Category: Uncategorized

  • সরকারি চাকুরি করেও প্রাইভেট হাসপাতালের মালিক, তদন্তে প্রমাণ মেলায় ডা. ইসমাইলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    সরকারি হাসপাতালে চাকুরি করেও প্রাইভেট হাসপাতালের মালিকানা থাকার অভিযোগের প্রমাণ মেলায় বিভাগীয় মামলা হয়েছে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক্স) ডা. মো. ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি সরেজমিনে পরিদর্শন ও তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে এই বিভাগীয় মামলা করেছে।

    জানা যায়, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে চাকুরি করলেও ডা. ইসমাইল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সরকারি হাসপাতালের উল্টো দিকে রাস্তার ওপারেই গড়ে উঠা ম্যাক্স হাসপাতালে মালিকানা রয়েছে। এনিয়ে সম্প্রতি কয়েকজন ব্যক্তি জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হারুনুর রশীদকে লিখিত অভিযোগ দিলে তা তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানান। এর প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি তাদের তদন্ত এর সত্যতা পেলে ডা. ইসমাইলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে।

    গত ৫ জুলাই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী সাক্ষর করেছেন। প্রজ্ঞাপনে তাকে পত্রপ্রাপ্তির ১০ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত অথবা উপযুক্ত দণ্ড প্রদান করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

    এদিকে, ম্যাক্স হাসপাতাল ছাড়াও জেলা হাসপাতালের বিপরীতে থাকা আরেকটি প্রাইভেট ক্লিনিকে তার শেয়ার রয়েছে, এমন অভিযোগ রয়েছে। এমনকি গর্ভমেন্ট অর্ডার (জিও) ও নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) ছাড়াই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে বিদেশ ভ্রমণের অভিযোগ রয়েছে। এনওসি ও জিও ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা বিদেশ গেলে, তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী শাস্তির মুখোমুখি হতে পারে, যার মধ্যে চাকরিচ্যুতিও অন্তর্ভুক্ত। অনুমতি ছাড়া বিদেশ যাওয়াকে সরকারকে ধোঁকা দেওয়া এবং তথ্য গোপন করে পাসপোর্ট গ্রহণের অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    জানা যায়, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক্স) ডা. মো. ইসমাইল হোসেন গতবছরের ০৩ সেপ্টেম্বর থেকে ০৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৭ দিন অবস্থান করেছিলেন ইউরোপের দেশ স্পেনে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ০৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে স্পেনগামী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে স্পেন যান ডা. ইসমাইল হোসেন। ০৯ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের একটি বিমানে স্পেন থেকে দুপুর ১২টায় ঢাকায় এসে পৌঁছান তিনি।

    গর্ভমেন্ট অর্ডার (জিও) ও নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) ছাড়াই তিনি এই ভ্রমণ করেন। এছাড়াও ইমিগ্রেশন পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়, ডা. ইসমাইল হোসেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে চীন, একই বছরের ফেব্রুয়ারীতে সংযুক্ত আরব আমিরাত, ২০২৩ সালে মিশর, ২০১৭ সাল থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ছয় দফায় বিদেশ ভ্রমণ করেন।

  • রায়গঞ্জে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু

    রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা :

    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে রিয়াদ (১১) নামে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের বৈকুণ্ঠপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত রিয়াদ বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের সাইদুল ইসলামের ছেলে। সে স্থানীয় বৈকুণ্ঠপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে মাছ ধরছিল রিয়াদ। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে স্বজনরা মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

    রিয়াদের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেশীরা জানান, রিয়াদ শান্ত স্বভাবের ও মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। তার এ অকাল মৃত্যুতে গ্রামের সবাই মর্মাহত।

    রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসানুজ্জামান বলেন, বজ্রপাতে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনার সম্পর্কে বিস্তারিক জানতে ফোর্স পাঠানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

  • সলঙ্গার কুতুবের চর মৎস্য আড়ৎ খাস ইজারাভুক্তি না হওয়ায় সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

    সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানার ঘুড়কা ইউনিয়নের কুতুবের চর মৎস্য আড়ৎকে সরকারিভাবে খাস ইজারাভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় মৎস্য আড়তদার সমবায় সমিতির সদস্য ও এলাকাবাসী।দীর্ঘদিন ধরে সকল শর্ত পূরণ করেও আড়ৎটি সরকারি খাস ইজারার আওতায় না আসায় তারা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।
    জানা যায়,বাসুদেবকোল মৌজার কুতুবের চর এলাকায় ২৫ জন ব্যবসায়ীকে নিয়ে “কুতুবের চর মৎস্য আড়তদার সমবায় সমিতি লিমিটেড” গঠন করা হয়।পরে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর সমিতিটি নিবন্ধন লাভ করে। নিবন্ধন নম্বর-০০২৭।
    মৎস্য আড়ৎ ও হাট পরিচালনার স্বার্থে সমিতির পক্ষ থেকে সরকারকে ৩০ শতক ভূমি লিখিতভাবে প্রদান করা হয়েছে।এছাড়াও সমিতির উদ্যোগে ব্যক্তি মালিকানাধীন ২ দশমিক ০৭ একর লিজকৃত জমির ওপর আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন মৎস্য আড়ৎ গড়ে তোলা হয়েছে।
    সমিতির সদস্যরা নিজেদের অর্থায়নে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে মাটি ভরাট, শেড নির্মাণ,পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, যানবাহন পার্কিং, টয়লেটসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করেছেন।ফলে আড়ৎটি বর্তমানে উত্তরাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাছ বেচাকেনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
    প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ মেট্রিক টন মাছ এখানে আসে।নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পাইকার ও ব্যবসায়ীরা মাছ ক্রয়-বিক্রয় করতে পারায় আড়ৎটির সুনাম দিন দিন বাড়ছে।প্রতিদিন এখানে প্রায় ১ কোটি ৩০-৪০ লাখ টাকার মাছ বেচাকেনা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
    এলাকাবাসীর দাবী,এই মৎস্য আড়ৎকে কেন্দ্র করে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।যা স্থানীয় অর্থনীতি ও মানুষের জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে।
    আড়ৎটির কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সংশোধনী নিবন্ধন নং ০২ এর মাধ্যমে রায়গঞ্জ,সিরাজগঞ্জ সদর,কামারখন্দ, উল্লাপাড়া ও তাড়াশ এই ৫ উপজেলার সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।বর্তমানে সমিতির সদস্য সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৬।

    স্থানীয়দের অভিযোগ,রহস্যজনক কারণে এখনও সরকারি খাস ইজারার আওতায় আনা হয়নি আড়ৎটি।এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
    এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আব্দুল খালেক পাটোয়ারী জানান,কুতুবের চর মৎস্য আড়তটির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি রিট-পিটিশন দায়ের করা আছে। নিষ্পত্তি হলে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কুতুবের চর মৎস্য আড়ৎকে খাস ইজারাভুক্ত করার দাবী জানিয়েছেন সমিতির সদস্য ও এলাকাবাসী।

  • দীঘিনালাতে ইয়াবা সেবনের দায়ে মাদক সম্রাট রিপনের তিন মাসের কারাদণ্ড

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
    খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী পুরাতন বাজার এলাকায় ইয়াবা সেবনের দায়ে এক যুবককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দীঘিনালা থানা পুলিশের সহযোগিতায় পরিচালিত অভিযানে বোয়ালখালী পুরাতন বাজার এলাকার সড়ক থেকে মো. রিপন (২৫) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। তিনি বোয়ালখালী পুরাতন বাজার এলাকার মৃত ফয়েজ আহাম্মদের ছেলে।

    দীঘিনালা থানা পুলিশ জানায়, সাজা কার্যকরের জন্য দণ্ডপ্রাপ্তকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। মাদক সেবন, বহন কিংবা বিক্রির সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • দীঘিনালা সেনাবাহিনী উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

    খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

    খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বন্যাকবলিত কোবাখালী এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন।

    সাম্প্রতিক বন্যায় দুর্ভোগে পড়া স্থানীয় মানুষের মাঝে দীঘিনালা জোনের পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
    একই সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

    বুধবার (৮ জুলাই) দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল আমিন, এসইউপি, পিএসসি বন্যাকবলিত কোবাখালী এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের দুর্ভোগ ও প্রয়োজনের কথা শোনেন এবং সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে কোবাখালী এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অনেক পরিবার চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে দীঘিনালা জোনের এ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম দুর্গত মানুষের মাঝে স্বস্তি এনে দিয়েছে।
    দুর্যোগকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম স্থানীয় জনগণের মধ্যে আস্থা ও নিরাপত্তাবোধ জোরদার করেছে। বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাসও প্রদান করা হয়েছে।

  • নোয়াখালীতে অধ্যক্ষের কক্ষ খুলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বদলের অভিযোগ, চৌধুরীহাট ডিগ্রি কলেজ সভাপতির বিরুদ্ধে


    নোয়াখালী প্রতিনিধি:

    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চৌধুরীহাট ডিগ্রি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে গভীর বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

    কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি অ্যাডভোকেট আজম খানের বিরুদ্ধে একক সিদ্ধান্তে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পরিবর্তনের চেষ্টা, অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়াই তার কক্ষ খোলা, গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্রে হস্তক্ষেপ এবং কলেজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে নতুন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নাম ঘোষণা করার অভিযোগ উঠেছে।

    এসব অভিযোগ করেছেন কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য সাইফুল্লাহ সোহাগ। একই অভিযোগের বিষয়ে গভর্নিং বডির আরও দুই সদস্য এবং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ শাদীও অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

    তবে অভিযোগ অস্বীকার বা ব্যাখ্যা জানাতে অভিযুক্ত সভাপতির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
    পরিচালনা কমিটিকে উপেক্ষা করার অভিযোগ
    গভর্নিং বডির সদস্য সাইফুল্লাহ সোহাগ বলেন, কলেজের পরিচালনা কমিটিতে মোট ১৪ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে দুইজন প্রবাসে অবস্থান করছেন। তার অভিযোগ, সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অ্যাডভোকেট আজম খান গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলোতে অন্য সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করে এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করে আসছেন।

    তিনি বলেন, “প্রতিটি গভর্নিং বডির সভায় সভাপতি নিজের প্রস্তাবই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে চাপিয়ে দিতে চান। সদস্যদের মতামত নেওয়ার পরিবর্তে তিনি সরাসরি রেজুলেশন করতে বলেন।”

    সাইফুল্লাহ সোহাগের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২০জুন ২০২৬ অনুষ্ঠিত গভর্নিং বডির সভায় সভাপতি কোনো পূর্ব আলোচনা ছাড়াই বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ শাদীকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে শাহ আলামকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করার প্রস্তাব দেন।

    তিনি দাবি করেন, উপস্থিত সদস্যরা ওই প্রস্তাবে সম্মতি না দিয়ে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও আলোচনার অনুরোধ জানান। কিন্তু সভাপতি একই প্রস্তাবে অনড় থাকেন।

    পরে সদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি সভা ত্যাগ করেন।
    এমপির হস্তক্ষেপের চেষ্টা
    অভিযোগকারী জানান, পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে গভর্নিং বডির কয়েকজন সদস্য বিষয়টি নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলামের নজরে আনেন। তিনি বিষয়টি শুনে পরিচালনা কমিটির সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে আইনানুগ সমাধানের আশ্বাস দেন।

    অভিযোগে বলা হয়, ৭ জুলাই সভাপতি অ্যাডভোকেট আজম খান সারাদিন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ শাদীকে বিভিন্নভাবে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। তাকে স্বেচ্ছায় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে শাহ আলামকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

    তবে শেখ শাদী পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়া এমন কোনো পদক্ষেপ নিতে রাজি হননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সাইফুল্লাহ সোহাগের অভিযোগ, ওইদিন রাত প্রায় ৮টার দিকে কলেজের অফিস সহকারী ও নৈশপ্রহরীর সহযোগিতায় অধ্যক্ষের কক্ষ খোলা হয়।

    তিনি দাবি করেন, অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়াই কক্ষে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক নথিপত্র, ফাইল ও অন্যান্য কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়। এছাড়া অধ্যক্ষের সরকারি সিল ও প্যাড ব্যবহার করে শেখ শাদীকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি এবং শাহ আলামকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

    পরবর্তীতে কলেজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে শাহ আলামকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি পোস্ট প্রকাশ করা হয়, যা অভিযোগকারীদের মতে সম্পূর্ণ অবৈধ এবং পরিচালনা কমিটির অনুমোদনবিহীন।

    গভর্নিং বডির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম বলেন,
    “দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অনুমতি ছাড়া রাতের বেলায় তার কক্ষ খোলা এবং দাপ্তরিক নথিপত্রে হস্তক্ষেপ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। এটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”
    গভর্নিং বডির আরেক সদস্য কবির আহমদ বলেন,
    “যখন বিষয়টি নিয়ে সংসদ সদস্য সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন, তখন তার আগেই এককভাবে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া পরিচালনা কমিটির নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। একজন সদস্য হিসেবে আমি এতে বিব্রত।”

    বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ শাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়গুলো স্বীকার করে বলেন, পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়া দায়িত্ব ছাড়তে তিনি রাজি হননি। এরপর তার অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

    শিক্ষা প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ বা অপসারণের ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রযোজ্য বিধিমালা এবং গভর্নিং বডির অনুমোদিত সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া দায়িত্ব পরিবর্তন করা হলে তা প্রশাসনিক ও আইনি প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

    এছাড়া অনুমতি ছাড়া কোনো কর্মকর্তার দাপ্তরিক কক্ষে প্রবেশ, সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক নথিপত্রে অননুমোদিত হস্তক্ষেপ কিংবা সিল-প্যাড ব্যবহার করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ।

    এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে গভর্নিং বডির সভাপতি অ্যাডভোকেট আজম খানকে ফোন করা হলে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তিনি কল কেটে দেন। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

    উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অভিযোগকারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

  • শিবগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে এসকাফ সিরাপসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের আব্দুলপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯২ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় Eskuf সিরাপসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৫, সিপিসি-১। র‍্যাব জানায়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) নিয়মিত টহল ও মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিবগঞ্জ থানাধীন শাহাবাজপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুলপাড়া (সোনামসজিদ স্থলবন্দর) এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে কবির এন্টারপ্রাইজ অফিসের পূর্ব পাশে ফাঁকা জায়গা থেকে মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থানরত মো. আল আমিন ইসলাম ওরফে আলামিন (১৯)-কে আটক করা হয়। তিনি শাহাবাজপুর ইউনিয়নের বালিয়াদিঘী মধ্যপাড়া গ্রামের ফজলু মমিনের ছেলে। পরে তার হেফাজতে থাকা একটি প্লাস্টিকের বস্তা তল্লাশি করে ৯২ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় Eskuf সিরাপ উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত আলামতসহ তাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
    র‍্যাব-৫ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেসার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত


    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

    “গতিসীমা মেনে চলি, সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের পেশাগত দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেসার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ বুধবার ০৮ জুলাই সকাল ১০:০০ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ (BRTA) যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ-এর পরিচালক (অডিট ও আইন) (যুগ্মসচিব) জনাব রুবাইয়াৎ-ই-আশিক।

    প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী।

    আরো উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব আনিসুর রহমান চাঁপাইনবাগঞ্জ,
    সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) বিআরটিএ শাহজামান হক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ,
    মেডিকেল অফিসার ডা: রাকিবুল ইসলাম,
    টি আই ২ আজিজ ফেরদৌস,মোটরযান পরিদর্শক বি আরটি এর রাসন চাকমা, সাজেদুল ইসলাম মেকানিক্যাল এসিস্ট্যান্ট বিআরটিএ চাঁপাইনবাবগঞ্জ,

    সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) বিআরটিএ চাঁপাইনবাবগঞ্জ,এর শাহজামান হক, কর্মশালায় বক্তব্য বলেন সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে চালকদের গতিসীমা মেনে চলা, ট্রাফিক আইন ও সংকেত যথাযথভাবে অনুসরণ করা এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে আরও বেশি যত্নবান ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। উক্ত রিফ্রেসার প্রশিক্ষণে জেলার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পেশাজীবী গাড়ি চালক অংশ নেন ৬১ জন।

  • বিশ্বনাথে পণ্ডিত ছিপত আলী মেমোরিয়াল স্কুলে বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ।

    বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:

    বিশ্বনাথ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পণ্ডিত ছিপত আলী মেমোরিয়াল স্কুলের বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানটি বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে স্কুল প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
    বৃক্ষপ্রেমিক আব্দুল গফ্ফার উমরা মিয়ার সভাপতিত্বে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান অমির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. লুৎফুর রহমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের সকলকে পড়ালেখার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজেদের পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ক্রিড়া চর্চা শিক্ষার্থীদের মন ও শরীর গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।’
    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোপাল চন্দ্র সূত্রধর, বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজীদয়াল উদ্দিন তালুকদার, বিএডিসির কর্মকর্তা নাজমুল হক।
    এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষানুরাগী আব্দুল মান্নান রিপন, জাহাঙ্গ

  • সাইফুল ইসলাম সাইফের নির্দেশনায় রুবি গেইট এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার, স্থানীয়দের প্রশংসা

    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

    চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও সাবেক ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম সাইফের নির্দেশনায় নগরীর রুবি গেইট এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ড্রেনের মুখ পরিষ্কার করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেছে পাঁচলাইশ থানা ছাত্রদল।
    পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে পাঁচলাইশ থানা ছাত্রদলের সংগঠক মো. ফাহিম নিজেই ড্রেনের মুখে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করে পানি চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ করেন। এ সময় স্থানীয়রাও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
    কার্যক্রম শেষে মো. ফাহিম বলেন, “যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার কারণেই বর্ষাকালে নালা-নর্দমা বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সাইফুল ইসলাম সাইফের নির্দেশনায় এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাব।”
    এ বিষয়ে সাবেক ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাইফুল ইসলাম সাইফ বলেন, “জনগণের জন্য রাজনীতি করি। এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে মানুষের ভোগান্তি কমাতে সামান্য হলেও যদি ভূমিকা রাখতে পারি, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। জনস্বার্থে এ ধরনের সামাজিক ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
    এদিকে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই জনস্বার্থে এ ধরনের স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমকে সময়োপযোগী ও অনুসরণযোগ্য উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেছেন।