গেছেন। এবার ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার পতাকা তুলনামূলক বেশি বিক্রি হচ্ছে। তবে গত বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার পতাকার চাহিদা ছিল আকাশচুম্বী।” খেলা শুরু হলে বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন এই বিক্রেতা। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পাশাপাশি স্পেন, পর্তুগাল, ফ্রান্স ও জার্মানির পতাকাও বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    ​এদিকে জার্সিতে নাম ও নম্বর লেখার কাজেও ব্যস্ততা বেড়েছে কারিগরদের। নাম লেখার কারিগর রিয়াদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, “সাধারণ জার্সিতে সাধারণ রঙ দিয়ে নাম লেখাতে ৫০ টাকা, সাদা স্টিকার দিয়ে ১০০ টাকা আর অফিশিয়াল জার্সিতে প্রিমিয়াম কোয়ালিটিতে নাম লেখাতে ১৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি নাম লেখা হচ্ছে আর্জেন্টিনার জার্সিতে। এরপরই রয়েছে ব্রাজিল ও পর্তুগালের অবস্থান।

    ​বোয়ালিয়া থেকে জার্সি কিনতে আসা ক্রেতা মনির হোসেন মাহিন ৮৫০ টাকা দিয়ে আর্জেন্টিনা দলের একটি জার্সি কিনেছেন। তিনি তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “বাজারে সবকিছুর দামই এখন বাড়তি। জার্সির দাম কিছুটা বেশি হলেও ভালোবাসার দলের জন্য তা মেনে নেওয়া যায়। তবে জার্সিতে নাম লেখানোর খরচটা তুলনামূলক একটু বেশি মনে হয়েছে।”

    ​সব মিলিয়ে কটিয়াদীতে এখন মাঠের ফুটবল শুরুর আগেই যেন উৎসবের রঙিন আমেজ পূর্ণতা পেয়েছে।

  • উজিরপুরে শহীদ জিয়া স্মৃতি টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

    উজিরপুরে শহীদ জিয়া স্মৃতি টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠি

    উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলায় ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল, মাদক ছেড়ে খেলতে চল এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপজেলা যুব সমাজের উদ্যোগে, বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম ও পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব জিন্নাত খান এর সঞ্চালনায় শহীদ জিয়া স্মৃতি T-20 ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    ৬ জুন শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উজিরপুর আলহাজ্ব বি এন খান ডিগ্রী কলেজ মাঠে, শহীদ জিয়া স্মৃতি T-20 ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলার শুভ উদ্ধোধন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি মহেশ্বর মন্ডল, এসময় উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম, উজিরপুর আলহাজ্ব বি এন খান ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান টুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সোহেল হাওলাদার।

     

    পৌর বিএনপির যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক মোস্তফা জামান সুমন বালী, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রিয়াজ মিয়া, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান লিখন, উপজেলা বিএনপির সদস্য বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ মনিরুজ্জামান সোহাগ, উপজেলা বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ আহমেদ সবুজ, উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি সোলাইমান খান হাইউম, উপজেলা ছাত্র দলের সাবেক সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম তোতন।

    পৌর যুবদলের যুগ্ন-আহবায়ক হাফিজুর রহমান, কালাম ফরাজী, ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ সেলিম হোসেন, ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন। টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে আছেন শফিকুল ইসলাম বাবু, রায়হানুল রানা, বায়জিদ হোসেন শাকিল, শাওন হোসেন, দীপ্ত দত্ত, আরাফাত হোসেন রাব্বি, শফিকুল ইসলাম রাব্বি, ইব্রাহিম ভুইয়া মিজান, সহ ছাত্রদল যুবদল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীবৃন্দ।

    ফাইনাল খেলায় উজিরপুর ইচলাদী একাদশ ও কোটালীপাড়া একাদশ অংশগ্রহণ করেন এবং ইচলাদী একাদশ বিজয় লাভ করেন। খেলা শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় সহকারী কমিশনার ভুমি মহেশ্বর মন্ডল বলেন তরুন ও যুব সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই, আমরা মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি, এই ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজন করে যুব সমাজকে মাদক থেকে দুরে রাখতে কাজ করতে হবে। এত সুন্দর আয়োজন করার জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করেন।