Category: জাতীয়

  • শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা , টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা , টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    নিউজ ডেস্ক:  রাজধানীর পূর্বাচল নিউটাউন প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দায়ের করা ৩ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং শেখ রেহানার দুই মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ও আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

    রোববার (১৩ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের দেয়া চার্জশিট আমলে গ্রহণ করেন। আসামিরা পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

    এর আগে, গত বৃহস্পতিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

    উল্লেখ্য, দেড় দশক দেশ শাসনের পর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপর থেকে সেখানেই রয়েছেন তিনি।

     ;

  • বাংলাদেশি পাসপোর্টে পূর্বে থাকা ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শর্তটি আবারও পুনর্বহাল

    বাংলাদেশি পাসপোর্টে পূর্বে থাকা ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শর্তটি আবারও পুনর্বহাল

    নিউজ ডেস্ক:  বাংলাদেশি পাসপোর্টে পূর্বে থাকা ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শর্তটি আবারও পুনর্বহাল করার জন্য বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গত ৭ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের উপসচিব নীলা আক্তার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আজ রোববার (১৩ এপ্রিল) বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, উপর্যুক্ত বিষয়ে প্রাসঙ্গিক গুরুত্বসহ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পূর্বের ন্যায় বাংলাদেশি পাসপোর্টে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শর্ত পুনর্বহালের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

    এর আগে, বাংলাদেশের পাসপোর্টে লেখা থাকত, এই পাসপোর্ট বিশ্বের সব দেশের জন্য বৈধ, ইসরায়েল ব্যতীত। তবে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০২০ সালে দেশে নতুন ই-পাসপোর্ট চালু করলে সেই পাসপোর্টগুলো থেকে এই লেখা বাদ দেয়। এমনকি এ বিষয়ে কোনো ঘোষণাও দেয়া হয়নি।;

  • নববর্ষ উপলক্ষে সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে : র‍্যাবের মহাপরিচালক

    নববর্ষ উপলক্ষে সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে : র‍্যাবের মহাপরিচালক

    নিউজ ডেস্ক:  বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) এ কে এম শহিদুর রহমান।

    রোববার (১৩ এপ্রিল) সকালে রমনা বটমূলসহ নববর্ষ উৎসবে র‍্যাবের নিরাপত্তা নিয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    র‍্যাবের মহাপরিচালক বলেন, নববর্ষ উপলক্ষে সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা রেখেছি। আশা করি উৎসবটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে।

    তিনি বলেন, বৈশাখী উৎসবকে ঘিরে অপপ্রচার রোধ করতে সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। নববর্ষের উৎসবকে কেন্দ্র করে ইভটিজিং যাতে না হয়, সেজন্য সতর্ক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, চারুকলায় ফ্যাসিস্টের মুখাকৃতি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হবে। কারও গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    নববর্ষ আমাদের জাতীয় জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান উল্লেখ করে র‍্যাবের মহাপরিচালক বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও আমরা এই অনুষ্ঠানটি উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করব। এ জন্য র‍্যাব ঢাকাসহ সারাদেশে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আমাদের মোটরসাইকেল পেট্রোল, গাড়ি পেট্রোল, চেকপোস্ট, অবজারভেশন টাওয়ার ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

    বর্ষবরণের সুন্দর আয়োজন সম্পন্ন করতে সাধারণ মানুষের কাছে সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।;

  • ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে ‘সম্প্রীতি ভবন’ এর ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন

    ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে ‘সম্প্রীতি ভবন’ এর ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন

    নিউজ ডেস্ক: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাজধানীর আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে ‘সম্প্রীতি ভবন’ এর ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করেছেন। রোববার (১৩ এপ্রিল) সকালে ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচনের পর তিনি সেখানে অবস্থিত প্রার্থনা হল পরিদর্শন করেন।

    এরপর রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সাথে মত বিনিময় করতে যান প্রধান উপদেষ্টা। সেখানো পৌঁছানোর পর তাকে স্বাগত জানায় বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশন।

    অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান। ঢাকার মেরুল বাড্ডায় ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার। বাংলাদেশে বৌদ্ধদের ধর্ম, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সদ্ধর্মের প্রচার ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে;

  • ঢাকার ‘মার্চ ফর গাজা’ সমাবেশ ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে : ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত

    ঢাকার ‘মার্চ ফর গাজা’ সমাবেশ ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে : ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত

     নিউজ ডেস্ক:  ঢাকার ‘মার্চ ফর গাজা’ সমাবেশ ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ ওয়াই রামাদান। শনিবার (১২ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

    বিবৃতিতে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ঢাকা তার অতুলনীয় আন্তরিকতা দিয়ে বিশ্বকে অবাক করে চলেছে। ১২ এপ্রিল বিশ্ব যা প্রত্যক্ষ করেছে তা ইতিহাসের পাতায় ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থন ও সংহতির অন্যতম সেরা ঘোষণা হিসেবে লিপিবদ্ধ থাকবে, যা সীমান্ত এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে প্রতিধ্বনিত হবে।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণের প্রাণশক্তি একটি অকাট্য সত্যকে নিশ্চিত করে। বাংলাদেশ, তার পুরুষ ও নারী, তরুণ ও বৃদ্ধ উভয়ের মাধ্যমে, ফিলিস্তিনি জনগণকে স্বাধীনতা ও স্বাধীনতার সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য শক্তি, উৎসাহ এবং নৈতিক প্রতিরোধ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ বাংলাদেশিদের মতো মহান জাতি খুঁজে পাওয়া বিরল।

    এই মহৎ জাতি একটি অপরিবর্তনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, একটি ঘোষণা, যা কেবল কথায় নয় বরং নীতিগতভাবে খোদাই করা হয়েছে- বাংলাদেশ ইতিহাসের সঠিক দিকে থাকা ছাড়া আর কিছুই মেনে নেবে না। ফিলিস্তিন এবং এর জনগণের ন্যায্য সংগ্রামের পাশে দাঁড়ানো ছাড়া আর কিছুই গ্রহণ করবে না। এই পৃথিবীর প্রতিটি সম্মানিত আত্মার গভীরে বসবাসকারী এই নীতির সঙ্গে তারা কখনও আপস করবে না।

    সমগ্র ফিলিস্তিন থেকে সমগ্র বাংলাদেশের কাছে, আমরা এমন এক জনগোষ্ঠীকে আমাদের শুভেচ্ছা জানাই যাদের মাহাত্ম্য এবং সাহসী অবস্থানকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। ফিলিস্তিন তার বাংলাদেশের ভাইবোনদের কাছ থেকে এটাই প্রত্যাশা করে, আমাদের জনগণ তাদের পূর্ণ অধিকার, তাদের স্বাধীনতা এবং তাদের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার না করা পর্যন্ত তাদের সমর্থনে অনুগত এবং অটল থাকবে।

    বিবৃতিতে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত বলেন, এই মহান জনগণের প্রতি, আমরা আমাদের স্থায়ী অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করি। ফিলিস্তিন এবং এর জনগণ আপনাদের প্রতি অনুগত থাকবে, যতক্ষণ না এটি তাদের পূর্ণ অধিকার, তাদের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করে। আমরা আপনাদের সম্মানজনক অবস্থান কখনও ভুলব না। আমরা বাংলাদেশের জন্য আপনাদের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং অব্যাহত অগ্রগতির জন্য ক্রমাগত প্রার্থনা করি।

    ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে, আমরা লাল এবং সবুজ রঙের সমুদ্রের উত্থান প্রত্যক্ষ করেছি। ফিলিস্তিনের পতাকার পাশে বাংলাদেশের পতাকা উড়ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক রাজু স্মৃতি ভাস্কর্যটি এই অসাধারণ দৃশ্যের পটভূমি হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের জাতীয় রং ফিলিস্তিনের সঙ্গে মিশে আছে, সাহসের দুটি পতাকা পাশাপাশি উড়ছে। হাজার হাজার কণ্ঠস্বর, যার মধ্যে শিক্ষার্থী, মা, ইমাম, শিল্পী এবং আরও অনেকে স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের জন্য একযোগে ধ্বনি তুলেছেন।

    ঢাকার কণ্ঠস্বর চিৎকার করে উঠবে এবং কখনও নীরব থাকবে না, যতক্ষণ না ফিলিস্তিনি ভাই-বোনেরা দখলদারিত্ব এবং অবিচারের শিকার হচ্ছে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমি গত কয়েক দশক ধরে ফিলিস্তিনের সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের অবিচল সংহতির জন্য কৃতজ্ঞতায় ভরা হৃদয় নিয়ে লিখছি। মিছিল করা প্রতিটি ছাত্র, চিত্রশিল্পী, প্রার্থনাকারী, ইমাম এবং কণ্ঠস্বর তুলে ধরা প্রতিটি বাংলাদেশিকে ধন্যবাদ। গাজার শরণার্থী শিবির থেকে পশ্চিম তীরের জলপাই গাছ পর্যন্ত আপনার সংহতি অনুভূত হয়। ন্যায়বিচারের জয় হবে এই বিশ্বাসকে আপনারা বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করেছেন।

    আমার হৃদয় থেকে এবং ফিলিস্তিনের পক্ষ থেকে আপনাদের ধন্যবাদ। আপনারা কেবল সমর্থক নন। আশা, মর্যাদা এবং সংগ্রামে আমাদের ভাই ও বোন। ফিলিস্তিন-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক। ন্যায়বিচারের জন্য আমাদের যৌথ সংগ্রাম দীর্ঘজীবী হোক।

    উল্লেখ্য, ‘প্যালেস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্ট বাংলাদেশ’ এর আয়োজনে শনিবার রাজধানীতে ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচি পালন করা হয়। এই কর্মসূচিতে লাখ লাখ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচিতে ফিলিস্তিনের সমর্থনে ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়।;

  • ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত

    ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত

    নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচি। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও শান্তি কামনায় করা হয় এই বিশেষ মোনাজাত। মোনাজাতে অংশ নেয়া মানুষের চোখে ছিল অশ্রু।

    শনিবার (১২ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে এই মোনাজাত করা হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক মোনাজাত করেন। এর আগে, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শুরু হয়। ইসরায়েলের আগ্রাসন ও ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে এতে লক্ষাধিক লোক অংশ নেন।

    মোনাজাতে বলা হয়, ইসরায়েল ফিলিস্তিনে যে নৃশংসতা চালাচ্ছে, তা মানবতার ওপর চরম আঘাত। আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি, যেন তিনি নির্যাতিত মুসলমানদের রক্ষা করেন এবং ফিলিস্তিনকে স্বাধীনতার আলো দেখান।

    মার্চ ফর গাজা কর্মসূচি থেকে আসে ঘোষণাপত্র-ও। দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান তা পাঠ করেন। এই ঘোষণাপত্রে ইসরায়েলের সাথে সব ধরনের চুক্তি বাতিল ও সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এদিকে, গণহত্যার প্রতিবাদে এই কর্মসূচির কারণে স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। এতে অংশ নেয়া সবার কন্ঠে গণহত্যা বন্ধ এবং স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিন প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা। অনেকের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে ‘ফিলিস্তিন মুক্ত করো; গাজা রক্তে রঞ্জিত, বিশ্ব কেন নীরব’— এমন লেখা দেখা গেছে।

    ‘প্যালেস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্ট বাংলাদেশ’ নামক প্ল্যাটফর্মের ডাকা এই কর্মসূচিতে যোগ দেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনীতিবিদ, সামাজিক, ইসলামিক বক্তা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের শীর্ষ ব্যক্তিরা।

    স্টেজে উপস্থিত হন বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারী, জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহসহ অনেকে।

    দেশের অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপির পক্ষ থেকে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ অংশ নেন।

    জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি জেনারেল রেজাউল করিম ও দক্ষিণের সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুল ইসলাম মাসুদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান-ও উপস্থিত হন মার্চ ফর গাজায়।

    সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসতে শুরু করে মানুষ। মিছিলগুলোর কোনোটি শাহবাগ, কোনোটি দোয়েল চত্ত্বর, নীলক্ষেতের দিক থেকে উদ্যানে মিলিত হতে দেখা যায়। বেশিরভাগ মানুষের হাতে শোভা পাচ্ছে বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের পতাকা।

    কেউ কেউ আবার অভিনব পন্থায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি নিয়ে প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে।;

  • ‘মার্চ ফর গাজা’র ঘোষণাপত্রে ইসরায়েলের সাথে সকল চুক্তি বাতিল ও সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বান

    ‘মার্চ ফর গাজা’র ঘোষণাপত্রে ইসরায়েলের সাথে সকল চুক্তি বাতিল ও সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বান

    নিউজ ডেস্ক: গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশের কর্মসূচি ‘মার্চ ফর গাজা’র ঘোষণাপত্রে ইসরায়েলের সাথে সব ধরনের চুক্তি বাতিল ও সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বান জানানো হয়েছে।

    শনিবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত কর্মসূচির মূল মঞ্চে দাঁড়িয়ে এ ঘোষণাপত্র পাঠ করেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

    ঘোষণাপত্রে অবিলম্বে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করার আহ্বান জানানো হয়।এছাড়াও ইসরায়েলের সাথে সব ধরনের চুক্তি বাতিল ও সম্পর্ক ছিন্ন করতে মুসলিম বিশ্বের নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।

    এদিন সকাল থেকেই দেশ ও রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট-বড় মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমবেত হন নানা বয়স ও পেশার মানুষ। সমাবেশে অংশ নিয়ে সাধারণ মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও প্রতিনিধিরা ইসরাইলের বর্বরতার বিরুদ্ধে বিশ্ব মুসলিমকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়।

    উল্লেখ্য, ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচিতে একত্রিত হয়েছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামি, এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, শিল্পী, কবি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মুখরা। এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে দলমত নির্বিশেষে সবাই ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যা বন্ধে দৃঢ় অবস্থান নেন এবং সাহসী কণ্ঠে প্রতিবাদ জানান।;

  • সোহরাওয়ার্দী উদ্যানমুখে ’মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচিতে জনতার ঢল

    সোহরাওয়ার্দী উদ্যানমুখে ’মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচিতে জনতার ঢল

    নিউজ ডেস্ক: ফিলিস্তিনে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসন এবং গণহত্যার প্রতিবাদে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার (১২ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় মূল কর্মসূচি শুরু হবে।

    তবে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসতে শুরু করেছে মানুষ। মিছিলগুলো কোনোটি শাহবাগ দিয়ে, দোয়েল চত্ত্বর দিয়ে, নীলক্ষেতের দিক থেকে উদ্যানে মিলিত হতে দেখা যায়। বেশিরভাগ মানুষের হাতে দেশের ও ফিলিস্তিনের পতাকা দেখা যায়।

    এ সময় গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে নানা রকম স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে স্লোগানও দিতে থাকেন তারা।

    এদিকে, রাজধানী বায়তুল মোকাররম থেকে মিছিল নিয়ে মার্চ ফর গাজা কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীরা। এর আগে, মসজিদের উত্তর গেটে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তারা।

    অন্যদিকে, এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানীতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে যৌথবাহিনীকে টহল দিতে দেখা যায়। এ সময় কালো পতাকা হাতে নিয়ে আসা ব্যক্তিদের কাছ থেকে তা রেখে দিতে দেখা যায় সেনাবাহিনীকে।

    এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে ‘প্যালেস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্ট বাংলাদেশ’। আয়োজকরা জানান, নির্যাতিত ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াতে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জনমত গড়ে তুলতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

    মার্চ ফর গাজা কর্মসূচির সমাপনী সভায় একইমঞ্চে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের শীর্ষ ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া, ইসলামিক বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী ও শায়খ আহমাদুল্লাহ উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।;

  • ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পড়লো সৌদি আরবে

    ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পড়লো সৌদি আরবে

    আন্তর্জাতিক  ডেস্ক: ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ইয়েমেন থেকে হুতিদের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি পড়েছে সৌদি আরবে। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম ইয়েমেন অনলাইন এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বুধবার (৯ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। কিন্তু এটি মাঝপথে সৌদি আরবে পড়েছে। তবে সেটি কোথায় পড়েছে, তা বিস্তারিতভাবে জানানো হয়নি।

    ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ক্ষেপণাস্ত্রটি শনাক্ত করতে সক্ষম হলেও, দেশটি কোনো সাইরেন বাজানো হয়নি। কারণ— এটি কোনো হুমকি সৃষ্টি করেনি।

    এদিকে, সৌদি আরব বা হুতি পক্ষ থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি নিয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে, হুতি বুধবার (৯ এপ্রিল) জানায়, তারা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে একটি ড্রোন হামলা চালিয়েছে।;

  • জনশক্তি রফতানিতে জাপানি প্রতিষ্ঠানের সাথে সরকারের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    জনশক্তি রফতানিতে জাপানি প্রতিষ্ঠানের সাথে সরকারের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    নিউজ ডেস্ক: জাপানে দক্ষ জনশক্তি রফতানির লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাথে সমঝোতা স্মারক করেছে জাপানের অনোডোরা ইউজার রান ইনকরপোরেটেড।

    বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে এই সমঝোতা স্বারক হয়েছে।

    এতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে প্রবাসে দক্ষ কর্মীদের যাবার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হলো। এর মাধ্যমে প্রবাসে গমনেচ্ছুরা বিনামূল্যে জাপানী ভাষা ও কারিগরী বিষয়ে প্রশিক্ষণের সুয়োগ পাবে। এমনকি প্রতিষ্ঠানটি বিনা অভিবাসন ব্যয়ে জাপানে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে।

    ইতোমধ্যে টিটিআইপি প্রোগ্রামের আওতায় গেলো সাত বছরে ৬৯৫ জন টেকনিক্যাল ইন্টার্ন জাপানে গেছে বলেও জানান আসিফ নজরুল।

    এদিকে, অনোডোরা ইউজার রান ইনকরপোরেটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশটি তরুণ, যোগ্য ও কর্মদক্ষ লোকবল নিতে চায়। এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে যথাযথ লোকবল নিয়োগ পাবে বলে তারা আশাবাদী।;