Category: জাতীয়

  • জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ ও নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানিয়েছে জুলাই ঐক্য

    জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ ও নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানিয়েছে জুলাই ঐক্য

    নিউজ ডেস্ক:   এবার জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ ও নির্বাচন কমিশন থেকে নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানিয়েছে জুলাই ঐক্য। মঙ্গলবার (১৩ মে) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

    জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সময়ের অত্যাচার-অনাচারের দায় তারা এড়াতে পারে না। এ সময় আওয়ামী লীগের রাজনীতি পুরোপুরি নিষিদ্ধ ও নির্বাচন কমিশন থেকে চিরতরে দলটির নিবন্ধন বাতিলের দাবিও জানান নেতারা।

    ঐক্যের নেতারা বলেন, জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন তখনই ঘটবে, যখন দেশের রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগ চিরতরে নিষিদ্ধ হবে। এ সময় ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে জুলাই ঘোষণা পত্রের দাবিও জানান তারা। সেইসাথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের সাথে আওয়ামী লীগের বিচার সংক্রান্ত অগ্রগতি জানতে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্তের কথাও জানায় জুলাই ঐক্য।;

  • বায়ু দূষণ! ঢাকা শহরের নিত্যসঙ্গী

    বায়ু দূষণ! ঢাকা শহরের নিত্যসঙ্গী

    অনলাইন ডেস্ক:  বায়ু দূষণ! ঢাকা শহরের নিত্যসঙ্গী। দিনের পর দিন বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর শীর্ষে থাকে ঢাকা। ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা পিএম ২ দশমিক ৫ এবং, ক্ষতিকর গ্যাসীয় উপাদানের উপস্থিতি আছে, স্বাভাবিকের চেয়ে ৬-৭ গুণ বেশি।

    ঢাকার বাতাস পরিশৃুদ্ধ করতে নতুন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। মহাখালী, গুলশান ও ফার্মগেটের মতো জনবহুল এবং দূষণপ্রবণ এলাকায় বেশ কয়েকটি আউটডোর এয়ার পিউরিফায়ার বসাবে ডিএনসিসি। এসব যন্ত্র এর আশপাশের ৩০ হাজার ঘনফুট এলাকার বাতাস পরিশুদ্ধ করতে পারবে।পরীক্ষামূলকভাবে ৪-৫টি স্থানে বসানো হবে এই পিউরিফায়ার।

    বাংলাদেশের আগে এয়ার পিউরিফায়ার বা স্মগ টাওয়ার দিয়ে দূষণ রোধের চেষ্টা করছে ভারত, চীনসহ বিভিন্ন দেশ। তবে সেসব দেশে এমন প্রযুক্তি খুব একটা সফলতার মুখ দেখেনি। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর কার্যকারিতা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

    ডিএনসিসির এই এয়ার পিউরিফায়ারের কার্যপ্রণালী অনুযায়ী, এইচডিসিটি ৫১০০০ মডেলের এসব এয়ার পিউরিফায়ার, এর আশপাশের ৩০ হাজার ঘনফুট এলাকার বাতাস থেকে পিএম ২ দশমিক ৫ এবং পিএম ১০ ধুলিকণা ৯০ শতাংশ পর্যন্ত শোষণ করতে পারবে। অর্থাৎ এটি বাতাসে দূষিত গ্যাসীয় পদার্থ শোষণে ব্যর্থ। তবু এই ধরনের উদ্যোগ হাতে নেয়া কতটা যুক্তিযুক্ত এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    এ বিষয়ে ডিএনসিসি’র প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ জানান, এটি নিজেদের খরছে নয় বরং স্পন্সর করা হবে। কাজ করলে তা বাস্তবায়ন হবে অন্যথায় হবে না।

    কিছু গণমাধ্যমে এয়ার পিউরিফায়ার নিয়ে ভুল তথ্য প্রচারিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা যদি মনে করি শুধু পিউরিফায়ার দিয়ে পুরো সমস্যার সমাধান সম্ভব এটি ভুল ধারণা। এটি কোনো প্রকল্প নয় বরং একটি পাইলট প্রচেষ্টা। আমরা এর কার্যকারীতা দেখতে চাই।

    এ বিষয়ে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, সাধারণত এটি ইনডোরের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। চার ধরনের দূষণ আছে। এয়ার পিউরিফায়ার শুধু ধুলিকণা শোষণ করতে পারে। অন্যগুলোর ক্ষেত্রে এটি খুব বেশি পরীক্ষিত নয়।

    তিনি আরও জানান, এয়ার পিউরিফায়ার কোনো জায়গায় কাজ করতে পারে আবার নাও করতে পারে। নিয়ন্ত্রিতভাবে দুই-একটি জায়গায় ব্যবহার করে দেখা যেতে পারে। তবে এটিকে শতকোটি টাকা বিনিয়োগের প্রকল্প হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

    বিভিন্ন অভিযোগ মাথায় নিয়েই আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ‘সিআরএস’ এর সাথে এবিষয়ে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর করবে ডিএনসিসি। তবে ঠিক কবে নাগাদ এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে তা এখনও নির্ধারণ হয়নি।;

  • মমতাজ বেগমকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ

    মমতাজ বেগমকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ

    নিউজ ডেস্ক:মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগমকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (১২ মে) রাত পৌনে ১২টায় রাজধানীর ধানমন্ডির স্টার কাবাবের পেছনের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তার বিরুদ্ধে খুনের মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে নবম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মনোনীত হন মমতাজ বেগম। আর ২০১৪ সালে মানিকগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। কিন্তু দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন।;

  • আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করেছে ইসি

    আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করেছে ইসি

    নিউজ ডেস্ক:  রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (১২ মে) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ইসি।

    এর আগে, সোমবার কমিশনের বৈঠক শেষে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের আলোকে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

    নিবন্ধন স্থগিতের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ এবং এর সকল অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যাবতীয় কর্মকান্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। তাই নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দল হিসাবে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন (নম্বর-০০৬ তারিখ: ০৩/১১/২০০৮) স্থগিত করলো।

    এর আগে, সোমবার বিচারের শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ, সহযোগী এবং ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক শাখা-২ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    তাতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ এবং এর সকল অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যেকোনো ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। এটি অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

    এদিকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ যাতে কোনও রাজনৈতিক কার্যক্রম না করতে পারে, সেজন্য সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। কেউ অবৈধভাবে মিছিল বা কর্মসূচি করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।

    প্রসঙ্গত, গত শনিবার আন্দোলনের মুখে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।;

  • আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি

    আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি

    নিউজ ডেস্ক:   বিচারের শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ, সহযোগী এবং ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। সোমবার (১২ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক শাখা-২ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ক্ষমতাচ্যুত হওয়া পর্যন্ত দলটি ও এর অঙ্গ, সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বিরোধী দলগুলোর সদস্য ও ভিন্নমতের মানুষের ওপর হামলা, গুম, খুন, হত্যা, নির্যাতন ও ধর্ষণসহ বিভিন্ন নিপীড়নমূলক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। দলটির বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে গুম, খুন, পুড়িয়ে মানুষ হত্যা, গণহত্যা, বেআইনি আটক, অমানবিক নির্যাতন, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাসী কার্য ও মানবতাবিরোধী অপরাধের সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ দেশি ও আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    এতে আরও বলা হয়, এসব অপরাধসমূহের অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও এর সকল অঙ্গ, সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং ফৌজদারি আদালতে বহুসংখ্যক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

    এ সকল মামলার বিচারে প্রতিবন্ধকতা তৈরি, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, দেশের সংহতি, জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার লক্ষ্যে ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ ও এর সকল অঙ্গ, সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন কর্তৃক গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতার ওপর হামলা, উস্কানিমূলক মিছিল, রাষ্ট্রবিরোধী লিফলেট বিতরণ করেছে। তাছাড়া ভিনদেশে পলাতক তাদের নেত্রীসহ অন্য নেতাকর্মীরা সামাজিক মাধ্যমে অপরাধমূলক বক্তব্য প্রদান, ব্যক্তি ও প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের প্রচেষ্টাসহ আইনশৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ড পরিলক্ষিত হয়েছে।

    তাতে আরও বলা হয়, এসব কর্মকাণ্ডে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে। দলটি এবং এর সকল অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার বাদী ও সাক্ষীদের মনে ভীতির সঞ্চার করা হয়েছে। এভাবে বিচার বিঘ্নিতের চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে সার্বিকভাবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হওয়ার আশংকা সৃষ্টি হয়েছে।

    তাছাড়া, আওয়ামী লীগ এবং এর সকল অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল ও অকার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকাসহ জনমনে ভীতি সঞ্চারের উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী সংগঠনের ন্যায় বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপ ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে সরকারের নিকট যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ রয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, সরকার যুক্তিসংগতভাবে মনে করে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ এর ধারা-১৮(১) এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ এবং এর সকল অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা সমীচীন।

    সেহেতু আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ এবং এর সকল অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যেকোনো ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।

    এটি অবিলম্বে কার্যকর করা হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।;

  • জামিন আবেদন নামঞ্জুরের পর কারাগারে সেলিনা হায়াৎ আইভী

    জামিন আবেদন নামঞ্জুরের পর কারাগারে সেলিনা হায়াৎ আইভী

    নিউজ ডেস্ক:   নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন আবেদন নামঞ্জুরের পর কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

    সোমবার (১২ মে) দুপুরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের বিচারক শামসুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। তবে এ সময় আইভীর আইনজীবীরা কারাগারে ডিভিশনের জন্য আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

    আইভীর আইনজীবীরা জানান, জুলাই আন্দোলন চলাকালে আইভী কখনই মাঠে নামেননি। শামীম ওসমানকে নির্বিঘ্নে দেশ ছাড়তে দেয়া হলেও, আইভীকে গ্রেফতারে আপত্তি জানান তারা।

    অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম বলেন, আমরা জামিন চেয়েছিলাম। তবে আদালত তা মঞ্জুর করেননি। এ সময় উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করা হবে বলেও জানান তিনি।

    এর আগে, গত বৃহস্পতিবার রাতে সেলিনা হায়াত আইভীর বাড়িতে অভিযানে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। শুক্রবার সকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় গার্মেন্টস শ্রমিক মিনারুল হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। পরে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠান।;

  • সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ নিয়ে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের স্ট্যাটাস

    সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ নিয়ে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের স্ট্যাটাস

    নিউজ ডেস্ক:  সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। নতুন এ অধ্যাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের সব প্রচার-প্রচারণা নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

    রোববার (১১ মে) নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে জানান।

    ফেসবুক পোস্টে ক্রীড়া উপদেষ্টা লেখেন, আওয়ামী লীগের পক্ষে বা সমর্থনে কোনো প্রেস বিবৃতির প্রকাশনা বা মুদ্রণ কিংবা গণমাধ্যম, অনলাইন, সামাজিকমাধ্যম বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রচারণা অথবা মিছিল, সভা-সমাবেশ বা সংবাদ সম্মেলন আয়োজন বা জনসম্মুখে বক্তৃতা প্রদান নিষিদ্ধ করবে।

    এর আগে, সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত রয়েছে এমন ব্যক্তি বা সত্তার এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ।

    রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে এই খসড়া অনুমোদন করা হয়।;

  • সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তি ও তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করে সন্ত্রাস বিরোধী অধ্যাদেশ অনুমোদন

    সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তি ও তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করে সন্ত্রাস বিরোধী অধ্যাদেশ অনুমোদন

    নিউজ ডেস্ক:  সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত রয়েছে এমন ব্যক্তি বা সত্তা এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, রোববার (১১ মে) যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় তিনি এই অনুমোদন দেন।

    বৈঠকের সারসংক্ষেপে বলা হয়, সন্ত্রাসী কার্য প্রতিরোধ এবং কার্যকর শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন করতে সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ প্রণয়ন করা হয়।

    উক্ত আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, কোন ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কার্যের সহিত জড়িত রয়েছে মর্মে যুক্তিসঙ্গতকারণের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে। তবে বর্তমান আইনে কোন সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণের বিষয়ে কোন বিধান নেই। উক্ত বিষয়টি স্পষ্টীকরণসহ বিধান সংযোজন আবশ্যক হেতু সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-কে সময়োপযোগী করে উক্ত আইনের অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজন।

    বর্ণিত প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাস বিরোধী আইন সংশোধন করে সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা, প্রয়োজনীয় অভিযোজন করা এবং অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধকরণের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    আগামীকাল সংশোধনীটি অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হতে পারে।;

  • ইসলামে নারীর সম্মান ন্যায্য অধিকারেই নিশ্চিত করেছে

    ইসলামে নারীর সম্মান ন্যায্য অধিকারেই নিশ্চিত করেছে

    নিউজ ডেস্ক:  প্রায় দেড় হাজার বছর পূর্বের আরব… যখন কন্যা সন্তানের জন্ম মন খারাপের কারণ হতো পরিবারের। উৎসবের বদলে আয়োজন হতো জীবন্ত পুঁতে ফেলার। সেই আরবেই হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর ওপর নাজিল হয়েছে পবিত্র কোরআন। যাতে স্পষ্ট করা হয়েছে নারীর অধিকার ও মর্যাদা।

    তারপরও ইসলামে নারীর মর্যাদা কতটা— এমন প্রশ্ন ঘুরেফিরে আসে নানা ঘটনায় ভর করে। এ যেমন এবার এসেছে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন ঘিরে। তাদের প্রস্তাব বাতিলের দাবি জানিয়েছে ইসলামী সংগঠনগুলো। বিতর্কে না গিয়ে বরং ইসলামে নারীর মর্যাদা সম্পর্কে শোনা যাক একজন নারীর মুখে।

    শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. নাসিমা হাসান বলেন, সূরা বনী ইসরাঈলে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, আমি নিশ্চিয়ই বনি আদমকে সম্মানিত করেছি। বনি আদম বলতে নারী-পুরুষ উভয়কে বুঝিয়েছে। কাজেই নারী-পুরুষ উভয়কেই আল্লাহতায়ালা সম্মানিত করেছেন। দ্বিতীয়ত, আধ্যাত্মিক বা স্পিরিচুয়াল যে মর্যাদা নারীকেও দিয়েছেন আল্লাহতায়ালা…. সেটা আমরা জানি যে আল কুরআনে আল্লাহতায়ালা বলেছেন যে, তারা অর্থাৎ সকল মুসলিম নারী ও পুরুষ যদি মুমিন, সত্যবাদী হয়, ধৈর্যশীল, রোজাদার, নামাজী, সদাকা দানকারী, চরিত্রের হেফাজতকারী হয় ইত্যাদি ইত্যাদি তাদের প্রতিদান সমান। কাজেই এসব জায়গাতেও কিন্তু আল্লাহতায়ালা সমান বলেছেন।

    কোরআনের বেশ কিছু আয়াতে যেমন পুরুষদের চেয়েও নারীকে অধিক সম্মানিত করা হয়েছে, তেমনি ছয়টি মূল হাদিস গ্রন্থ বা সিয়াহ সিত্তায়ও নারীর মর্যাদার কথা উল্লেখ করেছেন রাসুল (সঃ)।

    ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছিলেন, কেউ যদি দুটি, কোনও বর্ণনায় তিনটি কন্যা সন্তানকে জন্ম দেয়ার পর তাদের সাথে সদাচরণ করে, বৈষম্য না করে উত্তম আচরণ করে সঠিক তারবিয়াহ তাদেরকে দেয় তাহলে সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি জান্নাতে যাবে এবং নবী (সাঃ) এর সাথেই থাকবে। এই সুসংবাদ কিন্তু তিনটির জায়গায় ১০টি ছেলের সন্তান লালনপালন করার ক্ষেত্রেও বলা হয়নি। কোরআনে কারীমের দিকে তাকালে দেখা যাবে, সেখানে সুরাতুন নিসা অর্থাৎ নারীদের সংশ্লিষ্ট সূরা রয়েছে বিশাল বড় আয়তনের। অথচ পুরুষ সংশ্লিষ্ট কোনও সূরা আলাদা করে কোরআনে নাই। নারী হিসেবে জন্মগতভাবে, সৃষ্টিগতভাবে, মর্যাদাগতভাবে পুরুষের সাথে কোনও প্রকার তারতম্য ইসলাম করেনি। বরং কোনও কোনও ক্ষেত্রে নারী হিসেবে তাদেরকে অধিক মর্যাদা দেয়া হয়েছে।

    নারীর অধিকার-মর্যাদা প্রশ্নে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক সম্পত্তির বন্টন নিয়ে। বিজ্ঞজনরা বলছেন, সমতার প্রশ্নে অনেকক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ে নারীরা। তাই নারীর ক্ষেত্রে সমতার চেয়ে নায্যতায় বেশি গুরুত্ব দেয় ইসলাম।

    শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেছেন, সবাই বাবা-মায়ের সম্পদের সমান যেন অধিকার পায় বা সমান যেন হিস্যা পায় সে কথা বলে। তো ব্যয়ের ক্ষেত্রেও এ রকম সমান হওয়ার কোনও দাবি করছে কি না? বাবার বা মায়ের সম্পদে ছেলে যা পায় মেয়ে তার অর্ধেক পায় ইসলামের সম্পদ বন্টনের হিসাবে। এই একটা জায়গা ধরে আমরা যদি বলি যে ইসলাম নারীর প্রতি বৈষম্য করেছে, তো এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক ও হাস্যকর হবে। একই সাথে এই কন্যা সন্তান আরও অনেক জায়গা থেকে সম্পদ পাচ্ছে এবং এমন অনেকগুলো জায়গা আছে, যেখানে মেয়ে পাচ্ছে, ছেলে পাচ্ছেই না। শুধুমাত্র একটা জায়গা দেখেছেন, এই নারী যখন স্ত্রী হবেন তখন কিন্তু স্বামী থেকে তিনি সম্পদ পাবেন। এই নারী যখন কারও মা হবেন তখন কিন্তু সন্তান থেকেও তিনি সম্পদ পাবেন। আবার তিনি যখন স্ত্রী হিসেবে কারও সাথে বৈবাহিক জীবন শুরু করবেন তখন কিন্তু মোহরানা পাবেন। ছেলে কিন্তু সেখানে কিছুই পাবে না।

    ড. নাসিমা হাসান বললেন, মেয়েরা ইদ্দতকালীন একটি খোরশ পায়। মানে তালাক হয়ে গেলে তিন মাসের জন্য সেটা সে পাবে এবং এটা কোরআনের নির্দেশ। আরেকটা ব্যাপার কী এটা অনেকেই আমরা খেয়াল করি না বা জানি না, কোরআনের সুরা বাকারার ২৩৩ নম্বর আয়াত পড়লে দেখা যায় যে ব্রেস্টফিডিংয়ের সময় যদি কোনও কারণে তালাক হয়ে থাকে এবং মা বাচ্চাকে ব্রেস্টফিডিং করছে তখন কিন্তু একটি পারিশ্রমিক আকারে কিছু একটা খরচ তাকে দিতে হবে। ওই বাচ্চার ভরণপোষণ সবসময়ই কিন্তু পিতার কাছেই থাকবে। পিতার ওপরই ন্যস্ত থাকবে বা তার পরিবারের ওপর। কাজেই এখান থেকেও কিন্তু সে পাচ্ছে।

    এ দুই ইসলামী চিন্তাবিদ বলছেন, ইসলাম সম্পর্কে পুরোপুরি জানার বদলে খণ্ডিত জ্ঞানে বিতর্ক বাড়ে বেশি।

    ড. নাসিমা হাসান বলেন, আমাদের সাংস্কৃতিক চিন্তা ও সামাজিক ভুল বুঝাবুঝির কারণে এবং কোরআনকে আমরা সেভাবে জানি না। এটাকে আমরা বাস্তবে যে প্রয়োগ করবো সেটাও বুঝি না। এই কারণে এবং ইসলামের জ্ঞানের অভাব কিন্তু আমাদের পূরণ করতে হবে। আমাদের কোরআন শুধু পড়লে হবে না, এটা অর্থসহ বুঝে ব্যাখ্যাগুলো পড়তে হবে। তাহলে কিন্তু আমাদের মধ্যে জ্ঞান ছড়াবে এবং আমি বলবো যে এখানে আমাদের আলেম সমাজ যাতে এগিয়ে আসে। ইসলামের এই যে নারী সংক্রান্ত বিষয়গুলো, সেগুলো যাতে আমরা বুঝতে পারি ভালোভাবে।

    শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, নারী অধিকার নিয়ে কথা বলাটা অনেকটা ফ্যাশনের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। যখন নারীর অধিকার নিয়ে সোচ্চার থাকবে কেউ তখন সমাজ, গণমাধ্যম, আজকের পৃথিবী, আজকের সভ্যতা তাকে ভালো চোখে দেখবে। অর্থাৎ একটা অনুকূল পরিবেশের মধ্যে নারী অধিকার নিয়ে কথা বলছেন তিনি। আর আমাদের প্রিয় নবী (সাঃ) ইসলামের শুরুতে যখন নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন, তখন কিন্তু নারী হিসেবে জন্মগ্রহণ করাটাকে সমাজের মানুষ দোষনীয় মনে করতো, এটাকে মানুষ নিজের জন্য লজ্জাকর মনে করতো। সেই সমাজের ওপর দাঁড়িয়ে নবী (সাঃ) কিন্তু নারীর অধিকারকে সমুন্নত কেরছেন। অর্থাৎ বলা যায়, একটা সমাজে নারীর অধিকার যখন মাটির নিচে চাপা দিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, নবী (সাঃ) সেটাকে তুলে এত উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে কোনও বাবার জন্য কন্যা সন্তানের পিতা হওয়া, কোনও মায়ের জন্য কন্যা সন্তানের মা হওয়াটা গর্বের বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

    ইসলামে নারীর মর্যাদা প্রসঙ্গে নারীদেরকেই আরও সোচ্চার হতে হবে বলে মনে করেন চিন্তাবিদরা।;

  • আ. লীগ নিষিদ্ধের ঘোষণা না এলে ‘লং মার্চ টু যমুনা

    আ. লীগ নিষিদ্ধের ঘোষণা না এলে ‘লং মার্চ টু যমুনা

    নিউজ ডেস্ক:  এক ঘণ্টার মধ্যে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের ঘোষণা না এলে ‘লং মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

    রাজধানীর শাহবাগে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে পূর্বঘোষিত গণজমায়েত থেকে শনিবার (১০ মে) রাত পৌনে আটটার দিকে তিনি এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

    এর আগে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে চলা আন্দোলন জোরপূর্বক বা চাপের মুখে প্রত্যাহার করতে বলা হলেও তা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

    তিনি বলেছেন, ‘অগ্রিম ঘোষণা দিয়ে রাখলাম, যদি কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কোনো শক্তি আমার কণ্ঠরোধ করতে চায়, তবুও আপনারা আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বেন না।’

    রাজধানীর শাহবাগে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে পূর্বঘোষিত গণজমায়েতে শনিবার (১০ মে) বিকেলে এসব কথা বলেন এনিসিপির এ নেতা।

    হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ২০১৩ সালে শাহবাগ থেকেই দেশে ফ্যাসিবাদের সূচনা হয়েছে, আর এই শাহবাগ থেকেই ফ্যাসিবাদের পতন ঘটবে। গত দু’দিন রাস্তায় থাকায় আমি যেকোনো সময় অসুস্থ হয়ে যেতে পারি। আগেই বলে রাখছি, কোনো ষড়যন্ত্রের চাপে পড়ে যদি কেউ আমার মুখ দিয়ে জোরপূর্বক আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়ায় তা-ও আপনারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

    যারা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে চায় না, তারা ফ্যাসিবাদী; আর যারা নিষিদ্ধ করতে চায়, তারা প্রকৃত বাংলাদেশি শক্তি বলেও মন্তব্য করেন এনসিপির এ মুখ্য সংগঠক।

    প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধসহ তিন দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যের গণজমায়েত শুরু হয় বিকেলে। তিনটার দিকে প্রথমে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং কিছুক্ষণ পর হাসনাত আবদুল্লাহ শাহবাগে আসেন। কর্মসূচিতে এনসিপি, জামায়াতে ইসলাম, হেফাজত ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন ও অভ্যুত্থানে নিহত পরিবারের সদস্যসহ সাধারণ মানুষ অংশ নিয়েছেন।

    এই কর্মসূচির কারণে ওই এলাকা দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে আশাপাশের এলাকায় যানজট দেখা দিয়েছে।;