কুবির ডান্স ক্লাবের নেতৃত্বে শান্তা-জয়

Written by

in

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ডান্স ক্লাবের প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন গণিত বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা শান্তা এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী জয় রায়।

রবিবার (৫ জুলাই) সংগঠনটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মাহবুব, অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম এবং আহ্বায়ক মো. সামিন বকস সাদি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আগামী এক বছরের জন্য এই কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

এছাড়াও নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন রুমা রাণী দেব এবং তন্ময় সরকার। যুগ্ম-সচিব হিসেবে ময়ূরী ত্রিপুরা, সামিয়া নাজ স্বীকৃতি এবং বৈশাখী চাকমা। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আছেন মাহফুজুর রহমান ভূঁইয়া। এবং কোষাধক্ষ্য হিসেবে আবু বক্কর সিদ্দিক এবং দপ্তর সম্পাদক হিসেবে আছেন শাহানাজ আক্তার। 

আরো রয়েছেন, নৃত্য পরিচালক হিসেবে অন্তর রায়, গণমাধ্যম ও প্রকাশনা পরিচালক মো: মাহফুজুর রহমান এবং তানভীর আলম অর্প, সম্পাদক জামির উদ্দিন জাসদ, অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমন চক্রবর্তী এবং অমি দেব, অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিষয়ক পরিচালক ইফাত সাবরিন রিনি এবং বিথী দাস।   

তাছাড়াও কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে মালিহা ইসলাম মৌন, অন্তর রাজ, মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির এবং আরিফুল ইসলাম সাকিব।

এ বিষয়ে নব্য সাধারণ সম্পাদক জয় রায় বলেন, “আমার মূল লক্ষ্য ডান্স ক্লাবকে একটি সক্রিয়, সৃজনশীল এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলা। নিয়মিত প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং মানসম্মত পরিবেশনার মাধ্যমে আমরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে আরও সমৃদ্ধ করতে চাই। নাচের মাধ্যমে আমরা ঐক্য, সৃজনশীলতা ও সংস্কৃতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

নব্য সভাপতি উম্মে হাবিবা শান্তা বলেন, “কুবি ডান্স ক্লাব নতুন একটা সংগঠন। নৃত্যপ্রেমী শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ করে একটি সৃজনশীল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। ক্লাসিক্যাল ও আধুনিক নৃত্যের পাশাপাশি কনটেমপোরারি, হিপহপ ও লোকনৃত্যসহ সব ধরনের নাচ শেখার সুযোগ থাকবে। ভবিষ্যতে নিয়মিত কর্মশালা ও ডান্স ফেস্ট আয়োজনের মাধ্যমে ক্লাবটিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ক্লাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শুধু নাচই শিখবে না, বরং তাদের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও দলগত কাজের দক্ষতা বাড়বে, যা মানসিক চাপ কমিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করবে।”

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *