রানীহাটি পাড়দিয়ার গুচ্ছগ্রামে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় বৃক্ষরোপণ


মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ,প্রতিনিধি:
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সামাজিক বনায়ন জোরদারের লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার রানীহাটি পাড়দিয়ার গুচ্ছগ্রামে ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টায় রানীহাটি পাড়দিয়ার গুচ্ছগ্রামে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ‘গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শিবগঞ্জ উপজেলা সমবায় অফিস ও রানীহাটি পাড়দিয়ার গুচ্ছগ্রাম ভূমিহীন সমবায় সমিতি লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালিত হয়। কর্মসূচির আওতায় গুচ্ছগ্রামের পুকুরপাড়সহ বিভিন্ন স্থানে ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়। রানীহাটি পাড়দিয়ার গুচ্ছগ্রাম ভূমিহীন সমবায় সমিতি লিমিটেডের অধীনে বর্তমানে ১৩০টি ঘরে মানুষ বসবাস করছেন।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন জেলা সমবায় অফিসার মো. মোখলেছুর রহমান। তিনি পরিবেশ রক্ষায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা সমবায় অফিসার মো. মাহবুব আরিফ, জেলা সমবায় অফিসের সহকারী প্রশিক্ষক মো. ডলার আলী, রানীহাটি পাড়দিয়ার গুচ্ছগ্রাম ভূমিহীন সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি শ্রী ষষ্ঠী ঘোষ, সহ-সভাপতি মো. রাসেল হোসেন রাজা, সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মোসা. ফিরোজা বেগম ও শ্রী গিরু কর্মকারসহ সমিতির সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।

সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশ সুরক্ষা সম্ভব, অন্যদিকে স্থানীয় জনগণের মধ্যে গাছ লাগানো ও পরিচর্যার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান সরকারের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের লক্ষ্যের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে গুচ্ছগ্রামসহ স্থানীয় এলাকায় সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব আবাসস্থল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, রানীহাটি পাড়দিয়ার গুচ্ছগ্রাম ভূমিহীন সমবায় সমিতির অধীনে বসবাসকারী ১৩০টি পরিবারের দীর্ঘদিনের দাবি, তাদের চলাচলের জন্য একটি পাকা রাস্তার ব্যবস্থা করা। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সুদৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ কামনা করেছেন গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দারা। কর্মসূচিতে উপজেলা সমবায় অফিসের কর্মকর্তা, সমবায় সমিতির সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.