ইউজিসির নির্দেশনায় গবেষণায় আলাদা বরাদ্দ নেই কুবিতে

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য অনুমোদিত ৮৩ কোটি ২৯ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার বাজেটে রাখা হয়নি কোন গবেষণা বরাদ্দ। তবে প্রশাসন বলছে, ইউজিসির নির্দেশনাতেই আলাদা কোন বাজেট রাখা হয়নি এই-খাতে। এই অর্থবছরের গবেষণা ও স্কলারশিপ খাতের বরাদ্দের নির্দেশনায় থাকবে স্বয়ং ইউজিসি।

সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এই বাজেট উপস্থাপন করেন।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশকৃত মোট বাজেটের পরিমাণ ৮৩ কোটি ২৯ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে ইউজিসি থেকে পাওয়া যাবে ৭১ কোটি ৬২ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৮ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা, প্রারম্ভিক জের হিসেবে আসবে ২ কোটি ১ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা এবং ঘাটতি বাজেট ৯০ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা।

বাজেট থেকে জানা যায়, বাজেটের সর্বোচ্চ ৬০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, যা টাকার অঙ্কে প্রায় ৫০ কোটি ৫২ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা খরচ হবে বেতন-ভাতা ও পেনশনে এবং সর্বনিম্ন শূন্য দশমিক ৫৩ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ৪৪ লক্ষ ১৪ হাজার টাকা খরচ হবে অনুদান খাতে। তবে এরমধ্যে রাখা হয়নি গবেষণা বাবদ কোন বরাদ্দ।

জানা যায়, ইউজিসি কর্তৃক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য গবেষণা ও বিদেশি বৃত্তি খাতে ২৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা ইউজিসির মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বণ্টন করা হবে এবং গবেষণা বরাদ্দের সার্বিক নির্দেশনায় থাকবে ইউজিসি।

সেজন্য ইউজিসির নির্দেশনা মোতাবেকই গবেষণায় আলাদা বরাদ্দ রাখেনি প্রশাসন। তবে ইতোমধ্যেই ইউজিসিকে সাড়ে তিন কোটির গবেষণা বরাদ্দ দেওয়ার রিকুইজিশন দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে।

যা অনুমোদিত হলে গবেষণা খাতে সাম্প্রতিক অর্থবছরগুলোর তুলনায় অনেক এগিয়ে থাকবে এই অর্থবছর। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গবেষণায় বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। ২০২৪-২৫ এ ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা, ২০২৩-২৪ এ ২ কোটি টাকা, ২০২২-২৩ এ ছিল ২ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে গবেষণায় বরাদ্দ ছিলো ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ফলে আবেদনকৃত গবেষণা বরাদ্দ মঞ্জুর হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় ইতিবাচক প্রভাব রাখবে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

মোহাম্মদ নূরুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে আলাদা করে দেয়নি, এরকম না; অন্য বিশ্ববিদ্যালয়েও দেয় নাই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য যখন বরাদ্দ হবে, তখন ওখানে তারা ডিস্ট্রিবিউশন করে দিবে।’

এ বিষয়ে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ইউজিসির কাছে আমরা ৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা চেয়েছি। আমরা আশা করছি, এটা পাবো আমরা। ইউজিসি-র কি নির্দেশনা আসবে, বা ইউজিসি-তে কিভাবে এটা ডিস্ট্রিবিউশন করবে তার আলোকে আমাদের আবার পরে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.