Category: প্রচ্ছদ

  • গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২০ জন আহত

     স্টাফ রিপোর্ট :গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সোনাকুড় ও সুনাশুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সোনাকুড় এলাকায় ঢাকাগামী সেন্টমার্টিন পরিবহনের একটি
    বাসের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসের ১৫ জন যাত্রী আহত হয়। আহতদের মধ্যে ৫ জনকে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, আজ সকাল ১০টার দিকে একই মহাসড়কের সুনাশুর নামক স্থানে একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে দুইটি গাড়িই রাস্তার পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ৫ জন যাত্রী আহত হয়। আহতদের গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।;

  • টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মাটি বহনকারীর ড্রাম ট্রাকের চাপায় এক আনসার কমান্ডার নিহত

    টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মাটি বহনকারীর ড্রাম ট্রাকের চাপায় এক আনসার কমান্ডার নিহত

    স্টাফ রিপোর্ট : টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মাটি বহনকারীর ড্রাম ট্রাকের চাপায় এক আনসার কমান্ডার নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার হাসপাতালের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত শফিউল্লাহ মিয়া (৪৭) উপজেলার মৌলভীপাড়া গ্রামের মরহুম হাবিবুল্লাহ ওরফে মজনু মিয়ার ছেলে।

    নিহত শফিউল্লাহ কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের কমান্ডার (পিসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    দেলদুয়ার থানার ওসি শোয়েব আহমেদ বলেন, ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আসে আনসার সদস্য শফিউল্লাহ। শুক্রবার ভোরে তিনি নামাজ পরে হাঁটতে বের হন। হাঁটার এক পর্যায়ে হাসপাতালের সামনে আসলে মাটি বহনকারীর ড্রাম ট্রাক তাকে চাপা দিলে খুঁটির সাথে তার ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন শোয়েব আহমেদ।;

  • জুলাই আন্দোলনের সময় সৌদি আরবে গ্রেফতার ১০ প্রবাসী দেশে ফিরেছেন

    জুলাই আন্দোলনের সময় সৌদি আরবে গ্রেফতার ১০ প্রবাসী দেশে ফিরেছেন

    নিউজ ডেস্ক: জুলাই আন্দোলনের সময় সৌদি আরবে গ্রেফতার ১০ প্রবাসী দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।

    গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হলে আনন্দ ও প্রীতিভোজের আয়োজন করে সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা। সেখান থেকে ১২ জনকে আটক করে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

    এরপর দীর্ঘ ৮ মাস কারাগারে বন্দিদশার পর ১০ জন দেশে ফিরলেন। পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়াসহ কাগজপত্রে কিছু জটিলতা থাকায় পরবর্তীতে ফিরবেন বাকি দু’জন।

    দেশে ফেরত প্রবাসীরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকার এবং সবার সহযোগিতায় অনিশ্চিত পরিস্থিতি থেকে তারা মুক্ত হয়েছেন। সৌদি দূতাবাস থেকে যোগাযোগের ঘাটতি ছিলো বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।;

  • যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে :প্রধান উপদেষ্টা

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে :প্রধান উপদেষ্টা

    নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ড. ইউনূসের বরাত দিয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) এ কথা বলেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, শুল্কারোপের বিষয়টি আমরা পর্যালোচনা করছি। এটি যেহেতু আলোচনাযোগ্য, তাই আমরা আলোচনা করব। এই ইস্যুতে সর্বোত্তম সমাধানে পৌঁছানোর ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।

    বাংলাদেশি পণ্য আমদানির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, পুরো বিষয়টি এখনও আলোচনা শুরুর পর্যায়ে রয়েছে। আমরা পর্যালোচনা ও যেসকল পদক্ষেপ নিচ্ছি তাতে সামনের দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আমরা আশাবাদী। আমরা এমন একটা সমাধানের দিকে যেতে পারব, যাতে উভয়পক্ষের জন্য উইন উইন সিচুয়েশন হয়।

    বাংলাদেশের পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপের কয়েক ঘণ্টা পর আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম একটি ফেসবুক পোস্ট দেন। তাতে তিনি লেখেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক রিভিউ করছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দ্রুত শুল্কহার যুক্তিসংগত করার বিকল্পগুলো খতিয়ে দেখছে। যা বিষয়টি সমাধানের জন্য জরুরি।

    তিনি আরও লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং দেশের সবচেয়ে বড় রফতানি গন্তব্য। ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে আসছি। মার্কিন সরকারের সাথে চলমান কাজ শুল্ক সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রফতানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে বছরে প্রায় ৮.৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি হয়। এর বড় অংশই তৈরি পোশাক। নতুন শুল্ক বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশি পোশাক রফতানি ব্যাহত হতে পারে। যা অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

    যুক্তরাষ্ট্র শুধু বাংলাদেশের ওপরই নয়, বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপরও শুল্ক বৃদ্ধি করেছে। এর মধ্যে, ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৬%, পাকিস্তানের ২৯%, চীনের ৩৪% এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২০% শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।;

  • ঈদে মুক্তি পেয়েছে সালমান খানের বহুল প্রতিক্ষিত ছবি ‘সিকান্দার’

    ঈদে মুক্তি পেয়েছে সালমান খানের বহুল প্রতিক্ষিত ছবি ‘সিকান্দার’

    বিনোদন ডেস্ক: ঈদে মুক্তি পেয়েছে সালমান খানের বহুল প্রতিক্ষিত ছবি ‘সিকান্দার’। তবে মুক্তির ৪ দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত ছবির আয় ৮৪ কোটি রুপি। সব মিলিয়ে বলা যায়, বক্স অফিসে একটা সুবিধা করতে পারছে না ‘সিকান্দার’।

    প্রসঙ্গত ইদের ঠিক আগের দিন, রোববার, ৩০ মার্চ বক্স অফিসে মুক্তি পেয়েছে সিকান্দর। কিন্তু হলে কী হবে, উইকেন্ড, ঈদের আবহ থাকা সত্বেও এই ছবি সলমনের বাকি ছবির মতো ওপেনিং পায়নি। বরং অনেকটাই কম ছিল প্রথম দিনের আয়।

    মুক্তির পর প্রথম দিন বক্স অফিসে সিকান্দর ২৬ কোটি টাকার ব্যবসা করে। দ্বিতীয় দিন, অর্থাৎ ইদের দিন সেই আয়ের পরিমাণ বেড়ে হয় ২৯ কোটি টাকা। মঙ্গলবার এক ধাক্কায় আয়ের পরিমাণ বেশ অনেকটাই কমে। এদিন ১৯ কোটি ৫০ লাখ টাকার ব্যবসা করে সালমনের ছবিটি। বুধবার সেই আয়ের পরিমাণ আরও অনেকটাই কমলো।

    এই সিনেমায় প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন সালমান খান ও রাশমিকা মান্দানা। এছাড়াও, আরও অভিনয় করেছেন কাজল আগরওয়াল, সত্যরাজ, শারমান যোশি প্রমুখ। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার গ্র্যান্ডসন এন্টারটেইনমেন্ট। ‘সিকান্দার’ পরিচালনা করেছেন এ.আর. মুরুগাদোস।;

  • যশোরে বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা ও মেয়ে নিহত

    যশোরে বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা ও মেয়ে নিহত

    স্টাফ রিপোর্ট : যশোরে বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা ও মেয়ে নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পুলেরহাট চৌরাস্তা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    নিহতরা হলেন, রুবেল হোসেন (৩৫) ও তার মেয়ে ঐশী (১০)। এ ঘটনায় রুবেলের স্ত্রী জেসমিন (২৮) ও তার আরেক মেয়ে তায়েবা (৪) ও পথচারী ওসমান আলী (১৯) গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত রুবেল হোসেন খুলনার খালিশপুর থানার মুজগনি বাস্তুহারা এলাকার মিল্লাত গাজীর ছেলে।

    পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার স্ত্রী ও সন্তানদের শার্শা উপজেলায় শ্বশুর বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তারা পুলেরহাট এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা যশোরগামী একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই রুবেল হোসেনের মেয়ে ঐশী মারা যায়। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে রুবেল হোসেনও মারা যান। রুবেলের স্ত্রী জেসমিন ও তার মেয়ে তায়েবা যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে পুলিশের নাভারণ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ শেখ।;

  • সরকারে ছাত্রদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে মনে করে বিএনপি

    সরকারে ছাত্রদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে মনে করে বিএনপি

    নিউজ ডেস্ক:  জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে যোগ দেন তিন ছাত্রপ্রতিনিধি। রাজনীতিতে ছাত্রদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি যখন স্পষ্ট হচ্ছিল, তখন পুরনো দলগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিল। ছাত্রদের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আত্মপ্রকাশের আগে পদত্যাগ করে দলটির দায়িত্ব নেন উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। এখনও সরকারে আছে দুই ছাত্রপ্রতিনিধি।

    এমন অবস্থায় সরকারে ছাত্রদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে মনে করে বিএনপি।

    দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা আশা করি সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন কোয়ার্টারে। আমি আশা করি, সরকার সেখানে নিবিড় দৃষ্টি রাখবে। এটা দুর্ভাগ্যজনক হবে। আবার এটা হলে অন্য ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে।

    নতুন দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নেই কি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করছে না সরকার, এমন প্রশ্নও করছেন নেতারা।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধান উপদেষ্টা নতুন রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে তাদেরকে সময় দিতে চান, এমন প্রশ্ন উঠছে। আমরা প্রশ্ন করছি না, জনগণের পক্ষ থেকে এ রকম কিছু কিছু প্রশ্ন উঠেছে। তা না হলে উনি রোডম্যাপ দিতে বিলম্ব করছে কেন? উনার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করা হচ্ছে না।

    আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনের কথা বললে তাদের মধ্যে একটা শঙ্কা-সংশয় কাজ করে, তাহলে তারাই তো দেশে অনৈক্য সৃষ্টির কাজ করছে। তারাই কিন্তু ফ্যাসিস্টের জন্য পথ উন্মুক্ত করে দিচ্ছে। যে প্রশ্নগুলো উঠছে, সেগুলো যাতে না উঠে। বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে যে পরিবর্তন হয়েছে, যে আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি হয়েছে, তা আমাদের সকলকে ধারণ করতে হবে।

    অন্তর্বর্তী সরকারকে নিরপেক্ষতার প্রমাণ দেয়ার কথা বলছেন রাজনৈতিক নেতারা। সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকারের অংশ থেকে যারা একটি রাজনৈতিক দলকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছেন তা দৃশ্যমান। মানুষ এগুলো বুঝে তো। এই জায়গা থেকে সরকারকে বেরিয়ে আসতে হবে, তাদেরকে যেন জনগণ মনে করে, এই সরকার সত্যিকার একটি নিরপেক্ষ সরকার। কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য কার্যক্রম করছে না অন্তর্বর্তী সরকার, তা পরিষ্কার করতে হবে।

    বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) ছাত্রদের পক্ষ নিলে এ দেশের সমস্ত রাজনৈতিক শক্তি এটাকে ভিন্নভাবে দেখবে। যা ইতোমধ্যে আমরা লক্ষ্য করেছি। ছাত্ররা যদি ক্ষমতায় থাকে, তাহলে তারাই যদি রাজনৈতিক দল করে, সেই দলটি আলাদা একটি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে এবং পাবে এটাই বাস্তবতা। আমি মনে করি, ছাত্রদেরই উচিত নিজেদের থেকে সরে যাওয়া।

    নিরপেক্ষতা রক্ষায় বিভিন্ন দফতর ও মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত ছাত্র প্রতিনিধিদেরও অপসারণ করা উচিত বলে মনে করে দলগুলো।;

  • দেশ বদলাতে পরিচালনা পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

    দেশ বদলাতে পরিচালনা পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

    নিউজ ডেস্ক: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, একই নিয়মে সবসময় চলা যায় না। দেশকে বদলাতে চাইলে পরিচালনার পদ্ধতি পাল্টাতে হবে। এক্ষেত্রে তরুণরা বড় ভূমিকা রাখতে পারে। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক ইয়াং জেন ফোরামে এ কথা বলেন তিনি।

    বক্তব্যের শুরুতে গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, শুধু মুনাফার জন্য ব্যবসা করলে হবে না। সমাজকে বদলানোর জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। সম্পদের ভারসাম্য আনতে হবে। একইসাথে পরিবেশের কথাও ভাবতে হবে। বাংলাদেশ অনেক বড় জায়গা, সেই তুলনায় নিজের পরিধি ছোট। ছোট পরিসরেই কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ব্যবসায় মুনাফা পর্যন্ত ঠিক আছে। কিন্তু উদ্যোক্তার মনে লোভ চলে আসলে সেই ব্যবসা ধ্বংস হতে বাধ্য। তরুণরাই আগামী দিনের ভবিষ‍্যৎ, তাদের মাঝেই অনুপ্রেরণা পেয়ে থাকি। বক্তব্যের পর তরুণদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে যান। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ১২টার দিকে তিনি দেশটিতে পৌঁছান।

    এই সম্মেলনের ফাঁকে আগামীকাল শুক্রবার (৪ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার সাথে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হতে পারে। সম্মেলনের শেষদিন আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের পরবর্তী সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব নেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।;

  • মার্কিন শুল্কারোপ: রফতানিতে নেতিবাচক প্রভাব

    মার্কিন শুল্কারোপ: রফতানিতে নেতিবাচক প্রভাব

    অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশসহ ১৮৫টি দেশ ও অঞ্চলের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে শুল্ক আরোপ করেছে। বাংলাদেশি পণ্যে শুল্কের হার বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ ধার্য করা হয়েছে। ন্যূনতম ১০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ট্যারিফের কবলে পড়েছে এসব দেশ।

    দেশটির সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির কারণেই এমন শুল্ক আরোপ হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই শুল্ক আরোপ বাংলাদেশের রফতানিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে শঙ্কা তাদের।

    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেছেন, নির্দিষ্ট কোনো দেশকে উদ্দেশ করে যুক্তরাষ্ট্র এই শুল্ক আরোপ করেনি। দেশটির সঙ্গে যেই দেশগুলোর বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে, সেসব দেশের ওপরেই এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশ দেশটিতে সাড়ে ৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি এবং দেড় বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করে। সুতরাং এখানে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলারের মতো বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। ফলে নতুন শুল্ক আরোপের মধ্যে বাংলাদেশ পড়তে পারে এমন ধারণা আগে থেকেই ছিল।

    সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বলেন, নতুন শুল্ক আরোপের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হলে অভ্যন্তরীণভাবে কিছু উদ্যোগ নিতে হবে। শিল্প-কারখানাগুলোকে আরও কার্যকরী কীভাবে করা যায় তা চিন্তা করতে হবে। পাশাপাশি ভেল্যু চেইনকে সাবলীল করতে পরিকল্পনা করতে হবে।

    ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম আরও বলেছেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে যেসব পণ্য রফতানি করে থাকে, সেই সমধর্মী পণ্য রফতানি করা অন্যান্য দেশগুলোর ওপরেও উচ্চ শুল্ক আরোপ হয়েছে। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে, ভারত, চীন, কম্বোডিয়া, ভিয়াতনাম, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা। সেক্ষেত্রে এটিকে মন্দের ভালো বলা যায়। কারণ শুধু বাংলাদেশেই নয়, অন্যান্য দেশগুলোর ওপরেও কাছাকাছি শুল্ক আরোপ হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশ থেকে পণ্য নিতে দেশটির আমদানিকারকের উচ্চ মূল্য দিতে হবে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের আমদানিকারকদের পণ্য ক্রয় ক্ষমতা কমিয়ে দেবে। ফলে বাংলাদেশের রফতানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

    রফতানি বাজার ধরে রাখতে কী ধরনের সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন? এমন প্রশ্নে ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, রিসিপ্রোকাল এই ট্যারিফটি একটি নতুন ধারণা। বিষয়টি এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। এছাড়া, এটি ওয়ার্ল্ড ট্রেড অগরাগাইজশনের (ডব্লিওটিও) নীতিবিরোধী। কতদিনের জন্য এটি আরোপ করা হয়েছে বা কবে তুলে নেয়া হবে তা পরিষ্কার করে বলা হয়নি। এক্ষেত্রে দেশটি অন্যান্য দেশের সাথে ট্যারিফ নিয়ে কীভাবে সমঝোতা করে সেটিও দেখতে হবে। ভারত, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে দেশটির বাণিজ্য বেশি। এই দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে নেগোশিয়েট করে তা দেখে আমাদের কৌশল নির্ধারণ করতে হবে।

    দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রের আমদানিকারকদের সাথে ব্যবসায়ীদের আলোচনা করা দরকার জানিয়ে তিনি বলেন, পণ্যের মূল্য নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা করতে হবে। তারা যাতে এমনভাবে মূল্য নির্ধারণ করে, যাতে ট্যারিফটি সমন্বয় করা সম্ভব হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ যাতে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বাঁধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও আলাপ করতে হবে। এছাড়া, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আলোচনা করতে হবে। এক্ষেত্রে অন্যান্য দেশের পদক্ষেপ নজরে রেখে কৌশল নির্ধারণে একটি পর্যবেক্ষণ সেলও খুলতে হবে।

    বিমসটেক সম্মেলন আঞ্চলিক বাণিজ্য বিকাশে কী ধরণের ভূমিকা রাখবে? এমন প্রশ্নের জবাবে সিপিডির এ গবেষণা পরিচালক বলেন, ২০ বছর পেরিয়ে গেলেও বিমসটেকের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। এবার ২০৩০ সালের জন্য একটি রোডম্যাপ ঘোষণার কথা রয়েছে। তবে সেটিও পরিষ্কার নয়। তবে সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তিটি আশা দেখাচ্ছে। তবে এফটিএ নিয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। সম্মেলনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও দেশগুলো কার্যকর কোনো সমাধানে পৌঁছাতে পারছে না। ভারত ও থাইল্যান্ড কার্যকর রাজনৈতিক ঐকমত্যে না পৌঁছালে বিমসটেককে কার্যকর করা কঠিন হবে।

    এদিকে, সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক সেলিম রায়হান বলেন, বৈশ্বিক বাণিজ্য কাঠামোর সংস্কার নিয়ে উন্নয়নশীল দেশের পাশাপাশি উন্নত দেশগুলোও নতুন করে চিন্তা করবে। ওয়ার্ল্ড ট্রেড অগরাগাইজশনের (ডব্লিওটিও) ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের আস্থা নেই। সামনের দিনগুলোতে সেটির প্রভাব দেখা যাবে। এটি নিয়ে ডব্লিওটিও’র কাছে কোনো অভিযোগ করে প্রতিকার পাওয়া যাবে না।;

  • এনসিপি অভিযোগ করেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ স্থানীয় পর্যায়ে নেই

    এনসিপি অভিযোগ করেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ স্থানীয় পর্যায়ে নেই

    নিউজ ডেস্ক:  জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অভিযোগ করেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ স্থানীয় পর্যায়ে নেই। এ অবস্থা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ঘোলাটে ও অস্থির করে তুলছে।

    বুধবার (২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে দলটি এ অভিযোগ করে। স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিয়মিত আন্তঃসংঘর্ষ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ করা হয় বিবৃতিতে।

    এতে উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ মার্চ লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে স্থানীয় ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সংঘর্ষে হামলার শিকার হন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহবুব আলম মাহিরের বাবা আজিজুর রহমান বাচ্চু মোল্লা। এতে তার হাত ভেঙে যায় এবং তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন।

    ২৪ মার্চ নোয়াখালীর হাতিয়ায় পথসভা ও জনসংযোগের সময়ে স্থানীয় বিএনপির কতিপয় নেতাকর্মী এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসুদের ওপর হামলা চালান। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীরা এনসিপির কর্মী-সংগঠকদের নিয়মিত হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন।

    বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা রাজনৈতিক কারণে হামলার বিরুদ্ধে কথা বললেও এবং অভিযুক্ত নেতাকর্মীদের বহিষ্কার করা হলেও এ ধরনের হিংস্র কার্যকলাপ থেমে নেই।

    সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখলদারদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি।;