Category: Uncategorized

  • গাজীপুরের কালীগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজের নেতৃত্বে সড়কজুড়ে গণবিক্ষোভ


    গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি :

    “অ্যাকশন টু অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন”, “তুমলিয়াবাসীর অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন”, “মাদকের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন”-এমন প্রতিবাদী স্লোগানে সোমবার (৬ জুলাই) সকাল থেকে মুখর হয়ে ওঠে গাজীপুরের কালীগঞ্জ-টঙ্গী সড়ক। মাদকের বিরুদ্ধে এই কর্মসূচিতে শুধু তরুণরাই নয়, এলাকার নানা বয়সী নারী-পুরুষেরও ব্যাপক উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

    মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে কালীগঞ্জ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের তুমলিয়া সমাজ কল্যাণ সংঘ, তুমলিয়া গ্রামবাসী এবং যুব সমাজের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় গণবিক্ষোভ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি।

    বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সকলের হাতে ছিল নানা ধরনের সচেতনতামূলক প্ল্যাকার্ড। সেগুলোতে লেখা ছিল- “মাদকমুক্ত সমাজ, আমাদের অধিকার”, “মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান, দেশের যুবসমাজকে বাঁচান”, “নেশা ছেড়ে কলম ধরো, আগামী দিনের দেশ গড়ো”, “মাদক ব্যবসায়ী হুঁশিয়ার, তুমলিয়া ছাড়ো এবার”, “মাদকের সিন্ডিকেট ভাঙুন, আমাদের সন্তানদের জীবন বাঁচান”, “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করো, মাদক ব্যবসায়ীদের দমন করো”, “মাদকের কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও”, “তারুণ্যের শক্তি, মাদক থেকে মুক্তি”, “তারুণ্যের শক্তি দিয়ে মাদক রুখে দেব”, “মাদক ছাড়ো, নয়তো তুমলিয়া ছাড়ো”, “মাদকের বিরুদ্ধে শুধু আজ নয়, প্রতিদিন যুদ্ধ”, “মাদককে না বলুন, সুস্থ জীবন গড়ুন”, “সবাই মিলে শপথ করি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি”, “মাদক ধ্বংস করে জীবন” এবং “মাদক নয়, মেধা চাই; সুস্থ জাতি গড়তে চাই”।

    পরে অংশগ্রহণকারীরা কালীগঞ্জ-টঙ্গী সড়কসহ আশপাশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিল চলাকালে মাদকের বিস্তার রোধ এবং সমাজকে মাদকমুক্ত করার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

    কর্মসূচি শেষে সড়কের পাশে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে যুব সমাজের প্রতিনিধি ও এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার ও সমাজকেও ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। তাই মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যকর ভূমিকারও আহ্বান জানান তারা।

    সমাবেশে উপস্থিত সবাই মাদকমুক্ত তুমলিয়া এবং একটি সুস্থ, নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ গ্রহণ করেন।

  • ভারতের মদদপুষ্ট আওয়ামী ফ্যাসিবাদ দমনে কঠোর হোন:- জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ

    স্টাফ রিপোর্টার- যাত্রাবাড়ি, ঢাকা :

    সাভারে এনসিপির সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতিতে ভারতের মদদপুষ্ট আওয়ামী ফ্যাসিবাদ দমনে সকলকে কঠোর হওয়ার আহ্বান করেন ।
    গতকাল সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভারের তারাপুর ঈদগাহ মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সমাবেশে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বোমা হামলার ঘটনায় জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান এবং সদস্য সচিব ডা. নাবিল আহমেদ গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

    বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা ভারতের মাটিতে ঘাঁটি স্থাপন করে সামাজিক মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদী সহিংসতার হুমকি দিয়ে আসছে। দেশেও বেসরকারি টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও টকশোতে এই সন্ত্রাসবাদের সমর্থনে জুলাই বিপ্লব বিরোধী ঘৃণামূলক অপপ্রচার ও কুৎসা রটনা করা হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপির সমাবেশে বিদ্যুৎ বন্ধ করে বোমা হামলার ঘটনা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এই ঘটনার পর সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

    তারা বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কোনো রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে এ ধরনের নাশকতামূলক হামলা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। সন্ত্রাসবাদী আইনে নিষিদ্ধ ঘোষিত গোষ্ঠীর সন্ত্রাস, বোমা হামলা বা সহিংসতাকে বিনা চ্যালেঞ্জে মেনে নেওয়া যায় না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় সরকারের স্বদিচ্ছা ও সামর্থকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

    তারা বলেন, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ অবিলম্বে এই হামলার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক সন্ত্রাসী, পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা এবং মদদদাতাকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছে। একই সঙ্গে একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও কার্যকর তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনা করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করেন।

    নেতৃদ্বয় আরও বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো সব রাজনৈতিক দল ও নাগরিকের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ভারতের মদদপুষ্ট কোনো ফ্যাসিবাদী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন ভয়-ভীতি, সন্ত্রাস ও নাশকতার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনকে অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে জন্য সরকারকে সতর্কতামূলক আগাম কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ বিশ্বাস করে, পতিত ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসী তৎপরতাকে সাংবিধানিকভাবে নিষিদ্ধ করে আইনের কার্যকর প্রয়োগ, ফ্যাসিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা এবং গণতান্ত্রিক শক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই দেশে একটি নিরাপদ, স্থিতিশীল ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

  • বুড়িচংয়ে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও ঋণের চেক বিতরণ

    বুড়িচং
    (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    ‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ; সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা এবং সমবায়ীদের মাঝে ঋণের চেক, গাছের চারা ও সম্মাননা ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়।

    সোমবার (৬ জুলাই) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) বুড়িচংয়ের যৌথ আয়োজনে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদের প্রশিক্ষণ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানভীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিআরডিবির চেয়ারম্যান মো. কবির হোসেন ভূঁইয়া।

    সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. রাসেল সারওয়ার। উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ, বুড়িচং প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী খোরশেদ আলম, পয়াত কৃষক সমবায় সমিতির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান, গোপীনাথপুর কৃষক সমবায় সমিতির প্রতিনিধি মো. নজরুল ইসলাম এবং বুড়িচং পূর্ব মধ্যপাড়া কৃষক সমবায় সমিতির প্রতিনিধি ডা. গোলাম রাব্বাবী।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মো. মীর হাসান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাখাওয়াত আহমেদ, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফওজিয়া আক্তার, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা, ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আজিজুর রহমান, সহকারী সমবায় কর্মকর্তা মোসা. মাহমুদা আক্তার, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জাবেদ কাউছার সবুজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া, বিআরডিবির হিসাবরক্ষক সুজিত কুমার মজুমদারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সমবায়ী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

    আলোচনা সভা শেষে সমবায়ীদের মাঝে ঋণের চেক, বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা এবং সম্মাননা ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়।

  • আশুগঞ্জে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় এপিএসসিএল প্রকৌশলীর স্ত্রী নিহত, চালক আটক


    রিপোর্টার :

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের গোলচত্বর এলাকায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী এক নারী নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত নারী আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেডের (এপিএসসিএল) নির্বাহী প্রকৌশলী আমজাদ হোসেনের স্ত্রী বলে জানা গেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে নির্বাহী প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার উদ্দেশ্যে ভৈরবের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মহাসড়কের আশুগঞ্জ গোলচত্বর এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগামী কাভার্ডভ্যান তাদের মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই ওই নারীর মৃত্যু হয়।

    দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশ। তারা নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘটনার সাথে জড়িত কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করাসহ এর চালককে আটক করতে সক্ষম হয়।

    খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের দেওয়ান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “দুর্ঘটনার পরপরই কাভার্ডভ্যানের চালককে আটক করা হয়েছে এবং গাড়িটি আমাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”

    মর্মান্তিক এই সড়ক দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয়রা।

  • জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু

    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

    হাটহাজারী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ও নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু বলেছেন, “জুলাই আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। এই মাস শুধু একটি আন্দোলনের স্মৃতি নয়, বরং অন্যায়, নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে মানুষের সাহস, আত্মত্যাগ এবং ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের প্রতীক। জুলাই আমাদের শিখিয়েছে—দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রয়োজন হলে মানুষ সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতেও পিছপা হয় না।”
    তিনি বলেন, “যারা দেশের মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং একটি সুন্দর ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না। জুলাইয়ের শহিদরা আমাদের বিবেক, আমাদের অনুপ্রেরণা এবং আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার পথপ্রদর্শক। তাঁদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত চেতনা আমাদের সবসময় সত্য, ন্যায় ও জনকল্যাণের পথে চলার শক্তি জোগাবে।”
    বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু আরও বলেন, “জুলাইয়ের চেতনা কেবল আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। এই চেতনাকে আমাদের ব্যক্তি জীবন, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং রাজনৈতিক আদর্শে ধারণ করতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের সেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার মধ্য দিয়েই শহিদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব।”
    তিনি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা আহত হয়েছেন, তাঁদের ত্যাগও কোনো অংশে কম নয়। অনেকেই স্থায়ীভাবে শারীরিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন, আবার অনেক পরিবার আজও সেই ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে। তাঁদের প্রতি রাষ্ট্র, সমাজ এবং আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। আহতদের উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সবাইকে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে। তাঁদের পাশে দাঁড়ানো মানে শুধু একজন মানুষকে সহায়তা করা নয়, বরং জুলাইয়ের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো।”
    তিনি আরও বলেন, “নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাইয়ের প্রকৃত ইতিহাস, আত্মত্যাগ এবং গণমানুষের সংগ্রামের কথা তুলে ধরতে হবে। যেন তারা দেশপ্রেম, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখতে পারে।”
    শেষে বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত সকল শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা, দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করে তিনি বলেন, “জুলাইয়ের আত্মত্যাগ আমাদের কাছে এক পবিত্র আমানত। এই চেতনা বুকে ধারণ করে দেশ, সমাজ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করাই হবে শহিদদের প্রতি আমাদের প্রকৃত শ্রদ্ধা।”

  • হালুয়াঘাটে মাদকের ভয়াবহ রূপ:দর্শারপাড়ে বিপথগামী অপ্রাপ্তবয়স্করা

    হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

    ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার দর্শারপাড় এলাকায় মাদকের বিস্তার দিন দিন ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এলাকার ১১ থেকে ১৬ বছর বয়সী অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর ও যুবসমাজ এই মরণনেশায় জড়িয়ে পড়ছে। মদ, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সেবনের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এলাকায় অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের রমরমা ব্যবসা।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দর্শারপাড় এলাকায় দেশি মদের প্রাপ্যতা অনেক বেশি। এলাকার কিছু উপজাতি পরিবার কেবল নিজেরা মদ পান করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না, তারা বাণিজ্যিকভাবে এই মদ তৈরি ও বিক্রি করছে। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই দর্শারপাড় এলাকায় বহিরাগত মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়ে যায়। মদ পান করে রাস্তাঘাটে মাতলামি এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে এলাকার সামাজিক পরিবেশ যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি ক্ষুণ্ন হচ্ছে দীর্ঘদিনের সুনাম।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন
    আমাদের এলাকার ছোট ছোট ছেলেরা মদের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। সন্ধ্যার পর বাইরে বের হওয়াই দায় হয়ে গেছে। বহিরাগতরা এসে মদ খেয়ে মাতলামি করে। আমরা সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম আতঙ্কে আছি।”

    পাশাপাশি এলাকায় বেশ কয়েকজন গাঁজা ব্যবসায়ী সক্রিয় থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। কিশোরদের হাতে সহজে মাদক পৌঁছে যাওয়ায় ধ্বংসের মুখে পড়ছে আগামী প্রজন্ম।

    এলাকার সচেতন মহলের দাবি, এই সামাজিক অবক্ষয় রুখতে এবং দর্শারপাড়ের শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের কঠোর ও দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি। বিশেষ করে উপজাতি পরিবারগুলোকে প্রশাসনের মাধ্যমে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া এবং মাদক বিক্রির আস্তানাগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানো এখন সময়ের দাবি।

  • পুঠিয়ার পাইকপাড়া ভূমি অফিসে দুর্নীতি


    রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি :

    অনলাইনে নামজারির আবেদনের পর প্রাথমিক কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের মূল দায়িত্ব ইউনিয়ন ভূমি অফিসের। কিন্তু এই কাজটিকে বাণিজ্যে পরিণত করেছেন তহশিলদার সুফি এবরার আহমেদ বকসী।

    তিনি জাকির হোসেন নামের এক বহিরাগত দালালের মাধ্যমে নামজারি প্রতি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা নিচ্ছেন। জাকির হোসেন ভূমি অফিসের কোনো বৈধ কর্মচারী না হলেও তিনি প্রতিনিয়ত অফিসে উপস্থিত থাকেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাকির নিজেকে “উন্নয়ন খাতে কর্মরত” বলে দাবি করে অফিসের সব গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করছেন।

    এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) সুফি এবরার আহমেদ বকসী নিজের অনৈতিক সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেন। তবে অফিসে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি পরোক্ষভাবে স্বীকার করে তিনি বলেন,
    “আমার অফিসে দুজন সহকারী রয়েছে। তাদের ঘুষ নেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।”

    অনুসন্ধানে জানা যায়, তহশিলদার সুফি এবরার আহমেদের বিরুদ্ধে এর আগেও। সরকারি খাস জমি ব্যক্তিমালিকানায় পাইয়ে দিয়ে মোটা অঙ্কের উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে।

    উপজেলার ধোপাপাড়া মৌজার (জে.এল নম্বর ৩৯) আওতায় ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত মোট ৯টি দাগে (২৮০১, ২৮০২, ২৮০৩, ২৮০৪, ২৮০৫, ২৮০৬, ২৮১০, ২৭২৭ ও ২৭৩০) প্রায় ২৫ বিঘা (৮.২৭ একর) সরকারি ধানী জমি রয়েছে। অথচ মোটা অঙ্কের সুবিধা নিয়ে মৃত আলীমুদ্দিনের ছেলে শাহিদুল ইসলাম ওরফে সাইদুর রহমানকে জমিগুলো একচ্ছত্র দখলের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। শাহিদুল বছরের পর বছর ধরে ওই খাস জমিতে পুকুর খনন করে ব্যক্তিগত সম্পদের মতো ভোগদখল করছেন।

    অভিযোগ রয়েছে, দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে সুফি এবরার আহমেদ বকসী রাজশাহীর বিভিন্ন স্থানে বিপুল সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মহানগরীর একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে বসবাস করেন, যা তিনি প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে ক্রয় করেছেন বলে জানা গেছে।

    পাইকপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এই চরম অনিয়ম, দুর্নীতি ও খাস জমি দখলের বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ মহিনুল হাসান বলেন, এরকম কোন অভিযোগ আমার কাছে নাই। কেউ অভিযোগ করলে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ৯০ বছরের বৃদ্ধার স্বপ্ন পূরণে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত


    লোহাগাড়ার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

    পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের মহিরা গ্রামের সনাতনী ধর্মাবলম্বী ৯০ বছরের ঊর্ধ্বে বৃদ্ধা হাদু মালেকা’র দীর্ঘদিনের একটি ছোট্ট স্বপ্ন ছিল— নিজের বাড়িতে যাওয়ার রাস্তাটি যেন চলাচলের উপযোগী হয়।

    কিছুদিন আগে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য জননেতা আলহাজ্ব এনামুল হক এনাম এমপি মহোদয় মহিরা এলাকা পরিদর্শনে গেলে বৃদ্ধা হাদু মালেকা তাঁর হাত ধরে বাড়ির রাস্তাটি দেখিয়ে সংস্কারের আবেদন জানান। সেদিন এমপি মহোদয় তাকে আশ্বস্ত করেছিলেন – “আমি ব্যবস্থা করব।”

    আলহামদুলিল্লাহ, তিনি তাঁর সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন।
    কাবিটা প্রকল্পের আওতায় ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়ে বৃদ্ধার বাড়ির রাস্তাটি আরসিসি ঢালাই করে দিয়েছেন।

    এটাই জনসেবার রাজনীতি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই একজন প্রকৃত জনপ্রতিনিধির পরিচয়।

    মানুষের আস্থা, মানুষের ভালোবাসা— জনতার এমপি, জননেতা আলহাজ্ব এনামুল হক এনাম এমপি।

  • নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু

    হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

    হাটহাজারী উপজেলার নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের মধ্যে স্থানীয় জনমতে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন হাটহাজারী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি ও আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নিজ উদ্যোগে অংশ নিয়ে স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোর কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি পরিচিত মুখ হিসেবে বিবেচিত।
    এলাকাবাসীর সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক, সাংগঠনিক সক্রিয়তা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার কারণে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন একাধিক বাসিন্দা।
    এ বিষয়ে বখতিয়ারুল ইসলাম বাচ্ছু বলেন, “শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে রাজনীতি করছি। বর্তমানে চট্টগ্রাম-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের দিকনির্দেশনায় কাজ করে যাচ্ছি। ক্ষমতার চেয়ার নয়, জনগণের সেবক হওয়াই আমার মূল লক্ষ্য। সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।”

  • নেত্রকোনায় আমার ‘আমার গ্রাম আমার শহর ‘প্রকল্পের ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ


    দূর্জয়- নেত্রকোনা : নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার ২নং সাহতা ইউনিয়নের ডেমুরা গ্রামে ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ প্রকল্পের আওতায় ৮৫৪৫৯১০/ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৯০টি টয়লেট নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার,অপর্যাপ্ত সিমেন্ট, ত্রুটিপূর্ণ ঢালাই এবং দুর্বল কাঠামোর কারণে উদ্বোধনের আগেই অনেক টয়লেটে ফাটল ও প্লাস্টার খসে পড়ার ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বেশ কয়েকটি টয়লেটের দেয়াল ও ঢালাইয়ের অংশ হাতের চাপেই ভেঙে পড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর বিটবালু ব্যবহার এবং প্রয়োজনের তুলনায় কম সিমেন্ট দেওয়ায় নির্মাণকাজ অত্যন্ত নিম্নমানের হয়েছে। অনেক উপকারভোগী বাধ্য হয়ে নিজেদের অর্থে অতিরিক্ত দুই থেকে তিন বস্তা সিমেন্ট কিনে দিলেও কাঙ্ক্ষিত মান নিশ্চিত হয়নি। ডেমুরা গ্রামের উপকারভোগী রফিকুল ইসলাম জানান, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে নিজের টাকায় সিমেন্ট কিনে দিতে হয়েছে। এরপরও নির্মাণকাজ সন্তোষজনক হয়নি।

    স্থানীয় বাসিন্দা শামসুজ্জামান কানন বলেন, এলাকার প্রায় সব টয়লেটের কাজই নিম্নমানের হয়েছে। উদ্বোধনের আগেই অনেকগুলোতে ফাটল দেখা দিয়েছে। আমরা বারবার আপত্তি জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। অভিযোগ রয়েছে, টয়লেটের পিলারে রডের খাঁচা তৈরির পরিবর্তে কোথাও একটি মাত্র রড ব্যবহার করা হয়েছে। আবার কোথাও জিআই তার ব্যবহার করে দায়সারা কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া নিম্নমানের কাঠ ও অল্প টিন ব্যবহারের কারণে অনেক টয়লেটের ছাউনি দিয়ে শুরু থেকেই পানি পড়ছে।

    ভুক্তভোগীদের দাবি, একটি টয়লেটের দরজা ও ছাউনি নির্মাণের জন্য স্থানীয় কাঠমিস্ত্রিকে মাত্র ৪৫০ টাকা দেওয়া হচ্ছে। এত অল্প বরাদ্দে মানসম্মত কাজ করা সম্ভব নয় বলেও তারা অভিযোগ করেন।
    স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কার্যকর তদারকির অভাবেই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে সরকারি অর্থের অপচয় করছে। প্রকল্পটি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনও অনেক উপকারভোগীর বাড়িতে নির্মাণসামগ্রী পর্যন্ত পৌঁছেনি। এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. বিদ্যুৎ মিয়া বলেন, আমরা সর্বাবস্থায় কাজের তদারকি করছি। অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই। তবে অন্যদিকে স্থানীয়দের প্রশ্ন, যদি যথাযথ তদারকি থেকেই থাকে, তাহলে উদ্বোধনের আগেই কেন টয়লেটগুলোতে ফাটল ধরছে এবং প্লাস্টার খসে পড়ছে। বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের ভাষ্য, গরিব মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন এই প্রকল্পের প্রকৃত উপকারভোগীরাই।