Author: swadeshdarpon

  • ভায়াদোলিদের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় পেয়েছে বার্সেলোনা

    ভায়াদোলিদের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় পেয়েছে বার্সেলোনা

    খেলাধুলা ডেস্ক:   রাতে লা লিগার ম্যাচে শুরুতে গোল হজম করলেও শেষ পর্যন্ত ভায়াদোলিদের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। এই জয়ে রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে সাত পয়েন্টের ব্যবধান বাড়ালো কাতালান জায়ান্টরা।

    সাত মাস পর ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফেরা বার্সা কিপার স্টেগেনকে শুরুতেই পরীক্ষা ফেলে স্বাগতিকরা। ম্যাচের ৬ মিনিটেই ভায়াদোলিদকে লিড এনে দেন রাউল।

    গোল শোধে মরিয়া হয়ে উঠলেও বার্সার আক্রমণগুলো প্রতিহত হচ্ছিল ভায়াদোলিদের রক্ষণে। শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় কাতালানরা।

    দ্বিতীয়ার্ধে বাড়ে বার্সার আক্রমণের ধার। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে বার্সাকে সমতায় ফেরান রাফিনিয়া। এর ছয় মিনিট পর চমৎকার গোলে দলকে এগিয়ে নেন লোপেস। এরপর আর কোন গোল না হলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ফ্লিকের দল।

    উল্লেখ্য, ৩৪ ম‍্যাচে ২৫ জয় ও চার ড্রয়ে ৭৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিল টপার বার্সেলোনা। এক ম‍্যাচ কম খেলা রেয়াল মাদ্রিদ ৭২ পয়েন্ট নিয়ে আছে দুই নম্বরে।;

  • সামরিক সক্ষমতায় কে এগিয়ে ভারত না পাকিস্তানের !

    সামরিক সক্ষমতায় কে এগিয়ে ভারত না পাকিস্তানের !

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:   পাকিস্তানের ব্যালিস্টিক মিসাইল মহড়ার পর থেকেই আলোচনায় পাক-ভারত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা। দুই দেশেরই সমরভাণ্ডারে রয়েছে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম বিভিন্ন পাল্লার মিসাইল। এরমধ্যে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রীতিমতো তাক লাগানোর মতো।

    সর্বোচ্চ ১৬ হাজার কিলোমিটার পাল্লার মিসাইল রয়েছে দেশটির সমরভাণ্ডারে। অন্যদিকে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তৈরি করা হয়েছে ভারতকে টার্গেট করেই।

    পরমাণু কর্মসূচি শুরুর পর থেকেই মিসাইল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামে জোর দেয় পাকিস্তান। সময়ের সাথে সাথে উন্নতি ঘটানো হয় দেশটির ক্ষেপণাস্ত্রে। বর্তমানে আবদালি, নাসর, ঘোরি এবং গজনবির মতো স্বল্প এবং মাঝারি পাল্লার বিভিন্ন ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে পাকিস্তানের সমরভাণ্ডারে। যেগুলো সর্বোচ্চ ৫০ কিলোটন অস্ত্র নিয়ে আঘাত হানতে পারে ২ হাজার ৭শ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে।

    পরমাণু অস্ত্রের পাশাপাশি প্রচলিত অস্ত্র বহনেও সক্ষম বিভিন্ন ধরণের ক্রুজ এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরি করেছে দেশটি। রয়েছে জার্ব, আবাবিল, তৈমুর এবং বাবুরের মতো মিসাইল। যেগুলো জাহাজ, ট্যাংক এবং সাবমেরিন ধ্বংসে ব্যবহার করা হয়।

    ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে ভারতের সক্ষমতাও তাক লাগানোর মতো। পাকিস্তান-চীনের মতো শক্রু মোকাবেলায় বহুমুখি ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্প হাতে নেয় দিল্লি। দেশটির সমরভান্ডারে রয়েছে অগ্নির মতো পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক মিসাইল যা ১৬ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

    এছাড়াও পৃথ্বি, সূর্য, কালামের মতো স্বল্প এবং মাঝারি পাল্লার ব্যলিস্টিক মিসাইল রয়েছে ভারতের। পাশাপাশি ব্রহ্ম এবং নির্ভয়ের মতো ক্রুজ মিসাইল রয়েছে দেশটির কাছে। যেগুলো পরমাণু এবং প্রচলিত দুই ধরণের অস্ত্র বহনেই সক্ষম।

    অন্যদিকে নাগ, অমোঘ, রুদ্র, অস্ত্র, ত্রিশূলের মতো ট্যাংক, জাহাজ এবং সাবমেরিন বিধ্বংসী বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে ভারতের কাছে। যেগুলো, আকাশ, ভূমি এবং জাহাজ থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

    তবে ভারতের সামরিক সক্ষমতাকে সবদিক থেকে এগিয়ে রেখেছে এর স্যাটেলাইট বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। চীন, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারত চতুর্থ দেশ যার সমরভাণ্ডারে রয়েছে স্যাটেলাইট বিধ্বংসী মিসাইল।;

  • সিআইএ -র প্রায় ১২শ’ কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের

    সিআইএ -র প্রায় ১২শ’ কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ) থেকে প্রায় ১২শ’ কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিআইএ-এর পাশাপাশি অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলো থেকেও হাজারের বেশি কর্মী কমানোর পরিকল্পনা চলছে। শনিবার (৩ মে) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন সিআইএতে পরিকল্পিত ছাঁটাই সম্পর্কে আইন প্রণেতাদের অবহিত করেছে। এই প্রক্রিয়া কয়েক বছর ধরে চলবে। মূলত নতুন নিয়োগ কমিয়ে পদ কমানো হবে, সরাসরি কর্মী ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে নয়।

    সিআইএর এক মুখপাত্র বলেন, সিআইএর পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফ প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা অগ্রাধিকারের প্রতি সিআইএ কর্মীবাহিনী যাতে সাড়া দিতে পারে, তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

    তিনি আরও বলেন, এই পদক্ষেপগুলো সিআইএকে নতুন শক্তিতে উজ্জীবিত করার, উদীয়মান নেতাদের জন্য সুযোগ তৈরি করার এবং সিআইএকে নিজের লক্ষ্য পূরণের জন্য আরও ভালোভাবে অবস্থান তৈরি করার সামগ্রিক কৌশলের অংশ।;

  • করিডর ইস্যুতে একাট্টা প্রায় সব দলই

    করিডর ইস্যুতে একাট্টা প্রায় সব দলই

    নিউজ ডেস্ক::  দেশের রাজনীতিতে গেল কদিন ধরেই আলোচনা মানবিক করিডর ইস্যুতে। বলা হচ্ছে, রাখাইনে জাতিসংঘের ত্রাণ পাঠাতে দেশের ভূমি ব্যবহারে সম্মত সরকার।

    এ জায়গাতেই আপত্তি রাজনৈতিক দলগুলোর। আলাপ-আলোচনা ও ঐকমত্য ছাড়া তাড়াহুড়া করে করিডর দেয়ার সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন রাজনৈতিক দলগুলো। নেতারা বলছেন, রাখাইনের বাস্তব পরিস্থিতি জেনেবুঝে করিডরের বহুমাত্রিক ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া জরুরি।

    বিষয়টি নিয়ে কথা বলে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, এই উপকার করতে গিয়ে অন্য কারও ক্ষতি করতে যাওয়া মোটেও ঠিক হবে না। এটা বাংলাদেশের জনগণও মানবে না। দেশের সকল রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে কথা বলে ঝুঁকিপূর্ণ এই বিষয়টি সুরাহা করা উচিত।

    আলোচিত এই করিডরের ধরণ, নিরাপত্তা কারা দেবে, এটি নিয়ে চীন-ভারতসহ এ অঞ্চলের দেশগুলোর মনোভাব অনেককিছুই স্পষ্ট নয় এখনও। সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে তা নিয়ে জনগণের মনোভাব বোঝা আবশ্যক ছিল বলেও মনে করেন নেতারা।

    এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, এটি ‘সামরিক করিডর’ হয়ে যায় কিনা, তা দেখতে হবে। তাই নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত কার্যকরের কোনো সুযোগ নেই।

    একইরকম শঙ্কা নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নারও। তিনি প্রশ্ন করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কার সাথে কথা বলে এমন সিদ্ধান্ত নিলো? এমন গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত এত জলদি করে তারা নিলো কীভাবে?

    এই করিডর দেয়া হলে সেটি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে ভূমিকা রাখতে পারে কিনা, সেটিও বুঝতে চান নেতারা। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকার যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন, তা জনগণের জানা থাকা দরকার। তাহলে জনগণ সে সব সিদ্ধান্তের সঙ্গে থাকবে।

    এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদও এমন সিদ্ধান্তের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংশ্লিষ্টতার ওপর গুরুত্ব দেন। বলেন, সিদ্ধান্ত অবশ্যই নিতে হবে সব স্টেকহোল্ডারদের সাথে কথা বলে।

    রাজনৈতিক নেতাদের মতে, এমন উদ্যোগের ফলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আরও ঝুলে যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশে থাকা ১৫ লাখ রোহিঙ্গার কাউকেই ফেরত পাঠানো যায়নি গেল আট বছরে। বরং এখনও প্রায়ই শতশত রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসছে বাংলাদেশে।;

  • জনসংখ্যাকে সম্পদে রূপান্তর করতে হবে: এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া

    জনসংখ্যাকে সম্পদে রূপান্তর করতে হবে: এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া

    নিউজ ডেস্ক:  প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া বলেছেন, জনসংখ্যাকে সম্পদে রূপান্তর করতে হবে। অন্যথায় জনসংখ্যা দেশের বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।

    শনিবার (৩ মে) সকালে আগারগাঁওয়ের জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাথে বুয়েট, রুয়েট, জাতীয় ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। সার্টিফিকেট অর্জনের সাথে জ্ঞান ও দক্ষতার সামঞ্জস্য না থাকায় শিক্ষার্থীরা হতাশায় ভুগেন। সরকারি ও বেসরকারি সেক্টরের সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এ সমস্যার সমাধান হবে।

    তিনি আরও বলেন, উন্নত বিশ্বে নার্সিং পেশার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু দক্ষ লোকবল তৈরির অভাবে তাদের পাঠানো যাচ্ছে না। এছাড়া বিভিন্ন ভাষা ওপরও দক্ষতা অর্জন করতে হবে।;

  • ব্যবসায়ীদের হুট করে রাজনীতিতে আসা এবং ভোট করার পক্ষে নন শ্রম উপদেষ্টা

    ব্যবসায়ীদের হুট করে রাজনীতিতে আসা এবং ভোট করার পক্ষে নন শ্রম উপদেষ্টা

    নিউজ ডেস্ক:   টাকা দিয়ে দলীয় মনোনয়ন বিক্রির প্রবণতা বন্ধে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। বলেছেন, একজন ব্যবসায়ী রাজনীতিতে আসতে চাইলে অন্তত তিন বছর তাকে কোনো দলের সঙ্গে সংযুক্ত থাকা উচিত। নির্বাচন কমিশনেরও এমন নিয়ম থাকা বাঞ্ছনীয়।

    শনিবার (৩ মে) এফডিসিতে ‘শ্রমিক অধিকার সুরক্ষায় শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক’ বিষয়ক ছায়া সংসদ অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।

    উপদেষ্টা বলেন, বন্ধ কারখানাগুলোর যন্ত্রপাতি ও মালিকের সম্পত্তি বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে দেয়ার কাজ চলছে।

    এ সময়, শ্রমিকদের পাওনা মিটিয়ে যদি কোনো নতুন মালিক বন্ধ হওয়া কারখানাগুলো নিতে চায় সে সুযোগও থাকছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    বিগত সরকারের সময় শ্রমিকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে উল্লেখ করে ২০১৩ সালের রানা প্লাজা ঘটনার কথা স্বরণ করেন উপদেষ্টা। বলেন, রানা প্লাজা ইস্যুতে আওয়ামী সরকারের পুরোপুরি ব্যর্থতা ছিল। দোষীদের শাস্তি না দিয়ে তৎকালীন সরকার রেশমা নাটক বানিয়েছিল।;

  • নারীদের অধিকার আদায় এবং নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ

    নারীদের অধিকার আদায় এবং নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ

    নিউজ ডেস্ক:   নারীদের অধিকার আদায় এবং নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। শনিবার (৩ মে) ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মহাসমাবেশে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন হেফাজতের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান।

    তিনি বলেন, নারীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে তিন মাসের মধ্যে বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে এবং ২৩ মে বাদ জুমা বিক্ষোভ মিছিলও আয়োজন করা হবে।

    এদিন আয়োজিত মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন হেফাজতের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবু নগরী এবং পরিচালনা করেন আজিজুল হক ইসলামাবাদী ও মুফতি কেফায়েত উল্লাহ আজহারী।

    অনুষ্ঠানে সাজিদুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চলতি বছরের মধ্যে বিভাগের সম্মেলন করা হবে এবং ২৩ মে বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে এই আন্দোলনকে আরও তীব্র করা হবে। এছাড়া হেফাজতের পক্ষ থেকে চারটি দাবি আদায়ের লক্ষ্য নিয়েও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।;

  • অন্তর্বর্তী সরকার গণতন্ত্রকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেবে না : মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ

    অন্তর্বর্তী সরকার গণতন্ত্রকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেবে না : মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ

    নিউজ ডেস্ক: অন্তর্বর্তী সরকার গণতন্ত্রকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেবে না। তারা নির্বাচন চায় না। উপদেষ্টাদের কথায় বিষয়টি পরিস্কার— এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

    শনিবার (৩ মে) মতিঝিলে এক আলাচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, দেশ এখনও মুক্ত হয়নি। আমরা ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছি। রাষ্ট্রকে নিয়ে সরকার ছিনিমিনি খেলছে। আগামী দিনে হয়তো আমাদের আরও সংগ্রাম করে যেতে হবে। এ সময় মানবিক করিডর নিয়ে জনগণ কিছুই জানে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, ক্রীড়াঙ্গনের জন্য রাজনীতিবিদরা তেমন কিছু করেনি। এর কারণ আওয়ামী লীগ খেলাধুলার অতীতের সকল সংস্কৃতি পাল্টে দিয়েছে। দলটির মধ্যে ক্রীড়াসুলভ মনোভাব নেই। দলটি অনেক খেলোয়াড়কেও বিপদে ফেলেছে। অনেকে খেলা চলাকালীন অবস্থাতেই রাজনীতিতে যোগ দিয়েছে। সাকিব আল হাসনকে আওয়ামী লীগে যোগ না দেয়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম।;

  • রাজনৈতিক দলগুলোকে সংস্কারমুখী হওয়ার আহ্বান : সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা

    রাজনৈতিক দলগুলোকে সংস্কারমুখী হওয়ার আহ্বান : সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা

    নিউজ ডেস্ক:   রাজনৈতিক দলগুলোকে সংস্কারমুখী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন মুরশিদ। তিনি বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানে ৩০ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছে এবং ১৫শ’ মানুষ মারা গেছে। এটাকে কোনোভাবেই মুছে দেয়া যাবে না।

    শনিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ওয়াটার কিপার্স বাংলাদেশ আয়োজিত ‘পিএফএস: পলিউশন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা বলেন, পরিবেশ ধ্বংস হয়ে গেলে মানুষের সুরক্ষা হয় না। তাই সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে এ নিয়ে কাজ করতে হবে। তবেই রাসায়নিক দূষণ থেকে আমাদের নদী ও মানুষকে বাঁচানো সম্ভব।

    এই আলোচনায় গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বন্দোবস্তের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায়ও নতুন বন্দোবস্ত প্রয়োজন।

    এতে আরও উপস্থিত ছিলেন গবেষক, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও পরিবেশ আন্দোলনের কর্মীরা।;

  • পুড়ে মারা গেলেন সংগীতশিল্পী জিল সোবুল

    পুড়ে মারা গেলেন সংগীতশিল্পী জিল সোবুল

    বিনোদন ডেস্ক: মার্কিন সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও আন্দোলনকর্মী জিল সোবুল মারা গেছেন। গত বৃহস্পতিবার মিনেসোটার নিজ বাড়িতে আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয় ৬৬ বছর বয়সী সংগীতশিল্পীর। গায়িকার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার মুখপাত্র। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, গায়িকার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে তার মুখপাত্র জন পর্টার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘জিল ছিলেন মানবাধিকারের এক নিবেদিত কর্মী। তিনি সারা জীবন ন্যায়ের পক্ষে লড়েছেন। তার সঙ্গে কাজ করা ছিল দারুণ উপভোগ্য। আমি আমার এক ভালো বন্ধু হারালাম। তার কাজ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ারে ১২টি অ্যালবাম মুক্তি দিয়েছেন গায়িকা। এর মধ্যে ১৯৯৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আই কিসড আ গার্ল’ দিয়ে সবচেয়ে বেশি পরিচিতি পান জিল। গতকাল শুক্রবারও একটি অনুষ্ঠানে গাওয়ার কথা ছিল জিলের।

    কিন্তু তার আগেই চলে গেলেন তিনি। গায়িকার মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন তার ভক্ত-অনুসারী থেকে শুরু করে তারকারা। ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী লয়েড কোল লিখেছেন, ‘বেশি কিছু বলতে পারছি না। আমরা সবাই তাকে ভালোবাসতাম, সে-ও আমাদের ভালোবাসত।’ ১৯৫৯ সালের ১৬ জানুয়ারি কলোরাডোতে জন্ম জিলের। ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘থিংস হেয়ার আর ডিফারেন্ট’। সবশেষ অ্যালবাম ‘নস্টালজিয়া কিলস’ বাজারে আসে ২০১৮ সালে।;