Category: কিশোরগঞ্জ

  • কিশোরগঞ্জে রাজনৈতিক ছায়া নাকি প্রশাসনিক জটিলতা তালজাঙ্গা আর সি রায় উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নয়ন ও শিক্ষার অগ্রযাত্রা থমকে যাওয়ার অভিযোগ


    স্টাফ রিপোর্টার:
    কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তালজাঙ্গা আর সি রায় উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে হাজারো শিক্ষার্থীকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার গৌরব অর্জন করেছে। কিন্তু বর্তমানে বিদ্যালয়টিকে ঘিরে নানা প্রশ্ন, উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।

    এলাকাবাসীর দাবি, বহুদিন ধরে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। পুরাতন কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার পর নতুন পরিচালনা কমিটি গঠনের বিধান থাকলেও দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও নতুন কমিটি গঠন হয়নি। ফলে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং শিক্ষা কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ তাদের।

    স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন—কেন নতুন কমিটি গঠনে এত দীর্ঘসূত্রতা? এর পেছনে কি রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করছে, নাকি প্রশাসনিক জটিলতা? নাকি অন্য কোনো অদৃশ্য শক্তির কারণে একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আজ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে আছে।

    অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয়কে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে অভিযোগ ও বিতর্ক তৈরি হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থিতিশীল পরিবেশ না থাকলে পাঠদানের স্বাভাবিক পরিবেশও ব্যাহত হয়। এতে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া, পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং সামগ্রিক শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    শিক্ষাবিদদের মতে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক বিভাজন বা ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের প্রভাব পড়লে সবচেয়ে বড় ক্ষতির শিকার হয় শিক্ষার্থীরা। কারণ বিদ্যালয় কোনো রাজনৈতিক মঞ্চ নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার কারখানা।

    এলাকাবাসীর ভাষ্য, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন, শিক্ষার মান বৃদ্ধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সুসম্পর্ক এবং একটি কার্যকর পরিচালনা কমিটি গঠনই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি। তারা মনে করেন, অপ্রয়োজনীয় টানাপোড়েন ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়ে দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য পরিচালনা কমিটি গঠন করা জরুরি।

    স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। অন্যথায় একসময় এলাকার অন্যতম সুনামধন্য এই বিদ্যালয় তার ঐতিহ্য ও শিক্ষার মান হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের প্রত্যাশা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক বিতর্কের বাইরে রেখে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার অবসান ঘটবে।

  • টেন্ডার অনিয়ম, ঘুষ, অর্থ আত্মসাৎ ও নারী সহকর্মী হয়রানির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

    টেন্ডার অনিয়ম, ঘুষ, অর্থ আত্মসাৎ ও নারী সহকর্মী হয়রানির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

    স্টাফ রিপোর্টার:

    গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, টেন্ডার অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ এবং নারী সহকর্মীদের হয়রানির অভিযোগ এনে তার অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩০ জুন) বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্প, ইজারা কার্যক্রম ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম-দুর্নীতি চলে আসছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

    বক্তাদের অভিযোগ

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বরমী-বরামা-সিংহশ্রী-রায়েদ খেয়াঘাট ইজারা কার্যক্রমে ঘুষ গ্রহণ ও টেন্ডার অনিয়ম, জেলা পরিষদের প্রায় ৬২ কোটি টাকার এফডিআর (ফিক্সড ডিপোজিট) ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়নে ঘুষ গ্রহণ, ঠিকাদারি বিল থেকে ৬ শতাংশ হারে অবৈধ অর্থ আদায় এবং নারী সহকর্মীদের যৌন হয়রানির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

    বক্তারা বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন একাধিক অভিযোগ ওঠার পরও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তারা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

    আগেই দেওয়া হয়েছে লিখিত অভিযোগ

    এর আগে একই অভিযোগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়। গত ১৭ জুন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বাসিন্দা তফিজ ওই অভিযোগ দাখিল করেন।

    লিখিত অভিযোগে বলা হয়, জেলা পরিষদের এফডিআর ভেঙে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন ছাড়াই অর্থ উত্তোলন, বেয়ারার চেকের মাধ্যমে অর্থ বিতরণ, ঠিকাদারি লাইসেন্স নবায়নে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, সরকারি সম্পত্তি ইজারায় অনিয়ম এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সরকারি অর্থের অপব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে।

    এছাড়া গাজীপুর চৌরাস্তার নাওজোর এলাকার দোকান, ইসলামপুর ভাঙা ব্রিজসংলগ্ন জেলা পরিষদের জমি, কালিয়াকৈর ডাকবাংলা এলাকার কাঠবাজার এবং কাপাসিয়ার বিভিন্ন সরকারি সম্পত্তি ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিধি অনুসরণ না করে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও উত্থাপন করা হয়।

    অভিযোগে আরও বলা হয়, সরকারি বাসভবনে ওঠার কয়েক মাসের মধ্যেই টেন্ডার ছাড়াই ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কয়েকটি খেয়াঘাট ইজারায় সর্বোচ্চ দরদাতাকে বঞ্চিত করে পুনঃপুন দরপত্র আহ্বান, সিডিউল বিক্রয়ে বাধা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে টেন্ডার বাতিল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

    স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির কোনো স্থান নেই। সরকারের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি বাস্তবায়নের স্বার্থে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

    এ সময় গাজীপুর জেলা পরিষদে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

    উপস্থিত ছিলেন

    মানববন্ধনে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড প্রেস সোসাইটির চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন আকাশ, সাংবাদিক এইচ. এম. হাকিম, আনজার শাহ, আবুল বাসার মজুমদার, ইসলাম উদ্দিন তালুকদারসহ সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • মুছলেখা না সমঝোতা অষ্টগ্রাম থানায় ইয়াবাসহ যুবক আটক রাতেই মুক্তি এলাকা জুড়ে তোলপাড় ‎ ‎


    ‎
    ‎
    ‎মোঃ আল-আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি:
    ‎কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় চার পিস ইয়াবাসহ এক যুবককে গ্রেফতার করার পর একই রাতে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকাজুড়ে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
    ‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৮ জুন রাতে অষ্টগ্রাম উপজেলার পূর্ব অষ্টগ্রাম দাসপাড়া এলাকা থেকে কাশতলী ইউনিয়নের বাসিন্দা প্রায় ২৫ বছর বয়সী মো. উজ্জ্বলকে চার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে অষ্টগ্রাম থানা পুলিশ।
    ‎
    ‎স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে থানাকে ম্যানেজ করে ওই যুবকের মুক্তির ব্যবস্থা করা হয়। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকনুজ্জামান বলেন, “অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
    ‎
    ‎স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, প্রায় ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে ‘ম্যানেজ’ করে ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
    ‎
    ‎
    ‎এ বিষয়ে অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকনুজ্জামান বলেন, “কোনো টাকার বিনিময়ে নয়, মুচলেকা নিয়ে সংশোধনের সুযোগ হিসেবে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যদি অর্থ লেনদেনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট এসআই আনিসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
    ‎
    ‎তবে স্থানীয়দের দাবি, ওই যুবক শুধু ইয়াবা সেবনকারী নন, তিনি ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত। যদিও এ দাবির বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি এবং এ বিষয়ে কোনো মামলার নথিও তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
    ‎
    ‎ঘটনাটি নিয়ে জনমনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান করে পরবর্তী প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

  • কিশোরগঞ্জে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন


    ‎
    ‎
    ‎
    ‎
    ‎
    ‎
    ‎মোঃ আল-আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি:
    ‎
    ‎কিশোরগঞ্জে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন ২০২৬) সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন।
    ‎
    ‎উদ্বোধন উপলক্ষে তিনি কোমলমতি শিশুদের মধ্যে কয়েকজনকে নিজ হাতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যাম্পেইনের সূচনা করেন।
    ‎
    ‎জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাসের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি শতভাগ শিশুকে ক্যাম্পেইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত উদ্যোগ, ব্যাপক প্রচারণা এবং হাওড়ের মতো দুর্গম এলাকাসহ প্রতিটি কেন্দ্রে সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
    ‎
    ‎অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন (দায়িত্বপ্রাপ্ত) ডা. মো. নাজমুল করিম, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. দিদারুল ইসলাম, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মো. একরাম আহসান জুয়েল, পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (কমিউনিটি মেডিসিন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ) ডা. মীর নুর-উস-সাদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
    ‎
    ‎ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জেলার সকল যোগ্য শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল প্রদান নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।