Category: বিনোদন

  • পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলামকে ঘিরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগের অভিযোগে মানববন্ধন

    পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলামকে ঘিরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগের অভিযোগে মানববন্ধন

    স্টাফ রিপোর্টার:

    মৌলভীবাজার জেলার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ মাঈদুল ইসলামকে ঘিরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে সরকারি চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের তদন্ত ও বিচারের দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির উদ্যোগে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে বক্তারা অভিযোগ করেন, মাঈদুল ইসলাম মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেলেও তার পরিবার বা পিতার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

    অভিযোগকারীদের দাবি, তার পিতার নামে কোনো বৈধ মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি বা গেজেট তালিকায় নাম পাওয়া যায়নি। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তালিকা যাচাই করেও তার পিতার নাম অনুপস্থিত রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

    মানববন্ধনে আরও বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা সনদে ব্যবহৃত ঠিকানা নিয়েও অসংগতি রয়েছে। অভিযোগকারীদের মতে, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।

    অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তাকে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের প্রমাণপত্র দেখাতে বলা হলে তিনি তা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন বলেও দাবি করা হয়।

    বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) থেকে প্রকাশিত নিয়োগ সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তরের “পরিদর্শক/ইন্সপেক্টর” পদে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তার নাম রয়েছে বলে অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেন।

    এ বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোঃ মাঈদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর কোনো মন্তব্য না করে বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং পরে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান বলে দাবি করা হয়।

    অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, তার শ্বশুরবাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার কাশিয়াগাড়ী গ্রামে অবস্থিত। একইসঙ্গে তার পিতার নামে ইস্যুকৃত মুক্তিযোদ্ধা সনদ (নং–১৯০৭০৪, তারিখ–১৯/০৫/২০১৩) অনুযায়ী ঠিকানা ধামশ্রেণী, উলিপুর, কুড়িগ্রাম উল্লেখ থাকলেও তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

    মানববন্ধনে বক্তারা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, সত্য উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আকাশ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক এইচ এম হাকিম, সাংবাদিক হাসান, সাংবাদিক টুটুল, সাংবাদিক সুমাইয়া, সাংবাদিক আব্দুর রহমান, মানবাধিকার কর্মী কালু পাটোয়ারী, সাংবাদিক পনির, সাংবাদিক আনজার শাহসহ অনেকে।

  • নূরে আলম অপু ও ফাতেমা আক্তার সেতুর পবিত্র বিবাহ সম্পন্ন

    নূরে আলম অপু ও ফাতেমা আক্তার সেতুর পবিত্র বিবাহ সম্পন্ন

    আলমাস হোসাইন: (ঢাকা) প্রতিনিধি

    ভালোবাসা, আনন্দ ও শুভ্রতার আবহে সম্পন্ন হলো নূরে আলম অপু ও ফাতেমা আক্তার সেতুর পবিত্র বিবাহ। শনিবার রাতে রাজধানীর মিরপুর গাবতলীর সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনভেনশন সেন্টার পরিণত হয়েছিল দুই পরিবারের মিলনমেলার এক বর্ণিল উৎসবে। ঝলমলে সাজসজ্জা, মনোরম আলোকসজ্জা এবং অতিথিদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে পুরো অনুষ্ঠানস্থল ছিল উৎসবমুখর পরিবেশে ভরপুর।

    বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে বর–কনের পরিবার, আত্মীয়–স্বজন, পাড়া–প্রতিবেশী এবং অসংখ্য বন্ধু-বান্ধব উপস্থিত হয়ে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান। অতিথিদের আনাগোনায় কনভেনশন সেন্টারের প্রতিটি কোণ যেন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

    বর নূরে আলম অপু—আশুলিয়ার গাজীচট এলাকার রওশন আলমের যোগ্য সন্তান। শান্ত, ভদ্র ও দায়িত্বশীল স্বভাবের জন্য তিনি সবার কাছে প্রশংসিত। অতিথিদের মন্তব্যেও ফুটে ওঠে তাঁর প্রতি আস্থা, অনুরাগ ও আশীর্বাদ।

    কনে ফাতেমা আক্তার সেতু—মিরপুর মাজার রোডের এসএম সিরাজের স্নেহের কন্যা। তাঁর কোমল স্বভাব, সৌম্য আচরণ ও হাসিখুশি উপস্থিতি পুরো অনুষ্ঠানে বাড়তি আকর্ষণ যোগ করে। সেতুর ভদ্রতা ও মধুর ব্যবহার সকলের মন ছুঁয়ে যায়।

    বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা জুড়ে দুই পরিবারের সদস্যরা আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উপহার বিনিময় করেন। অতিথিদের জন্য ছিল সুসজ্জিত এবং সুস্বাদু খাবারের আয়োজন, যা সবাই উপভোগ করে প্রশংসা করেন। বর–কনেকে ঘিরে ছবি তোলা, শুভেচ্ছা বিনিময় ও আনন্দ-উল্লাসে পুরো পরিবেশ আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

    নবদম্পতির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে দুই পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়—তাদের নতুন যাত্রা হোক শান্তি, ভালোবাসা ও সমৃদ্ধিতে পরিপূর্ণ। উপস্থিত অতিথিরাও অপু ও সেতুর দীর্ঘ, সুখী এবং সফল দাম্পত্য জীবনের আন্তরিক শুভকামনা জানান।

    হাসি–আনন্দে পরিপূর্ণ এ বিয়ের আয়োজন দুই পরিবারের মাঝে রেখে গেছে এক মধুর স্মৃতি—নতুন জীবনের রঙিন সূচনা।

  • বাংলাদেশে প্রথমবার এসেই আতিথিয়তায় মুগ্ধ শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়

    বাংলাদেশে প্রথমবার এসেই আতিথিয়তায় মুগ্ধ শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়

    বিনোদন ডেস্ক:  ওটিটি প্ল্যাটফর্মের টুকটাক যারা খোঁজ রাখেন, তাদের কাছে বেশ পরিচিত নাম নির্মাতা সৈয়দ আহমেদ শাওকী। ‘তাকদীর’ ও ‘কারাগার’-এর পর এবার তিনি হাজির হচ্ছেন আরেক সিরিজ ‘গুলমোহর’ নিয়ে। এরইমধ্যে কাস্টিংয়ের জন্যই সিরিজটি তুমুল আলোচনায়। কারণ সিরিজে অভিনয় করেছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়।

    চরকি’র সৌজন্যে অনলাইনে আড্ডার সুযোগ হয় শাশ্বতের সঙ্গে। তিনি বাংলাদেশে তার প্রথম আসার স্মৃতি তুলে ধরেন।

    বলেন, আকাশপথে ওপর দিয়ে বহুবার গিয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশে আসা হয়নি। প্রথমবার এসেই তিনি আতিথিয়তায় মুগ্ধ।

    শাশ্বত বলেন, এয়ারপোর্টে দু’জন কর্মকর্তা জিজ্ঞেস করেছিল, কেন এসেছেন। শ্যুটিংয়ের জন্য এসেছেন জানালে শুরুতে তারা নাকি বলেন, বাংলাদেশে ঢুকতে দেবে না। পরে বলেন, চা না খেলে বাংলাদেশে ঢুকতে দেবেন না। এমন আতিথিয়তা দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকেন বলে জানান তিনি।

    তিনি বলেন, একসময় কলকাতায় অ্যান্টেনায় বুস্টার লাগালে বাংলাদেশ টেলিভিশন দেখা যেত। তখন থেকে এদেশের টিভি নাটকের সঙ্গে পরিচয় তার। খুব ভালো ভালো নাটক হতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    জানা গেছে, ‘গুলমোহর’ সিরিজের গল্প শুনেই রাজি হয়ে যান কলকাতার এ অভিনেতা। যেটির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো দেশের কোনা কনটেন্টে দেখা যাবে শাশ্বতকে।;

  • ’অপারেশন সিন্দুর’ নিয়ে সিনেমা বানানোর ঘোষণা

    ’অপারেশন সিন্দুর’ নিয়ে সিনেমা বানানোর ঘোষণা

    বিনোদন ডেস্ক:  একদিকে চলছে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের দামামা; অন্যদিকে পাকিস্তানে ভারতের ‘অপারেশন সিন্দুর’ হামলা নিয়ে সিনেমা বানানোর দৌড়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বলিউডের নির্মাতারা। এই চলচ্চিত্রটি ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর একই নামের একটি বাস্তব অভিযানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হবে, যা ৬ ও ৭ মে স্থানীয় সময় মধ্যরাতে পরিচালিত হয়েছিল। শনিবার (১০ মে) এক প্রতিবেদনে দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি নিউজ এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, বলিউদের ১৫ টি প্রযোজনা সংস্থা ‘অপারেশন সিঁদুর’ নামটি রেজিস্টার করে। তার ৪৮ ঘণ্টা না কাটতেই যৌথ উদ্যোগে সিনেমার পোস্টার প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে দুই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান নিকি ভিকি ভাগনানি ফিল্মস এবং দ্য কন্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার।

    ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামে এই সিনেমার পরিচালনা করবেন উত্তম মাহেশ্বরী এবং নিতিন কুমার গুপ্তা। গত শুক্রবার (৯ মে) স্থানীয় সময় রাতে সিনেমার পোস্টার প্রকাশ করেন তারা।

    ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর পোস্টারে একজন নারী সৈনিকের পিঠ দিয়ে দাঁড়ানো একটি চোখে পড়ার মতো ছবি রয়েছে। তিনি ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় রাইফেল হাতে নিয়ে সিঁদুর পরতে দেখা যাচ্ছে। পটভূমিতে ট্যাংক, কাঁটাতারের বেড়া এবং ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া যুদ্ধবিমানের মতো চাক্ষুষ উপাদান রয়েছে। পোস্টারের ওপরে লেখা- ‘ভারত মাতা কি জয়।’

    বলিউডের এই দ্রুত পদক্ষেপ শিবসেনা (ইউবিটি)-র সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে, যিনি বলিউডের এই কর্মকাণ্ডকে ‘সুযোগসন্ধানী’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন।;

  • শাকিব খান অভিনীত ‘তাণ্ডব’ সিনেমার স্টান্টম্যানের মৃত্যু

    শাকিব খান অভিনীত ‘তাণ্ডব’ সিনেমার স্টান্টম্যানের মৃত্যু

    বিনোদন ডেস্ক:    রাজশাহীতে শাকিব খান অভিনীত ‘তাণ্ডব’ সিনেমার শুটিং চলছে। শুটিং সেটে অসুস্থ হয়ে মনির হোসেন নামের এক স্টান্টম্যানের মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার (৩ মে) বিকেলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনেমার পরিচালক রায়হান রাফী।

    তিনি জানান, মনির দুপুরের দিকে শট দিয়েছিল। এরপর সবার সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে গল্প করছিল। হঠাৎ করেই দুই-এক ঘণ্টা পর তার শরীর খারাপ করে। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    রাফী বলেন, অল্প বয়সে এমন মৃত্যু খুবই কষ্টদায়ক। আমরা তার মরদেহ ঢাকায় তার পরিবারের কাছে পাঠিয়েছি এবং তাদের পাশে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

    শুটিং ইউনিটের সদস্যদের ধারণা, সকালেই মনির স্ট্রোক করেছিলেন। সে বিষয়টি কাওকে জানায়নি। কারও সঙ্গে অসুস্থতা বা অস্বস্তির কথাও বলেননি তিনি।

    মনির ঢাকার নারায়ণগঞ্জে বসবাস করতেন এবং কয়েক বছর ধরেই চলচ্চিত্রে স্টান্টম্যান হিসেবে কাজ করছিলেন। তিনি সহকারী ফাইট ডিরেক্টর নেপালীর সঙ্গে নিয়মিত কাজ করতেন।;

  • পুড়ে মারা গেলেন সংগীতশিল্পী জিল সোবুল

    পুড়ে মারা গেলেন সংগীতশিল্পী জিল সোবুল

    বিনোদন ডেস্ক: মার্কিন সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও আন্দোলনকর্মী জিল সোবুল মারা গেছেন। গত বৃহস্পতিবার মিনেসোটার নিজ বাড়িতে আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয় ৬৬ বছর বয়সী সংগীতশিল্পীর। গায়িকার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার মুখপাত্র। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, গায়িকার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে তার মুখপাত্র জন পর্টার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘জিল ছিলেন মানবাধিকারের এক নিবেদিত কর্মী। তিনি সারা জীবন ন্যায়ের পক্ষে লড়েছেন। তার সঙ্গে কাজ করা ছিল দারুণ উপভোগ্য। আমি আমার এক ভালো বন্ধু হারালাম। তার কাজ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ারে ১২টি অ্যালবাম মুক্তি দিয়েছেন গায়িকা। এর মধ্যে ১৯৯৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আই কিসড আ গার্ল’ দিয়ে সবচেয়ে বেশি পরিচিতি পান জিল। গতকাল শুক্রবারও একটি অনুষ্ঠানে গাওয়ার কথা ছিল জিলের।

    কিন্তু তার আগেই চলে গেলেন তিনি। গায়িকার মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন তার ভক্ত-অনুসারী থেকে শুরু করে তারকারা। ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী লয়েড কোল লিখেছেন, ‘বেশি কিছু বলতে পারছি না। আমরা সবাই তাকে ভালোবাসতাম, সে-ও আমাদের ভালোবাসত।’ ১৯৫৯ সালের ১৬ জানুয়ারি কলোরাডোতে জন্ম জিলের। ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘থিংস হেয়ার আর ডিফারেন্ট’। সবশেষ অ্যালবাম ‘নস্টালজিয়া কিলস’ বাজারে আসে ২০১৮ সালে।;

  • আলিয়া-র সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ইমরান

    আলিয়া-র সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ইমরান

    বিনোদন ডেস্ক:  আত্মীয়তার দিক থেকে অনেক বলিউড তারকা বা তারকা পরিবার একে অপরের সঙ্গে সম্পৃক্ত। বলিউডের বর্তমান সময়ের প্রথম সারির অভিনেত্রী আলিয়া ভাট এবং ইমরান হাশমিও দূর সম্পর্কের ভাই-বোন। তবে এতবছর ইন্ড্রাসি্ট্রতে থাকলেও এবং দু’জনেরই ব্যক্তিগত সাফল্য সত্ত্বেও কখনও একসাথে পর্দায় কাজ করেননি ইমরান-আলিয়া।

    ভক্তরা প্রায়ই এই দুই ভাই-বোনকে একসঙ্গে কাজ করতে দেখার আশা অকপটে ব্যক্ত করেছে। এবার বোধহয় নেটিজেনদের ইচ্ছা পূরণের আভাস মিললো। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে ইমরান আলিয়ার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন। তিনি বলেন, পর্দায় ওর কাজ দেখে চোখ ফেরানো যায় না।

    এসময় ইমরান একথাও বলেন, যদি সঠিক চিত্রনাট্য এবং একজন দক্ষ চলচ্চিত্র নির্মাতা পাওয়া যায়, তাহলে তিনি আলিয়ার সাথে কাজ করতে আগ্রহী।

    ইমরান বোনের প্রশংসা করে বলেন, আলিয়া একজন দুর্দান্ত অভিনয়শিল্পী হয়ে উঠেছে।

    আলিয়ার ছোট থেকে বেড়ে ওঠা এবং কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রশংসা করেন ইমরান। একই সাথে আলিয়ার ক্যারিয়ার এবং নিজের ক্যারিয়ারে আলিয়ার বাবা মহেশ ভাটের ভূমিকার কথাও প্রকাশ করেন ইমরান।;

  • ’ইন ব্লিসফুল হেল’ দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে

    ’ইন ব্লিসফুল হেল’ দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে

    বিনোদন ডেস্ক:   তাহসিন মাহিন পরিচালিত প্রামাণ্যচিত্র ‘ইন ব্লিসফুল হেল’ দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। প্রামাণ্যচিত্রটি এবার অফিসিয়াল সিলেকশন পেয়েছে বুলগেরিয়ার স্বনামধন্য গোল্ডেন ফেমি ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০২৫ এ।

    চলচ্চিত্রটি আগামী ৭ জুন ২০২৫, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়ায় অবস্থিত সোফিয়া ব্যালকান প্যালেসের “Royal” হলে প্রদর্শিত হবে। এছাড়াও, প্রদর্শনী গোল্ডেন ফেমি ফিল্ম ফেস্টিভালের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক পেজ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

    এর আগে ‘ইন ব্লিসফুল হেল’ বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৫-এ প্রদর্শিত হয়েছে এবং প্রামাণ্যচিত্র পরিষদ-এর আনুষ্ঠানিক নির্বাচনেও জায়গা করে নিয়েছে।

    একটি অসামান্য মানবিক গল্প, যেখানে দারিদ্র্য, সংগ্রাম ও বিশ্বাসের মাঝে জীবনের সৌন্দর্য খুঁজে নেওয়ার কথা উঠে এসেছে, সেই গল্পই এখন আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে।;

  • পর্দায় অনুপস্থিত আরিফিন শুভ ফিরলেন স্বরূপে

    পর্দায় অনুপস্থিত আরিফিন শুভ ফিরলেন স্বরূপে

    বিনোদন ডেস্ক:     দীর্ঘ দিন পর্দায় অনুপস্থিত আরিফিন শুভ ফিরলেন স্বরূপে। সেটাও মাত্র ১৯ সেকেন্ডের এক প্রমো ভিডিওতে; যা নায়ক তার ফেসবুকে যুক্ত করে ক্যাপশন জুড়েছেন, আসিতেছে। যদিও কী আসছে সেটা বরাবরের মতই রহস্য জিইয়ে রেখেছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ক।

    শুভর সেই ১৯ সেকেন্ডের প্রমোতে দেখা গেছে, নৃশংস এক নির্যাতনের দৃশ্য। যেখানে শুভ একজনের প্রাইভেট পার্টে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। এমন ভিডিওর পর সতর্কবার্তাও দিয়েছেন শুভ; অনুরোধ রেখেছেন, বাড়িতে বা কোথাও এমন কাজের (ভিডিওর মত) চেষ্টা না করার।

    তবে এই ভিডিওটি কীসের সেটা সুনির্দিষ্ট করে জানাননি শুভ। সেখানেই প্রশ্ন কী আসছে আরিফিন শুভর? বর্তমানে হাতে আছে ৫টা প্রজেক্ট আছে এই তারকার। সনি লিভের ‘জ্যাজ সিটি’, চরকির ‘লুহু’, ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’, ‘নীলচক্র’ আর ‘নূর’ সিনেমা।

    তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুভর ভিডিও দৃশ্যটি ‘নীলচক্র’ সিনেমার। সাসপেন্স থ্রিলার ঘরনার সিনেমাটি আসছে ঈদে মুক্তি পাবে। যা পরিচালনা করেছেন মিঠু খান। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন মন্দিরা চক্রবর্তী, ফজলুর রহমান বাবু, শিরীন আলম, খালেদা আক্তার কল্পনা, শাহেদ আলী, টাইগার রবি, মনির আহমেদ শাকিল, প্রিয়ন্তী ঊর্বী, মাসুম রেজওয়ান প্রমুখ। আরিফিন শুভ এখন মুম্বাইয়ে ব্যস্ত আছেন তার প্রথম হিন্দি ওয়েব সিরিজ ‘জ্যাজ সিটি’ কাজ নিয়ে।;

  • ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেলো কামার আহমাদ সাইমনের ‘একটি সূতার জবানবন্দি’

    বিনোদন ডেস্ক:   ২০১৩ সালের আজকের এই দিনের কথা কারও মনে থাকুক বা থাকুক, দেশের ইতিহাসে দিনটি লেখা থাকবে কালো অধ্যায় হিসেবে। সেদিন সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার সাভারে রানা প্লাজা নামের ভবনটি ধসে পড়ে। এ দুর্ঘটনায় সেখানে থাকা গার্মেন্টসের ১ হাজার ১৭৫ জন শ্রমিক নিহত এবং দুই হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হন।

    আর তাইতো রানা প্লাজার সেই দিনকে স্বরণে রেখে আজ দেশীয় একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেলো কামার আহমাদ সাইমনের ‘একটি সূতার জবানবন্দি’।

    অন্য সবার মতো ঘটনাটি নিয়ে মানসিক পীড়ায় ছিলেন নির্মাতা সাইমন। মানুষের গতিময় জীবন অনেক কষ্টকেই পত্রিকার পাতা ওলটানোর মতো ভুলিয়ে দেয়। তারপরও কিছু ঘটনায় জিজ্ঞাসা থেকে যায়, বহুদিন তাড়া করে বেড়ায়। তাজরীনের ঘটনা থেকেই সেই তাড়না অনুভব করছিলেন সাইমন।

    রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির পর আর বসে থাকতে পারেননি, ২০১৫ সালে নির্মাণ করেন ’একটি সূতার জবানবন্দী’–(টেস্টিমনি অব আ থ্রেড)।

    নির্মাতার ভাষ্যে, একজন নাগরিকের দায় থেকেই বানিয়েছি ছবিটি। রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির এক যুগ পর ’একটি সুতার জবানবন্দী’ উন্মুক্ত হলো সব দর্শকদের জন্য। ২৪ এপ্রিল এটি মুক্তি পেয়েছে দেশের জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। বিনা খরচে ’একটি সুতার জবানবন্দী’ ওটিটিতে দেখতে পারবেন দর্শকরা। অর্থাৎ মোবাইল বা পিসিতে অ্যাপ ইনস্টল করলেই দর্শকরা এটি দেখতে পারবেন।

    রানা প্লাজা নিয়ে একটা ফিচার ছবি বানানোর ইচ্ছা ছিল, কামার আহমাদ সাইমনের। তার রিসার্চ ম্যাটারিয়াল থেকেই এই বানানো ‘একটি সূতার জবানবন্দী’।

    আকিরা কুরোসাওয়ার ’রাশোমন’–এর অনুপ্রেরণায়, ’একটি সূতার জবানবন্দী’ ৫২ মিনিটের একটি কোলাজ। আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক কাঠামোগত ব্যর্থতার সংখ্যার পিছনে মানুষের মুখ খুঁজে বের করার চেষ্টায় একটি মনোলগ কোলাজ।

    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিজয়ী নির্মাতা কামার আহমাদ সাইমন ‘একটি সূতার জবানবন্দী’ স্ক্রিপ্টের জন্য ২০১৩ সালে পেয়েছিলেন ‘দ্য এশিয়ান পিচ’ পুরস্কার। ২০১৫ সালে নির্মাণের পর এর প্রথম প্রদর্শনী হয় ২০১৬ সালে।

    ‘একটি সূতার জবানবন্দী’র মাধ্যমে রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি এবং এর সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে চারটি দৃষ্টিভঙ্গীতে দেখার চেষ্টা করা হয়েছে। যেখানে বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন পোশাকশিল্প নেত্রী নাজমা আক্তার, বিজিএমইএ–এর সাবেক সভাপতি রুবানা হক, চিত্রশিল্পী দিলারা বেগম জলি, অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক এম এম আকাশ।

    ’একটি সূতার জবানবন্দী’ ২০১৩ সালে পায় এশিয়ান পিচ পুরষ্কার। কামার আহমাদ সাইমনের রচনা ও পরিচালিত ’মনোলগ কোলাজটি’ প্রযোজনা করেছেন সারা আফরীন। প্রযোজা প্রতিষ্ঠান সূচনা প্রযোজিত ছবিটি যৌথ প্রযোজনা করেছে এশিয়ার অন্যতম চারটি টেলিভিশন- জাপানের এন এইচ কে, কোরিয়ার কে বি এস, তাইওয়ানের পি টি এস ও সিঙ্গাপুরের মিডিয়াকর্প।;