Category: প্রচ্ছদ

  • প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটের জন্য নির্বাচন কমিশন তিনটি পদ্ধতিকে বাছাই করেছে

    প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটের জন্য নির্বাচন কমিশন তিনটি পদ্ধতিকে বাছাই করেছে

    নিউজ ডেস্ক:   প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটের জন্য একটি পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য নয়। তাই নির্বাচন কমিশন প্রবাসীদের জন্য তিনটি পদ্ধতিকে বাছাই করেছে। এমনটা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।বুধবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি একথা জানান।

    ইসি সানাউল্লাহ জানান– তিনটি পদ্ধতি হলো পোস্টাল ব্যালট, অনলাইন পদ্ধতি ও প্রক্সি ভোটিং। তবে ভোট দেয়ার জন্য প্রবাসীরা যে দেশে আছে, ঐ দেশ থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

    তিনি জানান, বাংলাদেশের জন্য কোনো একটি পদ্ধতিতে ভোট সম্ভব নয়। তাই মিশ্র পদ্ধতি অনুসরণ করবে ইসি। কারণ দেশভেদে ভোটের পরিবেশ ভিন্ন। তবে তিনটি পদ্ধতি নিয়ে মব টেস্টিং করে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে।

    নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, প্রবাসীদের ভোট পদ্ধতির ইতিবাচক ও নেতিবাচক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার জন্য অ্যাডভাইজার পরিষদ গঠন করা হবে। এ পরিষদের রিপোর্ট অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

    প্রবাসীদের এ বছর ভোটের আওতায় আনাই নির্বাচন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য বলেও জানান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।;

  • যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসানের ৩ দিনের রিমান্ড

    যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসানের ৩ দিনের রিমান্ড

    নিউজ ডেস্ক: জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে এক শিক্ষার্থীকে হত্যাচেষ্টা মামলায় যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসানের ৩ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

    বুধবার (৯ এপ্রিল) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিএম ফারহান ইশতিয়াকের আদালত শুনানি শেষে রিমান্ডের আদেশ দেন।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানার সামনে পুলিশের গুলিতে হাঁটুতে গুলিবিদ্ধ হন মঞ্জুরুল আলম জিসান (১৯)। পরে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নেন তিনি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা মো. তাজ উদ্দিন গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। মামলার ৮ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি আবুল হাসান।

    গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে আবুল হাসানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে বিভিন্ন মামলায় রিমান্ডে নেয়া হয়।

    এদিকে যাত্রাবাড়ী, ভাটারা, মোহাম্মদপুর, আদাবর, শাহবাগ, থানার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিম, অভিনেত্রী শমী কায়সার, সাবেক আইজিপি শহিদুল হক, সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুনকে।

    বুধবার সকালে তাদের প্রত্যেককে তোলা হয় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে। পরে তাদের এ আদেশ দেন আদালত। এর আগে, তারা একাধিক মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে ছিলেন।;

  • বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৩.৯ শতাংশ: এডিবির

    অর্থনীতি  ডেস্ক:  চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ৩ দশমিক ৯ শতাংশ বাড়বে বলে জানিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। দক্ষিণ এশিয়ার গড় প্রবৃদ্ধির অনুমানের তুলনায় যা অনেক কম। দক্ষিণ এশিয়ায় গড়ে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে এডিবি।

    বুধবার (৯ এপ্রিল) প্রকাশিত এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক প্রতিবেদনে এডিবি এশিয়ান দেশগুলোর প্রবৃদ্ধির ২০২৫ এবং ২০২৬ সালের পূর্বাভাস দিয়েছে। বাংলাদেশ আগামী অর্থবছরে (২০২৫-২৬) জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ১ শতাংশ হবে বলে অনুমান করেছে এডিবি।

    এডিবি এর আগে চলতি অর্থবছরের জন্য চার দশমিক তিন শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল। বাংলাদেশের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) জিডিপি প্রাক্কলনের কথা উল্লেখ করে এডিবির পূবাভাসের এপ্রিল সংস্করণে বলা হয়েছে, এ সময়ে অর্থনীতি ধীর গতিতে প্রসারিত হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, শ্রমিক বিক্ষোভ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি বাংলাদেশের অর্থনীতির সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির ওপর প্রভাব ফেলেছে। তবে উৎপাদন খাত স্থিতিশীল হওয়ায় পরবর্তী প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।;

  • মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৩৫ শতাংশে

    মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.৩৫ শতাংশে

    অর্থনীতি ডেস্ক: মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৯দশ মিক ৩৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা এক মাস আগে ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে ২২ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি দেখতে পায় দেশ।

    আজ মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    বিশ্লেষণে দেখা যায়, মাসের ব্যবধানে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে ঊর্ধ্বমূখী মূল্যস্ফীতি। শহর ও গ্রামে একই চিত্র মিলেছে।

    মার্চে খাদ্য মূল্যস্ফীতি যেখানে ফেব্রুয়ারির ৯ দশমিক ২৪ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, সেখানে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি ফেব্রুয়ারির ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ হয়েছে।

    খাদ্য বহির্ভূত খাতে ফেব্রুয়ারিতেও মূল্যস্ফীতি বাড়ার তথ্য মিলেছিল। মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছিল ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ, জানুয়ারিতে যা ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ ছিল।

    এদিকে, মার্চে শহরের খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ১৮ শতাংশ, যা ফেব্রুয়ারিতে ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ ছিল। অন্যদিকে, গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি মার্চে ছিল ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ।

    আর গ্রামে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি ফেব্রুয়ারির ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ থেকে বেড়ে মার্চে ৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ হয়েছে। শহরে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি ফেব্রুয়ারির ৯ দশমিক ২৭ শতাংশ থেকে বেড়ে মার্চে ৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ হয়েছে।;

  • শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হলেও তা চূড়ান্ত কিছু নয় : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

    শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হলেও তা চূড়ান্ত কিছু নয় : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

    নিউজ ডেস্ক:  শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হলেও তা চূড়ান্ত কিছু নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

    পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন—সম্পর্ক হয় দেশ ও জনগণের সঙ্গে, ব্যক্তি বা দলের সঙ্গে নয়। দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে আপত্তিকর বক্তব্য পরিহারের বিষয়ে একমত হয়েছেন ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি।

    তিনি আরও বলেন, তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশ এখনও ভারতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে। ভারত বা চীন—যাদের কাছ থেকে ভালো সহযোগিতা পাওয়া যাবে, তাদের সঙ্গেই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় কাজ করতে প্রস্তুত।

    লুটপাট কোনো প্রতিবাদের ভাষা নয়—উল্লেখ করে তৌহিদ হোসেন বলেন, যারা এমন কাজ করছে, তারা দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের ষড়যন্ত্র করছে। দেশে যখন বিনিয়োগ সম্মেলন চলছে, তখন ফিলিস্তিনের পক্ষে আন্দোলনের নামে লুটপাটকে তিনি পরিকল্পিত বলে মনে করেন।

    রোহিঙ্গাদের ফেরানোর ব্যাপারে তিনি আরও বলেন, থাইল্যান্ডের বৈঠকে এক লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনযোগ্য, এটা মায়ানমার পরিষ্কার বলেছে। বাকি তালিকা তারা রিভিউ করছে। আমরা তাদের দাবি জানিয়েছি বাকি যারা আছে, তাদের ফেরানোর ব্যাপারে যেনো ত্বরানিত করে। এই তালিকা অনুমোদন করা মানে এই নই যে কালকে তারা চলে যেতে পারবে। রাখাইনে বাস্তব অবস্থা আমরা সেটা জানি। এই অবস্থায় তাদের প্রত্যাবাসন করা সম্ভব নয়।

    এছাড়াও চলতি মাসেই পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ঢাকা সফর করবেন। যেখানে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা হবে বলেও জানান তিনি।;

  • বজ্রঝড় ও বৃষ্টিপাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের চারটি রাজ্যে ভয়াবহ বন্যা

    বজ্রঝড় ও বৃষ্টিপাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের চারটি রাজ্যে ভয়াবহ বন্যা

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  টানা বজ্রঝড় ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের চারটি রাজ্যে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। প্লাবিত হয়েছে আরও নতুন এলাকা। এতে বিপযর্স্ত সেখানকার জনজীবন।

    গত ৪ দিন ধরে টানা ঝড় ও ভারী বৃষ্টিতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কেন্টাকি। তলিয়েছে বহু বাড়িঘর, রাস্তাঘাট। ৫শ’র বেশি সড়কে যান চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। ভারি বৃষ্টিপাত ও বন্যায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২ জনের।

    বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি আরকানসাসেও। এখনও পানির নিচে বহু সড়ক। ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত ইলিনয় রাজ্যও। এরইমাঝে টেক্সাস থেকে ওহাইও পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় ভারী বজ্রপাত ও টর্নেডোর জেরে প্রাণ গেছে অন্তত ৭ জনের।;

  • ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে ফিলিপাইন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে ফিলিপাইন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    নিউজ ডেস্ক: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ফিলিপাইন রাষ্ট্রদূত নিনা পি. কাইনগলেট।সোমবার (৭ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    সাক্ষাৎকালে ফিলিপাইন ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

    এসময় কৃষি ও শিক্ষা খাতসহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনার কথা উঠে আসে এবং উভয় পক্ষই ফিলিপাইন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন।
    রাষ্ট্রদূত নিনা পি. কাইনগলেট ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট বংবং মার্কোস এবং দেশটির জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান।;

  • শুল্ক কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর পথেই হাঁটতে চায় অন্তবর্তী সরকার

    শুল্ক কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর পথেই হাঁটতে চায় অন্তবর্তী সরকার

    অর্থনীতি ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কারোপের বিষয়ে নড়েচড়ে বসেছে সরকার। করণীয় ঠিক করতে চলছে লাগাতার বৈঠক। আপাতত শুল্ক কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর পথেই হাঁটতে চায় অন্তবর্তী সরকার।

    চলতি মাসের ৯ তারিখ থেকে এই শুল্কহার কার্যকর হওয়ার কথা। এ নিয়েই বড় উদ্বেগ বাংলাদেশের। কারণ, বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের বড় গন্তব্য দেশ যুক্তরাষ্ট্র। শুধু পোশাকই নয়, দ্বিতীয় প্রধান রফতানি পণ্য লেদারগুডস ও সিনথেটিক পণ্যেও তৈররি হয়েছে দুশ্চিন্তা।

    ইতোমধ্যে এই ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চিঠি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আরোপিত অতিরিক্ত শুল্ক তিন মাসের জন্য স্থগিত রাখতে চিঠিতে অনুরোধ জানান তিনি।

    ব্যবসায়িদের দাবি, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

    বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেছেন, পণ্য পাঠাতে বন্দরে আমাদের সময় বেশি লাগে, এটি কীভাবে কমানো যায় সেটার ব্যাপারে আরো মনোযোগ দেয়া এবং পাশাপাশি এনবিআর যেসব ট্যাক্স আরোপ করে রেখেছে, এগুলোর বিষয়ে আবার চিন্তা-ভাবনা করা, করপোরেট ট্যাক্স কমিয়ে আনা দরকার। ব্যবসায় তো টিকে থাকতে হবে, না হলে কিন্তু অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে।

    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন আরোপিত শুল্কের নাম দেয়া হয়েছে রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ বা পাল্টা শুল্ক। অর্থাৎ যেসব দেশ এতদিন মার্কিন পণ্যের ওপর উচ্চশুল্ক নির্ধারণ করে রেখেছিল, সেই সব দেশের পণ্যে দেয়া হয়েছে পাল্টা শুল্ক। বাংলাদেশ এতদিন গড়ে ১৫ শতাংশ শুল্ক দিলেও এখন দিতে হবে ৩৭ শতাংশ।

    অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, বাণিজ্য ঘাটতিকে ভাগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, তাদের ওখানে আমাদের রফতানি ৮.৪ বিলিয়ন ডলার মতো। আর ওদের রফতানি দিয়ে আমাদের রফতানিকে ভাগ দিলে দুই দেশের মধ্যে ঘাটতি আসে ৭৪ শতাংশ। সে (ডোনাল্ড ট্রাম্প) সেখানে বলছে, আমি একটা ডিসকাউন্ট দিচ্ছি… সবাইকে ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট, ৭৪ এর ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্ট হচ্ছে ৩৭। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যেই বাণিজ্য ঘাটতিটা আছে এইটা কমাতে হবে। এইটা কমানোর দুইটা পথ আছে, একটা হলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়ানো, আরেকটা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি কমানো।

    মূলত বাণিজ্য ঘাটতি বিবেচনায় নিয়েই বাড়তি শুল্কারোপের হিসাব কষেছে মার্কিন সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি। অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৮ বিলিয়ন ডলার রফতানির বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানির পরিমাণ ২ বিলিয়ন ডলারের সামান্য বেশি।

    ড. জাহিদ হোসেন বলেন, সবাই আলোচনায় শুল্কের কথা বলছেন। ওরা তো শুধু শুল্কের কথা বলে না। শুল্ক, প্যারা টেরিফ, নন-টেরিফ ব্যারিয়ার আর কারেন্সি ম্যানিপুলেশনের কথা বলছে। বিশেষ করে নন-টেরিফ ব্যারিয়ারটাই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে বাংলাদেশের চ্যাপ্টারে। তো ওই নন-টেরিফ ব্যারিয়ারগুলোকে শিথিল করার জন্য বা সহজ করার জন্য আমরা কী কী উদ্যোগ নিয়েছি, সেগুলোর একটা তালিকা করা দরকার।

    শুল্ক ইস্যুতে আলোচনায় বসতে প্রস্তুতি দরকার। এক্ষেত্রে, বড় ভূমিকা রাখতে পারে অ-শুল্ক বাধা। প্রশ্ন হচ্ছে, হঠাৎ করে দেয়া বাড়তি শুল্কের বোঝা চাপবে কারঘাড়ে?

    ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, আমি নিশ্চিত, ক্রেতাদের কাছ থেকে আগামী সপ্তাহে তারা ই-মেইল বা ফোন পাবেন, তোমাদের সাথে আমরা চুক্তি করেছিলাম এই শুল্কের আগে, এখন এই শুল্কের কারণে আমাদের খরচ বেড়ে গেছে। কাজেই তোমরা দামটা কমাও। প্রাইস ডিসকাউন্ট চাইবে তারা। সেইক্ষেত্রে তো বোঝাটা আমাদের ঘাড়ে আসছে।

    এদিকে, বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা এমন ৩০-৩৫টি পণ্যের শুল্কহার কমিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে চায় অন্তবর্তী সরকার।

    সূত্র যমুনা টিভি;

  • যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দেশটির ৫০টি অঙ্গরাজ্যে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দেশটির ৫০টি অঙ্গরাজ্যে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দেশটির ৫০টি অঙ্গরাজ্যে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ট্রাম্পের নেয়া বিভিন্ন এজেন্ডার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ হয়।

    গতকাল শনিবার (৫ এপ্রিল) দেশটির বোস্টন, শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেস, নিউ ইয়র্ক এবং ওয়াশিংটন ডিসিসহ অন্যান্য রাজ্যের ১২০০ স্থানে ‘হ্যান্ডস অফ’ নামে এই সমাবেশ করেন বিক্ষোভকারীরা। দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেয়ার পর ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এটিই সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ। খবর বিবিসি।

    এ সময় বিক্ষোভকারীদের ট্রাম্পবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। তারা অভিবাসী বিরোধী অভিযান, শুল্কারোপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসনে ইলন মাস্কের প্রভাবের সমালোচনাও করেন তারা। বিক্ষোভকারীদের হাতে হ্যান্ডস অফ কানাডা, গ্রিনল্যান্ড, ইউক্রেন লেখা সম্বলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়।

    এদিকে, ডেমোক্র্যাট আইনপ্রনেতারাও প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দিয়েছেন। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব তোলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।

    ডালাসের একজন বিক্ষোভকারী বলেন, জাতীয় সংকটে এখানে একত্রিত হয়েছি। কারণ তারা সংবিধান অনুসরণ করছে না। তারা ভাবছে সবকিছু নিজেদের ইচ্ছামতো হবে। তবে তা কখনো হবে না। এই দেশ আমাদের।

    আটলান্টা শহরের একজন প্রতিবাদকারী বলেন, যা ঘটছে তা হলো ক্ষমতার অপব্যবহার। এত বড় বড় পদক্ষেপের জন্য সিনেটে শুনানি করা হচ্ছে না। জনগণ এগুলোর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে এসেছে।

    ডেমোক্র্যাট দলীয় কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর বলেন, আমরা গণতন্ত্র ও সংবিধানের জন্য লড়ছি। নিজের পরিবারের কাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যতের জন্য লড়ছি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বৈরাচার হতে চাইছেন। আমেরিকায় কোনো স্বৈরাচারকে মেনে নেবো না। একজন ধনকুবের প্রেসিডেন্টের পাশের সিটটি কিনে নিয়ে তাকে পুতুল বানিয়ে রেখেছেন। তবে আমেরিকার গণতন্ত্র বিক্রির জন্য নয় এবং তা হবেও না।

    ডেমোক্র্যাট দলীয় আরেক কংগ্রেস সদস্য আল গ্রিন বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হয়তো এবার মেয়াদ পূর্ণ করতে পারবেন না। আমরা ৩০ দিনের মধ্যে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব আনবো।

    অন্যদিকে, বিশ্বের ১৮৫টি দেশ ও অঞ্চলের ওপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণার পর লন্ডন, প্যারিস এবং বার্লিনসহ আমেরিকার বাইরেও ট্রাম্পবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।;

  • ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার যোগ্য বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার

    ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার যোগ্য বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার

    নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার যোগ্য বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। এছাড়া আরও ৭০ হাজার রোহিঙ্গার তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। চূড়ান্ত হলে এই তালিকাও প্রত্যাবাসনে যুক্ত হবে। এটিকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বড় ও দীর্ঘস্থায়ী পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন বিশ্লেষকরা।

    ২০১৭ সালের রোহিঙ্গা ঢলের পর ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে আট লাখ রোহিঙ্গার তালিকা দেশটিকে দেয়া হয়। ছয় ধাপে সেই তালিকা দেয়া হয়েছিলো।

    এ বিষয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) নাঈম আশফাক চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। এই ইস্যুটিকে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে নিয়ে আসা সরকারের প্রথম কাজ ছিল। এরপর পর্যায়ক্রমে প্রত্যাবাসনসহ অন্যান্য প্রক্রিয়াগুলো আসবে। মিয়ানমার প্রত্যাবাসনযোগ্য রোহিঙ্গাদের যে তালিকা নিশ্চিত করেছে সেটি নিয়ে সরকার দেশটির সাথে অবশ্যই আলাপ করবে।

    যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার আকবর হোসেন বলেন, মিয়ানমার ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনে যোগ্য ঘোষণার মাধ্যমে ইস্যুটিকে স্বীকার করেছে। এটি একটি বড় পদক্ষেপ। এই স্বীকৃতি পাওয়াও একটি বড় অর্জন।

    সম্প্রতি চীন সফরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দেশটির আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং’ও বিষয়টি নিয়ে মিয়ানমার সরকারের সাথে কথা বলার আশ্বাস দেন। এর ঠিক কয়েকদিন পরেই মিয়ানমার জান্তা সরকারের এমন সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকার প্রধানের নেতৃত্বগুণ বলে জানান বিশ্লেষকরা।

    নিরাপত্তা বিশ্লেষক নাঈম আশফাক চৌধুরী বলেছেন, চীন মিয়ানমারের ওপর যত চাপ সৃষ্টি করবে ততই দেশটি রোহিঙ্গাদের নিয়ে নমনীয় হবে। অন্তর্বর্তী সরকার প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াটিকে এগিয়ে নিতে পারলে পরবর্তী সরকারের ওপরও দায়িত্ব বর্তাবে।

    এদিকে প্রত্যাবাসনের জন্য এই স্বীকৃতি একটা প্রামাণ্য দলিল হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা। তবে জান্তা সরকার রাখাইনের নিয়ন্ত্রণ ফিরে না পেলে, সেগুলো নিছক দলিল হয়েই থেকে যেতে পারে।

    এ বিষয়ে আকবর হোসেন বলেছেন, রোহিঙ্গাদের দেয়া মিয়ানমারের স্বীকৃতি আরাকান আর্মিকে অসন্তুষ্ট হয়েছে কিনা এমন প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ও আরাকান আর্মির মধ্যকার কূটনীতির ওপর বিষয়টি নির্ভর করবে। এক্ষেতে ভারত ও চীনের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। তাছাটা, আলোচনা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক চলমান রাখতে হবে।

    এর আগে, বেশ কয়েকবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পদক্ষেপ নেয়া হলেও তা শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি।;