অনিয়মের অভিযোগে বাপুস নির্বাচনের ফল চ্যালেঞ্জ, পুনঃগণনা আবেদন

ঝালকাঠি সংবাদদাতাঃ বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি (বাপুস) ঝালকাঠি জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন (২০২৬–২০২৯)-এ সাধারণ সম্পাদক পদে ভোট পুনর্গণনা, অভিযোগ তদন্ত এবং আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ঘোষিত ফলাফলের কার্যকারিতা স্থগিতের দাবিতে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন পরাজিত প্রার্থী আবু জাফর বিশ্বাস।

আবেদনে তিনি অভিযোগ করেন, ভোট গণনার সময় তাঁর মনোনীত পোলিং এজেন্ট মাওলানা মোহাম্মদ মহসিনকে কোনো বৈধ কারণ ছাড়াই গণনাকক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। ফলে তিনি ভোট গণনা প্রত্যক্ষ করতে পারেননি এবং ফলাফল সংক্রান্ত নথিতে তাঁর স্বাক্ষরও নেওয়া হয়নি। তাঁর দাবি, এ ধরনের ঘটনা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে যৌক্তিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোট গণনা শুরুর আগেই প্রার্থীদের কাছ থেকে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে—মর্মে স্বাক্ষর নেওয়া হয়, যা নির্বাচন পরিচালনার স্বাভাবিক বিধি ও ন্যায্য প্রক্রিয়ার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে তিনি দাবি করেছেন।

আবু জাফর বিশ্বাস বলেন, “আমি সদস্যদের গণতান্ত্রিক রায়কে সর্বোচ্চ সম্মান করি। তবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যেসব অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত না হলে সদস্যদের আস্থা ক্ষুণ্ন হতে পারে। আমি কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের বিরুদ্ধে নয়; বরং সত্য উদ্ঘাটন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং সংগঠনের গণতান্ত্রিক মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থে সকল প্রার্থী বা তাঁদের অনুমোদিত প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সাধারণ সম্পাদক পদের সব ব্যালট পুনর্গণনার আবেদন জানিয়েছি।

আবেদনে তিনি অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, সংশ্লিষ্ট সকল প্রার্থী বা তাঁদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ভোট পুনর্গণনা, তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে বাপুসের গঠনতন্ত্র ও নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ সম্পাদক পদের ঘোষিত ফলাফলের কার্যকারিতা স্থগিত রাখার অনুরোধ জানান।

এ বিষয়ে বাপুস ঝালকাঠি জেলা শাখার নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তের ওপরই পরবর্তী কার্যক্রম নির্ভর করবে।

এদিকে, বাপুসের সদস্যদের একাংশের প্রত্যাশা, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনে ভোট পুনর্গণনার মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হবে এবং সংগঠনের গণতান্ত্রিক চর্চা ও সদস্যদের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.