অথরাইজড অফিসার আব্দুল আল মামুনের নেতৃত্বে রাজউকের ৬/১ জোনে প্রশাসনিক গতি ও উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক |

রাজধানীর সুশৃঙ্খল ও পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সংস্থাটির বিভিন্ন জোনের মধ্যে ৬/১ জোনে সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন ও গতিশীলতা বিশেষভাবে চোখে পড়ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জোনটির অথরাইজড অফিসার এবং অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত উপপরিচালক (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ-১) আব্দুল আল মামুন-এর তদারকিতে দাপ্তরিক কার্যক্রমে গতি এসেছে এবং সেবার মানে উন্নয়ন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি প্রশাসনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমাতে একাধিক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা নথি ও ফাইল নিষ্পত্তিতে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ, অপ্রয়োজনীয় দাপ্তরিক জটিলতা কমানো এবং নকশা অনুমোদন প্রক্রিয়াকে সহজ ও স্বচ্ছ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে আগের তুলনায় দ্রুত সেবা পাওয়ার অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন সাধারণ নাগরিক ও সেবাপ্রার্থীরা।

উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমেও জোরদার করা হয়েছে নজরদারি। অননুমোদিত স্থাপনা নির্মাণ প্রতিরোধ, ভবনের নকশা যথাযথ বিধিমালা অনুযায়ী যাচাই এবং মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে আইনানুগ উন্নয়ন কার্যক্রম নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব উদ্যোগের ফলে অনিয়ম ও বিধিবহির্ভূত নির্মাণ অনেকাংশে কমে এসেছে।

অফিস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেবা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি চালু রয়েছে। পাশাপাশি সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক সমাধানের ব্যবস্থা থাকায় জনসাধারণের আস্থা বাড়ছে।

প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমেও এসেছে পরিবর্তন। নথি সংরক্ষণ, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, যা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। ফলে অনিয়মের সুযোগও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সহকর্মীদের মতে, কঠোর প্রশাসনিক মনোভাবের পাশাপাশি মানবিক আচরণের সমন্বয় বজায় রাখার কারণে ৬/১ জোনে একটি ইতিবাচক কর্মপরিবেশ গড়ে উঠেছে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্পৃহা যেমন বেড়েছে, তেমনি দাপ্তরিক কাজেও এসেছে গতি ও স্বচ্ছতা।

সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, আব্দুল আল মামুন-এর নেতৃত্বে এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে রাজধানীর উন্নয়ন কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও টেকসই হবে। একই সঙ্গে নাগরিক সেবা সহজীকরণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাজউকের অন্যান্য জোনের জন্যও এটি একটি অনুসরণযোগ্য মডেল হয়ে উঠতে পারে।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.