Author: swadeshdarpon

  • জম্মু ও কাশ্মীরে হামলায় ২৬ জনের প্রাণহানির ঘটনায় পাকিস্তানকে দায়ী করেছে ভারত

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ভারত-নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের পাহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জনের প্রাণহানির ঘটনায় পাকিস্তানকে দায়ী করেছে ভারত। হামলার ঘটনার পর চিরবৈরী প্রতিবেশী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছে নয়াদিল্লি। এসব পদক্ষেপের মধ্যে পাকিস্তানি নাগরিকদের সব ধরনের ভিসা স্থগিতসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

    পাহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ভারতের বেশ কয়েকটি কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেয়ার একদিন পর পাল্টা ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির মধ্য দিয়ে তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে ভারতের সব ধরনের বাণিজ্য স্থগিত করেছে ইসলামাবাদ। এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের নেতৃত্বে জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির (এনএসসি) বৈঠকের পর পাকিস্তান থেকে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।

    এদিকে, আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে পাক সরকার বলছে, সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত রাখার ভারতীয় ঘোষণাকে পাকিস্তান তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করে। পাকিস্তানকে বরাদ্দকৃত পানি প্রবাহে বাধা দেয়া বা চুক্তি স্থগিত করা  যুদ্ধের শামিল হিসেবে বিবেচিত হবে।;

  • পাকিস্তানের সঙ্গে করা সিন্ধুর পানির বণ্টন ‍চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ভারত

    পাকিস্তানের সঙ্গে করা সিন্ধুর পানির বণ্টন ‍চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ভারত

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ছয় দশকেরও আগে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের সঙ্গে করা সিন্ধুর পানির বণ্টন ‍চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ভারত। সম্প্রতি দেশটির কাশ্মিরের পেহলগামে সন্ত্রাসী হামলার জেরের প্রতিক্রিয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দু’দেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্রনীতিতে এটি যেন প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টিরই আগমনী বার্তা।

    কী আছে এই চুক্তিতে
    চুক্তির সেই ধারা অনুযায়ী সিন্ধু নদের ছয়টি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের বিষয় উল্লেখ রয়েছে। যাতে রাভি, বিয়াস ও সুললেজ নদীর পানি ভারতের এবং সিন্ধু, ঝিলুম ও চিনাব নদীর পানি পাকিস্তানের পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে চুক্তি স্থগিতের ঘোষণা আসায় এই ধারা মোড় নিতে পারে অন্যভাবে, যা পাকিস্তানের জন্য অবশ্যই সুখকর হবে না।

    এই চুক্তির আওতায় উজানের দেশ ভারত জলবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সীমিত সেচের মতো কাজে পশ্চিমের নদীগুলো ব্যবহারের অধিকার রাখে। তবে চুক্তিতে বলা আছে সেই কাজটি এমনভাবে করতে হবে, যাতে নদীর প্রবাহ ঘুরে না যায়। পাকিস্তানের জন্য এই চুক্তি অনেক বড় কিছু। দেশটির নির্দিষ্ট একটি অঞ্চলে সম্পূর্ণ সেচ ব্যবস্থা ও কৃষিকাজে অপরিহার্য ভূমিকা রাখে এই নদীগুলো। তাই সামান্য প্রবাহ বাধা পেলে, এর রেশ নেতিবাচকভাবে বড় পরিসরে ঘটার সম্ভাবনাই বেশি।

    অবশ্য, চুক্তি স্বাক্ষরের সময় এর মেয়াদ শেষের তারিখ কিংবা স্থগিতের কোনো বিধান রাখা হয়নি।

    ভারতের নতুন সিদ্ধান্তে পানি বণ্টন যেভাবে হতে পারে
    নয়াদিল্লির নতুন সিদ্ধান্তে এই প্রশ্ন সবার আগে আসে- ভারত কি পাকিস্তানে পানির প্রবাহ বন্ধ করতে কিংবা প্রবাহে কোনো সরাসরি বাধা সৃষ্টি করতে পারে কি না? এর সহজ উত্তর হলো, না।

    সিন্ধু, ঝিলুম ও চিনাব বড় নদী। বছরের মে-সেপ্টেম্বরে বরফ গলার ফলে এই নদীগুলো কয়েক বিলিয়ন ঘনমিটার পানি বহন করে। নদীগুলোর উজানে ভারতের বেশকিছু অবকাঠামো রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বাগলিহার ও কিষাণগঙ্গা বাঁধ। তবে এর কোনোটিই বিপুল পরিমাণ পানি ধরে রাখার মতো শক্তিশালী নয়। ভারত যদি তার বিদ্যমান সমস্ত বাঁধের পানি ছেড়েও দেয়, তবুও মোট পানি প্রবাহে খুব বেশি পরিবর্তনই ঘটবে না।

    ভারত ইতোমধ্যেই চুক্তির অধীনে বরাদ্দকৃত পূর্বের নদীগুলোর বেশিরভাগ পানি ব্যবহার করে, তাই সেই নদীগুলোতে যেকোনো নতুন পদক্ষেপে ভাটি অঞ্চলে সীমিত প্রভাব পড়বে।

    তবে পাকিস্তানের জন্য উদ্বেগের বিষয় হলো শুষ্ক মৌসুমে কী ঘটবে, যখন অববাহিকায় পানির প্রবাহ কম থাকে। তখন চুক্তির অনুপস্থিতি তারা তীব্রভাবে অনুভব করতে পারে। এক্ষেত্রে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের ওপর ভারতের কর্তৃত্ব তৈরি হতে পারে। তবে সেই কাজটিও সহজ নয়। যেকোনো বড় আকারের বাঁধ বা জলপথ পরিবর্তনে নেয়া নতুন প্রকল্প নির্মাণে বহু বছর সময় লাগে। আর ভারতীয় কাশ্মিরে তেমন স্থান সীমিত এবং তা করা ভূতাত্ত্বিকভাবেও চ্যালেঞ্জিং। এর খরচ যেমন বিশাল, তা রাজনৈতিকভাবেও হবে ঝুঁকিপূর্ণ।

    অপরদিকে, পাকিস্তানও দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, ভারত যদি পশ্চিমের নদীগুলোতে পানি ধরে রাখার মতো কিছু করে, তবে তা সম্ভাব্য যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয়ার পরিস্থিতি তৈরি করবে। স্যাটেলাইটের যুগে এই ধরনের কাঠামো গোপনে তৈরি করাও সম্ভবপর নয়। আবার চিনাব বা ঝিলুমের মতো নদীতে পানি ধরে রাখতে গেলে ভারতে নিজস্ব উজানের অঞ্চলগুলোতেও বন্যার ঝুঁকি থাকে।

    পাকিস্তানের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব
    ভারতের এই পদক্ষেপে সার্বিক সীমাবদ্ধতা সামনে এলেও চুক্তি সুরক্ষার বিষয়টি এখনও গুরুত্বপূর্ণ। এর কারণ এই নয় যে, একদিন বাদেই পানি আসা বন্ধ হয়ে যাবে। বরং নয়াদিল্লি এটি খুব সম্ভত করবেও না।

    সিন্ধু, ঝিলম ও চিনাবের প্রবাহ পাকিস্তানের কৃষি ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মেরুদণ্ড। আর এই মুহূর্তে পাকিস্তানের কাছে এর কোনও বিকল্প নেই। পাকিস্তানের সেচ ব্যবস্থা বিশ্বের বৃহত্তম সেচ ব্যবস্থাগুলোর একটি, আর এটি পশ্চিমের নদীগুলোর ওপর নির্ভরশীল। এই নদীগুলোর পানির ওপর খালগুলোও নির্ভরশীল, পানিপ্রবাহে সামান্যতম ব্যাঘাত ঘটলেও সেচব্যবস্থা ভেঙে পড়তে শুরু করবে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে তাৎক্ষণিক ঝুঁকি হল স্থিতিশীলতার অভাব।

    পাকিস্তানের জিডিপির ২১ শতাংশই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। দেশটির ৪৫ শতাংশ কর্মজীবীর কর্মসংস্থানও হয় কৃষি খাতে। এই আবহে পাকিস্তান যদি সিন্ধুর পানি থেকে বঞ্জিত হয়, তাহলে তাদের অর্থনীতিতে বড় রকমের প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    পশ্চিমের নদীগুলো পাকিস্তানে পানির প্রধান উৎস। পাকিস্তানের জন্য তাই পানি প্রবাহ অব্যাহত থাকা খুবই জরুরি। তারপর রয়েছে বিদ্যুৎ। পাকিস্তানের বিদ্যুতের এক-তৃতীয়াংশ জলবিদ্যুৎ থেকে আসে। উজানের প্রবাহ হ্রাস পেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

    ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট যা বলে
    সিন্ধুর পানি চুক্তি তার স্থায়িত্বের জন্য প্রশংসিত হলেও গত দশক ধরেই এটি চাপের মধ্যে রয়েছে। ২০১৩ সালে একটি সালিশি আদালত পাকিস্তানের পক্ষে রায় দেয় এবং ভারতকে কিষাণগঙ্গা প্রকল্পের ভাটিতে ন্যূনতম প্রবাহ ছেড়ে দিতে বাধ্য করে। কিন্তু, ২০১৬ সালের উরি হামলার পর সেই ধারায় পরিবর্তন আসতে শুরু করে। ভারত নিয়মিত সহযোগিতা স্থগিত করে, দীর্ঘকাল ধরে স্থগিত রাখা বাঁধ প্রকল্পের দ্রুত অনুমোদন শুরু করে এবং পানিকে তারা নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনার হাতিয়ার করে।

    তখনও ভারত বলেছিল যে তারা চুক্তির মধ্যে থেকেই কাজ করবে। কিন্তু ২০২৩ সালে সেটিও পরিবর্তিত হতে শুরু করে, যখন ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বাদশ অনুচ্ছেদের ৩ ধারা (যে বিধান অনুসারে কেবল পারস্পরিক সম্মতির মাধ্যমেই চুক্তি সংশোধন করা যায়) প্রয়োগ করে এবং জলবায়ু পরিবর্তন, জাতীয় উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা এবং পাকিস্তানের বাধার কারণ দেখিয়ে চুক্তি পর্যালোচনার অনুরোধ করে। পাকিস্তান পর্যালোচনার প্রস্তাব নাকচ করে দেয়।

    ভারতের সাম্প্রতিক ঘোষণায় ১৯৬০ সালের পর এই প্রথম চুক্তির বাইরে চলে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এটি একটি দর কষাকষির কৌশল নাকি স্থায়ী বিচ্ছেদ, তা এখনও দেখার বাকি।

    উল্লেখ্য, সিন্ধু এবং এর উপনদীগুলো হাজার হাজার বছর ধরে একটি সভ্যতাকে টিকিয়ে রেখেছে। সময়ের পরিক্রমায় এখন দুটি আধুনিক পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এর গতিপথ। এখন দেখার বিষয়, পানিপ্রবাহের পাশাপাশি পাক-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কতটা পরিবর্তিত হয়।;

  • কাতারের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে পূর্ণ সমর্থন এবং দেশ পুনর্গঠন ও উন্নয়নে সর্বাত্মক সহায়তা দানের আশ্বাস

    কাতারের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে পূর্ণ সমর্থন এবং দেশ পুনর্গঠন ও উন্নয়নে সর্বাত্মক সহায়তা দানের আশ্বাস

    নিউজ ডেস্ক:  কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জসিম আল থানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। চারদিনের কাতার সফরের শেষদিনে আজ বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দোহায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

    সাক্ষাৎকালে কাতারের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং দেশের পুনর্গঠন ও উন্নয়নে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে তার এক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়ার ঘোষণা দেন।

    অন্যদিকে, প্রধান উপদেষ্টা দেশের প্রায় ১৮ কোটি জনসংখ্যা, বিশেষ করে যুবসমাজের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার জন্য কূটনৈতিক, আর্থিক ও বিনিয়োগ সহায়তা চান।

    কাতারের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে দশ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয়ের ভূমিকার জন্য প্রশংসা করেন এবং সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সহায়তা জোরদারের আহ্বান জানান। তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি কাতারের অব্যাহত সমর্থন এবং টেকসই সমাধানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

    এ সময় দুই নেতা ফিলিস্তিনের গাজার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন। তখন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, জ্বালানি উপদেষ্টা ফওজুল কবীর খান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়কারী লামিয়া মোরশেদ উপস্থিত ছিলেন।;

  • শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কুয়েটের ৩৭ শিক্ষার্থীর সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কুয়েটের ৩৭ শিক্ষার্থীর সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    নিউজ ডেস্ক:   শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ৩৭ শিক্ষার্থীর সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে খুলে দেয়া হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি আবাসিক হল।

    বুধবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়টি ১০২তম জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    এছাড়াও সিন্ডিকেট সভায় আগামী ৪ মে থেকে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার পূর্বের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। এর আগে বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্য অধ্যাপক র্ড. মোহাম্মদ মাছুদের সভাপতিত্বে জরুরি সিন্ডিকেট সভায় বসে কর্তৃপক্ষ।

    এদিকে বুধবার সকাল ১০টার দিকে ক্যাম্পাসে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন শিক্ষা উপদেষ্টা সি. আর. আবরার। তবে উপাচার্যের পদত্যাগ বা অপসারণ না করা পর্যন্ত নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানান শিক্ষার্থীরা।

    পরে শিক্ষা উপদেষ্টা জানান, এ বিষয়ে ইউজিসি তিন সদস্যের একটি কমিটি করেছে। সেই কমিটি যে সুপারিশ করবে, আইনের মধ্যে থেকে সেই আলোকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাই সেই সময়টুকু পর্যন্ত ধৈর্য ধরে অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয় আন্দোলনরতদের। তবে শিক্ষা উপদেষ্টা চলে যাওয়ার পর ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।

    অন্যদিকে দুপুরে ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকরা জানান, ১৮ ফেব্রুয়ারির সংঘর্ষের ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ক্লাসে ফিরবেন না তারা। দোষীদের শাস্তির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একমত সব শিক্ষক। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের একাধিকবার বোঝানো হলেও আন্দোলন থেকে সরে আসেনি তারা। এটিকে পরিকল্পিত বলে মনে করেন শিক্ষকরা। একইসাথে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন শিক্ষকরা। তারা মনে করেন, এই দাবি শিক্ষকদের অপমানের শামিল।

    প্রসঙ্গত, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বহিরাগতদের সংঘর্ষ হয়। এরপর আন্দোলনের মুখে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩৭ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়। শিক্ষা কার্যক্রম শুরু, সংঘর্ষের ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের শাস্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরে যা রূপ নেয় উপাচার্য অপসারণের এক দফা দাবিতে। আগামী ৪ মে থেকে কুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর কথা রয়েছে।;

  • পারভেজ হত্যা মামলার প্রধান আসামি মেহেরাজ ইসলামকে গ্রেফতার

    পারভেজ হত্যা মামলার প্রধান আসামি মেহেরাজ ইসলামকে গ্রেফতার

    স্টাফ রিপোর্ট : প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম পারভেজ হত্যা মামলার প্রধান আসামি মেহেরাজ ইসলামকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। বুধবার (২৩ এপ্রিল) যৌথ অভিযানের মাধ্যমে গাইবান্ধা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    এ নিয়ে পারভেজ হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ৫ আসামিকে গ্রেফতার করা হলো। তাদের মধ্যে ৪ জনের ৭ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

    আজ বিকেলে ঢাকার সিএমএম আদালতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা হৃদয় মিয়াজীর ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্ল্যাহর আদালত এই আদেশ দেন।

    এর আগে দুপুরে তাকে আদালতে তোলা হয়। এসময় পুলিশ তার ১০ দিনের রিমান্ড চায়। আসামিপক্ষ অভিযুক্তের জামিন প্রার্থনা করেন। পরে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।;

  • সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ২৫৫ রানে অলআউট বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ের টার্গেট ১৭৪

    সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ২৫৫ রানে অলআউট বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ের টার্গেট ১৭৪

    খেলাধুলা ডেস্ক:   সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ২৫৫ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। এতে জিম্বাবুয়েকে ১৭৪ রানের টার্গেট দিয়েছে স্বাগতিকরা। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের স্কোর বিনা উইকেটে ৪ রান।

    আগের দিনের ৪ উইকেটে ১৯৪ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে, শুরুতেই নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট হারায় বাংলাদেশ। স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ করার আগেই, ৬০ রান করা শান্ত মুজারাবানির পেসে কাটা পড়েন। এরপর জাকের আলির সঙ্গী হন মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে মিরাজও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। মাত্র ১১ রান করে মুজারাবানির পঞ্চম শিকারে পরিণত হয়ে কাটা পড়েন এই অলরাউন্ডার। ফলে ২১০ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

    জাকের আলী অনিক একাই লড়াই চালিয়ে যান। শেষ উইকেটে সঙ্গীহীন জাকের দ্রুত রান করার চেষ্টা করতে গিয়ে ৫৮ রান করে ফিরলে ২৫৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। মুজারাবানি একাই নেন ৬ উইকেট।

    এর আগে, স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংসে করা ১৯১ রানের জবাবে জিম্বাবুয়ে করেছিল ২৭৩ রান।;

  • ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তৃতীয়বার বৈঠকের সিদ্ধান্ত

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তৃতীয়বার বৈঠকের সিদ্ধান্ত

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   পরমাণু ইস্যুতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় পরোক্ষ আলোচনার সময় উভয় পক্ষ থেকে তৃতীয়বার বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়। আলোচনার পরিবেশকে ‘গঠনমূলক’ বলে অভিহিত করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আগামী শনিবার ওমানে তৃতীয় দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, রোমে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ দেশ দুটির নেতৃত্ব দেন। দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরাসরি মুখোমুখি না হয়ে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মাধ্যমে বার্তা বিনিময় করেন।

    আগামী সপ্তাহে কারিগরি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে, যেটি মূল আলোচনা এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

    আরাগচি বলেন, আশাবাদী কিংবা হতাশ নই, আমরা বাস্তববাদী অবস্থানে আছি। ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মূল দ্বন্দ্ব ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচি বজায় রাখার অধিকার নিয়ে। পশ্চিমা দেশগুলো সন্দেহ করে, ইরান গোপনে পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। যদিও তেহরান বরাবরই তা অস্বীকার করে আসছে।;

  • বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঘটনায় গ্রেফতারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ডিএমপির এমন অফিস আদেশ স্থগিত

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ঘটনায় গ্রেফতারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ডিএমপির এমন অফিস আদেশ স্থগিত

    নিউজ ডেস্ক:   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আসামি গ্রেফতারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এমন অফিস আদেশ ৩ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

    বুধবার (২৩ এপ্রিল) বিচারপতি ফাতেমা নজীব এবং বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    এর আগে, গত ৯ এপ্রিল ঢাকা মহানগর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে দায়ের হওয়া মামলায় আসামি গ্রেফতার প্রসঙ্গে অফিস আদেশ জারি করা হয়। যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেনের পক্ষে দেয়া বৈষম‍্যবিরোধী আন্দোলন সংক্রান্তে রুজুকৃত মামলায় আসামি গ্রেফতার প্রসঙ্গে’ শীর্ষক আদেশে বলা হয়, বৈষম‍্যবিরোধী আন্দোলন সংক্রান্তে রুজুকৃত মামলায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে এজাহার নামীয় আসামির সংখ্যা অধিক।

    এসব মামলার এজাহার নামীয় কিংবা তদন্তে প্রাপ্ত আসামি গ্রেফতারের নিমিত্তে উপযুক্ত প্রমাণসহ (ভিকটিম/বাদী/প্রতক্ষ‍্যদর্শী সাক্ষী, ঘটনা সংশ্লিষ্ট ভিডিও/অডিও/ স্থির চিত্র ও সিডিআর ইত্যাদি) অবশ‍্যই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে গ্রেফতার করতে হবে।উপযুক্ত প্রমাণ ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনার মামলার এজাহার নামীয় কিংবা তদন্তে প্রাপ্ত কোনো আসামি গ্রেফতার না করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’

    এর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জসিম উদ্দিন রিটটি দায়ের করেন। আবেদনে ৯ এপ্রিলের অফিস আদেশ কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি জানানো হয়। এতে স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, ডিবিপ্রধান, সিআইডিপ্রধান ও এসবিপ্রধানসহ সাতজনকে বিবাদী করা হয়।;

  • রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা দিলেও আগামী সেপ্টেম্বরে আবারও তহবিল সংকটের আশঙ্কা : ড, মুহাম্মদ ইউনূস

    রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা দিলেও আগামী সেপ্টেম্বরে আবারও তহবিল সংকটের আশঙ্কা : ড, মুহাম্মদ ইউনূস

    নিউজ ডেস্ক:   অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড, মুহাম্মদ ইউনূস জানালেন, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) সাময়িক অর্থায়নের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের খাদ্য সহায়তা দিলেও আগামী সেপ্টেম্বরে আবারও তহবিল সংকটের আশঙ্কা আছে। এই প্রেক্ষাপটে কাতারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    দেশটির দোহায় আর্থনা সামিটে বুধবার (২৩ এপ্রিল) রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

    চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের আয়োজন করবে বাংলাদেশ। এতেও কাতারের সহায়তা চান প্রধান উপদেষ্টা।

    এই আলোচনায় মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত এবং রাখাইনে আরাকান আর্মির বর্তমান অবস্থান তুলে ধরেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। আর বলেছেন, সম্প্রতি রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতিতে নাটকীয় পরিবর্তন ঘটেছে।

    রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই সমাধান নিশ্চিতে ৮ দফা সুপারিশ-ও পেশ করেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। সুপারিশগুলো হলো—

    ১. মানবিক অর্থায়ন নিশ্চিত রাখা: খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, আশ্রয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অব্যাহত অর্থায়ন প্রয়োজন।
    ২. জীবিকা সহায়তা: ক্যাম্পে শিক্ষিত ও দক্ষ রোহিঙ্গাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে স্বনির্ভরতা তৈরি করা যেতে পারে।
    ৩. ভাসানচর উন্নয়নে সহায়তা: ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও পানীয়জলের সুযোগ বৃদ্ধিতে কাতার অংশ নিতে পারে।
    ৪. শিক্ষা সহায়তা: বিশেষ করে শিশু ও কিশোরীদের জন্য শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা দরকার। বাংলা ভাষাভিত্তিক কারিকুলামের পাশাপাশি ইংরেজি ও বার্মিজ ভাষার শিক্ষা চালু করা যেতে পারে।
    ৫. পরিবেশ সুরক্ষা: বৃক্ষরোপণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মসূচিতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
    ৬. অবকাঠামোগত উন্নয়ন: কক্সবাজার ও ভাসানচরের অবকাঠামো এবং যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে সহায়তা দরকার।
    ৭. আন্তর্জাতিক সংলাপ ও কূটনৈতিক সহায়তা: রোহিঙ্গা সংকটের মূল সমাধান— তাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের পক্ষে জোরালো আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।
    ৮. রোহিঙ্গা নেতৃত্বের সম্পৃক্ততা: যেকোনও উদ্যোগে রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা নিজস্ব সমস্যার সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে।;

  • সিলেট টেস্টে নড়বড়ে ব্যাটিংয়ের পরেও ১১২ রানের লিড নিয়েছে বাংলাদেশ

    সিলেট টেস্টে নড়বড়ে ব্যাটিংয়ের পরেও ১১২ রানের লিড নিয়েছে বাংলাদেশ

    খেলাধুলা ডেস্ক:   সিলেট টেস্টে নড়বড়ে ব্যাটিংয়ের পরেও ১১২ রানের লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। আলোকস্বল্পতায় দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত ৪ উইকেটে ১৯৪ রানের সংগ্রহ পায় স্বাগতিকরা। ফিফটির দেখা পেয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

    বৃষ্টির বাগড়ায় তিন ঘণ্টা দেরিতে, দুপুর ১টায় শুরু হয় দিনের খেলা। আগের দিনের ১ উইকেটে ৫৭ রান নিয়ে তৃতীয় দিন ব্যাটিং শুরু করেন দুই অপরাজিত ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয় ও র্মুমিনুল হক। বৃষ্টি-বিঘ্নিত কন্ডিশনে দলীয় ৭৩ রানে, ৩৩ রান করা জয়কে ফেরান মুজারাবানি।

    আশা দেখিয়ে ৪৭ রান করে ফেরেন মুমিনুল। এবারও ব্যাট হাতে ব্যর্থ মুশফিকুর রহিম। এরই মাঝে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন নাজমুল শান্ত। বোর্ডে শান্ত-জাকের আলীর জুটি ৩৯ রান যোগ করার পর আলোকস্বল্পতার কারণে দিনের খেলা শেষ হয়। শান্ত ৬০ ও জাকের অপরাজিত আছেন ২১ রানে।

    এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ১৯১ রানের জবাবে ২৭৩ রান করে জিম্বাবুয়ে। ৮২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছিল স্বাগতিকরা।;