মিরপুরে আবাসিক হোটেল সেরাটনে চলছে মাদক ও ব্ল্যাকমেইল ব্যবসা

স্টাফ রিপোর্টার:

রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় একটি আবাসিক হোটেল নাম দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ ও অবৈধ ব্যবসা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘সেরাটন’ নামের এই হোটেলটি আসলে মাদক ব্যবসা এবং ব্ল্যাকমেইলিং-এর কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। হোটেলটির মালিক হাসান ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এই কার্যকলাপে লিপ্ত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হোটেলটিতে আসছে বিভিন্ন বয়সী তরুণ-তরুণী এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের সুযোগে তাদের চাঁদা আদায় ও ব্ল্যাকমেইলিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি, হোটেলটিতে নিয়মিত মাদকদ্রব্য বিক্রি ও সেবন করা হচ্ছে। এ কারণে আশেপাশের এলাকার সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ী মহল চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “এই হোটেলে নীরবভাবে মাদক বিক্রি ও ব্ল্যাকমেইলিং হচ্ছে। বহু পরিবার এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত। আমরা বারবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”

অপরদিকে, মিরপুর থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “আমরা খবর পেয়েছি, হোটেলটি বিভিন্ন অবৈধ কার্যকলাপে জড়িত। বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি দল গঠন করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযান চালিয়ে অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে।”

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী হোটেলটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, “যদি প্রশাসন অবিলম্বে ব্যবস্থা না নেয়, তবে আশেপাশের এলাকা অনিরাপদ হয়ে যাবে। হোটেলটির কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে সরকারের তৎপরতা প্রয়োজন।”

এ ঘটনা রাজধানীর মিরপুরের শান্তিপ্রিয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। নিরাপত্তা বাহিনীকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে তরুণ সমাজ এবং সাধারণ মানুষ এই ধরনের অপরাধের শিকার না হন।

নিউজটি আপনার স্যোসাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Many players prefer ultra casino because of its balance between functionality and simplicity. Avoiding overly complex menus helps users stay focused on games. This is particularly important for mobile casino players using smaller screens.