Category: প্রচ্ছদ

  • সরফভাটায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রি বিতরণ

    রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধিঃ
    রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার সরফভাটা ইউনিয়নের ভারী বর্ষন ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রি বিতরন করা হয়।

    ১৪ জুলাই মঙ্গলবার সকালে সরফভাটা ইউনিয়নের ইত্যাদি চত্বরে সরফভাটার ৯ ওয়ার্ডের প্রায় ৫ শত পরিবারকে এই ত্রাণ সামগ্রি প্রদান করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, আলমগীর চৌধুরী, আব্দুল করিম চৌধুরী, সৈয়দ নুর,রফিকুল ইসলাম,আকতার হোসেন,আবসার মেম্বার,ফরিদুল আবসার,দিদার আলম,জসিম উদ্দিন,খাইরুল ইসলাম,সরোয়ার উদ্দিন,সালাউদ্দিন চৌধুরী,মাওলানা ইউসুফ,মাহবুব মেম্বার,দেলোয়ার হোসেন সহ বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী।

  • শতাধিক কোমলমতি শিক্ষার্থীর জীবনের ঝুঁকি নওগাঁর রাতোয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যেন এক মরণফাঁদ


    নওগাঁ প্রতিনিধি:
    নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার রাতোয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিদ্যালয়ের ভবনের বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফাটল, দেয়াল ও কাঠামোর নাজুক অবস্থা এবং দীর্ঘদিনের অবহেলায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই পাঠদান করছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। একই সঙ্গে শত শত কোমলমতি শিক্ষার্থীও নিরাপত্তাহীন পরিবেশে শ্রেণিকক্ষে পাঠ গ্রহণ করতে বাধ্য হচ্ছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টির ভবন সংস্কারের দাবি জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ক্রমেই বড় হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে ভবনের অবস্থা আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

    একসময় এ বিদ্যালয় থেকে অসংখ্য শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। মানুষ গড়ার এই বিদ্যাপীঠ আজ নিজেই অবহেলা ও অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যালয়ের বর্তমান বেহাল চিত্র দেখে হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের ভাষায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন করুণ অবস্থা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

    অভিভাবকদের দাবি, সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রতিদিন উৎকণ্ঠার মধ্যে থাকতে হয়। তারা চান, দুর্ঘটনা ঘটার পর নয়, বরং তার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। কারণ একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা মুহূর্তেই বহু পরিবারের স্বপ্ন ভেঙে দিতে পারে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন, বিদ্যালয়টির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা কি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসেনি? যদি এসে থাকে, তাহলে প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ এখনো শুরু হয়নি কেন? বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। তাই রাতোয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে দ্রুত পরিপূর্ণ সংস্কার অথবা প্রয়োজন হলে নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা।

    এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, স্থানীয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তাদের প্রত্যাশা, আর কোনো দুর্ঘটনার অপেক্ষা নয়—অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যাতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা নিরাপদ পরিবেশে লেখাপড়া করতে পারে।

  • ‎সুন্দরবনে ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ বনদস্যুর আত্মসমর্পণ ‎


    ‎বাগেরহাট প্রতিনিধি:
    ‎সুন্দরবনে দীর্ঘদিন ধরে ত্রাস সৃষ্টি করা কুখ্যাত ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখসহ ২৭ জন বনদস্যু অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। আত্মসমর্পণের সময় তারা বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেন।
    ‎
    ‎সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার সুন্দরবনের চরপুটিয়া খালসংলগ্ন এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখসহ ২৭ জন সক্রিয় সদস্য কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের সদর দপ্তর মোংলায় আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেসবাউল ইসলাম এ তথ্য জানান।
    ‎
    ‎কোস্ট গার্ড জানায়, সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং বনদস্যুদের নির্মূল করতে বর্তমান সরকারের নির্দেশনায় তাদের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এসব অভিযানে ইতিমধ্যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৪৫ জন বনদস্যুকে আটক করা হয়েছে। দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা ৪২ জন জেলে ও বনজীবীকে জীবিত উদ্ধার করে চিকিৎসা শেষে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
    ‎
    ‎টানা অভিযানের কারণে সুন্দরবনে সক্রিয় বিভিন্ন দস্যু চক্রের কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে একের পর এক বাহিনীর সদস্যরা আত্মসমর্পণের পথ বেছে নিচ্ছেন। এর আগে ছোট সুমন বাহিনীর সাত সদস্য এবং বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর তিন সদস্য অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর শেখসহ ২৭ সদস্য আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন।
    ‎
    ‎
    ‎আত্মসমর্পণের সময় দস্যুরা কোস্ট গার্ডের কাছে তিনটি বিদেশি বন্দুক, একটি এইট শুটার, একটি ফোর শুটার, পাঁচটি দেশীয় একনলা বন্দুক, ১৫টি দেশীয় পাইপগান, দুটি চায়না পাইপগান, ৩৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ৫৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ জমা দেন।
    ‎
    ‎আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিরা হলেন-জাহাঙ্গীর শেখ (৪৫), মুজাহিদ গাজী (২৭), বিল্লাল শেখ (৩৫), জাহিদ হাসান (২৮), সুমন ঢালী (৩০), এরশাদ শিকারী (৪২), ওয়াহিদুজ্জামান (৩০), আইয়ুব শেখ (৪২), রাফসান ঢালী (৩০), পারভেজ শেখ (২৭), কামরুল শেখ (২৫), জহুরুল গাজী (৩৮), সিরাজুল তরফদার (৩৮), আমিনুল ইসলাম (৪০), আসাদুল ইসলাম (৪২), বাবুল শেখ (৪৫), শাহজাহান শেখ (৪২) ও হেলাল (৩৮)। তারা খুলনা জেলার দাকোপ, কয়রা ও বটিয়াঘাটা উপজেলার বাসিন্দা।
    ‎
    ‎এ ছাড়া আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে রয়েছেন বাগেরহাট জেলার রামপাল, ফকিরহাট, কচুয়া, মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বাসিন্দা আকরাম শেখ (৪৫), নূরুল ইজারদার (৫০), হাসান শেখ (২৭), কামরুল শেখ (২৮), জিয়া শেখ (৩৮), কবির সুলতান (৫৫), কাইয়ুম জমাদ্দার (৪০) ও শরিফুল ইসলাম বয়াতি (২১)। অপর সদস্য মো. জয়নাল আবেদীন (৩৮) পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার বাসিন্দা।
    ‎
    ‎কোস্ট গার্ড জানায়, ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতি, জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। বর্তমানে আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম, জব্দ করা অস্ত্র ও গোলাবারুদের প্রক্রিয়া এবং সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের পুনর্বাসনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
    ‎
    ‎কোস্ট গার্ড সুন্দরবনে সক্রিয় অন্য সব বনদস্যুকেও আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে। বাহিনীটি বলেছে, যারা আত্মসমর্পণ করবে, তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে। তবে যারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    ‎
    ‎কোস্ট গার্ড আরও জানিয়েছে, সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সরকারের নির্দেশনা ও সবার সহযোগিতায় অচিরেই সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে বাহিনীটি।
    ‎
    ‎
    ‎
    ‎

  • উপজেলা পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে ষ্ট্যান্ডিং অর্ডার অন ডিজাষ্টার (এসওডি) বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

    নিয়ামতপুর নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
    হেক্স ইপার এর সহযোগিতায় এবং ডাসকো ফাউন্ডেশন এর থ্রাইভ প্রকল্পের অধিণে উপজেলা পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে ষ্ট্যান্ডিং অর্ডার অন ডিজাষ্টার (এসওডি) বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    আজ সোমবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ মুর্শিদা খাতুন।

    এ সময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজাউল করিম,
    উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম, নিয়ামতপুর থানার উপ-পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার, ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক, প্রকল্পের টেকনিক্যাল অফিসার-মোঃ আনোয়ার হোসেন, ফারহানা উর্মি প্রমূখ।

    সভায় বক্তারা বলেন, নিয়ামতপুর উপজেলায় কাজ করার অনেক সুযোগ আছে। সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানকেও কাজ করতে হবে। একই ব্যাক্তিকে যাতে একাধিক সহায়তার আওতায় না নিয়ে আসা হয় অর্থাৎ ওভারল্যাপিং যাতে না হয় এজন্য এনজিওদের সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে কাজ করার কথা বলেন।

  • ‎বাগেরহাট আদালত ভবনে ছাদের পলেস্তারা ধসে আহত ৫ নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা


    বাগেরহাট প্রতিনিধি:
    ‎বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের তিনতলা ভবনের পলেস্তারা খসে পাঁচ বিচারপ্রার্থী আহত হয়েছেন, যা পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামোর ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে।
    ‎
    ‎১৩ জুলাই সোমবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের তিনতলা ভবনের নিচতলায় কচুয়া আদালতের এজলাসসংলগ্ন বারান্দায় ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। বিচারিক কার্যক্রম চলাকালীন হঠাৎ ওপর থেকে পলেস্তরার বড় একটি অংশ নিচে অবস্থানরত বিচারপ্রার্থীদের ওপর আছড়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই সুমন দাস, হৃদয় হাওলাদার, হাবিবুল্লাহ শেখ, মো. ফিরোজ শেখ এবং মোতালেব হোসেন গুরুতর আহত হন। ঘটনার আকস্মিকতায় আদালত চত্বরে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও আইনজীবীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিচারিক কার্যক্রম সাময়িক বিঘ্নিত হয়। দায়িত্বরতরা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে প্রেরণ করেন, যেখানে বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিচারপ্রার্থীদের ওপর ঘটে যাওয়া এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা বিচার বিভাগের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার ওপর এক বড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে।
    ‎
    ‎প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় ধরে ভবনটির রক্ষণাবেক্ষণ না করায় ছাদের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছিল। আহত বিচারপ্রার্থী মো. ফিরোজ শেখসহ অন্যরা জানান, এজলাসসংলগ্ন বারান্দাটি সবসময় জনাকীর্ণ থাকে, অথচ ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থা সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শেখ আদনান হোসেন জানিয়েছেন, আহতদের মাথায়, ঘাড়ে ও পায়ে আঘাত লেগেছে, যা নির্দেশ করে পলেস্তারাটি বেশ ভারী ছিল। ভুক্তভোগীদের দাবি, ন্যায়বিচার পাওয়ার আশায় আদালতে এসে অবকাঠামোগত ত্রুটির কারণে শারীরিক ক্ষতির শিকার হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। এই ঘটনার পর থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে আগত বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে, কারণ ভবনটির অন্যান্য অংশও যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
    ‎
    ‎ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এম এম মাহাবুব মোর্শেদ লালন জানিয়েছেন, ভবনটি অত্যন্ত পুরোনো এবং এর স্থাপত্য কাঠামো বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

    তিনি জানান, ঘটনার পরপরই বিচারকরা হাসপাতালে গিয়ে আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসার নির্দেশনা দিয়েছেন। এদিকে, গণপূর্ত অধিদপ্তরের গাফিলতির দিকে ইঙ্গিত করে তিনি জানান, ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো সংস্কারের জন্য এর আগেও একাধিকবার তাগাদা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অভাবে আজ এই দুর্ঘটনা ঘটল। বর্তমানে বিচারক ও আইনজীবীরা অবিলম্বে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা অথবা জরুরি ভিত্তিতে বড় ধরনের মেরামতের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো প্রাণহানির মতো ঘটনা না ঘটে।
    ‎
    ‎পরিশেষে, বাগেরহাটের এই ঘটনা কেবল একটি বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা নয়, বরং দেশের পুরোনো সরকারি ভবনগুলোর ভঙ্গুর দশার একটি জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। বিচারপ্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেখানে রাষ্ট্রের প্রাথমিক দায়িত্ব, সেখানে আদালতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভবনে এমন ধস বিচারিক কার্যক্রমের ওপর আস্থা ও নিরাপত্তার সংকট তৈরি করে। দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু না করলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় ঘটার সম্ভাবনা প্রবল।

    সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি অবিলম্বে এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তবে বিচারপ্রার্থীদের আদালতে আসার পরিবেশ ও নিরাপত্তা উভয়ই অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে, যা সামগ্রিক বিচার ব্যবস্থার জন্য একটি অশনিসংকেত হিসেবে বিবেচিত হবে।
    ‎

  • ছাত্র হত্যা, গুম ও থানায় ধর্ষণের পৈশাচিক খলনায়ক ডিসি আলমগীর: বরখাস্তের পরও খুনের লাইসেন্স ও ডাবল প্রমোশন দিয়ে এবার রংপুর রেঞ্জের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী ‘এসপি অ্যাডমিন’

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ
    ফ্যাসিবাদী জল্লাদ সরকারের অন্যতম প্রধান লাঠিয়াল, সীমাহীন দুর্নীতি, লম্পটতা ও পাশবিকতার জীবন্ত নরকখণ্ড পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেনের গা শিউরে ওঠা আমলনামা ফাঁস হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নির্বিচারে ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষকে পাখির মতো গুলি করে ঝাঁঝরা করা, ব্যবসায়ীকে গুমের চেষ্টা, খোদ থানার ভেতরেই অসহায় নারীকে পৈশাচিক ধর্ষণ এবং নিরীহ মানুষের চোখ কলম দিয়ে খুঁচিয়ে উপড়ে অন্ধ করার মতো মধ্যযুগীয় বর্বরতার মূল হোতা এই আলমগীর। চরম চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, সরকারি তদন্তে এই পিশাচের সমস্ত জঘন্য অপরাধ হাতেনাতে প্রমাণিত হওয়ার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) কর্তৃক তাকে চাকরি থেকে চূড়ান্ত “বরখাস্ত” (Dismissal from service) করার সুপারিশ করার পরও এই নরপশুর গায়ের একটা পশমও কেউ স্পর্শ করতে পারেনি।

    এর পেছনে রয়েছে এক চরম রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আঁতাত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক বিতর্কিত ছাত্রলীগ নেতা হওয়ার সুবাদে এবং সেই ‘ক্যাডার কোটার’ অন্ধ প্রভাবে আলমগীরের খুঁটির জোর ছিল আকাশচুম্বী। আর এই সুযোগে আইন ও নিয়মনীতিকে সম্পূর্ণ বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তার ত্রাতা হিসেবে অবতীর্ণ হন বিগত খুনী সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। এই প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সরাসরি আশীর্বাদ ও ক্ষমতার কালো থাবায় চাকুরীতে পুনর্বহাল করা হয় এই চিহ্নিত অপরাধীকে। শুধু পুনর্বহালই নয়, উপহার হিসেবে দেওয়া হয় পর পর দুইটি জবরদস্ত পদোন্নতি! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল ও ডিএমপি কমিশনার হাবিবের প্রত্যক্ষ মদদে ডিএমপির ‘ডিসি ক্রাইম’-এর মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর পদ ভাগিয়ে নিয়ে বিগত ছাত্র আন্দোলনে ঢাকার রাজপথে খুনের নেশায় মেতে উঠেছিল এই নরপিশাচ। আর বর্তমানেও সমস্ত অপরাধ আড়াল করে সে বাগিয়ে নিয়েছে রংপুর রেঞ্জের পুলিশ সুপার (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ফিন্যান্স)-এর মতো প্রভাবশালী ও দোর্দণ্ড প্রতাপশালী চেয়ার!

    প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ফিল্মি কায়দায় গুমের চেষ্টা ও ৪৫ মিনিটে ৫ মামলা!

    অনুসন্ধানে ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা পড়া নথির সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে মৌলভীবাজারের তৎকালীন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার থাকাকালে আলমগীর হোসেন ও তার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ডা: রাজিয়া সুলতানা মিলে জে পি এল ডোর এন্ড ফার্নিচার ইন্ডাস্ট্রিজ ও জালালাবাদ প্রোডাক্টস লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: সাইফুল ইসলাম সজীবের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন। এরপর ব্যবসা সম্প্রসারণের লোন, বাকিতে দামি ফার্নিচার ও গাড়ি কেনা বাবদ ব্যবসায়ী সজীবের কাছ থেকে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা সুকৌশলে হাতিয়ে নেন আলমগীর।

    পরবর্তীতে সজীব নিজের পাওনা টাকা ফেরত চাইতেই হিংস্র বাঘের মতো গর্জে ওঠে এই উর্দিধারী ডাকাত। পাওনাদারকে চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে ২০১২ সালের ৭ আগস্ট ব্যবসায়ী সজীবকে ঢাকার তার বাসা থেকে ফিল্মি কায়দায় অপহরণ করে গুম করার উদ্দেশ্যে তুলে নিয়ে যায় আলমগীর ও তার বাহিনী। কিন্তু স্থানীয় জনতা ও উপস্থিত মিডিয়াকর্মীদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে গুমের মিশন ব্যর্থ হলে তাকে সরাসরি মৌলভীবাজার মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে মাত্র ৪৫ মিনিটের ব্যবধানে সজীবের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে ৫টি সম্পূর্ণ সাজানো, বানোয়াট ও মিথ্যা মামলা ঠুকে দেয় এই জালিয়াত পুলিশ কর্মকর্তা।

    এই পৈশাচিক ষড়যন্ত্রের পেছনে সরাসরি যুক্ত ছিলেন তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের চিফ হুইপ ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এবং তার ছোট ভাই মোসাদ্দেক হোসেন মানিক। আলমগীর তার খালাতো ভাই সোহেল রানা, বান্ধবী ডা: রাজিয়া সুলতানা এবং নিজের বডিগার্ড নাজিম উদ্দিনকে বাদী বানিয়ে এই মিথ্যা মামলাগুলো করায়। এরপর ব্যবসায়ী সজীবকে জেলে পুরে দিনের পর দিন চালানো হয় অমানুষিক ও অর্বাচীন নির্যাতন। ধ্বংস করে দেওয়া হয় তার শত শত শ্রমিকের রুটি-রুজির কর্মস্থল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

    চূড়ান্ত বরখাস্তের আদেশ ডাস্টবিনে ফেলে প্রমোশনের মহোৎসব!

    এই পৈশাচিক জুলুমের প্রতিকার চেয়ে ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম সজীব ২০১২ সালের ২৮ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দপ্তরে আলাদা দুটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশের দীর্ঘ ও নিবিড় তদন্তে আলমগীরের বিরুদ্ধে আনা প্রতিটি পৈশাচিকতার সত্যতা প্রমাণিত হয়। এর প্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ১৬ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা অনুযায়ী তাকে “চাকুরী হতে বরখাস্ত” (Dismissal from service) করার গুরুদণ্ড প্রদান পূর্বক পিএসসির চূড়ান্ত মতামত চায়। একই বছরের ২১ অক্টোবর পাবলিক সার্ভিস কমিশনও (PSC) তাকে সরকারি চাকরি থেকে চিরতরে বরখাস্ত করার সপক্ষে চূড়ান্ত সিলমোহর দেয়।

    দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা এই চূড়ান্ত বরখাস্তের আদেশকে স্রেফ বুড়ো আঙুল দেখিয়ে, ক্ষমতার দাপটে পার পেয়ে যান আলমগীর। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সকল নিয়ম ও তদন্তকে ডাস্টবিনে নিক্ষেপ করে তাকে আবার চাকরিতে পুনর্বহাল করা হয়। এই খুনের লাইসেন্স ও জোড়া প্রমোশন ব্যবহার করেই ২০২৪-এর ছাত্র আন্দোলনে ঢাকার রাজপথে সাধারণ ছাত্র-জনতার রক্তে হোলি খেলায় মেতে ওঠে এই নরঘাতক।

    থানার ভেতর ধর্ষণ ও কলম দিয়ে চোখ উপড়ে ফেলার পৈশাচিকতা!

    আলমগীরের অপরাধের খতিয়ান কোনো সাধারণ মানুষের কল্পনাকেও হার মানায়। মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সার্কেলের দায়িত্বে থাকাকালীন খোদ থানার ভেতরেই এক অসহায় নারীকে ধর্ষণের মতো জঘন্য ও চরম ন্যাক্কারজনক অপরাধে লিপ্ত হন এই পুলিশ কর্মকর্তা। পরবর্তীতে এই মহাধর্ষণকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ওই ধর্ষিতা নারীর স্বামী লিটন হাসান ইমনকে উল্টো মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ফাঁসিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করে এই লম্পট। এছাড়াও নিরীহ মানুষকে থানায় আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের নামে চোখ কলম দিয়ে খুঁচিয়ে অন্ধ করে দেওয়ার মতো একাধিক মধ্যযুগীয় ও লোমহর্ষক বর্বরতার অভিযোগ রয়েছে এই জল্লাদের বিরুদ্ধে।

    বর্তমান অবস্থান: রংপুর রেঞ্জের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী ‘এসপি অ্যাডমিন’

    বিভাগীয় তদন্ত, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চূড়ান্ত রায়ে চাকরিচ্যুত হওয়ার পর এবং ছাত্র-জনতা হত্যার সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকার পরও এই নরপিশাচ আলমগীর হোসেন (বিপি নং-৭৯০৬১১১১৪৩) বর্তমানে বহাল তবিয়তে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে পুলিশ সুপার (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ফিন্যান্স) হিসেবে বহাল থেকে বীরদর্পে রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন!

    বিভাগীয় তদন্তে অপরাধের পাহাড় প্রমাণিত হওয়ার পরও কীভাবে এমন এক প্রমাণিত ধর্ষক, খুনি, অপহরণকারী ও চাঁদাবাজ পুলিশ কর্মকর্তা বহাল তবিয়তে প্রমোশন পেয়ে পুলিশের প্রশাসন ও অর্থ বিভাগের মতো সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ পদ ভাগিয়ে দাপট দেখায়— তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও ক্ষোভের আগুনে ফুঁসছে দেশের আমলারা ও সাধারণ মানুষ। এই নরপিশাচ আলমগীর এবং তার সহযোগী ১ ওসি ও ৪ এসআই-সহ অপরাধী চক্রকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার এবং দেশের আপামর ছাত্র-জনতা।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নাসির উদ্দিন আহমেদ ‘প্রতিবেদক’কে স্পষ্টভাবে জানান-

    “এই অতি গুরুতর অভিযোগের তদন্তভার আমার ওপর অর্পণ করা হয়েছিল। আমি অত্যন্ত নিখুঁত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত সম্পন্ন করে সমস্ত অপরাধের অকাট্য প্রমাণসহ চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন পুলিশ সদর দপ্তর শৃঙ্খলা শাখায় পাঠিয়ে দিয়েছি।”

    এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস)-এর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    এই জল্লাদের আরও ভয়ঙ্কর সব কীর্তি নিয়ে চোখ রাখুন আগামী সংখ্যায়… (চলবে..

  • বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে স্বপ্নতরী স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন


    কক্সবাজার প্রতিনিধি:
    কক্সবাজারের  বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছে স্বপ্নতরী স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন। সংগঠনটির উদ্যোগে শনিবার (১২ জুলাই) চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পহরচাঁন্দা পশ্চিমপাড়া এলাকায় বন্যাকবলিত ৫০টি পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা দুর্গত এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীসহ জরুরি ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন। এ সময় তারা বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, মানবতার সেবাই স্বপ্নতরী স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের মূল লক্ষ্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে অসহায় ও বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংগঠনটি ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবে।

    ত্রাণ বিতরণকালে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত সাত দিন ধরে তারা পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। স্থানীয় চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের পক্ষ থেকে সীমিত পরিসরে কিছু সহায়তা পেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো পর্যাপ্ত সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেন তারা। এ অবস্থায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন এবং মানবিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এলাকাবাসী।

    ত্রাণ পেয়ে উপকৃত পরিবারগুলো স্বপ্নতরী স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও সংগঠনটির সময়োপযোগী এ মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, দুর্যোগের এই সময়ে এমন সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আশাব্যঞ্জক।

  • নাঙ্গলমোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীর বৃত্তি অর্জনে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছআ


    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি:
    চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নাঙ্গলমোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচজন শিক্ষার্থী প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে বৃত্তি অর্জন করায় তাদের অভিনন্দন ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন হাটহাজারী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ও নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু। একই সঙ্গে নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের এ গৌরবময় অর্জনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    এক শুভেচ্ছা বার্তায় বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু বলেন, এই সাফল্য শুধু পাঁচজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং নাঙ্গলমোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং সমগ্র নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তিনি শিক্ষার্থীদের এই অর্জনের পেছনে যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও আন্তরিক সহযোগিতা রয়েছে, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভার যথাযথ বিকাশে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সম্মিলিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে বলেন, তারা ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এটাই সকলের প্রত্যাশা।

    এদিকে, নাঙ্গলমোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই গৌরবোজ্জ্বল সাফল্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।

  • ‌সংস্কার না হলে বিএনপি সরকারের পতন অনিবার্য- নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী

    নিয়ামতপুর(নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ
    বর্তমান বিএনপি সরকার সংস্কার না করলে বিএনপি সরকারের পতন অনিবার্য বলে মন্তব্য করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মূখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী।
    আজ (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় নাগরিক পার্টির আয়োজনে জুলাই পদযাত্রা ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটকে পরাজিত করে বিএনপি জোট ক্ষমতায় আসে। ক্ষমতা গ্রহনের পর থেকে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে ব্যর্থ হয়েছে এই সরকার। নিজেদের ৩১ দফা থেকেও তারা পিছুটান নিয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, তলে তলে দিল্লির সাথে বন্ধুত্ব বজায় রেখে পলাতক দল আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার যে পরিকল্পনা করছে তা কোনদিন মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজনে আরও একটি অভ্যুর্থান করে এই সরকারের পতন ঘটানো হবে। এজন্য উপস্থিত জনগণকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

    তিনি সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ তলে তলে দিল্লির সাথে বন্ধুত্ব আর ওপরে ওপরে আওয়ামী লীগের সাথে শত্রুতা তা জনগণের সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। তা পরিহার করে সঠিক ধারায় রাজনীতি না করলে এর দায় বিএনপিকেই নিতে হবে বলে জানান তিনি।

    তিনি সারাদেশে চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সারাদেশে ৩৯ জন বন্যায় প্রাণ হারালেও এখন পর্যন্ত সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কাউকে বন্যা পীড়িত এলাকায় দেখা যায়নি। বন্যায় নিহতের স্মরণে ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন।

    পথসভায় উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির সভাপতি সেলিম দেওয়ানের সভাপতিত্বে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নারী শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, কেন্দ্রীয় যুবশক্তির সদস্য ফরহাদ সোহেল, যুগ্ম সম্পাদক নিশাত আহমেদ, রাজশাহী বিভাগীয় এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন প্রমূখ।
    পথসভা শেষে জুলাই শহীদ রায়হানের বাবার সাথে মতবিনিময় করেন এনসিপির নেতৃবৃন্দ।

  • কুবিতে নানা আয়োজনে জুলাই প্রতিরোধ দিবস পালিত


    কুবি প্রতিনিধি:
    জুলাই বিপ্লবে প্রথম সহিংস পুলিশি হামলা ও হামলার প্রতিবাদের স্বীকৃতিস্বরূপ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘প্রথম প্রতিরোধ দিবস’ পালিত হয়েছে।

    রবিবার (১২ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে প্রতিরোধ দিবসের অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।

    অনুষ্ঠানে ‘প্রতিরোধ দিবস’ উদ্‌যাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরীফুল করীম, মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাবি অধ্যাপক ও বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তারিন বিনতে এনাম এবং আইসিটি বিভাগের প্রভাষক মবিনুর রহমান।

    এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

    পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরুর পর জাতীয় সংগীত ও জুলাই আন্দোলনে শহিদ কুবি ছাত্র আবদুল কাইয়ুমের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরবর্তীতে দেশাত্মবোধক গান এবং জুলাই আন্দোলনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বীরত্ব খচিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও জুলাই আন্দোলনে কুবি শিক্ষার্থীদের সাহায্য করা স্থানীয় লোকদের স্মৃতিচারণের মাধ্যমে আলোচনা সভাটি শুরু হয়।

    শিক্ষার্থীদের পক্ষ হতে বক্তব্যে জুলাই পরবর্তী সময়ে ছাত্র রাজনীতি ও ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। এছাড়াও নতুন ক্যাম্পাসের সঙ্গে পুরাতন ক্যাম্পাসের সংযোগের জন্য একটি সংযোগ সড়কের দাবিও উপস্থাপন করা হয়।

    এসময় বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, “২৪ এর আন্দোলন শুধু সরকার পতনের নয়, এটি রাষ্ট্র সংস্কারের আন্দোলন। আমরা এমন রাষ্ট্র চাই যেখানে আইনের শাসন হবে, মেধার মূল্যায়ন হবে, গবেষণা, মানবতা ও জাতীয় উন্নয়ন রাষ্ট্রের ভিত্তি হবে। যাতে পরবর্তী প্রজন্ম গর্ব করে বলতে পারে এই দেশ আমাদের, এই দেশ ন্যায়ের, এই দেশ মানবতার। এই দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, আমাদের সবার।”

    উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, ​”ইতিহাস আমাদের শুধু অতীতকে মনে করায় না, ভবিষ্যতের পথও দেখায়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া, সত্যে অবিচল থাকা এবং গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়াই প্রতিরোধের প্রকৃত শিক্ষা। আমরা এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যেখানে মতের ভিন্নতা ও প্রতিযোগিতা থাকলেও সহিংসতা, বৈষম্য বা পারস্পরিক অসম্মান থাকবে না।”

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এম. শরিফুল করীম বলেন, “​আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’। জুলাইতে ছাত্রীরা তাদের ভাইদেরকে আগলে রেখেছিল, তাদের ভাইদেরকে বিজয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। তাদের ভূমিকাকে স্মরণীয় করে রাখতে ছাত্রীদের জন্য আমরা একটি কর্নার তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি, নাম হবে ‘অরুণিমা কর্নার’। কর্নারটিতে থাকবে, স্বাস্থ্যসম্মত ওয়াশরুম, নামাজ পড়ার স্থান এবং ক্লাসের ফাঁকে বিশ্রাম নেয়ার ব্যবস্থা। প্রয়োজনে সেখানে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নারেরও ব্যবস্থা করা হবে বলেন জানান।”

    মুখ্য আলোচক অধ্যাপক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস বলেন, “জুলাইয়ের এই সফলতার মূল মন্ত্র ছিলো ঐক্য। দলমত নির্বিশেষে দেশ-বিদেশের সকল মানুষ একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর কারণে ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে। রাষ্ট্রের বিরোধী এই ক্ষমতার বিরুদ্ধে এই ঐক্যবদ্ধ শক্তি দাঁড়িয়েছিল বলেই এই দিবস সফল হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের অগ্রগতির জন্য প্রয়োজন শিক্ষার মানের উন্নয়ন। কুবির শিক্ষার্থীদের খাবার, আবাসন এবং যাতায়াত সুবিধার অগ্রগতির জন্য বর্তমান প্রশাসনের গুরুত্ব দেয়ার প্রতি আহ্বান করছি।”

    সরকারি চাকুরি প্রাপ্তির বিষয়ে সায়মা ফেরদৌস বলেন, এখন পেছনের দরজা দিয়ে চাকুরি পাওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। দায়িত্ব নেওয়ার দুই বছর হয়েছে, এসব বন্ধ করতে পেরেছি। সফলভাবে প্রশ্নফাঁস রোধ হয়েছে, দায়িত্ব নেওয়ার দুই বছরে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি।

    ​জুলাই প্রতিরোধ দিবস অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, “ উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, আজকের অনুষ্ঠানের সম্মানিত মুখ্য আলোচক এবং আমার সকল সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। যাঁদের আন্তরিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”