শেখ হাসিনাকে ফেরাতে গোপন তৎপরতা’র ঘটনায় কুবিতে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন


বিজয় কুমার :
জাতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত “শেখ হাসিনাকে ফেরাতে গোপন তৎপরতা” শীর্ষক সংবাদের প্রেক্ষিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) কয়েকজন শিক্ষকের সম্পৃক্ততার অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে চার সদস্যবিশিষ্ট একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৫ই আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, গত ৪ ও ৫ আগস্ট বিভিন্ন জাতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিত মূল্যায়নের লক্ষ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন (অথবা অভিযোগে সম্পৃক্ত অন্য কেউ থাকলে) শিক্ষকের পরিচয় ও কার্যক্রম নিরূপণের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটিতে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিমকে আহ্বায়ক করা হয়েছে এবং সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মনিরুজ্জামান। এ ছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ এবং আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পিন্টু চন্দ্র পাল।

এ বিষয়ে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, “আমি কিছুক্ষণ আগেই চিঠি পেয়েছি। আমরা আগামীকাল কমিটির সবাই বসবো এবং একটা রোডম্যাপ করবো। যেভাবে করলে আমরা সঠিক তথ্য বের করতে পারবো, সেভাবেই কাজ করবো। আমরা ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেব। আমরা সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবো।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, “আজকে যে নিউজ হয়েছে, ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি সেই নিউজগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কারা কারা এটার সঙ্গে জড়িত এবং যে ১১ জনের নাম এসেছে, তারা প্রকৃতপক্ষে সংশ্লিষ্ট কি না, সেটি যাচাই করা হবে। এছাড়া কোনো নাশকতা বা পরিকল্পনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা ছিল কি না, সে বিষয়েও অভ্যন্তরীণ তথ্য বের করার চেষ্টা করবে। যদি তাদের সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ না পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গণমাধ্যমের মাধ্যমে সেটিও নিশ্চিত করবে।”

তিনি আরও বলেন, “যদি কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে প্রথমে তার কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। এরপর সেই ব্যাখ্যার ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে। সবশেষে সব প্রতিবেদন সিন্ডিকেটে উপস্থাপন করা হবে এবং সিন্ডিকেট চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।”

উল্লেখ্য, অফিস আদেশ অনুযায়ী আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কমিটিকে অনুসন্ধানপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.