Category: জাতীয়

  • প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটের জন্য নির্বাচন কমিশন তিনটি পদ্ধতিকে বাছাই করেছে

    প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটের জন্য নির্বাচন কমিশন তিনটি পদ্ধতিকে বাছাই করেছে

    নিউজ ডেস্ক:   প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটের জন্য একটি পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য নয়। তাই নির্বাচন কমিশন প্রবাসীদের জন্য তিনটি পদ্ধতিকে বাছাই করেছে। এমনটা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।বুধবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি একথা জানান।

    ইসি সানাউল্লাহ জানান– তিনটি পদ্ধতি হলো পোস্টাল ব্যালট, অনলাইন পদ্ধতি ও প্রক্সি ভোটিং। তবে ভোট দেয়ার জন্য প্রবাসীরা যে দেশে আছে, ঐ দেশ থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

    তিনি জানান, বাংলাদেশের জন্য কোনো একটি পদ্ধতিতে ভোট সম্ভব নয়। তাই মিশ্র পদ্ধতি অনুসরণ করবে ইসি। কারণ দেশভেদে ভোটের পরিবেশ ভিন্ন। তবে তিনটি পদ্ধতি নিয়ে মব টেস্টিং করে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে।

    নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, প্রবাসীদের ভোট পদ্ধতির ইতিবাচক ও নেতিবাচক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার জন্য অ্যাডভাইজার পরিষদ গঠন করা হবে। এ পরিষদের রিপোর্ট অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

    প্রবাসীদের এ বছর ভোটের আওতায় আনাই নির্বাচন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য বলেও জানান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।;

  • যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসানের ৩ দিনের রিমান্ড

    যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হাসানের ৩ দিনের রিমান্ড

    নিউজ ডেস্ক: জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে এক শিক্ষার্থীকে হত্যাচেষ্টা মামলায় যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসানের ৩ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

    বুধবার (৯ এপ্রিল) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিএম ফারহান ইশতিয়াকের আদালত শুনানি শেষে রিমান্ডের আদেশ দেন।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানার সামনে পুলিশের গুলিতে হাঁটুতে গুলিবিদ্ধ হন মঞ্জুরুল আলম জিসান (১৯)। পরে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নেন তিনি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা মো. তাজ উদ্দিন গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। মামলার ৮ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি আবুল হাসান।

    গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে আবুল হাসানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে বিভিন্ন মামলায় রিমান্ডে নেয়া হয়।

    এদিকে যাত্রাবাড়ী, ভাটারা, মোহাম্মদপুর, আদাবর, শাহবাগ, থানার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিম, অভিনেত্রী শমী কায়সার, সাবেক আইজিপি শহিদুল হক, সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুনকে।

    বুধবার সকালে তাদের প্রত্যেককে তোলা হয় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে। পরে তাদের এ আদেশ দেন আদালত। এর আগে, তারা একাধিক মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে ছিলেন।;

  • শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হলেও তা চূড়ান্ত কিছু নয় : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

    শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হলেও তা চূড়ান্ত কিছু নয় : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

    নিউজ ডেস্ক:  শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হলেও তা চূড়ান্ত কিছু নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

    পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন—সম্পর্ক হয় দেশ ও জনগণের সঙ্গে, ব্যক্তি বা দলের সঙ্গে নয়। দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে আপত্তিকর বক্তব্য পরিহারের বিষয়ে একমত হয়েছেন ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি।

    তিনি আরও বলেন, তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশ এখনও ভারতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে। ভারত বা চীন—যাদের কাছ থেকে ভালো সহযোগিতা পাওয়া যাবে, তাদের সঙ্গেই পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় কাজ করতে প্রস্তুত।

    লুটপাট কোনো প্রতিবাদের ভাষা নয়—উল্লেখ করে তৌহিদ হোসেন বলেন, যারা এমন কাজ করছে, তারা দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের ষড়যন্ত্র করছে। দেশে যখন বিনিয়োগ সম্মেলন চলছে, তখন ফিলিস্তিনের পক্ষে আন্দোলনের নামে লুটপাটকে তিনি পরিকল্পিত বলে মনে করেন।

    রোহিঙ্গাদের ফেরানোর ব্যাপারে তিনি আরও বলেন, থাইল্যান্ডের বৈঠকে এক লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনযোগ্য, এটা মায়ানমার পরিষ্কার বলেছে। বাকি তালিকা তারা রিভিউ করছে। আমরা তাদের দাবি জানিয়েছি বাকি যারা আছে, তাদের ফেরানোর ব্যাপারে যেনো ত্বরানিত করে। এই তালিকা অনুমোদন করা মানে এই নই যে কালকে তারা চলে যেতে পারবে। রাখাইনে বাস্তব অবস্থা আমরা সেটা জানি। এই অবস্থায় তাদের প্রত্যাবাসন করা সম্ভব নয়।

    এছাড়াও চলতি মাসেই পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ঢাকা সফর করবেন। যেখানে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা হবে বলেও জানান তিনি।;

  • ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে ফিলিপাইন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে ফিলিপাইন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    নিউজ ডেস্ক: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ফিলিপাইন রাষ্ট্রদূত নিনা পি. কাইনগলেট।সোমবার (৭ এপ্রিল) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    সাক্ষাৎকালে ফিলিপাইন ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

    এসময় কৃষি ও শিক্ষা খাতসহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনার কথা উঠে আসে এবং উভয় পক্ষই ফিলিপাইন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন।
    রাষ্ট্রদূত নিনা পি. কাইনগলেট ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট বংবং মার্কোস এবং দেশটির জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান।;

  • ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার যোগ্য বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার

    ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার যোগ্য বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার

    নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার যোগ্য বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। এছাড়া আরও ৭০ হাজার রোহিঙ্গার তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। চূড়ান্ত হলে এই তালিকাও প্রত্যাবাসনে যুক্ত হবে। এটিকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বড় ও দীর্ঘস্থায়ী পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন বিশ্লেষকরা।

    ২০১৭ সালের রোহিঙ্গা ঢলের পর ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে আট লাখ রোহিঙ্গার তালিকা দেশটিকে দেয়া হয়। ছয় ধাপে সেই তালিকা দেয়া হয়েছিলো।

    এ বিষয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) নাঈম আশফাক চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। এই ইস্যুটিকে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে নিয়ে আসা সরকারের প্রথম কাজ ছিল। এরপর পর্যায়ক্রমে প্রত্যাবাসনসহ অন্যান্য প্রক্রিয়াগুলো আসবে। মিয়ানমার প্রত্যাবাসনযোগ্য রোহিঙ্গাদের যে তালিকা নিশ্চিত করেছে সেটি নিয়ে সরকার দেশটির সাথে অবশ্যই আলাপ করবে।

    যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার আকবর হোসেন বলেন, মিয়ানমার ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনে যোগ্য ঘোষণার মাধ্যমে ইস্যুটিকে স্বীকার করেছে। এটি একটি বড় পদক্ষেপ। এই স্বীকৃতি পাওয়াও একটি বড় অর্জন।

    সম্প্রতি চীন সফরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দেশটির আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং’ও বিষয়টি নিয়ে মিয়ানমার সরকারের সাথে কথা বলার আশ্বাস দেন। এর ঠিক কয়েকদিন পরেই মিয়ানমার জান্তা সরকারের এমন সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকার প্রধানের নেতৃত্বগুণ বলে জানান বিশ্লেষকরা।

    নিরাপত্তা বিশ্লেষক নাঈম আশফাক চৌধুরী বলেছেন, চীন মিয়ানমারের ওপর যত চাপ সৃষ্টি করবে ততই দেশটি রোহিঙ্গাদের নিয়ে নমনীয় হবে। অন্তর্বর্তী সরকার প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াটিকে এগিয়ে নিতে পারলে পরবর্তী সরকারের ওপরও দায়িত্ব বর্তাবে।

    এদিকে প্রত্যাবাসনের জন্য এই স্বীকৃতি একটা প্রামাণ্য দলিল হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা। তবে জান্তা সরকার রাখাইনের নিয়ন্ত্রণ ফিরে না পেলে, সেগুলো নিছক দলিল হয়েই থেকে যেতে পারে।

    এ বিষয়ে আকবর হোসেন বলেছেন, রোহিঙ্গাদের দেয়া মিয়ানমারের স্বীকৃতি আরাকান আর্মিকে অসন্তুষ্ট হয়েছে কিনা এমন প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ও আরাকান আর্মির মধ্যকার কূটনীতির ওপর বিষয়টি নির্ভর করবে। এক্ষেতে ভারত ও চীনের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। তাছাটা, আলোচনা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক চলমান রাখতে হবে।

    এর আগে, বেশ কয়েকবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পদক্ষেপ নেয়া হলেও তা শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি।;

  • বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো এবং শিল্প কারখানা স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা

    বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো এবং শিল্প কারখানা স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা

    নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো এবং এ অঞ্চলে শিল্প কারখানা স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এর ফলে বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলো উপকৃত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    চীনের গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এ আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের ওই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হয়। সাক্ষাৎকারে চীনের সাথে থাকা সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষাও প্রকাশ করেন ড. ইউনূস।

    সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা নিয়েও কথা বলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। চাইনিজ হাসপাতালগুলোর প্রশংসা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ চীনের স্বাস্থ্যসেবা পেতে চায়। এটা হলে তারা অনেক খুশি হবে। তাছাড়া, স্বাস্থ্যখাতে চাইনিজ টেকনোলজি থেকে বাংলাদেশের অনেক কিছু পাওয়ার আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পথে রয়েছে বাংলাদেশ। দেশকে এগিয়ে নিতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। যুব সম্প্রদায়ের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাংলাদেশকে রূপান্তরে সহায়তা করতে পারে চীন। আমাদের অর্ধেক জনগোষ্ঠীর বয়স ২৭ বছরের মধ্যে। সুতরাং তারা অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তি হতে পারে।

    এ সময় বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক সম্পর্কে অর্জিত সাফল্যের প্রশংসাও করেন অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাফল্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। চীন জনগণের আকাঙ্খার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণভাবে বাংলাদেশের রূপান্তরে সহযোগিতা করে যাবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, এজন্য অবশ্য সংস্কৃতি ও ভাষাচর্চার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্র স্থাপনে চীন সহায়তা করতে পারে। এর ফলে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ চাইনিজ ভাষা ও সংস্কৃতি জানতে পারবে। এতে দুই দেশের জনগণের মধ্যে আরও গভীর সম্পর্ক স্থাপিত হবে।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়। শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যুদ্ধের কোনো প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপ প্রদেশে অনুষ্ঠিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। এরপর তিনি বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণের পর তার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।;

  • প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে, লঞ্চ রুট দিয়েই আজ লাখো মানুষ ফিরেছে ঢাকায়

    প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে, লঞ্চ রুট দিয়েই আজ লাখো মানুষ ফিরেছে ঢাকায়

    নিউজ ডেস্ক:  প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে, লঞ্চ রুট দিয়েই আজ লাখো মানুষ ঢাকায় ফিরেছেন। শনিবার (৫ এপ্রিল) ভোর চারটা থেকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ভিড়তে শুরু করে বরিশাল অঞ্চলসহ বিভিন্ন রুটের লঞ্চগুলো। প্রতিটি লঞ্চই ছিল যাত্রীবোঝাই।

    ঈদের লম্বা ছুটি নিয়ে এবারের ঈদযাত্রা বেশ নির্বিঘ্ন ছিল বলে জানান যাত্রীরা। ভাড়া নিয়ে ছিল না কোনো অভিযোগ। খুব অল্প সময়ে বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় আসতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন অনেকে।

    তবে বিপত্তি বাধে সদরঘাট টার্মিনাল থেকে রাজধানীর ভেতরে ঢোকার সময়। লাখো যাত্রী আর যত্রতত্র বাস ও গাড়ি রাখার কারণে সদরঘাট এলাকায় সৃষ্টি হয় তীব্র বিশৃঙ্খলা। ওই এলাকা পার হতে লেগে যায় ঘণ্টারও বেশি সময়। উপায় না দেখে অনেকেই লাগেজ-ব্যাগ নিয়েই হেঁটে গুলিস্তানের দিকে রওনা হন।;

  • দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ বাংলাদেশের

    দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ বাংলাদেশের

    নিউজ ডেস্ক:  আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। এসময় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে আঞ্চলিক সংযোগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

    শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক নেতাদের সঙ্গে যোগ দেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নেতারা (সরকার প্রধানরা) সর্বসম্মতিক্রমে ব্যাংকক ঘোষণাপত্র এবং বিমসটেক ব্যাংকক ভিশন গ্রহণ করেছেন, যা একটি কৌশলগত রোডম্যাপ। এটি সংগঠনটিকে টেকসই উন্নয়ন এবং গভীর অর্থনৈতিক একীকরণের দিকে পরিচালিত করবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চলমান ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের শেষে এই দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়। এ বছর শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করা থাইল্যান্ডের কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেয় বাংলাদেশ।

    উল্লেখ্য, বিমসটেকের সনদ অনুসারে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে চেয়ারম্যানের পদ বর্ণানুক্রমিকভাবে আবর্তিত হয়। এ সম্মেলনে মূলত সাত সদস্যের আঞ্চলিক ব্লক: বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ডের নেতারা ‘সমৃদ্ধ, স্থিতিস্থাপক এবং উন্মুক্ত বিমসটেক’ থিমের অধীনে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন।

    আজ শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয় অংশগ্রহণকারী নেতাদের একটি প্রতীকী গ্রুপ ছবির মাধ্যমে। এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অর্থাৎ বিদায়ী বিমসটেক সভাপতি স্বাগত ভাষণ দেন। এছাড়া মিয়ানমার এবং থাইল্যান্ডে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

    এরপর, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং অন্যান্য বিমসটেক নেতারা আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়ে তাদের দেশের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে বিবৃতি প্রদান করেন।;

  • ভুটান প্রধানমন্ত্রী-প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

    ভুটান প্রধানমন্ত্রী-প্রধান উপদেষ্টার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

    নিউজ ডেস্ক: ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন।

    শুক্রবার (৪ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

    এর আগে, প্রধান উপদেষ্টা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেন। এছাড়া অধ্যাপক ইউনূস থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পায়েতংতার্ন সিনাওয়াত্রার সঙ্গেও বৈঠক করেন।

    এরআগে গতকাল থাইল্যান্ডের সামাজিক উন্নয়ন ও মানব নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী ভারাওয়াত সিল্পা-আর্চা এবং প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী জিরাপর্ন সিন্ধুপ্রাই গতকাল অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।;

  • দুর্নীতির বিরুদ্ধে যৌথ লড়াইয়ে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে যৌথ লড়াইয়ে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    নিউজ ডেস্ক:  বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং থাইল্যান্ডের ন্যাশনাল অ্যান্টি-করাপশন কমিশন (এনএসিসি) দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে।

    শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং NACC প্রেসিডেন্ট সুচার্ত ত্রাকুলকাসেমসুক নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

    ব্যাংককের থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    দুদক চেয়ারম্যান ড. আবদুল মোমেন আশা প্রকাশ করেন, এই সমঝোতা স্মারক উভয় দেশকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও কার্যকরভাবে লড়াই করতে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, অনেক বাংলাদেশি দুর্নীতিবাজ প্রতিবেশী কিছু দেশে আশ্রয় নিয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি এই সমঝোতা স্মারক তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে সহায়ক হবে।

    এই সমঝোতা স্মারক জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনের ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদের আলোকে স্বাক্ষরিত হয়েছে। যেখানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার জন্য রাষ্ট্রগুলোকে উৎসাহিত করা হয়েছে।

    সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রাসঙ্গিক প্রাথমিক তথ্য আদান-প্রদান, তথ্য সংগ্রহে সেরা পদ্ধতির শেয়ারিং, তথ্য বিনিময়, যৌথ প্রকল্প গ্রহণ, গবেষণা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।;