প্রকৃত অপরাধীকে আড়াল করতে আমাকে ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে জড়িয়ে অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা প্রোপাগান্ডার তীব্র নিন্দা,প্রতিবাদ ও সুষ্ঠু বিচার দাবি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি হাসান মাহমুদ জয় :

প্রকৃত অপরাধীকে আড়াল করার লক্ষ্যে একটি কুচক্রী মহল আমাকে ও আমার প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে জড়িয়ে অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। আমার ও সংগঠনের ইমেজ ক্ষুণ্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে এই অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংবাদ মাধ্যমে প্রকৃত সত্য তুলে ধরছি।

দায়িত্বশীল কর্মীদের প্রতিক্রিয়া ও তীব্র নিন্দা:
এই মিথ্যা অপপ্রচারের বিষয়ে সংগঠনের দায়িত্বশীল কর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে কথা হলে তারা বলেন, “একটি কুচক্রী মহল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শাহজালাল সবুজকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছে। আমরা এই ঘৃণ্য প্রোপাগান্ডার তীব্র নিন্দা জানাই এবং প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি যেন দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তপূর্বক প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে এর সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা হয়।”

প্রকৃত ঘটনা ও দলিলাদি:
আলোচিত ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামের প্রতিষ্ঠানটির একক মালিক ও প্রোপাইটর হচ্ছেন জনাব রফিকুল ইসলাম (রাজারহাট)। তিনি তার ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের চেক দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে টাকা দিয়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে, যা একান্তই তার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু কিছু ফেসবুক আইডি, অনলাইন পোর্টাল ও সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আমাকে এর সাথে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।

প্রতিষ্ঠানটি যে একক মালিকানাধীন, তার সপক্ষে অকাট্য দলিলাদি নিচে উপস্থাপন করা হলো:

ট্রেড লাইসেন্স: ২০১৫ সালে জারীকৃত ট্রেড লাইসেন্সটি সম্পূর্ণভাবে একক নামে নিবন্ধিত।

ব্যাংক হিসাব: ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি একক নামে পরিচালিত।

স্বাক্ষরতার অধিকার: চেকের একমাত্র সিগনেটরি (স্বাক্ষরকারী) তিনি নিজেই।

নমিনি: ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নমিনি হিসেবে তার স্ত্রী নিবন্ধিত রয়েছেন।

জনাব রফিকুল ইসলাম যে ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’-এর চেক দিয়ে টাকা সংগ্রহ করেছেন, সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি ২০১৫ সালের একক মালিকানার ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে খোলা। অথচ অংশীদারি চুক্তি করা হলো ২০২০ সালে। সুতরাং, একক মালিকানার ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ এবং ২০২০ সালের অংশীদারি চুক্তির প্রতিষ্ঠান কীভাবে একই হতে পারে?

এছাড়া, ২০২৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি জনাব রফিকুল ইসলাম ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’-এর নামে ইউনাইটেড ফাইন্যান্স পিএলসি থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা লোন গ্রহণ করেন। উক্ত লোনের জামিনদার (Guarantor) হিসেবে তার স্ত্রী রিজিয়া সুলতানা স্বাক্ষর করেন এবং সাক্ষী হিসেবে তার আপন বড় ভাই রাশেদুল ইসলাম ও শ্যালক আতিকুর রহমান স্বাক্ষর করেন। প্রতিষ্ঠানটি যদি অংশীদারি চুক্তিভিত্তিক হতো, তবে লোন বা বিনিয়োগের জামিনদার কিংবা সাক্ষী হিসেবে অন্যান্য অংশীদারদের থাকার কথা ছিল। তা না থাকাটাই অকাট্যভাবে প্রমাণ করে যে, ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ জনাব রফিকুল ইসলাম রাজারহাটের একান্তই একটি ব্যক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

আহ্বান:
অতএব, অপপ্রচারকারীদের প্রতি আমার আহ্বান—প্রকৃত সত্য ঘটনা জানুন এবং সত্য তুলে ধরার চেষ্টা করুন। মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে অন্যের চরিত্র হনন করা থেকে বিরত থাকার জন্য এবং এই ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িতদের দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.