ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গলের পক্ষে বহ্নি বেপারীর ব্যাপক গণসংযোগ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থী, বিশিষ্ট শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও শিশু সাহিত্যিক বহ্নি বেপারী লাঙ্গল মার্কার সমর্থনে ব্যাপক গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। গতকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডি ও এর আশপাশের এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তিনি ভোট প্রার্থনা করেন।

উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের আহ্বানে ভোটারদের দ্বারে বহ্নি বেপারী:
গণসংযোগকালে বহ্নি বেপারী ধানমন্ডির নিজাম শংকর প্লাজা (১৫/এ), ইবনে সিনা হাসপাতাল গলি এবং ছায়ানট প্রাঙ্গণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

প্রার্থীকে নিয়ে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা লিফলেট বিতরণ করেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। গণসংযোগকালে কলাবাগান থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. অপু সিকদার, ধানমন্ডি থানা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম দেওয়ান, মহিলা নেত্রী নাজমা আক্তারসহ দলের বিভিন্ন স্তরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

‘উন্নত ঢাকার ভিত্তি গড়েছিলেন এরশাদ’:
গণসংযোগ শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বহ্নি বেপারী বলেন, “পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবদান এ দেশের মানুষ কোনোদিন ভুলবে না। আজকের আধুনিক ও উন্নত ঢাকার রূপকার ছিলেন তিনি। বিশেষ করে ১৯৮৮ সালের প্রলয়ঙ্করী বন্যার পর ঢাকাবাসীকে রক্ষায় তিনি যে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছিলেন, তা রাজধানীর উন্নয়নের মাইলফলক হয়ে আছে।”

তিনি আরও বলেন, “হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এই ঢাকাকে তিলোত্তমা ঢাকা হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন। সেই তিলোত্তমা ঢাকা আর নেই। আমি নির্বাচিত হলে সেই তিলোত্তমা ঢাকাকে আবারও ফিরিয়ে আনবো। আর ঢাকা-১০ আসন থেকেই শুরু হবে তিলোত্তমা ঢাকা গড়ার কাজ।”

তিনি আরও যোগ করেন, “জাতীয় পার্টি উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। সাধারণ মানুষ আজও এরশাদ সরকারের আমলের সুশাসনের কথা স্মরণ করে।”

সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী:
নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে বহ্নি বেপারী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “যদি আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, তবে ঢাকা-১০ আসনে লাঙ্গল মার্কা শতভাগ বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ।” ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়ায় তিনি জয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী বলে জানান। প্রচারণা শেষে লাঙ্গলের সমর্থনে নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ধানমন্ডি এলাকা।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.