Category: অন্যান্য

  • সাংবাদিকদের নিরাপত্তা প্রশ্নে কোনো আপস নয়

    সাংবাদিকদের নিরাপত্তা প্রশ্নে কোনো আপস নয়

     

    মো: নুরে ইসলাম মিলন :
    সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর ধারাবাহিক হামলা, হুমকি ও হয়রানির ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগ। সংগঠনটি বলেছে, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকরা এখন সরাসরি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন, যা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে চরমভাবে বিপন্ন করে তুলছে।
    এক বিবৃতিতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগ জানায়, সাংবাদিকদের ওপর সংঘটিত হামলার অধিকাংশ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে, ফলে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো—অনেক ক্ষেত্রে হামলার শিকার সাংবাদিকদেরই মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা স্বাধীন সংবাদ সংগ্রহকে দমিয়ে রাখার সুপরিকল্পিত কৌশল বলে মনে করে সংগঠনটি।
    বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। অথচ বাস্তবে সাংবাদিকরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সুরক্ষা তো পাচ্ছেনই না, বরং নানা ধরনের চাপ, ভয়ভীতি ও মামলার শিকার হচ্ছেন। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে স্বাধীন সাংবাদিকতা কার্যত অচল হয়ে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দেয় সংগঠনটি।
    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কঠোর দাবি জানিয়ে বলেছে—সাংবাদিকদের ওপর সংঘটিত প্রতিটি হামলার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সময়বদ্ধ তদন্ত নিশ্চিত করে প্রকৃত দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল হয়রানিমূলক মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নিরাপদ, স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
    পাশাপাশি সংগঠনটি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার স্বার্থে মাঠপর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের প্রতিও গঠনমূলক আহ্বান জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান বাস্তবতায় সংবাদ সংগ্রহের সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কাজের সময় অবশ্যই প্রেস লেখা জ্যাকেট পরিধান, গলায় বৈধ পরিচয়পত্র দৃশ্যমান রাখা, এককভাবে না গিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আগেভাগে অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। নিজের নিরাপত্তার পাশাপাশি সহকর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্বের অংশ বলে উল্লেখ করা হয়।
    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কোনো সাংবাদিক হুমকি, বাধা, হামলা বা হয়রানির শিকার হলে তাৎক্ষণিকভাবে সংগঠন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ সংরক্ষণ করতে হবে।
    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগ স্পষ্টভাবে জানায়—সাংবাদিকদের নিরাপত্তা প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। দাবি বাস্তবায়নে গড়িমসি করা হলে সংগঠনটি সাংবাদিক সমাজকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর সাংগঠনিক ও আইনগত কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।

    মো: নুরে ইসলাম মিলন
    সভাপতি
    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা
    রাজশাহী বিভাগ।

  • সাংবাদিকতার আড়ালে ব্ল্যাকমেইল সিন্ডিকেট: ভূঁইফোড় পোর্টালের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তারা

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    দেশের মূলধারার সাংবাদিকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এবং প্রচলিত আইনকে তোয়াক্কা না করে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা একগুচ্ছ নিবন্ধনহীন ভূঁইফোড় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বর্তমানে রীতিমতো ‘চাঁদাবাজি সিন্ডিকেটে’ পরিণত হয়েছে। ‘দৈনিক আমার স্বাধীন বাংলাদেশ’, ‘দৈনিক বাংলাদেশ আমার মাতৃভূমি’, ‘দুর্নীতির ডায়েরি’, ‘এনবিবি (NBB)’, ‘সকালের ডাক’, ‘সাজের বেলা’ ও ‘নবান্নের আলো’-এর মতো নামসর্বস্ব পোর্টালগুলো এখন সরকারি কর্মকর্তাদের ব্ল্যাকমেইল করার প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো প্রকার তথ্য-প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য ছাড়াই মনগড়া সংবাদ সাজিয়ে প্রথমে তা অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করা হয় এবং পরবর্তীতে সংবাদ নামানোর বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই চক্রটি।

    অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এসব নিউজ পোর্টালের ওয়েবসাইটে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে, বাস্তবে সেখানে কোনো অফিসের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি যোগাযোগের জন্য দেওয়া নম্বরগুলোও সুকৌশলে অধিকাংশ সময় বন্ধ রাখা হয়। অভিযুক্ত এসব পোর্টালের কর্তৃপক্ষের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তাদের অফিসিয়াল নম্বরে কল করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায় এবং ঠিকানায় গিয়ে কাউকে না পাওয়ায় তাদের কোনো বক্তব্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। মূলত ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকেই তারা এই সাইবার অপরাধ ও চাঁদাবাজি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

    সরকারি কোনো নিবন্ধন বা আইনি বৈধতা না থাকলেও এরা দীর্ঘ দিন ধরে ‘গণমাধ্যম’ পরিচয় দিয়ে বন বিভাগ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো), শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর (EED), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের কর্মকর্তাদের টার্গেট করে আসছে। বিশেষ করে বর্তমান প্রেক্ষাপটে কর্মকর্তাদের ‘আওয়ামী দোসর’ বা ‘দুর্নীতিবাজ’ সাজিয়ে তথ্যবিহীন সংবাদ প্রচারের ভয় দেখিয়ে দেদারসে চাঁদাবাজি চালানো হচ্ছে।

    ভুক্তভোগী কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, এই চক্রটি অত্যন্ত সুসংগঠিত। শিক্ষা প্রকৌশল ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের কয়েকজন প্রকৌশলী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এই চক্রটির যন্ত্রণায় তাঁরা অতিষ্ঠ। নিজেদের এবং পারিবারিক সম্মানের কথা চিন্তা করে অনেক সময় তাদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিলেও রেহাই মেলে না। এক পোর্টালে টাকা দেওয়ার কয়েকদিন পরই অন্য একটি বেনামী পোর্টালে একই মিথ্যা তথ্য দিয়ে আবারও সংবাদ প্রচার করা হয় এবং নতুন করে টাকা দাবি করা হয়। এরা মূলত পেশাদার চাঁদাবাজ, সাংবাদিকতার সাথে এদের কোনো সম্পর্ক নেই।

    বন বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, এই চক্রটি দীর্ঘ সময় ধরে সাংবাদিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে মূলধারার নিবন্ধিত গণমাধ্যমগুলোকেও সাধারণ মানুষ ও কর্মকর্তাদের নিকট সন্দেহের চোখে দেখতে হচ্ছে, যা সামগ্রিক গণমাধ্যম জগতের জন্য এক বড় হুমকি। প্রতিবেদকের হাতে আসা বেশ কিছু তথ্য-প্রমাণে দেখা যায়, এই চক্রটি তাদের চাঁদাবাজির টাকা লেনদেনে ডাচ-বাংলা ব্যাংক, বিকাশ এবং নগদ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করছে। গণমাধ্যমের নাম ব্যবহার করে সরাসরি কর্মকর্তাদের নিকট থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার একাধিক কল রেকর্ড ও লেনদেনের অকাট্য প্রমাণ এখন প্রশাসনের নাগালের মধ্যে রয়েছে।

    মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক নেতা শাহিন বিশ্বাস এ প্রসঙ্গে বলেন, “গণমাধ্যমকে বলা হয় সমাজের দর্পণ এবং মানুষের অধিকার আদায়ের শেষ অস্ত্র। অথচ নিবন্ধনহীন ভূঁইফোড় কোনো চক্র যদি এই পবিত্র সাইনবোর্ড ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও দস্যুতা চালায়, তবে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এদের কারণে মূলধারার সাংবাদিকতা আজ হুমকির মুখে।” জানা গেছে, এই সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে এবং অবৈধ নিউজ পোর্টালগুলোর কার্যক্রম চিরতরে বন্ধের দাবিতে প্রতিটি আক্রান্ত দপ্তরের পক্ষ থেকে পৃথক মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। একই সাথে বিটিআরসি (BTRC) এবং তথ্য মন্ত্রণালয়কে এসব অবৈধ সাইট বন্ধের জন্য আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। মূলধারার গণমাধ্যমকর্মীরাও এই অপসাংবাদিকতা প্রতিহত করতে প্রশাসনের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন।

  • রাজনৈতিক কোন্দলে বরুড়ায় রক্তাক্ত মির্জানগর, নিহত ১—আহত ২

    রাজনৈতিক কোন্দলে বরুড়ায় রক্তাক্ত মির্জানগর, নিহত ১—আহত ২

     

    আবু ইউছুফ রাবেতঃ

    কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের মির্জানগর গ্রামে রাজনৈতিক কোন্দলকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ হিংসাত্মক হামলায় এক জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
    স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ সকালে আনুমানিক সকাল ৮টার দিকে মির্জানগর গ্রামে পূর্ব বিরোধ ও রাজনৈতিক মতবিরোধের জেরে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
    হামলায় নিহত হন চান মিয়ার ছেলে রবিউল ইসলাম। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, একই গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে নূরনবি, মহিন ও ময়নালসহ কয়েকজন ধারালো ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রবিউল ইসলামসহ অপর দুইজনের ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় রবিউল ইসলামকে উদ্ধার করার আগেই তার মৃত্যু হয়।
    হামলায় আহত অপর দুইজনকে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানান, তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
    ঘটনার পরপরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজনা এড়াতে বরুড়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
    বরুড়া থানা পুলিশ জানায়, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।
    এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়েরের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
    স্থানীয় সচেতন মহল রাজনৈতিক সহিংসতার এমন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

  • ওসমান হাদীর ওপর হামলা ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ

    ওসমান হাদীর ওপর হামলা ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ

    শরীফ ওসমান হাদীর উপর নৃশংস হামলা ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে ইসলামপুরে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ

    জুলাই যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীর উপর নৃশংস হামলা ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে ইসলামপুরে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    জানাযায়, জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আর.জে রাজু আহমেদ তার ফেসবুকে শরীফ ওসমান হাদীর ওপর কথিত টার্গেট কিলিংয়ের নামে বর্বরোচিত হামলার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। তারপ্রেক্ষিতে
    শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকালে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ইসলামপুর থানা গেইটের সামনের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে।

    মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আর.জে রাজু আহমেদ কে দ্রুত সময়ে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

    বিক্ষোভে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী কণ্ঠস্বর দমনে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে।

    পরে ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাে: আব্দুল কাইয়ুম গাজী এসে বিক্ষোভকারীদের সাথে কথা বলেন এবং ওসমান গনি হাদীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যদানকারী
    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আর.জে রাজু আহমেদকে দ্রুতসময়ে গ্রেফতারের আশ্বাস দেন।

  • দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করায় কবিরহাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিষ্কার।

    দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করায় কবিরহাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বহিষ্কার।

    কবিরহাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সোহেল রানা বহিষ্কার।
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল নোয়াখালী জেলা শাখার অধীনস্ত কবিরহাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সোহেল রানা দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থী বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল তাকে বহিষ্কার করে। বিষয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাবের আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান এর নির্দেশক্রমে দপ্তর সম্পাদক মাহবুব আহমেদ তাকে বহিষ্কার করেন।

  • আশুলিয়ায় শ্রমিক নেতা ফরিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

    আলমাস হোসাইন :
    আশুলিয়ায় শ্রমিক নেতা ফরিদুল ইসলাম ফরিদের নিঃশর্ত মুক্তি ও হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন কারখানার শতাধিক শ্রমিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

    শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে আশুলিয়ার বগাবাড়ী এলাকায় জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    শ্রমিক নেতা ফরিদুল ইসলাম ফরিদ জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কেন্দ্রীয় শ্রমিক নেতা ফরিদুল ইসলাম ফরিদ কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত না থাকলেও একটি চক্র মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে পুলিশকে ভুল তথ্য দিয়ে হয়রানিমূলক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করিয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করছি।

    তারা আরও বলেন, ফরিদুল ইসলাম ফরিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। পাশাপাশি চক্রান্তের সঙ্গে জড়িত জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আমিরুল হক আমিনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানানো হয়।
    শ্রমিক নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এভাবে যদি বিনা কারণে শ্রমিক নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়, তবে আমরা কঠোর আন্দোলনের ডাক দিতে বাধ্য হব।

    জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা আক্তার ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত ছিলেন টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, সবুজ বাংলা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ইসমাইল হোসেন ঠান্টু প্রমুখ।

  • দাউদকান্দি উপজেলায় জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৫ অনুষ্ঠিত।

    দাউদকান্দি উপজেলায় জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৫ অনুষ্ঠিত।

    দাউদকান্দি উপজেলায় জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৫ অনুষ্ঠিত।

    রিপোর্টার কুমিল্লা।

    কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলায় ৫৪ তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৫ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় সাম্য ও সমতায় দেশ গড়বে সমবায় এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে ৫৪ তম সমবায় দিবস উপলক্ষে সারা দেশের ন্যায় দাউদকান্দি উপজেলায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার বেলা ১১ টার দিকে জেলা প্রশাসন ও সমবায় বিভাগের আয়োজনে দাউদকান্দি উপজেলা সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আলোচনা সভায় দাউদকান্দি উপজেলা সমবায় অফিসার আলমগীর হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনা করেন মনির উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক ধানসিড়ি সমবায় সমিতি।

    প্রধান অতিথি ছিলেন জনাবা নাসরিন আক্তার দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি জনাব রেদয়ান ইসলাম, জনাব গোলাম মহিউদ্দিন মাহমুদ তালুকদার সভাপতি দাউদকান্দি উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি ।

    আরো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন ধানসিড়ি সমবায় সমিতি সভাপতি রেহানা আক্তার ক্লাসিক বহুমুখী সমবায় সমিতি , জামাল উদ্দিন সদস্য ধানসিড়ি সমবায় সমিতি , মোহাম্মদ সালাউদ্দিন টাক্টর মালিক সমবায় সমিতি , দাউদাউকান্দি ১৫টি উপজেলার বিভিন্ন সমবায় সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও শতাধিক সদস্যগন ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় বক্তারা বলেন , সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। ‘বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার সমবায় খাতকে আধুনিক ও গতিশীল করতে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। কৃষি, মৎস্য, পশুপালন, সঞ্চয় ও ঋণদান এবং কুটিরশিল্প প্রভৃতি ক্ষেত্রে সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলে ব্যক্ত করেন।

  • আশুলিয়ায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ

    আশুলিয়ায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ

    আলমাস হোসাইন :

    ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় মোতায়েনকৃত জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আশুলিয়ায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিনামূল্যের চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প।

    আগামী বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আশুলিয়ার ঘোষবাগ এলাকায় গ্রামীণ কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে এই মেডিকেল ক্যাম্প।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এ ক্যাম্পে আশুলিয়ার বাইপাইল, ভাদাইল, নরসিংহপুর, জিরাবো, ইয়ারপুর, বাগবাড়ি, তৈয়বপুর, ইউসুফ মার্কেট ও কাশিমপুরসহ আশপাশের এলাকার দুস্থ ও অসহায় জনগণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ পাবেন।

    চিকিৎসা সেবায় অংশ নেবেন মেডিসিন, শিশু, চক্ষু, চর্ম ও যৌন, স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা, নাক-কান-গলা বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ।

    সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিকিৎসা গ্রহণে ইচ্ছুকদের নাম নিবন্ধনের জন্য জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের মোবাইল নম্বর ০১৭৬৯-০৯৫৩৪৯–এ যোগাযোগ অথবা এসএমএসের মাধ্যমে (রোগীর নাম, বয়স, পেশা, মাসিক আয় ও রোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ) পাঠাতে হবে।

    প্রতি ঘণ্টায় ৭০ জন করে সর্বোচ্চ ৫০০ জন রোগীকে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

    নির্ধারিত দিনে সময়মতো উপস্থিত হয়ে চিকিৎসা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার সকল দরিদ্র জনগণকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময়: আগামী ২৮ অক্টোবর।
    যোগাযোগ: জামগড়া আর্মি ক্যাম্প
    মোবাইল: ০১৭৬৯-০৯৫৩৪৯

  • কুমিল্লা শহরে যানজট নিরেশনে সাধারণ মানুষের ভিক্ষুক

    কুমিল্লা শহরে যানজট নিরেশনে সাধারণ মানুষের ভিক্ষুক

    কুমিল্লা নগরীতে যানজট নিরসন ও সড়কে বিশৃঙ্খলা বন্ধে বিক্ষোভ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৭ অক্টোবর ২০২৫

    কুমিল্লা নগরীতে যানজট নিরসন ও সড়কে বিশৃঙ্খলা বন্ধের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ‘যানজট মুক্ত কুমিল্লা চাই’ একটি সমাজিক সংগঠন। সোমবার (২৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১০টায় কান্দিরপাড় পূবালী চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সেভ দ্য হিউম্যান সোসাইটির চেয়ারম্যান মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক, কুমিল্লা ইনকিলাব মঞ্চের আহবায়ক গোলাম মোহাম্মদ সামদানী, যানজট মুক্ত কুমিল্লা চাই-এর আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল হাসান, কুমিল্লা যানজট নিরসন কমিটির সদস্য মুজাহিদ চৌধুরী, সদস্য সাজিদুল ইসলাম রাফি, আমরা কুমিল্লা সন্তানের আবদুল হান্নান, নিরাপদ সড়ক আন্দোলের ইমতিয়াজ, যানজট মুক্ত কুমিল্লা চাই এর সদস্য আবু ছালেহ মো. মাসুদ, মুকুল, ওমর ফারুক আফজাল প্রমুখ।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, নগরীতে ৪০ হাজারেরও বেশি অবৈধ অটোরিকশা চলাচল করে। যেখানে ১০ হাজার অটোরিকশা ধারণক্ষমতা নেই। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে কিছু আসাধু কর্মকর্তাসহ হাতে গোনা কয়েকজন ব্যক্তি অর্থনৈতিক সুবিধা নেয়ার কারণেই নগরী যানজট মুক্ত করা যাচ্ছেনা।

    বক্তরা আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় জেলা প্রশাসক যানজট নিরসনে অটোরিকশা কমিয়ে ৭ হাজারে আনা হবে জানালেও দৃশ্যমান কোন কিছুই লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। সিটি করপোরেশন এক্ষেত্রে উদাসীন। নিয়ম বহির্ভূত পার্কিং জোন ছাড়া মেইন সড়কের পাশে বহুতল ভবন নির্মান, যত্রতত্র পার্কিং যানজটের অন্যতম কারন। বিশেষ করে খোলার দিনগুলোতে স্কুল ছুটির পর শহর এক প্রকার অচল হয়ে পরে। সড়কে ভোগান্তি কমাতে দ্রুত প্রদক্ষেপ গ্রহণ করুন। অন্যথায় আমরা রাস্তায় নেমে পড়বো।

    এই শহরে যানবাহনে চাঁদাবাজী চলবে না ঘোষণা দিয়ে বক্তরা বলেন, চকবাজার, কান্দিরপাড়, শাসনগাছা, টমছমবীজ ও জাঙ্গালীয়ায় কারা চাঁদা তোলেন আমরা জানি। এই টাকার ভাগ কে কে পান তাও আমরা জানি। আজকের পর থেকে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে না এলে এবং চাঁদাবাজী বন্ধ না হলে, আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ করে তা প্রকাশ করে দিবো।

    যানজট নিরসনে ১০ দাবি:
    ১। কুমিল্লা শহরে সীমিত সংখ্যক অটো এবং মিশুক চলতে পারবে এবং তাদেরকে চিহ্নিত করতে নিদিষ্ট ড্রেস ও আইডি কার্ড প্রদান করতে হবে
    ২। প্রত্যেক রোডের ভাড়া প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারণ চার্ট আকারে প্রকাশ করতে হবে।
    ৩। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে ট্রাফিক সহায়তাকারী নিয়োগ প্রদান করতে হবে।
    ৪। অবৈধ পার্কিং ও ফুটপাত স্থায়ীভাবে অপসারণ করতে প্রতিনিয়ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।
    ৫। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ভোটার ব্যতীত কেউ অটো বা মিশুকের মালিক হতে পারবে না। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ একটি অটো বা মিশুকের মালিক হতে পারবেন।
    ৬। নির্ধারিত অটো এবং মিশুক নিদিষ্টস্থানে দাঁড়িয়ে যাত্রী উঠা-নামা করাবে। প্রয়োজনে তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
    ৭। চিহ্নিত (ড্রেস পড়া) অটো এবং মিশুক চালকদের প্রশাসন কর্তৃক অহেতুক ভুগান্তি করা যাবে না।
    ৮। চুরি, ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশের টহল টিম বাড়াতে হবে।
    ৯। শহরের যেসব রোডের অবস্থা বেহাল, সে সব রোড দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার করাতে হবে।
    ১০। উল্লেখিত দাবিসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অথবা সমপর্যায়ের কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে প্রধান করে একটি টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করে দিতে হবে।

  • ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ড্রাম ট্রাকের চাপায় নিহত ইকবাল, প্রশ্ন আয়নীয় পদক্ষেপে

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ড্রাম ট্রাকের চাপায় নিহত ইকবাল, প্রশ্ন আয়নীয় পদক্ষেপে

    স্টাফ রিপোর্টারঃমো: সোহেল রানা
    ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের একটি ড্রাম ট্রাকের চাপায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম ইকবাল, পিতা মৃত হাসেম কবিরাজ। তিনি বরিশাল জেলার চাখার গ্রামের বাসিন্দা।

    ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার রাত বারোটা বাজে যাত্রাবাড়ী কলাপট্টি এলাকায় ঘটনা ঘটে (২৪ অক্টোবর ২০২৫) দুপুর ১২টার দিকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের একটি ড্রাম ট্রাক বেপরোয়া গতিতে চলার সময় ইকবালকে চাপা দেয়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

    নিহতের মৃত্যুর ঘটনায় জিডি নম্বর ২৭১৪, তারিখ ২৪/১০/২৫ এ মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

    ঘটনাস্থলে থাকা ট্রাকটির হেল্পার মোহাম্মদ রুবেল মিয়া (২৬), যিনি কুমিল্লা জেলার দলপুরের স্থায়ী বাসিন্দা এবং বর্তমানে ঢাকার স্টাফ কোয়ার্টারে বসবাস করেন, তিনিই নাকি ঘটনাস্থলে ট্রাকটি চালাচ্ছিলেন। জানা গেছে, তিনি একজন অদক্ষ হেল্পার, তবুও নিয়মিত ট্রাক চালানোর কাজে নিয়োজিত ছিলেন।

    স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অনেক ট্রাকই অদক্ষ হেল্পার বা চালকদের দ্বারা পরিচালিত হয়, যার কারণে বারবার এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটছে। কিন্তু তবুও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনও কার্যকর বা আইনানুগ পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। উল্টো তরঙ্গ টিভির প্রতিনিধির পর সিটি কর্পোরেশন লোকজন হামলা করে। দেশ আজ কোথায়? নিউজ করাতে সিটি কর্পোরেশনের লোকজন একজন সাংবাদিককে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করে।

    ফলে দিন দিন বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা, আর নাগরিকদের মনে প্রশ্ন—
    “এই বেপরোয়া ট্রাকচালনা রোধে কখন জবাবদিহি হবে?”