
স্টাফ রিপোর্টার :
ঢাকার ভাটারা থানার কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই কুড়িল লেক ভিউ আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ চলে আসছে। হোটেলের মালিক মোলহোতা হৃদয় গঙ্গরা। হোটেলের তিনতলায় মাদক ও জুয়া খেলা নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। প্রশাসন থাকলেও দেখেও না দেখার ভান করছে।
হোটেলে চলমান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে নারী দেহ ব্যবসাও। হোটেলের কক্ষের ছবি ও কয়েকটি মোবাইল নম্বর কার্ডে উল্লেখ থাকে, তবে ঠিকানা থাকে না। শুধুমাত্র এলাকার নাম থাকে, এবং “আসার আগে ফোন দিন” লেখা থাকে।
প্রতিবেদনকারীর অনুসন্ধান অনুসারে, কার্ডে থাকা নম্বরে ফোন করলে বিস্তারিত ডিরেকশন দেওয়া হয়। হোটেলে পৌঁছালে আগে থেকে প্রস্তুত থাকা কয়েকজন পিছু নেয়। উপরের তলায় গেলে ‘ভাই’ নামে এক ব্যক্তি বিভিন্ন বয়সের মেয়েদের সরাসরি প্রস্তাব দেয়। চার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় সারারাত থাকতে পারার অফারও দেওয়া হয়।
প্রশ্ন করলে তারা জানান, সব কার্যক্রম ম্যানেজ করা হয়, কেউ বাধা দেয় না। কার্ডে থাকা নামগুলো মূলত দালালের। দালালরা যৌনকর্মীদের কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দেয় বা বাসায় সরাসরি সাপ্লাই করে। ঠিকানা দেওয়া হয় না, কারণ দালালরা নিজেই কাস্টমার নিয়ে আসে।
যুবকদের কথায়, এই কাজে যারা যুক্ত তারা দিনে ৪–৫শ টাকা পান। প্রয়োজনে বড় ‘ভাই’দের শেল্টারও দেওয়া হয়। কার্ডগুলো হোটেলের দেয়ালে সাজানো হয়, যেখানে শিশু কিশোররাও যুক্ত থাকে। দালালদের নিয়ন্ত্রণকারী বা বড় ‘ভাই’দের নাম কেউ প্রকাশ করে না।
;